نخستین 200 خط.
- -
- -
হার্টটা স্মোক ফ্রগের জন্য।
শুকরিয়া।
কার্ল নোসের জন্য কলিজা।
শুকরিয়া।
ককোয়া লিফের জন্য কান।
শুকরিয়া।
আর বেকুব তোর জন্য এই বলস্।
আবার এইটা নিমু না।
ভাল জিনিস দিলাম।
তাইলে তুই খা।
আমাগো এইডা দরকার নাই।
তোমাগো ?
না।
প্রশ্নই ওঠে না।
মাঝে মাঝে !
কি ভাবতাছ ?
না !
না, না !
তোমার মত হইতে কয়দিন লাগবো ?
আমার ৮টা বড় বোন আর একটা ভাই।
আব্বাও টাপিরের বলস্ ১০বার নিছিলো।
কইয়া দেই?
মাফ করিস। বলগুলা ফালতু।
তুমি এইগুলা খাওনাই আগে ?
খাইতে কেমন এইডাও কইতে পারুম না।
কেউ না?
না। কিন্তু দেইখা মজা পাইছি...
তোর আইডিয়া !
সরা ওরে গায়ের উপর থাইকা।
থাম্।
ওগো তোর লগে এমন করতে দিলি ক্যান ?
শক্ত হ !!!
তোর গর্ব গেলো কই ?
এইগুলা কাজ করে... না?
হ...
...আমি বাচ্চা পয়দা করতে পারি না।
একটা জিনিস দিমু তোমারে... কিন্তু সাবধান... জিনিসটা খুব শক্তিশালী।
কি জিনিস?
সোয়াঞ্জো গাছের পাতা।
সোয়াঞ্জো গাছের পাতা?
দক্ষিণের বিল থাইকা আমার ১০ পোলা এই ভেষজ ঔষধ আনছে।
না ! না ! থাম...
এই জিনিস তোমার ***তে মাখতে হইবো।
পরেরবার ** করার সময়...
আস্তে আস্তে ঘষবা...
জানি না ক্যামনে ধন্যবাদ দিমু তোমারে।
এইডা কাম করলে মহিলা আর জ্বালাইবো না।
তোর বউ ?
না শাশুড়ি আম্মা,
বুইড়া মহিলা নাতি চায়।
একটু মাংস দাও।
তোমার জন্য তো আছে...
...খাটি মাংস...
...বলের গন্ধওয়ালা।
কি চাও?
কি চাও?
আমি ফ্লিন্ট স্কাই। বয়স হবার পর থেকেই আমি এই জঙ্গলে শিকার করে আসছি।
আমার বাবা এই জঙ্গলে আমার সাথে এবং আমার আগে শিকার করেছেন।
জাগুয়ার পো, আমার সন্তান।
সে এই জঙ্গলে আমার সাথে শিকার করে।
আমি মরার পরেও ওর ছেলের সাথে শিকার চালিয়ে যাবে।
শিকার ভালো হয়েছে, না?
এখানকার পানি ভালো, তাই।
এ জঙ্গল অনেক উদার।
আমরা শুধু ভোগ করতে বলেছি।
তাই হোক।
ভোগের আগ পর্যন্ত নিরাপদে রেখো।
চলো।
আমাদের জমি ধ্বংস হয়ে গেছে।
আমরা নতুন দিনের সূর্য খুঁজছি।
তোমাদের জমি ধ্বংস হয়েছে?
হ্যাঁ
আর আমরা সব নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছি।
শান্ত হও।
ওহে বৎস!
শান্ত হও!
চলো গ্রামে ফিরি।
আজ জঙ্গলে যা দেখলে তা নিয়ে কোন কথা হবে না।
তুমি ঝামেলায় পরে গেছো।
হ্যাঁ।
জঙ্গলে ওই লোকদের দেখে কি মনে হলো?
বুঝলাম না।
ভয়।
মনের গভীরে প্রবেশ করা ভয়।
তারা ভয়ে আক্রান্ত।
দেখেছ কী সেটা?
ভয়ই ওদের দুর্বলতা।
মনে একবার ঢুকলে ভয় হৃদয়ে গেঁথে যায়।
এটি মানুষের শান্তিকে কলুষিত করে।
তুমি কাপুরুষের জীবন বেছে নাও, এটা দেখার জন্য আমি তোমাকে বড় করিনি।
মন দিয়ে একে আঘাত হানতে হবে।
আমাদের গ্রামে ভয়কে ঢুকতে দিও না।
ঠিক সূর্যোদয়ের সময় আমরা বড়রা পবিত্র পাহাড়ে একত্রিত হব।
আমাদের পিতার আত্মাদেরকে আমাদের চালিকাশক্তি হিসেবে ডাকবো।
এইতো আইসা পড়ছে।
মাথা মোটা বেকুব।
অকর্মার ঢেকী।
জীবনেও কিচ্ছু পারে না।
হ্যাঁ! তুই!
এই লম্বা-চওড়া শরীর দেখাইয়া আমাগো ধোঁকা দিছস তুই!
ভিতরে যা!
