نخستین 200 خط.
ভাবানুবাদঃ রিফাত কবীর স্বর্ণা
ভাবানুবাদঃ Rifat Kabir Sharna
ভাবানুবাদঃ Rifat Kabir ,BUET
ভাবানুবাদঃ Rifat Kabir , BUET'11
এদিকে একটু তাকান।
এই যে!
তাহলে সে ওই জুতা জোড়া পরেই জাহাজে উঠেছে?
হ্যাঁ।
আর আপনি এখনও এখানেই বসে আছেন?!
আপনি নিশ্চিত যে আপনার যাওয়ার প্রয়োজন নেই?
আইনজীবী জাং!
জী?
আমি এখানে ৪০০ বছর ধরে বাস করছি।
অনেক,অনেক ঘটনাই ঘটেছে। এতটাই দুর্বিষহ যে কল্পনাও করতে পারবেন না।
মা,বাবা, আমি বাড়িতে এসে গেছি!
আমি বাড়িতে এসে গেছি! মা!
আমাদের মিস!
মালিক! আমাদের মিস ফিরে এসেছেন!
তিনি মারা যান নি, জীবিত ফিরে এসেছেন!
মালিক! দয়া করে বেরিয়ে আসুন!
মালিক!
মা!
কি হয়েছিল, আমার মেয়ে?
তুই মরে গেছিস ভেবে আমি তোর পরকালের জন্য অনেক প্রার্থনা করেছি।
তোর মুখখানা দেখতে দে।
আমি প্রায় মারাই গিয়েছিলাম,মা!
শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল।
নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে "মহামতি" উপাধি আর পুরস্কার পাওয়ার জন্য।
হায় খোদা!
তুই কোথাও ব্যথা পাস নি তো?
না, বাবা, আমি ঠিক আছি।
ওই মানুষটি আমার প্রাণ বাঁচিয়েছেন আর আমাকে এখানে ফিরে আসতে সাহায্য করেছেন।
সে আমার ত্রাতা।
আমার মেয়ের জীবন বাঁচানোর জন্য তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।
জানি না কীভাবে তোমার এ ঋণ শোধ করব।
আশা করি যতদিন এখানে থাকবে নিজের বাড়ির মতই ভেবে নেবে। দয়া করে নিশ্চিন্তে খাওয়াদাওয়া আর বিশ্রাম করবে।
কেন?...
এমন কলঙ্কিত জীবনের চেয়ে
পাকপবিত্রভাবে মরে যাওয়াই ভালো।
এটাই তো তোকে শিখিয়েছিলাম।
তুই নিজেকে কলুষিত করেছিস
আর এই বাড়ির মানসম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছিস।
এসব জেনেও, কেন তুই বাড়িতে ফিরে আসলি?
মা...
মরে যা!
আমাদের চোখে তুই তো আগেই মরে গেছিস! তাই মরে যা!
প্লিজ!
প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও!আমাকে ছেড়ে দাও!
তাড়াতাড়ি পালিয়ে যা।
যা, তাড়াতাড়ি!
তোর বাবা এসে পড়লে তুই আর আমি দু'জনেই তার হাতে মারা পড়ব।
আমি তাকে বুঝ দিয়ে এসেছিলাম যে আমিই আমাদের মেয়েকে নিজ হাতে মেরে ফেলব।
তাই এক্ষুনি চলে যা!
যে দিকে চোখ যায় চলে যা।
আর মরার মত গোপনে বেঁচে থাকিস।
মা!
কেন নাম-পরিচয়হীন এক লোককে সাথে নিয়ে আসলি?
তোর বাবার কাছে, নিজের মেয়ের জীবনের চেয়ে পরিবারের মানসম্মানই বড়।
তুই কি সত্যিই তা জানতি না?
ওই মানুষটা... আমার জীবন বাঁচিয়েছে...
মা! সে কেমন আছে? ওই মানুষটার কি হয়েছে?
সে কি এখনও মারা যায় নি?
কি ঘটছে এসব?
সে আর্সেনিক বিষ মেশানো ভাতের পরিজ খেয়েছে।
তার তো এতক্ষণে মারা যাওয়ার কথা। বুঝতে পারছি না সে কীভাবে এখনও বেঁচে আছে।
বিষ প্রস্তুতকারীরও এ ব্যাপারে কোন ধারণা নেই।
এমনকি যে ব্যথা আমি কখনোই ভুলতে পারব না ভেবেছিলাম
তাও সময়ের সাথে চলে গেছে।
আমি এত লম্বা সময় জীবনধারণ করি নি। তাই কখনো বুঝতেও পারব না।
কিন্তু বেঁচে থাকতে গিয়ে এ ধারণাটুকু অর্জন করেছি।
মানুষ...
