نخستین 109 خط.
Translated By Muhit Ahsan Akash
চলো!
সকলে একসঙ্গে থেকো!
চলে এসো!
কেদা!
তুমি ব্যর্থ হয়েছ।
উত্তীর্ণ।
ব্যর্থ।
ব্যর্থ।
উত্তীর্ণ।
যন্ত্রণা আমাদের সফরসঙ্গী।
থামো!
থামুন,পিতা আপনার বোধহয় স্নান হয় নি!
এবার তুমি আমার সঙ্গে শিকারে যাবে।
তুমি একজন দলপতির বংশধর আমার সন্তান!
যোগ্য দাবীদার হিসেবে নিজেকে সবার সামনে মেলে ধরো। নিজের শক্তিমত্তার পরিচয় দাও!
ও এখনও প্রস্তুত নয়।
প্রতি বছর এ সময়টায়...
...আমরা চার পেয়ে দানব শিকারে বের হই।
নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে।
এবার ওর পালা।
গোষ্ঠির সামনে নিজের সক্ষমতা জানান দেয়ার।
যদি ও অসফল হয়...
আমি ওকে আমার প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি।
যদি ওর কিছু হয়ে যায় আমার ভয় করছে।
ও অন্তরের শক্তিবলে এগোয়।
বর্শার শক্তিবলে নয়।
এটা সঙ্গে রাখিস... তোকে সকল বিপদ থেকে আগলে রাখবে।
আমি নিজেই নিজের দেখভাল করতে পারি।
কেদা।
মা তোকে ভীষণ ভালোবাসে।
নেতার আসনে আসীন হওয়ার যোগ্য দাবীদার
হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেই
ও তোমার কোলে ফিরে আসবে।
ফিরবেই সে নিশ্চয়তা কি?
আরম্ভ করো।
টিকে থাকার লড়াইয়ে মনোযোগ হারালে চলবে না... ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না।
পিতা...
বন্ধু!
বহাল তবীয়তে শীতটা কাটিয়ে দিলে ওজন খানিকটা বেড়েছে মনে হচ্ছে।
তা বলতে পারো।
সঙ্গে এক তরুণ শিকারীও এনেছি...
শির উঁচু করো... আর এদিকে তাকাও।
এ আমার পুত্র।
আমার ছেলেটার আর শিকারে অংশ নেয়া হলো না।
পূর্বপুরুষদের কাছে চলে গিয়েছে।
তুমি নিশ্চয়ই একজন গর্বিত পিতা।
আশা করি সে আমার মান রক্ষা করতে পারবে।
আমাদের গোষ্ঠি পবিত্র পথ ধরে এগিয়ে গিয়েছে
যে পথ শিকারের সূচনালগ্ন থেকেই রয়েছে
রয়েছে আদিপিতাদের রেখে যাওয়া পথ নির্দেশক
তাদের পদাঙ্ক আমাদের পাথেয় স্বরূপ।
যা আমাদের অনন্ত আদিমতার পথে রসদ জোগাবে।
প্রতীকী হাতের ছাপগুলো বলে দিচ্ছে লক্ষ্য আর বেশী দূরে নেই।
যেখান থেকে কেউ ফেরে।
কেউ ফেরে না।
কিন্তু চিহ্নগুলো ঠায় দাড়িয়ে রয়... নেতা ও তার দলের ফেরার পথের দিশারী হয়ে।
হত্যা করো এটাকে।
একটি প্রাণের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে একটি নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটবে।
কাজটা সেরে ফেলো।
আমায় মাফ করবেন!
জীবন কেবল সাহসীদের সাথ দেয়!
যা কুঁড়িয়ে পাওয়া যায় না,অর্জন করে নিতে হয়।
শান্ত হও।
সকলে সতর্ক থেকো।
ও আর নেই...
...তাই বলে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না।
চালিত হোক তার আত্মা সে পথে...
...যে পথে আদিপিতাগণ গিয়েছেন।
পাথরে খোদাইকৃত চিহ্নগুলো তোমাদের দিনের আলোয় পথ দেখিয়েছে
এবার তোমরা তা নিজেদের মধ্যে ধারণ করেছ...
...যা তোমাদের রাতের আঁধারেও পথ দেখাবে।
পূর্বপুরুষদের পাঠানো আলোকবার্তা...
...আমাদের বাড়ির পথ দেখাচ্ছে।
বাড়ি।
ওটাকে দেখছো?
ও হচ্ছে আলফা,ওদের দলনেতা।
আলফা তার দলের সুরক্ষার প্রশ্নে কোনো আপোষ করে না।
কিন্তু সে নিজেও বিপদমুক্ত নয়।
দলের বাকীরা যদি তার মধ্যে দুর্বলতার আঁচ পায়...
...তবে তারা দ্বন্দ্বযুদ্ধের আহ্বান জানায়।
আলফাকে তখন শক্তি ও বুদ্ধিমত্তার দ্বারা...
...নিজের আসন সুসংহত করতে হয়।
সে আলফা হয়ে জন্ম নেয় নি।
বরং বীরত্ব এবং একাগ্রতার দ্বারা সে এ পদে আসীন হতে পেরেছে।
শশস!
চলো!
কেদা!
কেদা!
কেদা!
নিচে তাকিও না!
ছেড়ো না!
কেদা!
বন্ধু...
সর্দার...
ওর কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়!
ওর আশা ছেড়ে দিন।
আমরা আপনারকেও এভাবে হারাতে চাই না।
গোষ্ঠির লোকেরা আমাদের মুখ চেয়ে বসে আছে।
কেদা!
টানা গাড়িতে সব তুলে নাও।
আমাদের গ্রামে ফিরতে হবে।
পবিত্র আত্মারা তোমাদের নিরাপদে বাড়ির পথ দেখাক।
ওকে বলে দিও পরলোকে আমাদের সন্তানেরা ভাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখবে।
ওর আশা আপনাকে ছাড়তেই হবে।
এবার ওকে মুক্তি দিন।
ও এখন আত্মাদের জগতে চলে গিয়েছে।
বাবা!
No comments yet. Be the first to leave one.