نخستین 200 خط.
বাংলা অনুবাদেঃ শাহনেওয়াজ চৌধুরী নাবিলা রহমান
সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করবেন। ধন্যবাদ।
কেনি? চার নাম্বার টেবিলে যা তা অবস্থা। স্পিলেজ করে দাও। সরি।
আচ্ছা, বেশ।
মাফ করবেন...
কেউ এটা ফেলে যাচ্ছে...
ওহ, ধন্যবাদ!
- ভাইয়াকে ধন্যবাদ দাও। - ধন্যবাদ।
- সমস্যা নেই। - বাচ্চাটা অত্যন্ত ভুলো মনা। আবারো ধন্যবাদ।
তার কোন এক ইয়োগা টিচার ছিল। কী রকম বেঁকে গেলো। দেখো, দেখো।
জিসাস! ফাক! সে কি তোমাকে এটা পাঠিয়েছে? বিশ্বাসই হচ্ছে না।
চরম দুষ্টু!
জগ অন!
লিন্ডস!
লিন্ডস, আমার ল্যাপটপ কোথায়?
- বেল বাজিয়ে দিও না। - তোর নিজেরটা ল্যাপটপ ব্যাবহার কর।
- আমারটা নষ্ট হয়ে গেছে। আর তোরটা হ্যাং হয়ে আছে। - কী করেছিস তোই?
- আমি মুভি দেখার জন্য কিছু একটা করছিলাম। - ঝেড়ে কাশো?
জানিনা। মানে ফ্রীতে মুভি দেখার জন্য ট্রাই করছিলাম।
যখন আমি এটা করছিলাম ল্যাপটপ লকড হয়ে গেলো।
- দেখ, এতে আমার দোষ নেই। - এসব আর করবি না। এটা তোর ল্যাপটপ না।
- ওহ, যদি পারিস আমারটাও ঠিক করে দিস। - 'যদি পারিস আমারটাও ঠিক করে দিস'
- আমার কোকে হাত দিবি না। - একশো বার দেবো।
এটা তুমি এঁকেছ? কেনি?
ধন্যবাদ কেনি। কাল দেখা হবে।
বাই...
- বাই কেনি। - বাই কেনি, কাল দেখা হবে।
তোই একটা পাগল।
- তোই একটা পাগল। - আর তোই চোর।
সোনা? কেনি? কেমন লাগছে আমাকে?
- এখনো রঙ করিনি। - দারুন।
তাই?
তোমার বোনকে জেলখানার গার্ডদের মত করে পাহারা দিতে হবে। পারবে?
আমার দেরি হবে না অবশ্য।
ওহ খোদা! সে বাইরে অপেক্ষা করছে। ফ্রিজে একটা লাসাগনা আছে।
ভালোবাসি সোনা।
আমার চাবি দেখেছো?
তুমি ঠিক আছো? কেন? সোনা?
হ্যা, ঠিক আছি।
হা!
- শুভ সকাল কেনি। - হাই....
- কেনি? - শরীর খারাপ লাগছে খুব।
- তুমি তো মাত্রই আসলে। - জানি। মনে হচ্ছে এখানেই বমি করে দেবো।
ওকে, পরেরবার থেকে....!!
হো! ধীরে...
ধরো
- এটা ভংগুর জিনিস। - কী এটা?
তারা বললো এটা তোমাকে দিতে।
মানে? আমি এখন কী করবো?
তোমাকে সাহায্য করতে পারলাম না।
আমি এখন কী করবো?
তারা যা বলে তা করবে। কাজ শেষ হলে তুমি মুক্ত হয়ে যাবে।
তারা তোমাকে ছেড়ে দেবে।
হেলো?
ডেলি....ডেলিভারি।
ভুল রুমে আসছেন।
তারা বললো রুম নাম্বার ১২১.
না, এখানে ডেলিভারির কিছু নেই।
- কিন্তু তারা বললো.... - আমি কিছুই অর্ডার করিনি।
এটা একটা কেক।
- কিসের কেক? - জানি না। অনেকটা স্পঞ্জ কেকের মত।
আমি কোন কেক অর্ডার করিনি। তাই যেখান থেকে এনেছ সেখানে ফেরত নিয়ে যাও।
- এবং বলো যে এটা তাদের ভুল। - দেখুন আমি যদি....
আমার কোন কেক লাগবে না। তাই এখান থেকে চলে যাও নয়তো আমি সিকিউরিটিকে কল দেবো।
কেক আমি তোর পুটকি দিয়ে ভরে দেবো!
মি...মিন্ডি আমাকে পাঠিয়েছে।
- এটা কী? মিন্ডি কোথায়? - এটা আপনাকে দিতে বলা হয়েছে।
- মিন্ডি বলেছে? - না
- তুমি এইমাত্র বললে 'মিন্ডি'. - তারাই আমাকে এটা বলেছে।
ভেতরে আসো।
এখন ঝেড়ে কাশো? তুমি বলছ যে, মিন্ডি কেকটা অর্ডার দিয়েছে।
না, আহ, আমি জানি না। এটা... তারা...তারা বলেছে।
তারা আবার কারা? গাঁজা-টাজা খাইছো নাকি?