একদিন মারা যাবে জেনেও এতটা কষ্ট করে বাঁচে।
একদিন সবকিছু ছেড়ে চলে যেতে হবে জেনেও
তারা যখন ভালোবাসে, এমনভাবে ভালোবাসে যেন আগামীকাল বলে কিছু নেই।
মানুষ এমনই ছেলেমানুষি জীব।
সময়ের সাথে সবই ঠিক হয়ে যায়।
এমনও হতে পারে যেন মনে হবে কিছুই হয় নি।
তারপরও... ভবিষ্যৎ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, বর্তমানও কি ততটা প্রয়োজনীয় নয়?
আপনি কি নিশ্চিত ওর খারাপ কিছু হয়ে গেলে
আপনি ঠিক থাকবেন?
চকলেটের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করা শিশু তারকা চেওন সং ঈ-র নাট্যজগতে অভিষেক হয়
একটি ঐতিহাসিক নাটকের মাধ্যমে যেখানে অভিনয় করা বড় বড় অভিনেত্রীদের জন্যও দুরূহ ব্যাপার ছিল।
তিনি কেন্দ্রীয় অভিনেত্রীর ছোটবেলার চরিত্রটি রূপদান করেন।
অল্প বয়সেই নিজের পরিণত আর উজ্জ্বল ভাবমূর্তি দিয়ে তিনি প্রথম সারির তারকাতে পরিণত হন।
তার অভিনীত সকল নাটক আর চলচ্চিত্রই ব্যবসাসফল হয়েছে।
এমনকি এখনও, তিনি নিজেকে "জাতির দেবী" রূপেই প্রমাণ করে চলেছেন।
আমার প্রথম প্রেম?
ওহ, একদম সস্তা প্রশ্ন হয়ে গেল!
আ, প্রথম প্রেম...
ভালো কথা, আমি বেশ কয়েকবার প্রেম করেছি,
কিন্তু এমন কেউ ছিল না যাকে "আমার প্রথম প্রেম" বলতে পারি।
তবে ছোট থাকতে একবার বড় দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলাম
কিন্তু একজন আমার জীবন বাঁচিয়েছিল।
ঠিক মনে পড়ছে না সে দেখতে সুদর্শন ছিল কি না।
তবে সে ছিল বেশ লম্বা, অমায়িক আর আন্তরিক?
সে ছিল সেরা।
অল্প সময়ের জন্য হলেও। রহস্যময় হলেও...
সে ছিল খুবই আন্তরিক।
আমার এখনও মনে পড়ে।
আমি জানি না সেই মানুষটির আমার কথা মনে আছে কি না।
কিন্তু, আমার মনে হয় আমি তাকে দেখলে ঠিকই চিনতে পারব।
নিয়তির মত।
৬০ ঘণ্টা পর-
ক্রুজ জাহাজের পার্টি থেকে একজন প্রথম সারির অভিনেত্রীর রহস্যময়ভাবে নিখোঁজ হওয়ার পর
তিনদিন ধরে সারা দেশে দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে।
আজ বিকেল ৪ টায় হান নদীতে অনুসন্ধান চালানোর সময়
সেওগাং বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিকে
একটি মৃতদেহ পাওয়া যায়।
লাশটি এখন শনাক্ত করা হচ্ছে।
অনেক রিপোর্টারই ঘটনাস্থলে জমায়েত হয়েছেন
আর কি হয়েছে তা জানার চেষ্টা করছেন।
Kim Soo Hyun (এলিয়েন দো মিন জুন)
Kim Soo Hyun (এলিয়েন দো মিন জুন) & Jun Ji-Hyun (নায়িকা চেওন সং ঈ) অভিনীত
Park Ji-eun এর চিত্রনাট্য, Jang Tae-yoo এর পরিচালনায়
কোরিয়ান ড্রামা সিরিজ বাংলায় অনুবাদের প্রথম প্রচেষ্টা :)- My Love From The Star (2013-14)
My Love From the Star এপিসোড- ৪
R K S
Rifat K S
Rifat Kabir S
Rifat Kabir Sharna
আপনারা লাশটি শনাক্ত করতে পেরেছেন?
আমরা তদন্ত করছি। আমরা এখনও তদন্ত করে যাচ্ছি।
আপনারা এমন করছেন কেন? আমি তো মারাই যাব।
আমি আর তদন্ত করব না।
আমার অভিজ্ঞতা থেকেই নিশ্চিত করে বলতে পারি, এটা আত্মহত্যা ছিল।
সে হতাশা-প্রতিরোধী ওষুধ গ্রহণ করছিল
আর মারা যাওয়ার কয়েকদিন আগেও এই বলে টুইট করেছিল যে
"এত কঠিন জীবন- আমি কি করব এখন?"
ঘটনাস্থলে থাকা সব লোকের জবানবন্দিও শুনলাম।
তারা জানাল, সে সত্যিই মাতাল ছিল। পুরাই মাতাল।
এ থেকেই তো বোঝা যায়।
এক প্রথম সারির অভিনেত্রী হতাশা কাটিয়ে উঠতে না পেরে
মাতাল হয়ে আত্মহত্যা করেছে। এই তো।
আমাদের প্রসিকিউটর নতুন এসেছেন
তাই তিনি অতিমাত্রায় আশাবাদী।
তিনি যতদূর পারেন ব্যাপারটা তদন্ত করে দেখতে চান।
আমার এলাকায় কী করে এমন ঘটনা ঘটল?
