نخستین 200 خط.
কি?
- কি সমস্যা এটার? - দাড়া না বাল।
একেবারে গেছে নাকি? আওয়াজটা তো ওরকমই মনে হয়।
চুপ থাক। আমারে দেখতে দে।
যন্ত্রটা কি আদৌ কাজ করবে?
ধৈর্য ধরস না রে বাপ। এক্ষুনই হয়ে যাবে।
এই নষ্ট মাল কোত্থেকে কুড়িয়ে আনলি?
তুই সেমিস্টারের ফি এর টাকা মেরে দিয়ে এই বালটা কিনেছিস?
ভালো দেখে একটা নিতি।
ওরে বাল কি এটা।
মার্সেডিজ?
এই স্টিকারটা তুই লাগিয়েছিস?
দারুন চেষ্টা।
ওরে।
এটার কালার টা এমন ক্যান?
- তুই কি সেম কালারের জ্যাকেট গায়ে দিছস? - চুপ থাক।
উঠে পড়।
- পিনিক লাগতাসে না? - না।
কি হইলো?
- থেমে যাচ্ছে। - ঐ।
- এটা থেমে যাচ্ছে। - সমস্যা কি এটার?
তোর বাইক এমন ক্যান? বিরক্তিকর।
হাটলেও এর থেকে দ্রুত চলা যায়, দেখছিস?
চুপ থাক, হারামী।
- না। এটা দেখি নিচের দিকে চলে যাচ্ছে। - ব্রেক চাপ দে।
থাম।
শান্ত হ।
এটার তো অবশ্যই কোনো সমস্যা আছে। তুই টাকা ফেরত নিয়ে নে।
আরে ব্যাটা, এটা অনলাইন থেকে কিনেছি। টাকা ফেরত দিবে না।
ওই, ধুরো।
- এরা এসব কি করছে? - ওই!
তোর বটবটি সরা।
বাল।
- শালা, চোদনা। - ওই, উঠে পর।
- দ্রুত, স্ট্রাট দে। - শালাগোরে আজকে মাইরাই ফালামু।
এক্ষুনই চালু দে।
- আরে, এতো আস্তে চলছে কেনো? - দ্রুত।
- চালু হইছে, পা উপরে উঠা। - চল।
- জোরে চালা। - চালাচ্ছি।
- কি করছিস তুই? - খানকির পোলা!
ঐ, থাম!
- কুত্তারবাচ্চা! - জারজের বাচ্চা!
থাম, চোদনা!
উঠ।
প্রায় মরতে বসেছিলাম।
আমরা দুঃখিত।
অফিসার, প্লিজ ওদেরকে ধরুন!
- ওই শালা... - দ্রুত।
স্পিড বাড়া!
ও তো পালিয়ে যাচ্ছে।
- ওই চোদনা! - হারামজাদা!
ভাগ, আবাল।
- "আবাল"? - কি বললি?
- তুই কি কি আমারে আবাল বললি? - ওই!
তুই কি মরতে চাস, আবুল?
- তুই আমার বাইকের গ্লাস ভাঙছস! - বাল!
তো কি হইসে?
- টাকা দে, ব্যাটা! - থাম!
- ওই! - ওই হ্লুদ চুলওয়ালা, দাড়াও!
- হ্যা। হলুদ মাথাওয়ালা, হারামজাদা। - থাম!
ওই, আমার মনে হয় উনারা আমাদের সাথে কথা বলতে চাইছে।
আমাদের পিছু নিয়েছেন কেনো?
- আমরা নিষ্পাপ। - তোমরা তো হেলমেট ও পড়ো নাই।
- তাদেরকে ধরেন। এরা খারাপ পোলাপান! - আপনাদের আঘাত লাগতে পারে।
ঠিক আছে, আগে বাইক থামাও।
- দেখুন, তারা এটা ভেঙে ফেলেছে। - তারা খারাপ লোক!
বাইক থামাও।
- সামলে! - বাল।
ব্রেক চাপ দে!
