نخستین 200 خط.
✪ মুভিঃ গ্রান টরিনো ✪ ✪ দেশঃ আমেরিকা ✪ ✪ মুভির ভাষাঃ ইংরেজী ✪ ✪ সাবটাইটেল বাংলা অনুবাদঃ শহীদ কবির ✪
আমি ডরোথির মৃত্যূতে সত্যি ব্যাথিত, ওয়াল্ট।
সে আসলেই একজন ভালো মানুষ ছিলো।
এখনে আসার জন্য ধন্যবাদ, আল।
খোদা তাঁর আত্মার উপর শান্তি বর্ষন করুক।
তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।
আহ্।
স্রষ্টা সবার মঙ্গল করুক।
কোনো ব্যাপার না, আমি নিজেই ঠিক ভাবে বসতে পারবো।
চশমা, ঘোড়ার ডিম, মানিব্যাগ, এবং ঘড়ি।
দ্যাখ, বুড়ো কীভাবে অ্যাশলের দিকে তাকিয়ে দেখছে।
এমনকি মায়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠা্নে এসেও তেজ কম মনে হচ্ছে না।
তুমি কী আশা করো? বাবা এখনো ৫০ এর দশকের জামানায় আছে।
সে আশা করে তাঁর নাতনীর আরো পরিপাটি মার্জিত পোষাক পরা উচিৎ।
যাই হোক, তোর বাচ্চা লায়ন্স জার্সি পরে এসেছে। আমি নিশ্চিত বাবা সেটা পছন্দ করবে।
মূল ব্যাপার হচ্ছে এখানে যে যাই করুক বুড়োর সবকিছুই অপছন্দ হবে।
এটা অনিবার্য ভাবে হতেই হবে।
জানোই তো, এই কারণে বাবার সঙ্গ আমার ঠিক পছন্দ হয় না।
সেই যে, বোটের মটরের সাথে চুক্তির কথা, বার্ডবাথ ভেঙ্গে ফেলা। সবসময় কিছু একটা ঝামেলা ছিলোই।
আমরা তাঁকে নিয়ে কী করতে পারি?
তোর কি মনে হয় না, সে তাঁর আশেপাশের প্রতিবেশীদের জন্য সমস্যা তৈরী করতে পারে?
তাই হলে, তুমি নিজের সাথে তাঁকে কেনো রাখছো না?
হাহা, হাহা, হাহা।
হেই। শশশ।
আমাদের ক্যাথলিকদের জন্য মৃত্যূ একটি তিক্ত-মধুর ঘটনার মতো।
বিচ্ছেদের কারণে তিক্ত লাগে, মুক্তির কারণে মিস্টি স্বাদের লাগে।
তিক্ত তাঁর কাছেই লাগে যে কিনা নিজের আপনজন হারায়।
মিস্টি তাঁর কাছেই লাগে যে কিনা মুক্তির আসল মহত্ব জেনে সেটার অপেক্ষা করেন।।
আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন, "মৃত্যূ কী?
মৃত্যূ মানেই কি সবকিছুর শেষ?
নাকি সেটা কেবল সবকিছুর শুরু?
এবং জীবন কাকে বলে? কী এমন জিনিস যাকে আমরা জীবন বলে থাকি?"
- সব প্রশ্নের উওর জেনেও আপনজনের মৃত্যূতে আমরা ব্যথিত হই। - অ্যাশলে, অমন করা বন্ধ করো।
এই কারণেই আপনার সৃষ্টিকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে।
খোদা।
কারণ সৃষ্টিকর্তার অপর নাম হলো মুক্তি...
- এটা খুবই ভালো ছিলো। - তোমার কি মার্থাকে ফোন করার সম্ভবনা আছে?
- এই সবকিছু কি বাবার? - না। এগুলো হচ্ছে দাদু ওয়াল্টের।
তৃতীয় পল্টন, "ই" কোম্পানী, ২রা মার্চ, ১৯৫২, কোরিয়া"?
কোরিয়া কোথায়?