- কিছু লোক। - কিছু লোক মানে?
ফোনের সেই লোক। ফোনের সেই লোক।
তারা বললো কেকটা পৌঁছে দিতে আর তারা আমার ফোনে একটার পর একটা মেসেজ দিয়েই যাচ্ছে।
- আর তারপর থেকে তাদের আদেশ অনুসরণ করছি আমি। - হো, হো, ধীরে ধীরে....
নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নাও।
নাক দিয়ে। ওকে?
বেশ। এখন ফোনটা দেখাও যেটায় তারা তোমাকে মেসেজ দিচ্ছে।
- মেসেজগুলো দেখাও। - আচ্ছা, উম...এইতো।
- আমার যেতে..... - চুপ থাকো। আমাকে দেখতে দাও।
এসব কী বাল?
- তারা কারা? - আমি জানি না।
- তুমি কে? - আমি তাদের কেও না।
তারা শুধু মেসেজ দিয়েই যাচ্ছে আর আমি শুধু তাদের কথা অনুসরণ করে যাচ্ছি
কেন? কেন তুমি এসব করছ?
এটা কি তারা?
- তারা আমাকে ছবি তুলতে বলছে। - জিসাস ক্রিস্ট!
ওকে, ওকে
তারা বলছে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার জন্য,
আর তারপর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
শিট!
তারা বলছে, তুমি আর আমি একসাথে যেন কাজটা করি।
- কী কাজ করতে বলছে? - কেকটা অন্য কোথাও নিয়ে যেতে হবে।
তারা আমাকে একটা ঠিকানা পাঠিয়েছে। কিছু একটা ম্যাপের মত।
- আমাদের যাওয়ার জন্য একটা কার রাখা আছে। - কার? কী ধরনের কার?
সেটা জানি না। তারা বললো এটা পার্কিং লটে আছে।
তারা আমাকে একটি লাইসেন্স প্লেট পাঠিয়েছে। ব্যস এটুকুই জানি।
কিন্তু আমরা দুজনেই বা কেন?
আমি জানি না।
এখন আমাকে বালের জুতাটা পরতে দাও। ওকে?
তারা কী বলে?
তারা বললো, 'তার সাথে যাও এবং প্যাকেজটাও নিয়ে যাও"
ওকে।
বাল! চোখের মাথা খেয়ে ফেললাম নাকি!
এইতো
আচ্ছা। তারা বলেছে গাড়ির চাবি পেছনে রাখা আছে।
দেখো, মনে হয় তুমি ভালো গাড়ি চালাতে পারো। তুমি ড্রাইভ করবে?
- আমি মদ খেয়ে টাল হয়ে আছি তাই বললাম। - আমি পারবো না। আমি পারবো....আমি পারি।
আমি এখনো শিখছি। তবে এখনো ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ পুরোপুরি শেষ হয়নি।
বেশ। আহ....তুমি এখন থেকে সবকিছু পরিচালনা করবে।
ওকে সবকিছু তোমার ফোনের মধ্যে সেটাপ করে নাও।
হ্যাঁ
এইতো। এটা তোমার ফোনের মধ্যে পাঞ্চ করে নাও।
এটা শহর থেকে বের হওয়ার একটা রাস্তা।
তারা বলছে দুইটার মধ্যে আমাদের সেখানে পৌঁছাতে হবে। তাই শক্ত হয়ে বসে পড়ো।
তো আমার ধারণা তোমার খারাপ কোন কাজের মধ্য দিয়ে তারা তোমাকে ফাঁদে ফেলেছে।
তো আমার সাথে যেটা হয়েছে...
তুমি আমার রুমটা দেখছো। পতিতা পল্লীর মত অবস্থা হয়ে আছে!
আমি একটা মাগি চুদার জন্য হোটেলে এসেছিলাম।
পতিতা, বেশ্যা যাই বলুক না কেন।
আমার পরিবার আছে। আর আমি সুখে-শান্তিতে দিন কাটাচ্ছিলাম।
তোমার অরুচি চলে আসবে।
মানে আমি যখন তরুণ ছিলাম। তখন...
