نخستین 188 خط.
omer4 at SUBSCENE Omer Faruq Omer at facebook
[ দূর থেকে কুকুরের ডাক ]
মডুলাস F-X-স্কয়ার, D-X.
তো আসা করি এই চ্যাপ্টারে আর কোনো সমস্যা নেই।
আমি জানি আপনারা অনেকেই এটা আগেও করেছেন , কিন্তু আরেকবার করলে কারো কোনো ক্ষতি হবে না।
ধন্যবাদ, ষ্টিভেন।
আমি একটা এডভান্স ফুরিয়ার সিষ্টেম মেইন হলের বোর্ডে লিখে রেখেছি।
আসা করছি আপনাদের মধ্যে অন্তত কেউ একজন এই সেমিষ্টার শেষে এর সমাধান করে ফেলতে পারবেন।
যে এটার সমাধান করতে পারবে সে শুধু আমার কাছ থেকে বাহ-বাহি পাবে না...
সাথে পাবে অনেক খ্যাতি আর ভাগ্য ...
তার অর্জন হবে এই যে, তার নাম এবং প্রোফাইল প্রকাশিত হবে...
বিশ্ববিখ্যাত M.I.T. টিচ রেকর্ডে।
এর সাবেক বিজয়ীদের মধ্যে আছেন, নোবেল বিজয়ী ফিল্ড মেডেল বিজয়ই...
প্রখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং নিরিহ M.I.T. অধ্যাপকরাও।
তাহলে, আজ এই টুকুই। আপনাদের যদি কোনো প্রশ্ন থাকে,...
আমি নিশ্চিত যে টম সে সবের উত্তর দিতে পারবে।
- # - হায়, উইল।
- ক্রিষ্টিন, কেমন আছো ? - আমি ভালো. তুমি কেমন?
- ভালো। - কাল রাতে কেথির সাথে মজা পাইনিরে।
- না ? - না।
- কেন বেটা ? - আমি জানি না।
- কেথি ! - কি ?
কাল রাতে তুমি আমকে অতটা আনন্দ দাও নি কেনো ...
-যতটা তুমি আমাকে আগে দিতে ? -ওহ, দুরে যাইয়া মর তুই...
আর তোর ওই মরা সাপ, চাকি।
আমি কেনো আমার যৌবন নষ্ট করবো তোর ঐ মরা সাপের মত জিনিসটার জন্য ?
- বাড়ি যাইয়া ওটা দিয়া নিজেকেই চেষ্টা কর। - Tootsie Roll !
T-Toots !
এই মেয়েটার দাঁত খারাপ, উইল।
ওর স্কিন প্রবলেমো আছে। বুঝেছিস--
তাছাড়া, ওই বাটু মর্গান তো ওকে শেষ পর্যন্ত বিয়ে করবেই।
তুমি তোমার বন্ধুর হোবু স্ত্রী এর সাথে আর কতো মজা তুলতে পারো।
এসব ঠিক নয়। তুই কই যাস ?
- আমি চলে যাচ্ছি। - ধুর বেটা, এই মাত্রই তো আসলি। এখন, কয়টা বাজে, মাত্র, দশটাই তো ?
না, ক্লান্ত লাগছে।
মরা সাপ ?
গর্দভ মেয়ে তুই কেমনে বুঝবি। আসল পুরুষ কাকে বলে।
আউট ! আমাকে পিছনে পাঠানো বন্ধ কর।
প্লেট কে ঘাঁষাঘেঁষি বন্ধ কর ! এটায় চলবে কিনা দেখ ?
এটার মাসুল কিন্তু ভালো হবে না, তুই জানিসতো সেটা ?
তুই মনে করিস আমি তোকে ভয় পাই,রামছাগল ? মেনে নে যে তুই খেলা পারিস না।
আচ্ছা,আরে হা, ক্যাসিতো হার্ভার্ড এর এক বারে বাউন্সার এর চাকরি পেয়েছে। আমাদের সেখানে যাওয়া দরকার।
- আমরা সেখানে কি করতে যাবো ? - আমিও জানি না।
আমরা ওই অতি বুদ্ধিমান বাচ্চাগুলার সাথে মজা করবো, সম্ভব হলে ওখানেই থেকে যাবো।
ওউ ! মাদারী।
- ওই, কি হইছে তোর? ভাব মারো না? - আয় শালা !
লাগতে আয়. আয় না। তোর দৌড় এট্টুকি।
# l´d hold you forever here #
# ln my arms #
- অধ্যাপক লেম্বো ? - হা ?
