نخستین 200 خط.
অনুবাদেঃ Funds Of Bangla Subtitle
.:: DISCLAIMER ::. কোন প্রকার ভুল ত্রুটি হলে সেটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ ❤️
তুমি এই পৃথিবীতে বাস করো,
তোমার সিদ্ধান্ত তুমিই নাও।
সেই সিদ্ধান্তগুলো, যা তুমি ন্যায্য প্রমাণ করতে চাও।
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য।
কিছুদিন সবকিছু ঠিকঠাকই চলে।
যতক্ষণ না সবকিছু বদলে যায়।
যতক্ষণ না এমন একটা সিদ্ধান্ত নাও, যেটা সবকিছু অর্থহীন করে তোলে।
যার কোনো যুক্তি দেখাতে পারো না।
ক্ষমাও করতে পারো না।
আর সেটাই সবকিছু কেড়ে নেয়।
তোমার পরিবার।
তোমার বন্ধু-বান্ধব।
এমনকি নিজের সত্ত্বাকেও।
আর শেষে, তোমার কাছে কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।
শুধু শুন্য চোখের চাহনি আর নিঃশব্দতা।
গাড়ি থামাও! ট্রাকটা এখনই থামাও!
আমাকে টান দে!
গাড়ি থামাও! এখনই থামাও!
মারা খাইয়া গেছি। শাউয়া পুরা বাঁশ খাইছি।
গাড়ি থামাও।
ধূর! মিয়া, এদিকে দেখ!
সাবধানে!
- ধূর! আমাকে উপরে উঠা! - শাউয়া বাল!
ভিতরে আয়, জনি!
শাউয়া।
থামো, না হলে আমরা গুলি চালাবো!
- ওদের হাত থেকে মুক্তি পেতে হবে! - আমি চেষ্টা করছি, চার্লি!
তাহলে আরও চেষ্টা কর।
পুরো গতি দাও। যাও। ফুল স্পিড!
শালারা হাইওয়ের দিকে যাচ্ছে।
চলো!
চল!
অহ ফাক।
অহ গড!
- জেক! - আমি তাকে বের করতে পারছি না।
সে এই বিষাক্ত ধোঁয়াতেই শ্বাস নিচ্ছে।
ভিন্স, কী হয়েছে?
অহ গড।
ফাক। ফাক!
জিরো-সিক্স-ফোর।
অফিসার কর্তেজ আহত। আবার বলছি, অফিসার কর্তেজ আহত।
আমাদের এখনই মেডিকেল সাপোর্ট দরকার। আমরা অ্যামহার্স্ট এর ১৬ নাম্বার রোডে আছি।
ব্যাস এইগুলাই?
হ্যাঁ। এতো রাতে আর কী আশা করো?
আজ রাতে, জেলা অ্যাটর্নি ঘোষণা করেছেন
আনা সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন।
তিনি মেয়র প্রার্থী এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী লরেন্স বোমঁয়ের বিরুদ্ধে
আমি স্বস্তি পাচ্ছি যে জেলা অ্যাটর্নি কলিন্স অবশেষে বুঝতে পেরেছেন যে
আমি সমস্যার অংশ নই, বরং সমাধানের অংশ।
- ওরা সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত। - হ্যাঁ, এটা তো স্পষ্ট।
এক সময়ের সুন্দর এই শহর এখন অপরাধের আখড়ায় পরিণত হয়েছে,
আমাদের রাস্তাগুলো মাদকে ভরে গেছে,
আর তার এতবড় সাহস যে সে আমাকে অপরাধী বলে।
অভিযোগপত্র...
এগুলো সব প্যাকেট করে দেন, প্লিজ।
আপনি চান আমি এগুলা সব প্যাকেট করি?
হ্যাঁ।
তুমি কি মনে করো, এটা কোনো FAO Schwarz নাকি?
ঠিক আছে, তাহলে একটা ব্যাগ দেন।
না, এটা তো গাছের নিচে সারপ্রাইজ হিসেবে থাকবে।
পলির ভেতর দিয়ে ত সব দেখা যাবে, তাহলে সারপ্রাইজ ত আর থাকবে না?
ওহ, স্যরি। আমার কাছে একটা পেপার আছে, তবে সেটার জন্য টাকা দিতে হবে।
পেপার আর কিছু স্কচ টেপ দেন, আমি নিজেই মোড়িয়ে নিচ্ছি।
- কত? - ত্রিশ ডলার।
বছরের সেরা বাবা হিসেবে শতাব্দীর সেরা ডিল।
- বাহ। - বাহ।
ধন্যবাদ।
মেরি ক্রিসমাস।
....আমাদের প্রচারণাকে সমর্থন করে।
শহর পুনর্গঠনের জন্য আমাদের প্রচারণায় সমর্থন দিন।
এই... শুনো। আমি, মানে, আমি বলছি।
হ্যাঁ, আমি আগে তোমাকে ফোন করেছিলাম, কিন্তু তুমি ধরোনি।
ত?
