نخستین 200 خط.
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: রাজু তালুকদার
সাবটিতে প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু জায়গায় ডায়লগ পরিবর্তন করা হয়েছে।
ওই, শালার পুতেরা!
থাম বলছি, বদমাইশের দল!
জলদি করো, ধরো ওই হারামিগুলোকে!
ওদের ধরতে আমাদের সহায়তা করুন!
ওখানেই থাম বলছি!
ওই! ধরতে পারলে তোদের কপালে দুঃখ আছে।
ঠিক আছেন?
এখন কোথায় যাব?
এইদিকে! এইদিকে!
ধুর বাল!
অফিসার কিউন! এখানে।
বালের পাগলা কুত্তাটা!
জানি তোরা ওখানে লুকিয়ে আছিস।
ভালোই ভালো বলছি বেড়িয়ে আয়!
তিন পর্যন্ত গুনছি।
আমাদের একসাথে যাওয়া ঠিক হবে না। চল আলাদা হই এবং গাড়িতে দেখা করি।
কিন্তু... আমরা পালাচ্ছি কেন?
চল আত্মসমর্পণ করি।
সত্যি বলতে, আমরা কোন ভুল করিনি।
যদি আমরা ধরা পড়ি সেটা আরো বাজে হবে।
আমরা কোন ভুল করিনি।
ঠিক বলেছিস। যদি আমরা ধরা পড়ার পরে মুক্তি পাই, সেটা আরো খারাপ হতে পারে।
চল যাই। আমাদের শীগ্রই বাড়ি ফিরতে হবে।
আমাদের বের হওয়া উচিত।
চল এখনি বের হই।
বাড়ির লোকজনদের এটা সম্পর্কে জেনে ফেলা উচিত হবে না।
তিন!
দৌড়া!
শয়তানের বাচ্চারা!
ওই হারামজাদারা! কোথায় যাচ্ছিস তোরা?
দৌড়া! দৌড়া!
ওই! ওই! আমাকে কল করিস!
আমি ডানদিকে যাচ্ছি। পরে দেখা হবে, ঠিক আছে?
ওই... সা..সাং-উ!
সাং-উ! সাং-উ!
নড়াচড়া করিস না, হারামজাদা!
তোর খেল এবার খতম।
ওখানে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে! গাড়ি দুর্ঘটনা!
ওরে বেজন্মা!
পুলিশ অফিসারদের মিথ্যা বলছিস?
কসম খেয়ে বলছি একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে! আমাকে যেতে দিন!
কে ওটা?
সাং-উ! সাং-উ!
এটা কী হলো তোর?
উঠ বলছি!
আমরা জড়িত না, তাই না?
ওই, কুত্তার বাচ্চা! থাম বলছি!
হিট-এন্ড-রান অপরাধী, ওখানেই থাম বলছি!
সাং-উ! সাং-উ!
এটা আমি, ইয়ং-বি। ইয়ং-বি।
দাঁড়া! আমি ১৯৯ এ ফোন করছি।
ধৈয্য ধর! ১১৯।
মিস্টার! মিস্টার! ১১৯। ১১৯।
তাদের এখনি আসতে বলুন!
বেজন্মা! ওই শুয়োরের বাচ্চা! সাং-উ...
- উঠে পড়! - কী করছেন? ছাড়ুন আমাকে।
- উঠ বলছি! - সাং-উ, তোর কিছু হবে না।
তুই ঠিক হয়ে যাবি। একটু অপেক্ষা কর।
এখানে আয়!
উঠ বলছি! আমার দিকে তাকা! সাং-উ!
শালা হারামি! প্লিজ চোখ খোল!
সাং-উ! সাং-উ! সাং-উ! সাং-উ!
= One Way Trip =-
জরুরি রোগী! তারাতাড়ি করুন!
- তারাতারি করুন! - ওর চেতনা কেমন? - ও অজ্ঞান।
এক, দুই, তিন!
তুমি কি শুনতে পাচ্ছ?
এই ছেলে! এই ছেলে!
এই ছেলে!
রক্তচাপ মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।
চলুন একটি সার্জারি করা যাক, ওর অভিভাবককে ডাকুন।
ঠিক আছে।
আমি নির্দোষ।
প্লিজ আমাকে যেতে দিন।
আমাকে হাসপাতালে যেতে দিন।
ওর অবস্থা চেক করে শীঘ্রই ফিরে আসব।
সাং-উ...
রক্ত... রক্ত...
ওর অনেক রক্তপাত হয়েছে।
ও মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে।
এই ছেলেটা তো অনেক বিরক্তিকর!
আমরা অনেক ব্যস্ত বুঝলি!
ওই, এখানে...
- বসে পড়! বস এখানে! - সাং-উয়ের কী হবে?
শান্ত হ... শান্ত হ...
সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
যদি এমনটা করতে থাকিস, তাহলে আরো সমস্যায় পড়ে যাবি।
চল দ্রুত তদন্ত শেষ করি নাকি এখানেই থাকতে চাস?
কেউই হাসপাতালে আসবে না। সাং-উয়ের শুধু একমাত্র দাদি আছে।
এখন ওখানে গিয়ে লাভ নেই।
ওকে এখন দেখতে পারবি না।
আমাকে ওখানে যেতে হবে। ওর দাদি এসেছে কিনা দেখতে হবে।
আমাকে যেতে হবে।
আচ্ছা! যাব! যাব! হাসপাতালে।
চল তাড়াতাড়ি তদন্তটি শেষ করি। তাহলে ওনাকে সবকিছু খুলে বলতে পারবি।
পালিয়ে যাওয়া ছেলেগুলো তোর বন্ধু, তাই না?