আমদের সমবেদনা জানাতে ধারণার চেয়ে বেশি মানুষ চলে এসেছে মনে হচ্ছে।
আচ্ছা, তাহলে হয়তো তারা মনে করেছে এখানে বেশ ভালো খাবারের ব্যবস্থা আছে।
আমি নিচে গিয়ে কিছু চেয়ার নিয়ে আসছি।
- ওহ্, আমি নিয়ে আসবোনে, বাবা। - না, ওগুলো আমার এক্ষুনি দরকার, আগামী সপ্তাহে না।
ফাটাফাটি, আমি একটা মেডেল পেলাম। এটা দেখো একটু।
এখানে আমাদের আরো কতোক্ষন থাকতে হবে?
এই আজাইরা জায়গায় আমার মোবাইলের নেটওয়ার্ক তো পাচ্ছেই না, আর আমি বিরক্ত।
অ্যাশলে, তুমি চেয়ার আনতে তোমার দাদুকে সাহায্য করতে পারছো না?
- আমি? - হ্যাঁ, তুমি যাও। তাঁকে সাহায্য করো।
দাদুজি, আপনি কি আমার সাহায্য নিতে আগ্রহী?
এই আপনার চেয়ার বসানোর কাজে?
নাহ্। সম্ভবত তোমার নকশা করা নখের রঙ উঠে যেতে পারে।
- সোনামনি, এদিকে আসো। - ঠিক আছে, আচ্ছা, তোমার বাবা আমাকে পাগল করে দেবে।
- তুমি আমাকে এটা কেনো করতে বললে? - আচ্ছা ঠিক আছে। আমরা খুব জলদি চলে যাবো।
হেই, বাছা। চলে আয়।
চলে আয়। চলে আয়।
আমার সাথে চল।
এই ছোট্টো একটা রুমে ইঁদুরের মতো কতো মানুষ থাকে?
ওয়াও। দাদু, তো আপনি এই ঐতিহাসিক মডেলের গাড়ি কবে কিনেছিলেন?
১৯৭২ সালে।
আমি কখনো জানতে পারিনি আপনার এত্তো চমৎকার আগিলা মডেলের একটা গাড়ি আছে।
হ্যাঁ। যাই হোক, তোমার জম্মের আগে থেকেই এটা আমার কাছে ছিলো।
তাহলে...
...এটার কী ব্যবস্থা করতে চাচ্ছেন, মানে, আপনি যখন মারা যাবেন আর কি?
সেই সাথে আপনার ঐ পুরানো রাজকীয় সোফাটাই বা কী করতে চাচ্ছেন?
কারণ আগামী বছর আমি কলেজে উঠবো...
...আর আমার রুমে ওটা খুব দারুন মানাবে, তা ছাড়া আমার রুমে আদৌ কোনো ফার্নিচার নেই।
ওহ্, খোদা।
- তুমি কে? কী চাই তোমার? - হাই।
- আমি পাশে থাকি... - ফাও প্যাচাল বাদ দাও।
- তোমার কী দরকার সেটা বলো। - আপনার কাছে কি জাম্পার ক্যাবেল আছে?
- আমার চাচার গাড়িটা পুরানো আর... - আমাদের কাছে কোনো ক্যাবেল-ফ্যাবেল নেই।
আর কিছুটা সম্মান দেখালেও পারো, মোটামাথা। আমরা এখানে শোক পালন করছি।
- সব কেমন চলছে, ওয়াল্ট? - মিঃ কোয়ালস্কি।
কী বললেন?
মিঃ কোয়ালস্কি, এটাই আমার নাম।
ঠিক বলেছেন। মিঃ কোয়ালস্কি।
বিগত কয়েক মাস ধরে আমি আর আপনার স্ত্রী বেশ কাছাকাছি ছিলাম।
সে আমাকে জানিয়ে গিয়েছে তাঁর অনুপস্থিতিতে আমি যেনো আপনার দিকে খেয়াল রাখি।
আমি তাঁকে বলেছিলাম আমার সকল ভক্তদের দিকেই আমি খেয়াল রাখি।
কিন্তু সে আমাকে দিয়ে ওয়াদা করিয়েছে আমি যেনো আপনার দিকে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখি।
দেখো, তুমি আমার স্ত্রীকে যে গুরুত্ব দিয়েছো তার জন্য আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
এখন থেকে তোমার দায়ীত্ব শেষ হয়ে গেছে...