যা কইতাছি!
থামনা, বুড়ি।
যা!
কোন কামের না তুই!
তোরা হাসতাছস ক্যান!
আমারে একটা নাতি না দিলে তোরে বদলাইয়া ফালামু।
আম্মা, অনেক হইছে।
বাচ্চা পয়দা না কইরা বাইরে আসবি না।
দুইটা হইলে আরো ভালো।
কি!
যমজের কথা কইছি বেকুব।
আম্মা।
অন্য কোথাও যাও না! ও বলছে তুমি থাকলে ও ** করতে পারছে না।
শুরু কর।
মা...
চলে গেছেন উনি।
মা, কি বল আজ রাতে একটা ভোজ হয়ে যাক?
টাপির আছে... একটা ছেলেও আছে।
ছেলেই ভালো।
রোস্ট করা!
টাপিরের গন্ধ ভালো। তাজা মনে হয়।
না আব্বু! এটা আমি! আমি! আমি!
ছেলেটাকে এখানেই ঝুলিয়েই রাখি।
দাঁড়াও...
এইটা আমদের কচ্ছপের বাচ্চা। আর এইটা বড় মিয়া।
এই তোমার বড় মিয়া।
তাইলে, একটু আদর বড় মিয়ার জন্য... ...আরো একটু আদর ছোট মিয়ার জন্য।
টাপিরের জন্য।
বুইড়া, একদিন না একদিন!
একদিন না একদিন তুই হাটতেও পারবিনা।
এক লোক বসে ছিলো একাকী। দুঃখে ভরা সিক্ত মনে।
বনের সব পশু তার কাছে এসে বললঃ আমরা তোমার এই দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে বসে থাকা আর সইতে পারছি না। বল আমাদের কাছে কি চাও তুমি।
লোকটি বললঃ আমি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি চাই। শকুন বললঃ আমার থেকে নাও।
লোকটি বললঃ আমি শক্তিশালী হতে চাই। চিতা বললঃ হয়ে যাও আমার মত শক্তিশালী।
লোকটি বললঃ আমি দুনিয়ার সব গোপন কথা জানতে চাই। সাপ বললঃ আমি তা দেখাচ্ছি তোমায়।
একে একে সব পশুই তার কাজ করলো।
আর যখন পশুদের সব ক্ষমতাই সে পেয়ে গেলো, সে চলে গেলো।
তখন পেঁচা অন্য পশুদের বললঃ আমার ভয় হচ্ছে, এখন এই লোক অনেক কিছুই জানে এবং পারে।
হরিণ বললঃ লোকটি যা চাইছিলো তার সবই পেয়েছে।
এখন সে আর দুঃখী থাকবে না।
কিন্তু পেঁচা উত্তর দিলোঃ না।
আমি একটা খুঁত দেখেছি তার মধ্যে, যেটা হলো ক্ষুধা, যার কোন শেষ নেই। এটাই তাকে কষ্ট দিচ্ছিল, আরো পাওয়ার জন্য উদ্গ্রীব করছিলো।
সে ততদিন চাইতেই থাকবে, যতদিন না পৃথিবী বলছেঃ আমার আর দেওয়ার মত কিছুই বাকি নেই... ফিরে এসো...ফিরে এসো আমার কাছে।
আমার ছেলেও নাচছে।
ও খুশি।
কি চাও?
পালাও!
উঠেই যখন গেছো, কুকুরটাকে মেরে আসো না।
কুকুর।
ওঠো! ওঠো! জলদি!
জঙ্গলে যাও!
দৌড়াও! পেছনে তাকাবে না।
না! না! আমার ভয় লাগছে!
আমার চোখের দিকে তাকাও!
শক্ত হও!
আমার ভয় করছে!
শক্ত হও!
বাধো ওকে!
বাবা!
আমার অন্যদেরকে সাহায্য করতে হবে।
না, আমাকে ফেলে যেও না।
আমি কথা দিচ্ছি আমি ফিরে আসবো।
যেও না এখানে আমায় ফেলে।
কথা দিচ্ছি।
থাকো, ওখানেই থাকো।
বাবা, যেওনা।
খুবই সুন্দর।
থামো!
বাধো ওকে!
জ্যান্ত চাই ওকে।
মাফ করে দিও বাবা।
যথেষ্ট হয়েছে।
দাঁড়া করাও ওকে।
সরো।
শোন বৎস,
ভয় পেও না।
প্রায়...
... এটাই তোর নাম।
"প্রায়"
আমাদের জীবন শেষ।
নির্লজ্জ...
নির্লজ্জ!
কাপুরুষ!
চলো যাওয়া যাক!
আমরা যাচ্ছি এখন।
এসে পড়েছে।
ওঠো!
তোলো!
তুমি মাথা নোয়াতে ভুলে গেছ।
শক্ত হও।
দেখতে পাচ্ছো?
হ্যাঁ।
নিজের লাইনে ফিরে যাও।
আমাদের সাথে চলো।
ওঠো।
ওকে ছেড়ে দাও।
ওঠ!
No comments yet. Be the first to leave one.