Delhi Crime

Delhi Crime (दिल्ली क्राइम)

دانلود زیرنویس Bengali

فصل 1

هماهنگ با نسخه‌های زیر

Delhi Crime S01E03
ناشر Shahnewaz_Chy_13
এখন সম্পূর্ণ মাতৃভাষায় উপভোগ করুন সত্য কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত টিভি সিরিজ Delhi Crime. সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করবেন। ধন্যবাদ।

برچسب‌ها

other
تاریخ انتشار: 2022-08-04
تعداد دانلود: 34
مخصوص ناشنوایان: No

پیش‌نمایش زیرنویس Bengali

نخستین 200 خط.

বাংলা অনুবাদেঃ শাহনেওয়াজ চৌধুরী

সাবটাইটেল ভালো লাগলে এক কাপ চা খাওয়াতে পারেন। বিকাশ # ০১৮১৯৭২৬৪১১

সাবটাইটেল সম্পর্কে ফিডব্যাক জানাবেন এবং রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করবেন।

মহিপালপুর কেনো গিয়েছিস?

আমি ওখানে যাইনি। আমি মেহেরুলিতে ছিলাম।

আর এই ফোন আমার না।

দেখ, আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে তুকে গ্রেফতার করার জন্য।

বাস, কল হিস্ট্রি, সবকিছু।

তাই চুপচাপ তুর সঙ্গীদের নাম বলে দে....

নয়তো কথা কীভাবে বের করতে হয় সেই উপায় আমাদের জানা আছে।

ঠিক আছে। আমি বলছি....

আমরা বাসে তাদেরকে মারধোর করেছিলাম।

শুরু থেকে বলো....

তাদের মুনির্কা বাসস্ট্যান্ড থেকে উঠিয়ে গাড়ি স্টার্ট দিলাম....

- তোমরা কয়জন ছিলে? - আমি সহ ছয়জন।

বাসে উঠালে তারপর মারধোর করলে....

হ্যাঁ, আমার সাথে সেই ছেলের ঝগড়া হয়েছিলো।

তাই তাকে মেরেছি।

তারপর সেই খানকিটা এসে নাক গলাতে লাগলো। তাকেও মেরেছি।

তারপর সেই খানকিকে টেনে-হিঁচড়ে বাসের পেছনে নিয়ে গেলাম।

বাসের ফ্লোরে ফেলে দিলাম।

সে আমার সাথে ধস্তাধস্তি করার এক পর্যায়ে রাগ উঠে গেলো।

তারপর তাকে ধর্ষণ করছি।

সামনে পেছনে দুই দিকেই....

বাকিরাও ধর্ষণ করছে। মেয়েটা একজনকে কামড়িয়ে দিয়েছিলো।

অনেক জোরে.... তারপর আমার আরো রাগ উঠলো।

বাসে লোহার রড ছিলো। সেই রড তার সামনে পিছে দুই দিকেই ঢুকিয়ে দিছি।

কিন্তু তারপরও তোমরা ক্ষান্ত হওনি?

না...

তারপর আমার হাত তার যৌনাঙ্গে ঢুকিয়ে তার নাড়িভুঁড়ি সব বের করে দিছি।

সেই খানকির ভেতরের সবকিছু বের করে দিতে চেয়েছি আমি।

আমি তাদের বাস থেকে ফেলে দিয়ে তাদের গায়ের উপর দিয়ে বাস চালিয়ে দিতে চেয়েছিলাম।

কিন্তু তারা হয়তো বেঁচে গেছে...

- অন্যরাও কি যৌনাঙ্গে হাত ঢুকিয়েছে? - না।

তারা শুধু ধর্ষণ করছে আর পিটিয়েছে।

রড আর হাত শুধু আমি ঢুকিয়েছি। তারা কেউ ঢুকায়নি....

শুয়োরের বাচ্চা.....

এই মহিলা অফিসার ১৮ঘন্টা ভিক্টিমের সাথে হাসপাতালে ছিলো।

এই শূয়োরকে তোমার যা ইচ্ছা তাই করো। মারো, পিটো যা ইচ্ছা....