আমি এমির জন্য ছোট একটা গিফট কিনেছি,
আর ওটা মোড়ানোও আছে।
বছরের সেরা বাবা।
হ্যাঁ, জানি। ভাবছিলাম, আমি নিজেই এসে
ওকে গিফটটা দিতে পারি। -তুমি জানো এখন ক'টা বাজে?
-হ্যাঁ, এখন দশটা। -ও ছয় বছরের বাচ্চা।
ছয় বছরের বাচ্চারা সাতটায় ঘুমিয়ে পড়ে।
না। ক্রিসমাস নাইটে এতো তাড়াতাড়ি ঘুমায় না।
শুনো প্যাট্রিক। ক্রিসমাসেও আগে ঘুমায়। সোজা পয়েন্টে আসো।
পয়েন্ট হলো, ক্রিসমাস খুবই রোমাঞ্চকর। আমিও আগে খুব এক্সাইটেড থাকতাম।
- তুমি প্রতিদিন আমার সাথে মিথ্যা বলো! - আমি তো রাতভর জেগে থাকতাম।
আরে, কান্নাকাটি বন্ধ কর।
আমি বলছি, দরজা খোলেন।
আরে এখন না। আমি ব্যস্ত।
'ব্যস্ত' বলে লাভ নেই। পুলিশ এসেছে। দরজা খোলেন।
তুই চুপ করে থাক, বুঝছছ?
এক সেকেন্ড।
গুড ইভিনিং, অফিসার। কোনো সমস্যা হয়েছে কি?
-সে কোথায়? -কাকে খুঁজছেন?
আমাকে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বলবেন না, ঠিক আছে? আমি গোলমালের শব্দ পেয়েছি।
না, এখন কি দুইজন মানুষ একটু ঝগড়া-ঝাঁটিও করতে পারবে না শান্তিতে?
মানে, আমি তো পুলিশ ডাকিনি। তুমি কি পুলিশ ডেকেছিলে?
না, আমি ডাকিনি।
না, ও ডাকেনি। তাহলে... আপনি এখানে কেন?
দরজা খুলেন, এখনই।
হ্যাঁ, আমি শুধু আমার মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই। তুমি জানো তো, আজ ক্রিসমাস।
হ্যাঁ, তুমি বারবার সেটাই বলছো।
-আমি চেষ্টা করছি ত। -শুধু উপহার নিয়ে আসলেই চেষ্টা করা হয়ে যায় না।
আমি বিভিন্ন বিলের বোঝায় ডুবে আছি। তুমি নিয়মিত টাকা দিতে পারছো না।
হ্যাঁ, কিন্তু আমার কাছে টাকা আছে। তুমি জানো, আমার কাছে টাকা আছে।
আমাদের তোমার কালো টাকা চাই না।
ওই কালো টাকার কারণেই যখন বাড়ি বাজেয়াপ্ত হতে হতে বেঁচে গিয়েছিলো,
তখন তো তোমার কোনো সমস্যা হয়নি।
আমার বেতনে এসব খরচ চলবে না। তুমি চাও আমি কী করি?
আমাকে দোষী বানিও না।
টাকা কখনোই আসল বিষয় ছিল না।
আঠারো মাস আগে, আমি যাকে ভালোবাসতাম সে হারিয়ে গেল,
আর এক বছর আগে, যা কিছু অবশিষ্ট ছিল, সেটাও চলে গেল। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই।
সবকিছুর দায় তোমার।
- এটা আমার দোষ নয়। - না, কিন্তু তুমি দায়টা এমির ওপর চাপাচ্ছো।
তাকে ফোন দিচ্ছো না কেন? জিজ্ঞেস করো, সে কি আমার সাথে কথা বলতে চায়?
কারণ ওর বয়স মাত্র ছয় বছর। তুমি কী মনে করো, সে কী বলবে?
- 'হ্যাঁ।' - আমি বলেছি, থামো!
এসব কী হচ্ছে?
সে আমাকে ফেলে দিয়েছে, ধুর!
মিথ্যে কথা।
পা পিছলে পড়েছে।
থামো। তুমি কী করছো?
আমি বলেছিলাম, গাড়িতে থাকতে।
-তুমি দেখোনি, এখানে কী হচ্ছিল। -কি হচ্ছে, সেটা দেখার বিষয় না।
আমি তদন্তকারী পুলিশ,
আমার সাথে থাকার কারণে এখন তুমিও একপ্রকার তদন্তকারী পুলিশ।
ওখানে কি কেউ মারা গেছে?
-না, কিন্তু-- -না?
- আমি যদি না যেতাম-- - ধুর!
ওই বদমাশটাকে গ্রেপ্তার করেন। ও আমাকে খুব মারধর করেছে!