...তুমি তোমার অন্য ভক্তদের দিকে খেয়াল রাখতে চলে যাওয়াটাই কি ভালো না?
ঠিক আছে?
ডরোথি বিশেষ ভাবে উল্লেখ করে গেছে যে, তাঁর মনের ইচ্ছা আপনি স্বীকারোক্তি দেন।
সে বলেছে আপনি শেষ কবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তাঁর মনেও নেই।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ তাই।
আচ্ছা, আমি স্বীকারোক্তি দিচ্ছি আমার খুব গির্জার প্রতি আমার খুব বেশি ভক্তি নেই।
আমি শুধু আমার স্ত্রীকে খুশী করতেই ওখানে যেতাম।
এবং আমি এটাও স্বীকারোক্তি দিচ্ছি যে...
...নতুন পাদ্রী বনে যাওয়া একজন বালকের কাছে স্বীকারোক্তি দেবার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।
আপনার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
- বাই, ডিয়ার। - ভালো থাকো, ওয়াল্ট।
- ওয়াল্ট, তুমি কি এটা চালু করতে পারবে? - হ্যাঁ, খুব ভালো ভাবেই পারবো।
তোমাকে সাহায্য করার আমার ইচ্ছা ছিলো, বাবা, কিন্তু বাচ্চাদের এক্ষুনি বাড়িতে নিয়ে যেতে হচ্ছে।
- বাচ্চারা অনেক হয়রান হয়ে গেছে। - হ্যাঁ, বুঝলাম তো। চলে যাও।
সব কেমন চলছে জানার জন্য, আমি তোমাকে ফোন করবো।
আচ্ছা ঠিক আছে।
আমেরিকান গাড়ি কিনেই কি তোমার এতো অহঙ্কার? খোদা।
তুমি খেয়াল করলে সে আমাদের গাড়ির দিকে কীভাবে তাকাচ্ছিলো?
এটা অমন হলো কেনো, ওটা অমন হলো কেনো, দেখলে তো?
- এমনকি মায়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের কথাও তাঁর খেয়াল নেই। - তিনি তো কিছুই বলেননি।
- তাঁর কিছু বলার সুযোগ হয়নি বলে। - তুমি কী আশা করো?
মানুষটা অনেক বছর ফোর্ড গাড়ি কোম্পানীতে চাকরি করেছেন।
- তুমি এমন ভাবে বলছো যেনো সব দোষ আমার। - এবার একটু ক্ষ্যামা দিয়ে গাড়ি চালাও, ঠিক আছে?
বাচ্চারা, রেডিও চালু করে দেবো? কেউ কি গান শুনতে চাও? সুন্দর।
যত্তোসব কসাইয়ের দল।
আমার মনে অনেক কষ্ট।
আমি চাই আমার মেয়ে আর একবার পুনরায় বিয়ে করুক।
যদি তাঁর বিয়ে হতো বাড়িতে অন্তত একজন পুরুষ মানুষ আসতো।
থাও এর ব্যাপারে কী ভাবছেন? বাড়ির পুরুষ বলতে তো সেই আছে।
তাঁকে দেখো সে নোংরা বাসন-কোসন ধুয়ে পরিস্কার করছে।
তাঁর বোন যেটা আদেশ করে সে ঐ কাজটাই করে।
সে কিভাবে এই বাড়ির একজন সমর্থ পুরুষ মানুষ হবে?
ধৈর্য ধরেন, একদিন সে বড় হবে তারপর নিজের দায়ীত্ব বুঝে নেবে।
কোনো সুযোগ নেই।
আমাদের আজ মহা সৌভাগ্যের দিন, আমাদের ঘরে আজ একটা নতুন শিশুর জম্ম হয়েছে।
আমি দোয়া করছি এই বাচ্চার পেট ভরার জন্য স্রষ্টা যেনো খাবার দেন।
আমি দোয়া করছি এই বাচ্চার শরীর ঢাকার জন্য স্রষ্টা যেনো কাপড় দেন।
এই বাচ্চার যেনো মা এবং বাবা দুইজনের সমান ভালোবাসা মেলে।
ওহ্, এই বাচ্চার আত্মা যেনো সর্বদা শুদ্ধ থাকে...
