Mysterious Skin

Mysterious Skin

دانلود زیرنویس Bengali

هماهنگ با نسخه‌های زیر

Mysterious Skin 2004 1080p BluRay X264-AMIABLE
Mysterious Skin 2004 720p BluRay X264-AMIABLE
Mysterious Skin 2004 BluRay 720p Ganool is
Mysterious Skin 2004 720p BluRay DTS x264-SbR
Mysterious Skin 2004 1080p BluRay x265-RARBG
ناشر Irtiza_Chowdhury
(Runtime 01:45:07)

برچسب‌ها

BluRay
x264
720p
720
TS
1080
x265
ganool
تاریخ انتشار: 2020-12-03
تعداد دانلود: 56
مخصوص ناشنوایان: No

پیش‌نمایش زیرنویس Bengali

نخستین 200 خط.

মিস্টেরিয়াস স্কিন

সেই গ্রীষ্মে, আট বছর বয়সে,

৫ ঘণ্টা গায়েব হয়ে যায় আমার জীবন থেকে।

৫ ঘণ্টা।

পুরো উধাও।

কোনোরকম চিহ্ন না রেখেই।

কেবল এতটুকু মনে আছে যে আমি একটা বেঞ্চে বসে ছিলাম...

যখন বেসবল ম্যাচ চলছিল।

একসময় বৃষ্টি শুরু হয়।

তারপর কী ঘটে, তা আমার একদমই মনে নেই।

ব্রায়ান?

ব্রায়ান?

এই হাবা।

এখানে ঘাপটি মেরে আছিস কেন?

হেই।

তোর দেখি নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে।

বাপরে ! বাইরে কি সাংঘাতিক বৃষ্টি।

আম্মু !

হ্যালো, সোনাপাখি। তোমার এই হাল কেন?

ব্রায়ান নিচের ঘরে লুকোতে গিয়ে নাকে ব্যথা পেয়েছে।

নিচের ঘরে কী করছিলে তুমি?

তুমি ঠিক আছ তো, সোনাপাখি? ইশ, আমার লক্ষ্মী বাচ্চাটা।

সারারাত ধরে অফিসের মেইলের কাজে ব্যস্ত ছিলাম।

কাজ শেষে বাইরে না আসা পর্যন্ত বুঝতেই পারিনি যে বৃষ্টি হচ্ছে।

নোড়ো না।

ফ্রেন্ডদের কারো আম্মু কি তোমাকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছিল?

- আমি শুতে গেলাম। - এবার নিশ্চয়ই পরাণ ভরেছে তোমার।

আমি জানতাম ও মাঠে খেলতে গিয়ে ব্যথা-ট্যথা পাবে।

বাচ্চাকালে আমি নিজেও আহামরি কোনো প্লেয়ার ছিলাম না।

তারপরও আমি নিজের সেরাটা দিয়েছিলাম, হাল ছাড়ার পাত্র ছিলাম না আমি।

সরি, আব্বু।

- শুভরাত্রি। - শুভরাত্রি।

তোমার আব্বুকে আগেই বলেছিলাম যে বেসবল টিমে ঢুকলে...

কাজের কাজ কিছু হবে না।

নাক চেপে ধরো।

ঠিক তার পরদিনই, আম্মু আমাকে বেসবল টিম থেকে বের করে আনে।

তখন থেকেই আমার জীবনে দুঃস্বপ্ন দেখার ও নাক থেকে রক্ত পড়ার অধ্যায় শুরু হয়।

আমি বারবার আমার বিছানা ভিজিয়ে ফেলতাম...

এবং যখন-তখন অচেতন হয়ে পড়তাম।

মনে হত যেন আমার চোখগুলো উল্টে যাচ্ছে।

হাত থেকে ছুটে যাওয়া পুতুলের মত আমি সোজা ফ্লোরে গিয়ে পড়তাম।

এক বছরও হয়নি, তার মধ্যেই এই অবস্থা।

মনে হয় গত সপ্তাহ পড়া বাজগুলোর কারণে নষ্ট হয়ে গেছে।

তোমার আব্বু এসে এবার পুরো বাড়ি মাথায় তুলবে।

আব্বু কখন আসবে?

আরও অন্তত ১ ঘণ্টা লাগবে, সোনা।

আম্মু। ডেবোরাহ্‌। দেখে যাও !

ওটা তো UFO !

আরে, ওটা প্যারাসুট টাইপ কিছু একটা হবে।

না, দেখো টিভিটা কেমন করছে।

ওটা বাড়ির ওপর দিয়ে যাচ্ছে !

চলো ছাদে যাই।

না, দাঁড়াও ! বাচ্চারা, সামলে !

