نخستین 185 خط.
ইয়ুন জ্যে।
ইয়ুন জ্যে, কোথায় তুই?
ইয়ুন জ্যে।
ইয়ুন জ্যে, উঠো।
ধ্যাৎ।
এতে কাজ হবে না। আমি নিচে যাচ্ছি।
হেই।
ওকে এখানে রেখে যায়।
কি?
আমাদের হাতে সময় নেই, সেটা তুই জানিস।
তুই চাচ্ছিস আমরা আমাদের ভাইকে ছেড়ে গিয়ে নিজেদের রক্ষা করি?
কীভাবে নিজেকে ওর বড় ভাই ভাবিস?
কীভাবে নিজেকে মানুষ মনে করিস?
তোর কি মনে হয় আমি ভাইকে ফেলে যেতে চাই?
"নেড়ি কুত্তা" যদি জানতে পারে আমরা এখানে ইয়ুন জ্যের জন্য এসেছি,
তখন কি হবে?
"নেড়ি কুত্তাটা" আসছে।
ধ্যাৎ।
এখান থেক যা, যেয়ে মাকে খুঁজে বের।
হুঁশে আয়, হাঁদারাম জলদি করো, এখান থেকে যা।
জলদি যা!
ইয়ুন জ্যে!
উঠে পড়, ইয়ুন জ্যে!
ভাইয়া!
আমাদের এখান থেকে যেতে হবে।
নেড়ি কুত্তাটা আমাদের পিছু নিয়েছে।
ভাইয়া!
প্লীজ,
" বঙ্গানুবাদ ও সম্পাদনায় " মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
- হেই, এখানে। - সাহায্য করুন!
- আমাদের সাহায্য করুন! এখানে! - সাহায্য করুন!
সাবধানে!
হেই।
হেই, উঠো।
এপিসোডঃ ০১ নেড়ি কুত্তা
প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও।
প্লিজ,
আমাকে ছেড়ে দাও।
আমার মেয়ে দিয়েছে নাকি?
" বাবা, আমার আসতে দেরি হবে। আমার জন্য অপেক্ষা করো না। "
জি-ইউন চলে এসেছে ? ও এখন কোথায়?
আপনার ডায়লাকৃত নাম্বারটি এই মুহূর্তে বন্ধ আছে।
বিপ শোনার পর আপনার বার্তাটি প্রেরণ করুন।
কি হয়েছে?
( আমার লক্ষী মেয়ে।
আপনার ডায়লাকৃত নাম্বারটি এই মুহূর্তে বন্ধ আছে।
বিপ শোনার পর আপনার বার্তাটি প্রেরণ করুন।
দ্যেক-সুনা।
দ্যেক-সুনা।
দুষ্টু কুকুরটা কই গেল?
দ্যেক-সুনা!
দ্যেক-সুনা!
ওহ খোদা! দুষ্টু কুকুর!
তোকে আবর্জনা খেতে বারণ করেছি না?
ওইগুলো পচা খাবার।
এখনই ওখান থেকে আয়।
দুষ্টুটা,
কথা শুনিস না?
ওখান থেকে জলদি আয়।
দুষ্টু কুকুর! তোকে যেতে বলেছি।
হুম।
ওটা কি?
এটা কি ধরনের পাগলামো,
চলো যাই।
ধ্যাৎ।
খানকির পোলা শুধু ওকে হত্যা করলেই পারত।
কেন ওর ঠোঁট ছিঁড়তে গেল?
সাইকো থেকে এর চেয়ে ভালো কি আশা করেছিলেন?
এটা ডিটেকটিভ রিউ'র কন্ঠ না?
ওহ, আমারও তাই মনে হচ্ছে।
ওহ, আরেক পাগল,
সাধারণ অপরাধীদের তুলনায় সাইকোপ্যাথদের ধরা সহজ।
- সুং জুন। - কীভাবে বুঝলেন সে একটা সাইকো?
আবারও লাশ হওয়ার ভান করেছিস?
এবার কি হয়েছে বলে মনে হলো?
আপনার কি মনে হয়?
আশেপাশে কোনো সিসিটিভি আছে কিনা চেক করে দেখি।
একটাও সিসিটিভি নেই?
কুকুর না থাকলে আমরা কখনই লাশটা খুঁজে পেতাম না।
কীভাবে ওরা এমন জায়গা খুঁজে পেল?
হয়তো জায়গাটা অপরাধীর পরিচিতি অথবা আগে এসে দেখে গেছে, ঠিক না?
হ্যাঁ।
অদ্ভুত কিছু একটা আছে।
কি সেটা?
এখান থেকে লাশটাকে একটা ব্যাগ ভরে ফেলা হয়,
তাহলে ব্যাগটাকে ওভাবে বসা অবস্থায় পাওয়া অসম্ভব।
ব্যাগটা আশেপাশে ছড়িয়ে যাবে,
অথবা গড়াগড়ির সময় ফেটে যাবে বা আঁচড় লেগে ছিঁড়ে যাবে।
যদি ওরা আবর্জনা ভেবে ফেল দিতে চাইত,
তাহলে কেন এত সর্তকভাবে এখানে নিয়ে এসেছে?
অস্বাভাবিক কিছু পেয়েছ?