ধ্যাত, এটা কাজ করছে না।
সারা রাত বাইরে কি করছিলি? বাড়িতে পর্যন্ত আসিস নি।
হ্যালো।
সাং-পিল, তুমিও।
তোমাকে তোমার নানীর জন্য দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য বলেছিলাম।
মোটরসাইকেল কোথায় পেলে?
তুমি কি চুরি করেছো?
না, অবশ্যই না।
ত্যেক-ইল অনলাইন থেকে এটা কিনেছে।
সে এটা ফেরত দিতে চেয়েছিল কিন্তু বাইকটা ভেঙে গেছে।
- হারামজাদা - কি?
তোর স্কুলের পরীক্ষার কি অবস্থা?
ছেড়ে এসেছিস নাকি?
ফালতু কথা বাদ দাও।
আমি স্কুল ছেড়ে দিয়েছি। আর আমি পড়ালেখা করবই বা কেনো?
তাহলে টাকা দিয়ে ওটা কিনেছিস?
হ্যা, আর আমি কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবো না।
তাহলে কি করবে?
তোর কোনো কারিগরি দক্ষতা নাই। তুই কি এভাবেই ভবঘুরে হয়ে
অনর্থকভাবে জীবন পার করে দিবি?
এমনভাবে বলছো যেনো তুমি খুব দারুন জীবন কাটাচ্ছো।
তুমি
তোমার ভলিবল খেলার দক্ষতা দিয়ে তোমার ছেলেকে আর এভাবে থাপ্পর মেরো না।
তুমি কি এটাকে সার্থক জীবন বলো?
আমাকে কলেজে পড়ানোর মতো আর্থিক অবস্থাও তো নেই তোমার।
বাল।
তুই কি আসলেই জেজু দ্বীপে যাবি?
কিছু বলছিস না কেনো? কোথায় যাবি?
জানি না।
যেদিকে ইচ্ছে হয় সেদিকে চলে যাবো।
আগে তো ঠিক করে নিবি কোথায় যাবি।
কিছু একটা তো করতেই হবে।
যা ইচ্ছে কর, হারামী।
যখনই তুই মাতলামি করস, তুই কাদঁতে শুরু দিস, আর বলিস তুই তোর মাকে কত ভালোবাসিস।
তুই বলেছিলি উনাকেও জেজু দ্বীপে নিয়ে যাবি।
আরে, ছাড় তো।
চল একসাথে কাজ খুজি।
তুই নিজেরটা খোজ।
ধুরো।
তুই কি আমাকে ছাড়াই চলে যাবি?
এই শহরের থেকে আমার রুচি উঠে গেছে।
খুব শীঘ্রই ফিরে আসবো।
ঠিক আছে তাহলে।
খাওয়ার আগে স্যুপ টুকু গরম করে নিস। খাওয়ার পর থালাবাসন ধুয়ে রাখবি।
১০,০০০ উন এর মধ্যে যে কোন জায়গায় যাওয়ার একটা টিকিট দিন।
যাওয়ার তো অনেক জায়গা আছে ঠিক করে বলো।
এই জায়গা গুলোর মধ্যে যে কোনো একটা হলেই হবে।
বলছি এখানে অনেক জায়গাই আছে ঠিক করে বলো কোথায় যাবে।
তাহলে, আপনি একটা ঠিক করে দিন।
তুমি আমার সাথে ফাজলামি করছো?
এই অল্প টাকা নিয়ে কোথায় যেতে চাইছো?
তুমি ননসান মিলিটারি ট্রেনিং সেন্টারে যাচ্ছো না কেনো?
- আজকাল তারা ভালোই বেতন দেয়। - দ্রুত করো।
- হায়। - তুমি দেখছো না মানুষজন দাঁড়িয়ে আছে?
আপনার ডায়ালকৃত নাম্বারটিতে এই মুহুর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না...
খোদা, তুমি যেভাবে দিনরাত পরিশ্রম করো।
কিন্তু তোমার ছেলেটার ভালো হওয়ার কোনো বালাই নেই?
গুনসান বাস টার্মিনাল
ওয়েটিংরুম
কোনো সমস্যা?
এভাবে তাকিয়ে আছো কেনো?
এখানকার মানুষজন দেখছি ক্যাজুয়াল ভাবে কথাবার্তা বলে।
আমেরিকায় চলে এসেছি নাকি?