ওদের সবাইকে এখানে আসতে বল!
তারপরে, তোকে হাসপাতালে নিয়ে যাব। ঠিক আছে?
জলদি ওদের আসতে বল!
জি-গং।
হ্যালো!
কী ব্যাপার?
জি-গং কল ধরছে না। ও কি বাড়িতে আছে?
ও তো সকালে তোমার সাথে দেখা করবে বলে বের হয়ে গেল।
ওর সাথে দেখা হয় নি?
কখন?
আমি শিওর না। সম্ভবত প্রায় ২ ঘন্টা আগে।
আমি সকাল থেকেই ওর জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
জি-জে, চুপ করো!
তুমি কি এবার কলেজ প্রবেশ পরীক্ষায় পাস করেছ?
না।
তাহলে, আবার চেষ্টা করতে চাও?
আমি এখনো এটা নিয়ে ভাবছি।
তুমি হয়তো জানো জি-গং আবার চেষ্টা করবে, তাই না?
হ্যাঁ।
তাহলে ওকে পড়াশুনায় মনোনিবেশ করতে এবং ওর জন্য কি দোয়া করতে পারবে?
তুমি কি এটা করবে?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে। তুমিও কঠোর পড়াশোনা করো।
- ঠিক আছে। - সাবধানে বাসায় যেও!
হায় ঈশ্বর, এটা অনেক উচু।
কী করছিস তুই?
যদি লাফ দিতে চাস, জলদি কর!
আমি এটা করতে পারব।
আমার পা! আমার পা!
ওহ! হ্যালো?
সত্যি ব্যাথা পেয়েছি তো!
ওই!
যদিও একটু আঘাত পেয়েছি। তবুও এসব শুধু সাং-উর জন্য করছি।
আমরা কখন আবার একসাথে ভ্রমণ করতে পারব কে জানে?!
সাথে মেয়ে থাকলে আরো জমতো!
আমাদের কোন গার্লফ্রেন্ড নেই।
আয়নায় নিজের চেহারা দেখেছিস?
ওই, আমি কি সুদর্শন না?
আমি কি সুদর্শন না?
কি ভাবিস আমি পটাতে পারব না? চুতিয়া শালা!
গাড়ি এনেছিস?
অন্য একদিন যাওয়া যাবে।
সিট বেল্ট লাগিয়ে নে! এটাতে কোন এয়ারব্যাগ নেই!
ধর এটা!
ঠিক আছে।
মনযোগ দে, হারামজাদা!
আবার কর!
ঠিক আছে!
একদম দুর্বল বোকচোদ!
উঠে পড়!
যদি তুই কঠোর চেষ্টা না করিস, তবে ক্যালানি খাবি।
এসব কী?
প্রাকটিসের সময় কে ফোন চালু করে রেখেছে?
কে সে?
ওই বেজন্মাটা কল রিসিভ করছে না।
এসব কী?
যেহেতু ২ দিন ১ রাতের জন্য যাচ্ছি, তাই আগাম প্রস্তুত রাখা ভালো।
যাবার পথে এক পোশাক, আশার পথে আরেক পোশাক।
অপ্রত্যাশিত জিনিসগুলির জন্য এটা,
আর এটা জরুরি অবস্থার জন্য।
আর সবচেয়ে জোশ জিনিসটা...
কী সেটা?
এটা একটি ফেরোমোনযুক্ত পারফিউম।
যদি এটা স্প্রে করিস, মেয়েরা তোর জন্য দিওয়ানা হয়ে যাবে।
আরে শালা, এভাবে এটা স্প্রে করিস না।
এসব ভুয়া কথা কে বলেছে! এমন কিছুই হয় না।
একটু লাগিয়ে দেখ।
- এমন করিস না! - দেখি কিছু হয় নাকি না হয়।
সব বাজে কথা!
ওই, কল রিসিভ করিস নি কেন?
আহ... হ্যাঁ। হ্যালো।
হ্যাঁ।
প্লিজ একটু অপেক্ষা করুন।
ওই।
কী সমস্যা? কে এটা?
তোর মা।
ধুর বাল, পাগল হয়ে যাব। আমি এখন কী বলব?
হ্যাঁ, মা। আমি এখনি আসছি।
আমি তো মজা করছি।
ওই! শালা ডু-মান! মারা খা! মারা খা শালা বাইনচোদ!
মনে করিস আবার আমাকে বোকা বানাতে পারবি?
হায় ঈশ্বর, তুই কি পাগল হয়ে গেছিস?
কী করছিস ওখানে?
এখনি বাড়ি আয়!
ওই বজ্জাত ছেলেটার সাথে কোথায় যাচ্ছিস?
হ্যালো?
হ্যালো?
এটা আমার মা তোর বলা উচিত ছিল!
বলেছিলাম তো।
মনে হয় মা আমার ফোনটি চেক করেছিল।
ওই, ফোনটি ধর আর সত্যিটা বল। বল যে কেবল একদিনের জন্য যাচ্ছি।
তিনি রাজি হবেন না।
তুই তো জানিস আমার মা কেমন!
ভয় পেলে চল ফিরে যাই।
কী করবি? ইউ-টার্ন নিব?
আমি স্বাধীন হতে চাই, সেটা একদিনের জন্য হলেও।
আপনি সত্যিই অনেক পরিশ্রমী।
সুদ সহকারে এটি ৭ মিলিয়ন ওন হবে।
কখন এটি স্থানান্তরিত হবে?
আজ রাতে হবে।
কিছু নতুন কাপড় কিনবেন।
শুধু সাং-উয়ের পিছনে সব ব্যয় করবেন না।
No comments yet. Be the first to leave one.