সেই গ্রীষ্মের দুটো বিষয় আমি কখনও ভুলবো নাঃ

বাসার নিচের সেই আবদ্ধ, জরাজীর্ণ জায়গাটার অন্ধকার।

এবং ক্ষমতা ও রহস্যে ভরপুর সেই UFO,

যা কোথাও না কোথাও মহাবিশ্ব চষে বেড়াচ্ছে।

সেই গ্রীষ্মে, আট বছর বয়সে, আমার প্রথমবারের মত মাল বের হয়।

আমি আমার মাকে মস্তি করতে দেখতিসিলাম তার সেই মুহূর্তের বয়ফ্রেন্ড- অ্যালফ্রেডের সাথে ,

আমার পুরনো দোলনার ওপর।

অ্যালফ্রেডকে সিনেমার হিরোদের মত লাগত ; ব্যাটা ছিল এক নম্বরের আবাল।

কয়েক বছর পর গিয়ে, তার মত ব্যাটাদের প্রতিই আমার আকর্ষণ জন্মে।

সেই ব্যাটার মুখ দিয়ে কেবল দুনিয়ার বাকোয়াজ আর ফাউল কথাবার্তাই বের হত।

কিন্তু তাকে অসহায় প্রাণীর মত ঐভাবে কষ্টমাখা শব্দ করতে দেখে,

আমি তার ওপর থেকে আমার নজর সরাতে পারতিসিলাম না।

অনেকদিন ধরেই আমি মাস্টারবেট করতিসিলাম, কিন্তু সেই গ্রীষ্মে প্রথমবারের মত...

আমার নুনু থেকে আঠালো জিনিসটা সত্যি সত্যি ছিটকে বেরোয়।

কোচকে দেখানোর তর সচ্ছিল না আমার।

আমি বরং শুরু থেকেই বলি।

জুন মাসে, মা আমাকে বেসবল টিমে ভর্তি করে।

আইডিয়াটা আলফ্রেডই দিসিল, যাতে তারা বিন্দাস চুদাচুদি করতে পারে,

আর কেউ দেখে ফেলার রিস্ক যাতে না থাকে।

তুই কি এক্সাইটেড?

কোচ হাইডার?

কামনা আমাকে পেয়ে বসে।

তাকে দেখাচ্ছিল সেইসব হট ব্যাটাছেলেদের মত,

যাদেরকে আমি আমার মায়ের খাটের নিচে লুকায়ে রাখা অ্যাডাল্ট ম্যাগাজিনে দেখসিলাম।

সেই বয়সে, আমি বুঝতে পারতিসিলাম না আমার ফিলিংস কীভাবে প্রকাশ করবো।

সেই ফিলিংস ছিল একটা ভুতুড়ে বাক্সের মত, যা খুললে যেকোনো কিছু ঘটতে পারত।

- হ্যালো। - হ্যালো।

আমি এলেন ম্যাককর্মিক। এ হচ্ছে আমার ছেলে - নীল।

হ্যালো, নীল।

সোনা, তোর নতুন কোচকে 'হ্যালো' বলবি না?

চিন্তা কোরেন না, অপরিচিত মানুষের সাথে ফ্রি হতে ওর একটু সময় লাগে।

খুব কম সময়েই আমি টিমের সেরা প্লেয়ার হয়ে উঠি।

সেটা গর্ব করার মত কিছু ছিল না, কারণ টিমের অন্যান্য বাচ্চারা...

প্রত্যেকে ছিল একেকটা আনাড়ি মোখলেস।

আমাদের প্রথম ম্যাচ, অষ্টম ইনিংস শেষের পথে,

এমন সময়ে আমি ট্রিপল করে তাক লাগায়ে দেই।

দর্শকরা পাগল হয়ে যায় আমার পারফর্মেন্স দেখে।

কিন্তু আমি সেসবের ধার ধারতিসিলাম না।

কোচকে গর্বিত করাটাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

সেই প্রথম জিতের পর, কোচ আমার মাকে ফোন করে বলে যে...

সে টিমের সবাইকে মুভি দেখাতে নিচ্ছে সেলিব্রেট করার জন্য।

যাওয়ার জন্য রেডি তো, চ্যাম্প?

- কোচ? - হ্যাঁ।

বাকিরা কোথায়?

মনে হচ্ছে আজকে কেবল তুমি আর আমিই থাকবো, বন্ধু।

- সত্যিই? - হ্যাঁ।

অসাম।

আমি একটা অ্যাডাল্ট হরর মুভি বেছে নিই...

যার মধ্যে প্রচুর রক্তারক্তি আর খুনাখুনি ছিল।

মুভির একপর্যায়ে প্রচণ্ড বিরক্তিকর একটা মেয়ের গর্দান কাঁটা পড়লে,

আমি উল্লাসে মেতে উঠি।

মুভি শেষে, আমরা একটা পিজ্জা কিনি...

আর কোচের বাড়িতে যাই।

কোচের বাড়িটা অস্থির ছিল।

সেখানে ছিল ইয়া বড় এক টিভি, দামী দামী সব ভিডিও গেমস।

সবগুলোই আমার অসম্ভব প্রিয়।

আপনারটা বাস্ট হয়ে গেছে। আমার পালা।

তোমার আম্মু টেনশন করবে নাতো?