আমি আপনার এপ্লাইড থিউরি ক্লাসের স্টুডেন্ট। আমরা গণিত ও বিজ্ঞান ভবন থেকে এসেছি।
- এদিকে আসো। আজকে শনিবার। -
- তুমি আমার সাথে ড্রিংস নিতে চাইলে অবশ্য অন্য কথা। - আরেকদিন হবে।
আমরা সোমবার পর্যন্ত এটার জন্য অপেক্ষা করতে পারবো না।
- কিসের জন্য ? - যে থিওরম (উপপাদ্য) টার সমাধান করেছে।
এটাতো একদম সঠিক। কে করেছে এটা ?
- জেক ? - আমি তো না।
- নিমেশ ? - আরে নাহ।
- শাবাস, জোই, এবার হবে ! - বিল্লি, চালিয়ে যাও।
সাবাশ, বাচ্চারা!
- জোই, দৌড়াও ! আরো জোরে ! - গর্দভ একটা ।
এগিয়ে যাও, ম্যাক! তাড়া তাড়ি করো। এটোবি দুই নাও, ম্যাক।
হেই, মর্গান, ঐ চেকের পেন্ট পরা মেয়েটা কে? ওর পিছন দিকটা দেখেছিস, জোস।
- হা, বেশ সুন্দর। - ওর সাথের ছেলেটা কে ?
একটা মাদা....। ওরে দেখলেই আমার গা জ্বলে। উইল চেনে ওকে।
হা,চিনি। হা, মাদারি কার্মাইন স্কার্পাগ্লিয়া।
- আমরা কিন্ডারগার্ডেনে থাকতে এই হারামজাদা আমাকে অনেক পিটাতো। - এই ছেলেটা ?
হা. উম-হুম্ম.
ধুর ছাই। চলতো কিছু খেতে যাই।
- আরে, একি, মর্গান, তুই এই মেয়েটার সাথে কথা বলতে চাসনা? - এখন সময় নাই
- আমি গেলে বড় কিছুর জন্য যাবো - চল কেলিসে যাওয়া যাক।
মর্গান, আমি কেলিস যা্বো না। ´কারন ওখানে তুই ওই মেয়েটার জন্য যাবি।
- এটা এখান থেকে ১৫ মিনিটের দূর। - আমাদের কি এমন ফালতু কাজ আছে ? যে আমরা ১৫ মিনিট সময় নষ্ট করতে পারবো না ?
ডাবল বার্গার।
ডাবল বার্গার।
ডাবল বার্গার।
চাক, আমার ভাগের একটা ডাবল বার্গার আছে।
তোর বকবক বন্ধ কর তো ! আমি জানিতো তুই কি অর্ডার দিয়ে ছিলি, আমিও সেখানে ছিলামতো।
- তো আমার স্যান্ডউইচ আমাকে দে। - কি বললি তোর স্যান্ডউইচ ? এইটা তো আমার।
মর্গান, তোর পকেটে এখন কতো টাকা আছে ?
আমিতো বলেছি যখন আইসক্রিম কিনবা তখন টাকা দিবো।
আমরা যাওয়ার আগেই আমি বলেছিলাম। এখন তুই আমাকে স্যান্ডউইচ দিবি কিনা সেটা বল।
ঠিক আছে, এবার, তোর পকেটে লুকানো ওই ১৬ সেন্ট বের কর।
আর তোর এই ফালতু স্যান্ডউইচ গেলার জন্য নিয়ে নে। চালু কর। এই দেখ এটা তোর জন্য এইখানে রাখলাম।
আচ্ছা এক কাজ কর তুই। তুই প্রতিদিন তোর ওই ৬ সেন্ট নিয়ে এখানে আসবি।
- আর আসা করি এক সাপ্তার মধ্যে তুই এই স্যান্ডউইচটা পেয়ে যাবি। - হারমজাদা তোর সমস্যাটা কি ?
তুই কি আমাকে কোনো হাতিমতাই মনে করিস নাকি? তুই শুধু আমাকে পয়সা শোদের ওয়াদা দে।
যেভাবে তুই তোর সোফা কিনেছিলি না--পেইমেন্ট প্ল্যান্স দিয়ে ।
মনে আছে, কিভাবে তোর মা প্রতিদিন ১০০ টাকা করে সারা বছর টাকা জমিয়ে
নিজের পছন্দের সোফা কিনেছিলো।
- এবার আমি আমার খাবারটা পাবো, প্লিজ ? - এইনে শালা তোর ফালতু ডাবল বার্গার।
- আরে ! - হেই,গাড়ি থামা, চাক।
- আস্তে আস্তে থাম। - কি করবি ?
