نخستین 200 خط.
আমার সোনা ইয়ো-ওক।
- ওহ, বাল, আমার খুব মাথা ঘুরাচ্ছে। - সিরিয়াসলি !
- আমি ওই লম্বা ছেলেটার সাথে খুব লাগালাগি করেছি! - এখানে বাল, খুব ঠান্ডা।
সত্যিই, ও খুব হট।
কী বলছো তুমি?
- সত্যি বলছি... - বাল, বন্ধুরা, তোমাদের ঠান্ডা লাগছে না?
ঈশ্বর, বালছাল বন্ধ করে এখানে বসে থাকো।
তোমরা জানো, আমি...
ইশ্বর, তার কী হয়েছে?
আমি লম্বা ছেলেটার নাম্বার চাইলাম,
কিন্তু সে আমাকে বাট্টু ছেলেটার নাম্বার দিয়েছে।
কিন্তু বাট্টু ছেলেটাও নরকের মতো সুন্দর।
সে বাট্টু এবং কিউট। তুমি কি তাকে জড়িয়ে ধরতে চাও।
- ইয়ো-ওক , তুমি কি আমার কথা শুনবে? বাল। - না...
- এখানে গ্যাস আছে, আগুন জ্বালিও না। - হেই। চুপ করো, বাল।
আমাকে গালি দেওয়া বন্ধ করো, এসব বালের জন্য।
হেই।
হেই! থামো...
বালের লাইটারটা জ্বালিও না।
" অনুবাদ ও সম্পাদনায় " রিদওয়ান তাসকীর
বেচারা ইয়ো-ওক।
সে কোনো ভুল করেনি।
তার ভাগ্যটাই ছিল খারাপ।
সে কিছু খারাপ বন্ধুদের সঙ্গ বানিয়েছিল।
আমার খালাও তা-ই বলতো।
- আ.হ... - উম...
অন্তত, সে এটাই বিশ্বাস করেছিল।
ইশ্বর।
ওহ, আমার মাথা।
ওহ, সোনা।
সোনা, তুমি কিছুর গন্ধ পাচ্ছো না?
ওহ. উঠো।
তুমি...
তুমি এতো রাতে কী করছো?
এটা কিসের গন্ধ?
আহ বাল, মা।
তুমি সবকিছু নষ্ট করে দিয়েছো।
ওহ, ইয়ো-ওক...
পুলিশ জানিয়েছে, সে তার বাবা-মাকে সাইন করিয়েছে
আটটি ভিন্ন জীবন বীমা পলিসিতে।
আআহ।
এটা তার অক্ষমতা বা দারিদ্রতা ছিল না।
এটা ছিল তার স্বভাব এবং অসারতা।
ওহ।
মম...
জানি অনেকেই বলছে আমাদের তাকে আমাদের সমবেদনা জানানো উচিত,
যেহেতু সে তার জীবন দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেছে,
কিন্তু আমার তা করার কোন ইচ্ছা নেই।
মৃত্যু এমন কিছু নয় যা কোনো পাপকে মুচন করে দিবে
যদি এর জন্য অনুতপ্ত না হয়।
তাই, প্লিজ তাকে আপনাদের সমবেদনা জানাবেন না।
A KILLER PARADOX
আমার কাজিন সেওন ইয়ো-ওক সেই অন্ধ মেয়ে যে তার বাবা-মাকে হত্যা করেছে
এটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমি নিরপেক্ষ থাকব শুনেছি সে কুকুরের জন্য যোগ্য নয়
পাগলামী, তাই না?
মনে হচ্ছে কর্মেফলের অস্তিত্ব আছে, হাহ?
- হেই, জ্যে-সুন। - হ্যাঁ?
- এক সেকেন্ড এদিকে আসো। - কেন?
এখানে দু'জন ডিটেকটিভ এসেছে।
উই-সেওং এর উপর কাজটা ছেড়ে দিয়ে আমার সাথে আসো। আসো. আসো!
হ্যাঁ. মম...
আমি সেই পোস্টটি লিখেছি, স্যার।
জিজ্ঞেস করছেন কেন?
- তার মানে কি আপনাদের মনে হচ্ছে ওকে আমি খুন করেছি? - না, মোটেও না, মিস।
আপনার কাজিন সম্পর্কে আমাদের কিছু প্রশ্ন ছিল, এইটুকুই।
উম... প্রয়াত মিস সেওন ইয়ো-ওক।
- শেষ কবে ওর সাথে আপনার কথা হয়েছে? - আমরা মোটেও কথা বলিনি।
ঠিক আছে, কিন্তু আপনি তাকে শেষ কবে দেখেছেন?
আসলে, এটা অনেক দিন হয়ে গেছে,
আমি সত্যিই বলতে পারছি না।
মোটামুটি একটা ধারণা দিতে পারবেন?
যেমন কত বছর আগে দেখা হয়েছিল?