- দেখলে তো? - এই প্রথম না, আগেও করেছে।
এই সমস্যা মিটাও এখন।
- নিকৃষ্ট লোক একটা। - না।
-না, তুমি এটা মিটমাট করো। -দাঁড়ান, দাঁড়ান! কোথায় যাচ্ছেন?
-আমাকে এভাবে ফেলে যেতে পারেন না! -ফাক ইউ! ফাক ইউ!
এই লোকটা কে আসলে? আমরা এভাবে এখানে বসে থাকতে পারি না।
তুমি বলেছিলে, আমরা আস্তে করে ঢুকে ট্রাক ভর্তি ওয়াশিং মেশিন চুরি করব জাস্ট।
-হ্যাঁ, সেটাই তো করেছি। -না, আমরা শুধু এটুকুই করিনি।
আমি হয়তো একটা পুলিশকে মেরে ফেলেছি, ভাই।
আমাদের শুধু মিয়ার ঋণটা শোধ করলেই হবে।
আর যা কিছু হবে, সব দায় আমার। যা-ই হোক, দোষ আমি নেব।
হ্যাঁ?
শোনো, সে এসে গেছে।
ঠিক আছে।
আমরা প্রস্তুত।
এই।
আমরা এক্ষুনি আসছি।
ঠিক আছে?
- বস। - হুম?
- তোমরা পেরেছো। - হ্যাঁ, আমরা পেরেছি।
কষ্ট করে হলেও।
চলো।
এইদিকে।
দরজাটা খোলো।
ভাই, একটা কথা বলতেই হয়।
তোমার কাছ থেকে এমন কিছু আশা করিনি।
তুমি একজন পুলিশকে আইসিইউতে পাঠাবে, এটা তো ভাবতেই পারিনি।
তা-ও আবার শালার একটা ওয়াশিং মেশিন দিয়ে।
'আই সি ইউ' এর সঠিক বাংলাটা আমি জানি না। তাই ইংরেজিই রেখে দিছি। কেউ জানলে জানাবেন।
আমাদের একা ছেড়ে দাও।
- হেই। - স্যরি, বস।
লাইট।
-খেয়াল রাখো। -জি, বস।
ওরা আবার কে?
না, না, না, আমাদের এখনই যেতে হবে!
-চলো, আমাদের যেতে হবে! -ওটা বন্ধ করো!
মিয়া, এখনই ওখান থেকে বেরিয়ে আসো!
আমি কিন্তু ওখানে সব সামলে নিয়েছিলাম, জানো তো?
তাহলে কি এখন ইউনিফর্ম পরেই খুনের মামলার তদন্ত করতে হচ্ছে?
আমাকে যেখানে পাঠানো হয়, সেখানেই যাই।
তুমি নিশ্চয়ই কাউকে খুব বিরক্ত করেছ।
তুমি নিশ্চয়ই বড় ধরনের গণ্ডগোল করেছো, না হলে এমন দোষ আমার মতো কারো ওপর চাপাতো না।
ভালো দিক হলো, আগে তোমার কোনো সঙ্গী ছিল না, এখন অন্তত একজন আছে।
না, আমরা সঙ্গী নই। ঠিক আছে?
তুমি কি তোমার মেয়ের জন্য উপহার কিনেছো?
অল্প কিছু কিনেছি।
-ওর বয়স কত? -ছয়।
মানে... ওর বয়স ছয়।
-এটাই শুধু ছিল? -হ্যাঁ, শুধু এটাই পেয়েছি।
আহ, এতে কিছু আসে যায় না। আমি ছোট থাকতে, সবসময়--
হ্যাঁ, জানো কী? মনে হচ্ছে, আমরা যথেষ্টই শেয়ার করেছি।
-তুমি কী করছো? -কী?
তাকিয়ে আছো। কেন তাকিয়ে আছো? এটা কেন করছো? এটা কোরো না।
তোমার সাথে কথা বলার সময় তোমার দিকে তাকাবো না?
না, তাকাবে না।
অল ইউনিট, অল ইউনিট, ১০-৭১।
এলমোর পাঁচে কোড পার্পল।
এই!
আমার জন্য কী আছে?
এই দিকে।
সন্দেহভাজনরা ওই সিঁড়ি দিয়ে পালিয়েছে। রেস্টুরেন্টের ভেতর দিয়ে
একটা গাড়িতে করে পালিয়েছে।
কেউ গাড়ির নম্বর প্লেট দেখতে পারেনি।
তাদের গতিবিধি খুঁজে বের করতে আমরা এখনও সিসিটিভি ফুটেজ কালেক্ট করছি। এদিকে দেখুন।
ঠিক আছে, ধন্যবাদ।
ওহ, ওকে।
- হেই। - হ্যাঁ, কী হয়েছে?
- কোর্টেজের জন্য স্যরি। - কী বলছেন? ডিটেকটিভ কোর্টেজ?
- হ্যাঁ। - কেন? কী হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.