- দেখা যাক কি করি। - হেই, ময়না পাখি !
ওই, ঘরে মা বোন নাই !
- হারামজাদা কোথাকার - দূর হ এখান থেকে। - এতো ক্ষ্যাপার কি আছে ময়না ?
আমার আরামটাকে কেন নষ্ট করতে চাস তুই ?
১৫ মিনিট আগেই তো ওকে পার্কে দেখে এসেছি, মারামারি করার হলে ওখানেই করতাম। এখন তো নাস্তা খাওয়ার সময়।
- চুপ কর, মর্গান, বাহিরে চল। - আমার যাওয়ার ইচ্ছা নাই। - তো যাইস না।
- আমি যাচ্ছি না। - মাদারী তোকে তো যাইতেই হবে।
মন দিয়া শোন´। যদি তুই ২ সেকেন্ডের মধ্যে গাড়ি থেক না নামিস।
ওগোরে পিটানোর পরে কিন্তু আইজকা তোর পালা।
কারমাইন, আমি , উইল। মনে আছে, আমরা এক সাথে কিন্ডার গার্ডেনে ছিলাম।
# Way down the street there´s a light in his place #
- - # He opens the door, he´s got that look on his face #
- মাইরা ফালা। - ওর মাথার সামনে থেইকা সর ।
আইজকা সব খাইয়া ফালামু।
মাদারী , মর !
- কার্টার ! - বাদ দে! -
উইল ! চল, চল !
উইল, বাদ দে এবার. চল তাড়া তাড়ি। পালাই।
শান্তি, ভাই, শান্তি।
- হেই, বন্ধুরা, সাহায্য করতে আসার জন্য ধন্যবাদ। - এখানে এসো !
আরে ! আরে !
আরে। ধুর।
আমি কোনো স্বপ্ন দেখছিনা তো , নাকি সত্যি আমার ক্লাস এত বড় ?
যাই হোক,বাস্তবতা তো এটাই যে ...
আজ আপনারা কেউই আমার লেকচার শুনতে এখানে আসেননি।
আসলে এসেছেন, সেই রহস্যময় অংকের জাদুকরের পরিচয় জানতে।
তো আর কোনো নাটকিয়তা ছাড়াই, এবার তুমি সামনে আসো রহস্য মানব এবং নিজের পুরস্কার গ্রহন করো।
আমি দুঃখিত আপনাদের আজ নিরাস করার জন্য,কিন্তু ...
মনে হচ্ছে আজ এই রহস্যের উন্মোচন হবে না।
তারপরো, আঁ , আমি আর আমার সহকর্মী আলোচনা করে,
একটা প্রবলেম বাহিরের বোর্ডে লিখে দিয়েছি...
যেটার সমাধান করতে আমাদের দুই বছর লেগে গেছে।
এটাকে এভাবে বলা যায়: তুমি নিজেকে লুকাচ্ছ তো কি হয়েছে,
কিন্তু ফ্যাকাল্টি তোমাকে তোমার সম্মান দিবেই।
হেই, শুনানী কবে ?
আগামী সাপ্তাহে।
দুঃখিত।
- কি করছ তুমি ? - দুঃখিত।
এটা ছাত্রদের জন্য রাখা হয়েছে। তুমি এটা নষ্ট করতে পারোনা।
- তুমি এভাবে ভাগতে পারোনা ! - আরে, ভাগো এখান থেকে !
ও, তাহলে তুমিই সেই জিনিয়াস। নাম কি তোমার ?
আরে, খোদা!
একদম সঠিক।
উইল, তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি তুই এমন একটা চাকরি কেমনে ছেড়ে দিলি ?
আরে বেটা, এদিক ওদিক ঝাড়ু দেওয়ার মতো সহজ কাজ আর আছে নাকি ?
আরে, এমন আরামের চাকরিটাও তোরে দিয়া হয় নাই মর্গান?
আরে বেটা আমাকে তো বের করে দিয়ে ছিলো কারন ম্যনেজম্যান্ট শালারা সব বলদ ছিলো।
শালারা বলদ হলেও পাগল চিন্তে ভুল করেনি।
চুপ কর বেটা। নিজের কাজের ঠিক নাই আসছে আমারে পঁচাইতে।
আমার তো কমছে কম একটা চাকরি হলেও আছে,আর তোর?