আমি যেভাবে কথা বলছি তুমিও সেভাবে কথা বলতে পারো,
কিন্তু, তুমি এভাবে তাকায় আছো কেনো? আমার মেজাজ খারাপ হচ্ছে।
এমনিতেই দেখছিলাম।
কারন তুমি ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলে।
তোমার চুল লাল।
আর, তুমি পিচ্ছি...
ফিরে এসো।
ধ্যাত।
কোথায় গেলো মেয়েটা?
এবার তার পা গুলো ভেঙে দিও।
যাতে কোথাও যেতে না পারে।
কি এক অকর্মা।
পারলে তাকে বাড়ি থেকে লাত্থি মেরে বের করে দিও।
দেখি, ৩,০০০ উনে কি খাওয়া যায়।
বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছো?
দেখে মনে হচ্ছে তোমার তো স্কুলে থাকা উচিত।
না, হাওয়া খাওয়ার জন্য বাহিরে ঘুরতে বেড়িয়েছি।
কি চমৎকার।
বাসনগুলো...
বাসনগুলো আনতে ভুলে গেছি।
তুমি খাবার উপভোগ করো। আমি বলতে ভুলে গিয়েছিলাম...
কিছু মনে করো না।
সে যখন রেগে যায় তখন এমনই হয়।
ওই।
তুমি বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছো, তাইনা?
না?
তোমরা কি চাও?
তুমি আমাদের সাথে একটা রুম নিবে?
এতে খরচ কম পড়বে।
চলো একসাথে যাই। জায়গাটায় কোলাহল বেশি।
চল।
মা- তোর যদি বাড়ির প্রতি এতই ঘৃনা হয়, তাহলে আর আসিস না।
আমি তোকে আর বিরক্ত করবো না তাই তোর যা ইচ্ছে হয় করিস।
তোমার কি মনে হয় আমি পারবো না? আমি তোমার থেকেও ভালো একটা জীবন কাটাবো।
যাইহোক, আমার কিছু যায় আসে না।
আবারও।
আবারও এরকম কেনো করলে?
আমি তোমাকে এটা জ্বালিয়ে রাখতে বলেছিলাম।
আমার ঠান্ডা লাগেনি।
হিটারের কথা বলছি না। আমি বাতির কথা বলছি।
জায়গাটা অন্ধকার হয়ে আছে।
কে তুই?
কি? তুমি আমাকে চেনো না?
তুই একটা টাইগার।
আবার দেখে বলো। চিনতে পেরেছো?
বললাম তো টাইগার।
আমি সাং-পিল।
দেখেছো? তোমার চোখের অবস্থা দিনদিন খারাপ হচ্ছে। তুমি তোমার নাতীকে ঠিকমতো চিনতে পারছো না।
এখন থেকে বাতি জ্বালিয়ে রাখবে।
আমি এখন থেকে রোজগার করবো তাই এই বাদামের খোসা ছাড়ানো বন্ধ করো।
দেখো, তোমার পছন্দ হয়েছে।
তোর খিধা লেগেছে।
হাত-মুখ ধুয়ে নে।
তোর গা থেকে গন্ধ আসছে
রেস্তোরা খোলা-
খাবার সরবরাহের জন্য ডেলিভারি বয় প্রয়োজন-
এই যে শুনছেন।
আপনারা কি ডেলিভারি বয়দের জন্য খাবার আর থাকার জায়গা দিয়ে থাকেন?
আমার মনে হয় না তুমি সেটা করতে পারবে।
কেনো পারবো না? আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে।
যদি এখানে কাজ করো, তুমি বাড়ি ফিরতে পারবে না।
আমি বাড়ি থেকে পালিয়ে আসি নি।
আমি স্কুল ছেড়ে দিয়েছি তাই ফ্রী আছি।
তোমার এখানে কমপক্ষে ৩-৪ মাস থাকা লাগবে।
তুমি থাকতে পারবে?
গ্যু-মান দাড়াও।
হাই বলো।
- সে আজকে থেকে শুরু করবে। - কি?
No comments yet. Be the first to leave one.