হেই।
তার হাত এবং হাঁটুর ভেতরটা থেঁতলে গেছে।
আঘাতে কোনো চিহ্ন নেই,
মনে হচ্ছে ওকে খুঁটি বা নরম লাঠির সাথে বেঁধে রেখেছিল।
নরম লাঠি?
আর মুখের কাটা দাগটা?
কোনো সন্দেহ নেই কাটাটা সাম্প্রতিক।
এটা এক টানে করেছে।
অস্ত্রটা মুখের কোণ থেকে বাহিরের দিকে গেছে,
প্রতিটা ক্ষতের দৈর্ঘ্য ৫ সেন্টিমিটার।
সবগুলো অবিকল, যেন কাটাগুলো মেপে মেপে করেছে।
কাটাগুলো কি কোনো বার্তা দিতে চেষ্টা করেছে?
ওহ, এটা দেখ।
কি দেখছ?
মাংস।
মানে গভীরভাবে কাটেনি।
ক্ষতগুলো হালকাভাবে উপর থেকে ৫ মিলিমিটার করে কেটেছে।
বাজি ধরে বলতে পারি গালের হাড় এবং ধমনী এড়াতে এটা করেছে।
মৃত্যুর পরেও যদি ধমনী কাটত,
তাহলেও অনেক রক্তপাত হত।
- কেমন অস্ত্র ব্যবহার করেছে? - এটা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন,
তবে এটা ধারালো এবং পাতলা ব্লেডের মতো হবে।
যেমন,
- এটার মতো? - হ্যাঁ, সম্ভবত।
এটার মতো?
ওই হারামজাদা!
বাই।
পুরোই একটা সাইকো।
মু-ইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন ছাত্রী।
এগুলো অপরাধস্থলের ছবি।
এক সপ্তাহে আগে ওর বাবা ব্যেক মুন-কাং নিখোঁজ হওয়ার রিপোর্ট করে।
তবে ওর একটা ম্যাসেজের কারণে,
পুলিশ ধরে নেয় সে বাড়ি থেকে পালিয়েছে।
ম্যাসেজ কি বলেছে?
"ওর বাড়িতে আসতে দেরি হবে। ওর জন্য অপেক্ষা না করতে বলেছে।"
অদ্ভুত ব্যাপার হলো,
ম্যাসেজ পাঠানোর সময় ফোনটা তার বাড়ির কাছেই ছিল।
সে বাড়ির কাছে এসেই ওই ম্যাসেজটা করেছে?
হ্যাঁ।
সেদিন ক্লাস শেষে ভিকটিম,
তার বন্ধুদের সাথে একটা ক্লাবে তার জন্মদিন উদযাপন করছিল।
১০টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্য ক্লাব থেকে বের হয়।
এই লোকেশন থেকে ম্যাসেজ পাঠানোর সাথে সাথেই,
ফোনটা বন্ধ হয়ে যায়।
ধুর ছাই।
সেওক-গু, ওই সিসিটিভির ফুটেজগুলো ব্যবস্থা করো।
আচ্ছা, বুঝছি।
মোটরবাইক!
মোটরবাইক, থামো!
মোটরবাইক!
তুমি কি করছ?
হেই।
৫ই জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে,
এই মেয়েটাকে গলিতে দেখেছেন?
জানি না।
ধুর ছাই।
হ্যাঁ।
ক্লাবে জি-ইউনের জন্মদিন পালনের পর,
আমরা ১০টার দিকে যার যার মতো করে চলে যায়।
কিন্তু রাত ১০টায় ক্লাবগুলোতে আসর বসে।
তাহলে এত দ্রুত চলে গেলে কেন?
আমরা আরো কিছুক্ষণ থাকতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু সেই সময় সেখানে একটা উম্মাদ ভিআইপি কাস্টমার ছিল।
ওর চোখগুলো এমনভাবে আমাদের দিকে নিবদ্ধ ছিল যেন আমাদের খিলে ফেলবে।
সে জি-ইউনকে জোর করে মদ পান করার চেষ্টা করেছিল।
সে খেতে না চাইলে,
ওর গলায় চুরি ধরে চিৎকার করে।
ওই হারামজাদাটা কে ছিল?
- চলো পান করি। - চলো পান করি।
কি? তুমি কি বিরক্ত?
ছাড়।
পান কর। এটা খুবই মজার জিনিস!
এর স্বাদ একদম সেই!
এটা একদমই তোর মতো উম্মাদ।
শুধু কি আপনারা দুইজন?
পান করো।
পান করো!
পান কর।
তুই যাই করিস না সবই অসহ্য লাগে। আমি আর সহ্য করতে পারছি না।
তোর জন্য সবকিছুতে নিখুঁত হতে হবে,
বাইনচোদ!
বন্ধুরা চলো যাই।
তোর সবকিছু আমার পছন্দ,
কিন্তু তোর মুখটা একটু ছোট।
তুই চাস আমি এটা ঠিক করি?
- তুই কে? - এই যে আমি।
"মুইয়ং পুলিশ স্টেশন, রিউ সুং-জুন?"
ধুর শালা।
এখানেই দাঁড়া!
মাগী।
বেশ্যা, আমাকে প্রত্যাখ্যান করার তোর সাহস হয় কীভাবে?
- মরতে চাস? - ধুর ছাই।
হেই!
এসব কি? বাইনচোদ, তোকে হাতেনাতেই ধরেছি।
No comments yet. Be the first to leave one.