- তোকে কেন বের করে দিলো, উইল ? বল না। - ম্যানেজম্যন্ট শালারা বলদ।
- আমার আংকেল হয়তো তোর একটা ব্যবস্থা করতে পারবে। - সে আসলেই পারবে কিছু করতে ?
ওই মজালস ! কাল আমিওতো তোকে একটা চাকরির জন্য বলে ছিলাম।
আর আমিও কালই বলে দিয়ে ছিলাম "হবেনা"
- কি অবস্থা, ক্যাসি ? - কি খবর,ক্যাসি ? -কি অবস্থা, বড় ভাইজান ?
#
চল ওই দিকে বসই।
ঠিক আছে। আগাইয়া যা।
ও, তো এটা-- এটাই হলো সে হার্ভাট বার, হা ?
ভেব ছিলাম তো, এখানকার দেয়ালে বিভিন্ন সমীকরণ আর হাবিযাবি দেখবো।
আমি এখানকার সবচেয়ে বড় আর মজার বীয়ারটা নিতে চাই।
পাইছিরে। তোরা থাক এখানে। আমি চললাম ওই দিকে হার্ভাট এর পাখি গুলার সাথে লাইন মারতে।
- এবার আমার যাদু দেখ। - আমাদের কে ভুলে যাইস না আবার।
- - ওহ, হ্যালো। - ওহ, হ্যালো।
- হাই. কেমন আছো ? - ভালই।
- তো, তোমরা মেয়েরা, আ-- - প্রায় আসো এখানে ?
আমি এখানে আসি কিনা ? আমি এখানে আসি আরকি।
আমার এখানে আসা হয়, ধরো, সময় টময় পেলে আর কি।
- তো তোমরা এখানে পড় ? - হা।
- হা, সেটাই। মনে পড়েছে আমি তো তোমার সাথে একটা ক্লাস করেছি। - আচ্ছা, তাই। কোন ক্লাস ?
- ইতিহাস। - হতে পারে।
হা, মনে হয় ওখানেই দেখেছিলাম।
এমনটা জরুরী নয়-- তুমি আমাকে মনে রাখবে। কী বলবো, আসলে আমারই সব মনে থাকে।
- কারন আমি হলাম একটা জিনিয়াস, স্মার্টও বলতে পারো। - হেই।
- হেই, কেমন চলছে ? কি খবর ? - ভালো। তোমার কি অবস্থা ?
কোন ক্লাস জানি একটু আগে তুমি বললে?
- ইতিহাস। - আরে হা।
শুধু ইতিহাস ? তা হলে সার্ভে কোর্সটা করেছো হয়তো।
- হা,সেটাই। সেটা সার্ভে কোর্সই ছিলো। - ঠিক।
তোমার দেখা উচিৎ। খুবই ভাল কোর্স ক্লাস গুলোও ভাল।
- কেমন লেগেছে তোমার ওই কোর্স ? - আসলে, সত্য বলতে,
- ভালই লেগেছে, শুধু একটু নার্সারি টাইপের লেগেছে। - নার্সারি।
- কী জানো, এতে আমিও তোমার সাথে এক মত। - সেটাই।
আমার, উঁ, আমার মনে আছে ক্লাসটা।
এটা হতো, উম-- এটা হতো ব্রেক আর লাঞ্চের মাঝখানে।
ক্লার্ক, তুমি এখান থেকে যাচ্ছো না কেনো ?
- তোমার কি হলো আবার ? - তুমি চলে যাচ্ছ না কেনো ?
-আমি তো শুধু আমার নতুন বন্ধুর সাথে একটু মজা করছি। -কেনো তোমার কোনো সমস্যা হচ্ছে ?
নাহ,আরে, না, না। আমার কোনো সমস্যা নেই।
আমার মনে হলো শুধু তুমি হয়তো আমাকে কিছু বলতে পারবে...
দক্ষিনের বাজার ব্যবস্থার হটাৎ অর্থনৈতিক পরিবর্তন সম্পর্কে।
এই ব্যপারে আমার যুক্তি হলো সেই পরির্তনের ক্রান্তি কালে, অর্থনীতির যে সমৃদ্ধি ঘটেছিলো--
বিশেষ করে দক্ষিন আঞ্চলে--
সেটা কে কৃষি ভিত্তিক পুঁজিবাদ বলা....
- যথাযোগ্য হবে । - এবার আমি কিছু বলি তোকে´।
No comments yet. Be the first to leave one.