জাস্ট কোন নিশানা যেনো না থাকে....

কেনো?

- কেনো তার সাথে এমন করলে? - আমরা শুধু চুরি করার প্ল্যান করছিলাম।

যখন দেখলাম তার বয়ফ্রেন্ড তার সাথে মজা-মাস্তি করছে...

তাই ভাবলাম আমরাও মজা করি।

মানে?

তার বয়ফ্রন্ডের কারণেই আমরা এই কাজ করেছি।

এই ধরনের ছেলেদের কারণে আমাদের দেশের সংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে, দেশ জাহান্নামে যাচ্ছে....

পাবলিক প্লেসে কি কেউ এভাবে মেয়েদের গায়ে হাত দেয়? সে তার গায়ে হাত দিচ্ছে...

আর মেয়েটিও তার সাথে মজা নিচ্ছে।

তাদের এসব দেখে আমাদের মাথায় আইডিয়া আসলো এই কাজ করার।

- তুই শালা চুতিয়া নাকি! - পাগল হয়ে গেলি নাকি?

আমি তো বললাম, আমরা শুধু চুরি করে তাদেরকে ছেড়ে দিতাম। কিন্তু তার বয়ফ্রেন্ড! তার কারণেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে।

খানকির বাচ্চা.... এসব করার কি দরকার ছিলো?

তুরে মারা দরকার। তোরে আজ মেরেই ফেলবো.....

জানি না। তার সাথে এই কাজ করার ইচ্ছে ছিলো না।

অমর বাস চালাচ্ছিলো। সে বললো তাদের বাস থেকে ফেলে দিয়ে গায়ের উপর দিয়ে চালিয়ে দিতে।

তাই সে বাস থামাইনি।

- নাড়িভুঁড়ি বের করে কি করছিস? - জানি না।

কী বললি?

জানি না। কেউ হয়তো ফেলে দিছে।

আমি যা করেছি....তার জন্য একটুও অনুশোচনা করি না।

কতবার পুলিশকে বোকা বানিয়েছিস?

অনেক নাটক করেছিস....

আগেও এই ধরনের কাজ করেছিস? তাই না?

মাদারচোদ.....

মেহেরুলির সেই ভাইয়ের ব্যাপারে কিছু জানা গেছে?

স্যার, একটা লোক পেয়েছি। জয় সিংয়ের প্রতিবেশী...

সে আমাদের সহায়তা করবে।

এখানকার পাবলিকদের পুলিশের ব্যাপারে সব গোপন রেখেছি।

- কোথায় সে? - আসুন স্যার।

এদিকে স্যার....

এই যে স্যার....

কি রে? পুলিশকে সহায়তা করতে চাস ক্যান?

তুইও এক নৌকার মাঝি নাকি?

না স্যার...

এই জয় সিং। এক নাম্বারের চুতিয়া শালা....

সবসময় মানুষকে ধোকা দেয়।

- তাকে জেলে ঢুকিয়ে দিন স্যার। - আচ্ছা....

- তার ভাই কোথায় জানিস? - না....

তোমরা সব মিলিয়ে ছয়জন ছিলে।

ভিকাস গোশ্বামি, ব্রিজেশ কুমার, আলোক কুমার, সনু, এবং অমর।

অমর তোমার ভাই।

ভিকাস জিম এসিস্ট্যান্ট, আর ব্রিজেশ ফল বিক্রি করে।

এই দুইজনই তুর এলাকার।

তুই বলছিলি, অমর বাস চালাচ্ছিলো। কিন্তু সে এখন কোথায় তুই জানিস না।

আলোক কুমার বাস পরিষ্কার করে যে, গুরগাও ও নয়দাতে কাজ করে।

তার কাজিন যার নাম মানেশ্বর, যে গুরগাওয়ে থাকে। সে ছাড়া তার পরিবারে আর কেউ নেই।

কিন্তু লিস্টের শেষে যার নাম-সনু!!