রিপোর্টারদের জ্বালায় কাজ করতে পারছি না।
আমাদের এই কেসটা তাড়াতাড়ি শেষ করতে হবে!
আপনি কি করছেন?
এই যে।
আপনি অফিসার পার্ক, তাই তো?
- দেখা পেয়ে খুশি হলাম। আমি... -জী, জানি। প্রসিকিউটর ইয়ো সুক।
আপনি কি তাড়াতাড়ি কেসটা শেষ করে দিতে পারেন না?
শোকাহত পরিবার ময়নাতদন্ত করতে চাচ্ছে না।
ফরেনসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরোধের কোন চিহ্নই নেই।
সে কোন আঘাতও পায় নি।
- এই তো। - ও তাই বুঝি?
এ থেকেই তো বোঝা যায়।
- আমার অভিজ্ঞতা থেকেই নিশ্চিত করে বলা যায় এটা... - সিসিটিভি (CCTV) দেখা থেকেই শুরু করা উচিত তো?
আমি তো এরই মধ্যে একরকম দেখেই ফেলেছি।
একরকমভাবে দেখলে তো আর হবে না।
আপনাকে এটা ভালোভাবে দেখতে হবে।
ওই দিন মোট ৭৭ জন আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।
নিজেদের পরিচয় নিশ্চিত করার পরই
তারা প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।
যার মানে ওই জায়গায় অতিথি আর কর্মীরা ছাড়া বাইরের কেউই থাকতে পারে না।
বর-কনে ছিলেন তারকা আর তাদের নিকটাত্মীয়রাও সবাই ধনী ব্যবসায়ী । তাই...
অতিথিদের চেহারা দেখেই
আপনি তাদের চিনতে পারবেন। অধিকাংশই এমন অতিথি ছিলেন।
এটা লাল গালিচা।
আ- কী ঠাণ্ডা!
দেখ আমার হাতের লোমও খাড়া হয়ে গেছে!
প্রচণ্ড শীত লাগছে!
তোমাকে এমন হাতাকাটা জামা পরতে কে বলেছে?
ফুলহাতা জামা পরবে। এখান পর্যন্ত এমন গলাবন্ধ জামা।
খুব ঠাণ্ডা লাগছে।
এখানে ম্যানেজারদের নিয়ে আসা বারণ কেন?
তারা চায় না কোন ছবি বাইরে ফাঁস হোক।
- তারা এত জাঁকজমকভাবে করছেই বা কেন? - ঠিক কথা।
চল জাঁকজমক না করেই আমাদের বিয়েটা চুপিসারে সেরে ফেলি।
ক্যাথোলিক চার্চের মত। এতে করে ক্লাসিক ভাবও বজায় থাকবে।
প্লিজ এটাই করে ফেল। আমিও দামী আর ক্লাসিক উপহার নিয়ে
নিশ্চয় সেখানে যাব।
- এমন ফাঁকা কথা বললে মনে কষ্ট পাব। - আমি কখনো ফাঁকা বুলি ছাড়ি না।
- ও ভাইয়া - ভাইয়া।
- হ্যালো ভাইয়া। - অনেক দিন পর দেখা হল।
- ভালো আছেন তো? - হ্যাঁ। তোমার দেখা পেয়েও খুশি হলাম।
আচ্ছা, আপনার কাছে একটা ব্যাপারে জানার ছিল।
আপনার কি এখন কারো সাথে রিলেশন চলছে?
- কেন? - হান ইউ রা আর কি
বলছিল , সে S&C গ্রুপের কাউকে বিয়ে করতে চলেছে।
কিন্তু সেই পরিবারে তো দু'জন ছেলেই আছে। আপনি আর...
হি কিউং।
আমি না! আমি হান ইউ রা-কে চিনিও না।
হান ইউ রা আমাদের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মডেল।
কিন্তু আমি শুধু তার চেহারাই চিনি।
তাই বুঝি? হান ইউ রা, আমি জানতামই তো!
সে কীভাবে চোখের পাতি না ফেলেই এত বড় মিথ্যা বলতে পারল?
তার আচার-ব্যবহার মিথ্যুকদের মতই।
এই, মানুষজন দেখছে তো।
এমনিতেই গুজব ছড়িয়ে গেছে- তোর আর হান ইউ রা-র মধ্যে ঝগড়াঝাটি চলছে।
সত্যিই তো আমরা একজন আরেকজনকে দেখতেই পারি না।
কনের ওয়েটিং রুমটা কোথায়? দেখা করতে হবে তো!
ও, আপু!
তুমি বিয়ের প্রস্তুতি নিয়েই তো ব্যস্ত ছিলে।
এর মাঝে হসপিটালে যাওয়া-আসা করলে কখন?
আপুর এই দারুণ কাজটা
সত্যিই আমার নকল করা উচিত।
চেহারা একটু বদলিয়েছি আর কি। ভালো দেখাচ্ছে তো?
No comments yet. Be the first to leave one.