না। তার কাজ থাকে।

তার হয়ত পরে অ্যালফ্রেডের সাথে ডেটিং-মেটিং আছে।

মনে হচ্ছে তুমি একা একা অনেক সময় কাঁটাও, না?

হ্যাঁ। তবে আমি সেটা এঞ্জয় করি।

আমি আমার মত বাইক চালাই আর টিভি দেখি।

অস্থির লাগে।

ধ্যাত ! আপনার জন্য হেরে গেলাম !

সরি।

দাঁড়াও।

এখানে একটু আসো তো।

সোডার একটা বোতল নিয়ে আসো।

প্রথম প্রথম একটু আজিব লাগতে পারে।

আমাকে আসলে আমার টিম মেম্বারদের কণ্ঠ রেকর্ড করতে হবে,

বিশেষ করে আমার সেরা প্লেয়ারদের।

বুঝলে?

এটা নাও।

এবার এটা মুখের সামনে ধরে তোমার নরমাল গলায় কথা বলো।

কী বলবো আমি?

তোমার যা মন চায়।

তোমার নাম বলো শুরুতে।

নীল।

এবার বড় করে একটা চুমুক নাও আর ঢেঁকুর তোলো।

শিট।

আচ্ছা।

আবার বলো।

শিট।

আবার।

শিট, শিট, শিট, শিট, শিট।

শিট।

ধুর !

শালা !

এবার ক্যামেরার দিকে তাকাও।

এবার তোমার জিহ্বা বের করো।

মজার মজার এক্সপ্রেশন দাও।

সুন্দর। সুন্দর।

ইয়েস।

ইয়েস, নীল, ইয়েস।

ইয়েস।

এবার বড় করে হাঁ করো।

নীল, পারফেক্ট হয়েছে।

২ জুলাই।

সাড়ে ৭ টায় আমাদের ম্যাচ ছিল হাচিনসন টাকো হাট-এর বিপক্ষে।

আমি জানি তুই আজকে ওদের গুষ্ঠি উদ্ধার করে দিবি।

তুই ম্যাচ জিতে তোর এই বেচারি, পরিশ্রমী মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবি না?

তুই তাহলে কোচের গাড়িতে করে বাড়ি ফিরবি?

- হ্যাঁ। - আচ্ছা।

তুই আমার আর আমি তোকে ভালোবাসি, কখনও যেন সেটা না ভুলিস।

তুমি তো আজকে পুরো ফাটিয়ে দিয়েছ !

লাইফের সেরা খেলাটা খেলেছ !

থ্যাংকস, কোচ।

আচ্ছা, আজরাতে কি আমরা অন্য ভিডিও গেমগুলো খেলতে পারবো?

অবশ্যই পারবো।

কিন্তু তোমাকে আমি আগে একটা জিনিস দেখাবো।

ইয়াক। আমাকে এই ছবিতে কি বিচ্ছিরি লাগছে।

না।

তোমার সবকিছু একদম পারফেক্ট লাগছে।

মনে হচ্ছে যেন তুমি খুব সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখছ।

নীল, এই সপ্তাহটা আমি তোমাকে নিয়ে অনেক ভাবছি।

আমার খিদে পেয়েছে।

আমারো।

পিজ্জা খাবে?

আমার কাছে একটা জিনিস আছে, যা তোমার পছন্দ হতে পারে।

বাপরে !

কোনটা নেবে, ছোট্ট বন্ধু?

আম্মু কক্ষনও এগুলো কিনে দেয় না।

সে বলে এগুলো কেনা মানে নাকি শুধু টাকা নষ্ট।

খাওয়া যাক তাহলে।

আপনি কোনটা নিবেন?

জানি না, তুমি কোনটা নিচ্ছ?

কর্ন ফ্লেভারেরটা।

আমি তাহলে নিবো...

কোকোয়া ফ্লেভারেরটা।

শিট।

সরি।

তুমিও করো।

শুরু করি তাহলে।

আমি তোমাকে পছন্দ করি, নীল।

অনেক পছন্দ করি তোমাকে।

আমি যখন কাউকে সত্যিই অনেক পছন্দ করি...

সেটা তখন একভাবে প্রকাশ করি।

আমার জাদুসোনা।

এভাবে কাউকে চুমো দেয়ায় দোষের কিছু নেই।

কেউ দোষ ধরতে আসলে সেটাকে পাত্তা দিবে না।

হয়ে গেল।

নিজেকে আমি এটাই বলসিলাম।

হুট করেই হয়ে গেল।

আর তা শেষে, আমি নিচের জগাখিচুড়ি ফ্লোরের দিকে তাকাই।

মনে হচ্ছিল যেন একগাদা রঙিন কাচ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেসে।

আর যখন আমি গিলি, মনে হচ্ছিল যেন কোচের জিহ্বার স্বাদ মুখটাকে পুড়ায়ে দিচ্ছে।

نظرات

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left