সনু তার আসল নাম না।

যে লোকের তুমি নাম পর্যন্ত জানো না, তাকে সাথে নিয়ে এরকম ঘৃণ্যতম কাজ কিভাবে করলে?

আমি জানি না। আমরা সবাই তাকে সনু বলেই ডাকতাম।

তার আসল নামটাও জানিস না। নাম্বারও বলতে পারছিস না।

তার ঘর বা মোবাইল কিছুই নেই।

তুমি তাকে কিভাবে চেনো?

আমি যখন ট্রাভেল এজেন্সিতে ছিলাম...

সেখানে যেই বাস চালাতাম তার কন্ডাকটর ছিলো সে।

তার কন্ঠের জাদুতে প্যাসেঞ্জার চলে আসতো।

তাই সহজেই তার চাকরি হয়ে যেতো। এটা কয়েকবছর আগের কথা।

তো কয়েকবছর পর তুমি কাল তাকে ফোন দিলে?

না। আমি সনুর থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম।

তো চার মাস আগে এক বাসের মালিক আমাকে ফোন করলো...

বললো সনু খুব টেনশনে আছে। তার টাকার দরকার।

তাই তিনি বললেন সনুকে কিছু টাকা ধার দেওয়ার জন্য।

- বাস মালিকের নাম বলো? - মনে নেই।

- নাম্বার? - সেটাও নেই।

তাকে ডাকো...

গোপি, এদিকে আই।

- কোথায় যাচ্ছো? - বাসায়। ম্যাডাম স্যার।

তার মোবাইলের বিগত চার মাসের কল হিস্ট্রি বের করো।

আর সব নাম্বারে কল দাও।

কাল করে দিলে হবে?

আরো পাঁচজন ক্রিমিনালকে ধরা এখনো বাকি আছে। তাদের বদলে তোমাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবো?

কাল সনু তোমার সাথে কী করছিলো?

সকালে আমার ঘরে আসলো। তার আগে কোথায় ছিলো জানি না।

এখন সে কোথায়?

সকালে টিভিতে এই নিউজ দেখে...

আমরা পালানোর প্ল্যান করেছিলাম।

সকালে তোমার সাথে আর কে কে ছিলো?

সনু আর আলোক সকালে আমার সাথে NIC এসেছিলো।

তারপর বাস পরিষ্কার করে রবিদাস ক্যাম্পে গাড়ি পার্ক করে পালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম।

আসার সময় রাস্তায় কয়েকটি বাসস্ট্যান্ডে তাদেরকে নামিয়ে দিয়েছিলাম।

তারা পালিয়ে গেছে।

ভিকাসকে চেনেন?

না....

আচ্ছা ধন্যবাদ।

এই ঘটনা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই ধীরে সুস্থে আগাতে হবে।

ধন্যবাদ।

তদন্তের কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই ধীরে সুস্থে আগাতে হবে।

দেখ, ছোট্ট কিছু জানতে পারলেও উপকার হবে।

স্যার...

ভিকাস কল দিছে...

সে জয়ের সাথে কাল রাতে ছিলো।

সে জিজ্ঞেস করেছিলো, এখানে পুলিশ আছে নাকি।

আমি তাকে পুলিশের ব্যাপারে কিছুই বলিনি। বললাম এখানে সবকিছু ঠিক আছে।

একটু নাটক করলাম আর কি... যেনো কিছু বুঝতে না পারে।

দারুণ।

- সে কি এখানে আসছে? - হ্যাঁ, স্যার। যে কোন সময় আসবে....

ব্রিজেশও তার সাথে আছে।

আমি তাকে নিয়ে পেরিমিটার সেট করছি। চল.....

জী স্যার।

জী স্যার?

জয় সিংয়ের মোবাইল থেকে একটা নাম্বার পেয়েছি। মেহেরুলিতে....

মনে হয় তার ভাই দাদার নাম্বার...

- তোমাকে ঠিকানা পাঠিয়ে দিচ্ছি। এখনি বের হও। - জী স্যার।

ওই জুতা খোলে ভেতরে ঢুক...