...আর কখনো তা যেনো পথভ্রষ্ট না হয়।
তাঁর আত্মা শুদ্ধির আশির্বাদের জন্য আমরা সবাই এখানে মিলিত হয়েছি।
তাঁর পরিপূর্ণ জীবন এবং সুন্দর ভবিষ্যত কামনা করছি।
খোদা। পোলারস্কি এখন যদি তাঁর লন্ডভন্ড চেহারার লনটা দেখতে পেতো।
জানি না আমার প্রতিবেশী হিসেবে এইসব ছোটোলোক কেনো বাস করতে চলে এলো?
এই সাদা চামরার বুড়োটা এখানে কী করতে থেকে গেলো?
এখানকার সব আমেরিকান প্রতিবেশী তো চলেই গেলো।
তুমি থেকে গেলে কী করতে?
তোমরা একদম খালি করে দিলে কী সমস্যা হতো, বুড়ো গাধা কোথাকার?
তোর কান কি একেবারেই গেছে নাকি অন্য কিছু?
কী অবস্থা, ওয়াল্ট।
আমি তোমার কোনো বন্ধু নই, তো কী কারণে তুমি আমাকে ওয়াল্ট নামে ডেকে বিব্রত করো?
দুঃখিত। মিঃ কোয়ালস্কি।
- আজ কী জ্ঞান বয়ান করতে এলে, পাদ্রী? - কিছুই না। ভাবলাম আপনার সাথে একটু দেখা করে যাই।
অনেকদিন হয়ে গেলো আপনাকে গির্জাতেও দেখি না।
এখন তো তোমার ফরয কাজ পূর্ণ হয়েছে, এবার কি তুমি নিজের রাস্তা মাপতে পারো না?
- আমি সত্যি আপনার সাথে কিছু কথা বলতে চাই, মিঃ কোয়ালস্কি। - এই জীবনে তা সম্ভব নয়, খোকা।
কেনো? আমার সাথে কি আপনার কোনো সমস্যা আছে, মিঃ কোয়ালস্কি?
- এই কথা তোমার না জানলেও চলবে। - না, আপনি বলুন।
আচ্ছা, আমি মনে করি তুমি একটু বেশি বোঝা উচ্চ-শিক্ষিত ২৭ বছরের একজন ভার্জিন...
...যার কাজ হচ্ছে মহিলাদের হাত ধরে ধর্মের নামে নানা রকম কুসংস্কারে বিশ্বাসী করে তোলা।
ইয়ো! হেই!
তুই আসলে মালটা কী...? তুই কী একটা ছেলে নাকি মেয়ে, ব্যাটা? আমি নিশ্চিত হতে পারছি না।
হেই, মান্দির পুত, হেই, তোর কাছে যদি কোনো কলম থেকে থাকে...
...আমি হেইডা তোর পোঙ্গায় দিতে চাই। তোরে আমি মোর রাখেওয়াল বানামু।
তুমি এতো মনোযোগ দিয়া কী পড়স, আজাইরা উপন্যাস নাকি কোনো চটি বই?
হ্যাঁ, একদম ঠিক আছে, হাটতে থাক! হাটতে থাক!
আমি যখন তোর সাথে কথা বলবো আমার দিকে তাকাবি, গাধা!
গাধার বাচ্চা গাধা, ভায়া, সব দিকে তো তোরেই দেখি, আবাল।
- আমরা যেখানেই যাই তোরে দেখি ক্যান, আবাল। - নিজের চরকায় গিয়ে তেল দাও এখন।
তুমি এতো মনোযোগ দিয়ে কী দেখিস, ব্যাটা?
- ওটা আমার ছোটো কাজিন দোস্তো। - তুই কি নিশ্চিত ওটা তোর কাজিন, ভায়া?
- ধুরো, হ্যাঁ, ওটা আমার ছোটো কাজিন। - সে কি কারো সাথে শক্ত হতে পারে না?
নাহ্, সে এক্কেবারে ভ্যাদা মাছ, ভায়া। তুই কি কিছু করতে চাস?