ইয়ো-ওক গ্রেড স্কুলে থাকতে...
...আমার মুখে গড়ম পানি ঢেলে দিয়েছিল।
সে কেন এমন করেছিল জানেন?
হ্যাঁ। আমি আপনার পোস্ট পড়েছি।
আপনি অনুমতি ছাড়া তার জিনিস ধরেছিলেন।
না. ও এটা করতে চেয়েছিল।
আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করার একটি অজুহাত ছিল, কারণ ও...
এটা করার সময় হাসছিল।
ও আমার গায়ে ফুটন্ত পানি ঢেলে, আমার দিকে তাকিয়ে হাসছিল।
আমার জায়গায় আপনি হলে, তাকে কি মনে করতে চাইতেন?
আপনি এখন কাজে ফিরে যেতে পারেন।
- সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। - ঠিক আছে তাহলে।
- যাত্রা নিরাপদ হোক। - ধন্যবাদ।
আহ, আমরা সেই সার্ভিস কুকুরের কথা উল্লেখ করেছি।
আমরা এটা সনাক্ত করতে পারলে যোগাযোগ করব, ঠিক আছে?
না।
এর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
এটা সত্যিই ঠিক আছে।
- ইশ্বর... - নতুন জীবনের জন্য অভিনন্দন!
- হ্যাঁ, বন্ধু! অভিনন্দন! হেই! - নাও, নাও!
- তুমি সেখানে বেশ ভাগ্যবান ছিলে, চুং-জিন। - আহ, ওয়াও।
ধন্যবাদ।
আমিও এমন পরিষ্কার দিনে বজ্রপাতের কবলে পারতে পারি, তাই না?
- আমার হিরো, চুং-জিন। - হ্যাঁ।
অবশেষে তুমি সম্মানের ব্যাজ পেয়েছো. কেমন লাগছে?
- হেই, খুব ব্যাথা পেয়েছ নাকি? - আহ... অবশ্যই ব্যাথা পেয়েছি। যীশু।
- এটা বিব্রতকর ছিল, বন্ধুরা। - হেই, আমাদের বলো।
আচ্ছা, এখানে এর আগে কেউ ছুরিকাঘাত খাওনি, তাই না?
গত বছর আমি প্রায় মরেই গিয়েছিলাম।
নাহ, তুমি মৃত্যুর ধারে কাছেও ছিলে না। আমি আরো কাছাকাছি ছিলাম।
সোজুর বোতলটা এত বড় ছিল, তারপর সে... এটা দিয়ে আমাকে মেরেছে।
তোমরা তো জানোও না কী হচ্ছিল।
ছুরিকাঘাতের মুহুর্তে মনে মনে ভাবলাম, "আমার এই বজ্জাতাটাকে ধরতে হবে," কিন্তু...
- সত্যি কথা, আমি ঘুরে দাড়ালাম। - ওয়াও. ওটা বোকামি ।
তারপর হাঁপাতে লাগলাম।
- এখন আবার শুরু করলে। - না, রক্ত পড়ছিল, সত্যিই।
আর ঠিক তখনই জানতে পারলাম।
"হেই, কিছু ঠিক যাচ্ছে না। কিছু একটা ভুল হয়েছে। ব্যাপারটা উদ্ভট।"
মনে হচ্ছিল আমার সারা শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে যাচ্ছে।
বাল।
- আহ, এটা খারাপ না। - সিরিয়াসলি, বলছি।
- আহ, তুমি বাড়াবাড়ি করছো। - তুমি কখন ছুরিঘাত খেয়েছ?
তাহলে ওই লোকগুলোকে কে খুন করেছে, হাহ?
কেউ জানে না।
এই কয়েকটা দিন খুব ব্যস্ত ছিলাম।
জানি. এটা অদ্ভুত।
আহ, যাইহোক, আহ...
তোমার হাসপাতালে ফিরে যাওয়া উচিত এবং বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
তোমার এটা অনুশোচনা হবে বলে মনে হয় না?
হুম। ব্যাপারটা শুধু এই ঘটনাই নয়, আহ...
ডাক্তার বলেছে আমি এভাবে কাজ করতে থাকলে
একদিন, মারা যেতে পারি।
আমি ডিটেকটিভ হওয়ার যোগ্য নই।
তবে, আমি যে কাজটি করছি, তাতে নাইট-শিফট টিমে যেতে চাই না।
শোন. প্রতিটি কাজ একই।
আমরা সবাই আমাদের মাথায় পদত্যাগপত্র নিয়ে ঘুরি।
তোমার কি আদৌ কোন জব ঠিক আছে ...
হেই, ভিতরে আসো।
- উম! - এই নাও।
হেই ধন্যবাদ।
যা বলছিলাম...
চাকরি ছাড়ার পরে কোন পরিকল্পনা আছে?