খুব খারাপ... চান্দু বাসায় আছে?

আমির আপনার নতুন চেয়ারটি নিয়ে আসছে। কিন্তু দরজা দিয়ে সেটি ঢুকছে না।

- আপনি বাসায় আসবেন না? - মনে হয় বাসায় আসতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে।

তাহলে চেয়ার কী করবো?

চেয়ার বাইরেই থাকুক।

যদি আমির খান ফেরত নিয়ে যায়, তাহলে তো ভালোই.....

যদি না নেয় তাহলে মামলার কাজ শেষ করে দেখবো....

আপনার পিঠের কি কী অবস্থা এখন?

পিঠের ব্যাথা এখনো ভালো হয়নি। সেটাও মামলার কাজ শেষ করে দেখতে হবে।

ও আংকেল, আংকেল... দাদা সিংকে কোথায় পাওয়া যাবে?

কে আপনি?

- দাদা সিং? - হ্যাঁ

- ভেতরে চল... - আপনি কে?

চল....চল.....

- কী হয়েছে? - ভেতর চল...

কী হয়েছে?

- আপনারা কারা? - তাকে ভেতরে নিয়ে যাও...

- কিন্তু আপনারা কারা? - ভেতর যান....

কী হচ্ছে?

আমরা দিল্লি পুলিশ। ভেতরে যান।

আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?

বসো...

- কাল রাতে কোথায় ছিলি? - ঘরেই ছিলাম।

সবাইকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

- কী কাজ করো? - আমি পাহারাদার।

- তোমার একটা মেয়ে আছে। - হ্যাঁ

- আর তোমরা দুই ভাই? - হ্যাঁ।

- ভাইদের নাম কী? - অমর আর জয়।

- ভাইদের সাথে শেষ কখন দেখা হয়েছে? - তিন-চারদিন আগে।

হ্যাঁ, চারদিন।

কেনো, কী হয়েছে?

- তারা এখন কোথায়? - বলতে পারি না।

- তোমার নিজ বাড়ি কোথায়? - কারুলি, রাজস্থান।

- সেখানে কে থাকে? - বাবা-মা।

- তাদের সাথে দেখা করতে যাও? - হ্যাঁ, যখন সময় পাই।

তুর মোবাইলটা দে।

এখন আমার কথা কান খুলে শোন....

গতকাল রাতে তুর ভাই একটা মেয়েকে ধর্ষণ করে তাকে আধমরা করে ছেড়ে দিছে।

যখন টিভির নিউজ চালু করবি....

তখন দেখবি তুর ভাইদের ফাঁসিতে ঝুলানোর জন্য সারা দেশের পাবলিক খেপে আছে।

আমরা তুর ভাই অমরকে খুঁজছি।

এখন তুকে আমাদের সহায়তা করতে হবে।

এখন সিদ্ধান্ত তুর....

আমাদের সহায়তা করবি নাকি তুর বংশের মান-সম্মান ডুবাবি।

একজন আসামিকে সহায়তা করার অপরাধে তুর বংশের সবাইকে তখন জেলের ভাত খেতে হবে।

তখন নিজের বাড়ি-ঘর, মান-সম্মান, চাকরি-বাকরি সব হারাবি।

নিজের ছেলে মেয়ের মুখ আর দেখতে পারবি না। জিন্দেগী বরবাদ হয়ে যাবে তখন।

কিন্তু যদি আমাদের সহায়তা করিস তাহলে তোর কিছুই হবে না।

এই কেসে তুর ব্যাপারে সবকিছু গোপন রাখা হবে।

ঠিক আছে।

- ঠিক আছে... - এক কাজ কর...

রাজস্তানে তোর বাপ-মাকে ফোন দিয়ে বল...

তুই অমরকে খুঁজছিস কিন্তু তার ফোন বন্ধ।

তারপর জিজ্ঞেস করবি সে কোথায় আছে। বোঝা গেছে?

ফোন দে....

نظرات

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left