ভায়া, ওদিকে চল গিয়ে দেখা যাক দেখা যাক কী বাল তারা ফ্যালে।
আমি তোর স্যান্ডেল ও খুব পছন্দ করেছি।
- হেই। ইয়ো, হইসে কী? সমস্যা কোথায়? - ইয়ো, কী সামস্যা, মাদারি?
সে কি তোর পোঁদ মারসে? আবাল কোথাকার, মারা খা, মাঙ্গির পুত!
- তোরে কি কিছু দেয়া লাগবে? - হেই, আমরা কিন্তু এক্ষুনি সেটা করতে চাই।
- তোরা তোগো দেশে ফিরে গিয়ে মারা খা। - গোল্লায় যা, আবাল কোথাকার।
ওহ্, সেই অবস্থা, আরো কিছু ফাটাফাটি মাঙ্গির পুত বেজাত।
তোরা কি আমাগো কিছু চীনা খাবার রান্না করে দিতে পা্রোস না, হাহ্?
- তোগো কাছে কতো গুলা বুলেট আছে? - আমরা তোগো ঠিক মতোই বাগে পামু, মাদারি।
- থাও! - চলে আয়, ভায়া। গাড়ির ভিতরে ঢোক, ভায়া।
থাও।
- আমাগো সাথে আয়, বাপ। - গাড়ির ভিতরে আয়।
- ধ্যাত্তেরি, ব্যাটা, গাড়ির ভিতরে আয়, গাধা। - থাও!
ঐ বাপ-মা খ্যাদানো মেক্সিকান গুলা কি তোরে হয়রান করার চেষ্টা করছে?
আরে ব্যাটা, আমরা তো তোরে ঝামেলা দিয়া বাঁচাইতেসি, গাধা। চলে আয়, গাধা, ভিতরে ঢুকে মারা খা।
- তুই করিস কী, আবাল? - গাড়ির ভিতরে আয়, ভায়া, চলে আয়।
আমাদের সাথে মজা মার, আবাল।
চলে আয়, বাছা। আমরা তোকে ঝামেলা দিয়া বাঁচাতে চাচ্ছি, গাধা!
চলে আয়।
চলে আয়, থাও, ভায়া. তোর দিকে খেয়াল করার আমাদের অনেক বড় একটা কারণ আছে, ব্যাটা।
ধুর ব্যাটা, কথা শোন। হেই।
বাদ দে, বাপ। চল যাই, দোস্তো। ও মারা খাক।
- কালকে, আমি তোর ব্যবস্থা করতেছি। - তুই একটা ছোট্ট মেয়ে হলি না ক্যান?
কালকেই তোরে দেখতেছি।
বুঝলি না, ব্যাটা, চল যাই। আমাদের কাছে বন্দুক আছে, বায়া।
- মারা খা যা। - চল এই বালের জায়গা থেকে কাইটা পরি।
- আমাগো বুঝ পাওয়া হয়ে গ্যাছে। - চল যাই গা এই বালের জায়গা থেকে।
- ঐ আবাল মারা খাক। - আবাল।
হেই, থাও।
হেই, কী অবস্থা?
কী খবর, থাও?
তুই করতাছোস কী, পুচকে ছ্যামরা?
- মাইয়াগো কাম তুই করোস ক্যান? - তুমি কী চাও?
কী? আমি আমার ছোট্ট ভাইটার সাথে কথা বলতে পারুম না?
- সে তোমার সাথে কথা বলতে আগ্রহী না। - আচ্ছা, সেই জন্যই তো আমি আসলাম, তাই না?
- হেই, স্পাইডার, ঐডা কে? - কী অবস্থা?
স্পাইডার? সে তোমাকে কী মাকরসা নামে ডাকলো, ফং?
স্পাইডার।
- স্পাইডার নামের মধ্যে কি কোনো সমস্যা আছে নাকি? - তুমি এখানে কী কাজে আসছো?
হেই, যাই হোক তোমার বয়স কতো হইছে?
- মানসিক ভাবে, তোমার চেয়ে আমার অনেক বয়স বেশি। - কী?
তোমরা আসলে নির্বোধ। আমি ভিতরে গেলাম।
- কী? - স্যু।
তোমার ছোটো ভাইয়ের বাগান তৈরীতে সাহায্য করো।
No comments yet. Be the first to leave one.