- জানো আমার বউ হেয়ার সেলুন চালায়? - মম।
এবং গত তিন বছর ধরে, আমরা বিদেশে কোথাও যাওয়ার কথা ভাবছি।
আহ, এমনকি সেলুনটা বিক্রির জন্যও রেখে দিয়েছি।
- তার উপর আমি আমার শেষ বেতন বোনাসও আছে। -আহ।
আমি আমার খরচ মেটাতে আমার স্ত্রীর উপর নির্ভর করতে পারি না, তাই আমি সুশি বানানো শিখতে যাচ্ছি।
আমি জেমস পার্ক, বা এমন কিছুর নাম রাখতে চাচ্ছি।
হ্যাঁ, আমি পরিবার থেকে দূরে থেকেছি।
যা বেঁচে থাকার কোন সঠিক পদ্ধতি না।
আমার ওদের অনুসরণ করতে হয়েছিল এবং অলিভার পার্ক হতে হয়েছিল।
আমি আমার বাচ্চাদের সাথেও কথা বলতে পারি না।
আ.হ।
আমার ছেলে ছিল ভদ্র ছেলে! সে কখনো কারো ক্ষতি করেনি!
তুমি তার সম্পর্কে কিছুই জানো না!
- খুনি কি ধরবে নাকি না? - ম্যাম, আপনি ন্যায়বিচারে বাধা দিচ্ছেন।
- ওহ, তাই? আমি বাধা দিচ্ছি? হাহ? - শান্ত হোন,ম্যাম। শান্ত হোন।
- খুনিকে কি ধরেছো? - আপনি শান্ত হলে আমি পরে কল করব।
- ও যদি তোমার ছেলে হত তাহলে তুমি কি বলতে? - কেউ তাকে বাঁচাতে পারত?
ময়নাতদন্তের মাধ্যমে তুমি আমার ছেলেকে আবার মেরেছো!
স্যার, আপনি ঠিক আছেন?
থাপ্পড় মারার চেষ্টা করো। বাল।
আআহ।
- হেই, স্যার? - হুম?
ডিটেকটিভ পার্কের কথা ভাবলে আমারও রাগ হয়।
আর?
আপনার কি মনে হয় না আমরা সেখানে ওই মহিলার প্রতি খুব কঠোর ছিলাম?
- তুমি কী বলতে চাচ্ছ? - আচ্ছা এটা ভাবুন...
তার ছেলে মারা গেছে।
তার জায়গায় আমি হলে, ইতিমধ্যেই আমি কেসটা ছেড়ে দিতাম।
তাদের খুন করা হয়েছে। আমাদের কাছে কোন প্রমাণ বা সাক্ষী নেই।
এটা সত্য না, আমরা এখনো কোনো কিছু খুঁজে পাইনি।
প্রমাণ ছাড়া কোন খুন হয় না।
আসলে... ব্যাপারটা তা না, স্যার।
দুঃখিত।
হেই...
কখনো কখনো ভিকটিমরাও ভিকটিম হতে পারে।
মম?
বুঝতে পারছ আমি কী বলছি?
ডানসান থানায় আমি একটা মামলা নিয়ে কাজ করেছি।
তার নাম ছিল কাং ইয়ন-সেও।
- কি? - আমি এখনও এটা ভুলতে পারিনি।
- কী? - তোমার ভ্রু একে দিচ্ছি।
তুমি কি মেকআপও করে দিতে পারবে?
- চেষ্টা করবো. ফাইন। - তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।
- হাহ? - আরে, এই তো সে।
ছবিতে তাকে আরও ভালো লাগছিল।
এটা তাকে ভালো মানাবে, তাই না?
- ওর কি হয়েছে? - জানি না। তার ক্রাশ বোধহয়।
ও বলেছিল, ও নাকি হট, কিন্তু তাকে অমন লাগছে না।
কি? এসবের দরকার ছিল না।
- কি? - কেমন আছো?
- ভাল। - ভিতরে কী আছে?
- কী করছো? - গল্প করছিলাম।
- এটা কি? - রিল্যাক্স! এটা আমার!
- এখনও শেষ হয়নি। - ওরা তোমার বন্ধু?
- হ্যাঁ। - এটা কী?
- ক্লাস নেই? - আমাকে দেখতে দাও।
দোস্ত, চিল. এটা আমার।
এক দুই তিন!
সোনা, একটা বড় হাসি চাই।
- এক, দুই... - চল, হয়ে গেছে।
- এক সুখকর মুহুর্ত। - আমাকে ঠিক দেখাচ্ছে?
- দেখতে দে? - আমাকে!
- দাঁড়া, বোকা। - চল।
- বাল করছো। - তারাতারি করো !
- ধৈর্য ধরতে জানিস না। - তাড়াতাড়ি, দোস্ত!
- তো? এটা কেমন ছিল? বিশাল দুধ, তাই না? - চোদন।
No comments yet. Be the first to leave one.