যদিও আমি এটা সমর্থন করিনা। চাইলে ২০ জন বা তার বেশি মাগি চুদতে পারতাম আমি।
এখন যদিও বয়স হয়েছে। এখন জানি না।
আমি একটি ওয়েবসাইটে জয়েন করলাম। আর কৌতুহলী হয়ে জানতে চাইলাম সেখানে কী আছে।
সেখানে আমার সাথে মিন্ডির কথা হয়। আর তাকেই আমি মিন্ডি মনে করেছিলাম।
মানে সে আমাকে ছবি পাঠায়। আমিও তাকে পাঠায়।
গ্যালারির ছবি। আমার লেংটা ছবি, পেনিসের ছবি।
তুমি যা ভাবো না কেন। তারা আমার সবকিছুই হ্যাক করে আমাকে ফাঁদে ফেলে দেয়।
শুধু ছবি না, চ্যাট ম্যাসেজ। কোথায়, কখন কী করছিলাম। সবকিছু।
এক বেশ্যার সাথে টাকা নিয়ে দরদাম করছিলাম। তারা সবকিছুই হ্যাক করে নিয়েছে।
পুরো কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভ তারা হ্যাক করে নিয়েছে।
শালাদের কত বড় সাহস। আর আমি কত বড় বোকাচণ্ডী।
যদি আমার বউ এসব ঘটনা জানতে পারে
তাহলে আমাদের যে বাচ্চাগুলো আছে তাদেরকে নিয়ে সে চলে যাবে।
ওহ, না। আমার মনে কোন সন্দেহ নেই। সে চলে যাবে আর সেই জিতে যাবে।
বিচারের কাঠগড়ায় সে জয়ী হবে।
কিন্তু তোমাকে যেটা বলছি, আমি আমার বাচ্চাদের হারাতে চাই না।
কোন অবস্থাতেই না।
তারা আমাকে ভিডিও করেছে।
- ভিডিও করছে.... - আমার কম্পিউটারের ক্যামেরা দিয়ে।
- কীভাবে, মানে কিরকম ভিডিও করছে? - সবাই যেভাবে করে।
- সেক্স? - না, মানে...... সবাই যেভাবে করে।
হস্তমৈথুন। পর্ণ দেখে দেখে করেছিলে...
তো সবাই তো এটা করে।
- পোপ নিজেও হয়ত এই কাজ করে। - তারা এই ভিডিওটা ভাইরাল করে দেবে বলছে।
অর্থাৎ তারা ভিডিওটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেবে বলছে।
- ওহ, শিট! বালের মাথা! - কী? কী?
- লাইটটা কতক্ষণ ধরে জ্বলছে? - কোন লাইট?
কোন শালার গাড়ি এটা। কুত্তারবাচ্চা গাড়িতে কোন তেল ভরেনি।
এক মিনিট!
পেট্রোল! পেট্রোল
শুনো তুমি গিয়ে টাকাটা দিয়ে আসো। আমি সময়ের অপচয় করতে চাই না।
টাকা আছে আপনার কাছে?
ওকে, ভিসা কার্ড নাও। পিন নাম্বার ৩১০৯. আমাকে আবার ফিরিয়ে দেবে।
- ভিসা কার্ড.... - শুধু নাম্বারটা দিলেই হবে।
- আহহ....৩১০৯. - এখন যাও।
পাম্প নাম্বার চার।
- আপনার পাম্প নাম্বার? - চার।
- চকোলেট লাগবে? - না।
- এ সপ্তাহে দুটা কিনলে একটা ফ্রী! - লাগবে না।
31.89.
আপনার পিন নাম্বার দিন।
- যদি কিছু মনে না করো আর কি! - না, না, মনে করার কিছু নেই।
- আমি নিয়ে নেব। কল দিলেই হবে। - বেশ! তাহলে সামনের বুধবারে।
ওকে।
ওকে
এটা, আহহ.....
আমার ভাতিজী।
দেখা হয়ে ভালো লাগল।
- আমি কেনি। - কেনি। আমি ক্যারেন।
আমাদের দুজনের নামেই k আছে।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আমি থিও আর ক্যাসির স্কুলের প্যারেন্ট টিচার এসোসিয়েশনের প্রধান।
কুইজ নাইটে হেক্টরের সাথে আমাকেও অংশ নিতে হবে/গার্ড দিতে হবে।
সবসময়ের মতো অনুরোধে ঢেকি গিলতে হবে।
শুনো, এই ছেলেকে আমার ষ্টেশনে পৌঁছে দিয়ে আসতে হবে।
তার ট্রেন.....আমাদের যেতে হবে।
- কেন্সার্ড ষ্টেশন? - হ্যাঁ
ওহ, আমাকে রাস্তার শেষ মাথায় নামিয়ে দিতে পারবে না? পারবে?
এটা তোমাদের রাস্তার মধ্যেই। মেয়ার স্ট্রীট।
সবসময় বাসে করেই যাই কিন্তু যেহেতু তোমাকে পেয়েছি...
- আসলে আমরা একটু তাড়াহুড়ার মধ্যে আছি। - বেশ, তেমন চক্কর মারতে হবে না। এটা রাস্তার মধ্যেই।
গাড়ি ধীরে করলে আমি লাফ দিয়ে বেরিয়ে যাবো। সত্যি বলছি।
- বেশ। তাহলে চলুন। - দারুণ। ধন্যবাদ।
আমি পেছনে বসলাম।
ওহ, তোমাদের বক্স ভেংগে ফেললাম নাকি!
- কী এটা? উপহার নাকি? - এটা কেক।
- এটা একটা..... পেনির জন্য নিছি। - ওহ, সে অনেক ভাগ্যবতী।
তো পেনি কেমন আছে?
অনেকদিন ধরে দেখি না। খেলাধুলা নিয়ে ব্যাস্ত নাকি।
সে ভালোই আছে।
- সে তার কাজে ফিরে আসবে নাকি? - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
- এখন থিওর বয়স কত? - আহহ....তার বয়স সাত বছর।
সে যখন খেলে তখন মজা লাগে। মাথায় একটা বড় টুপি পড়ে থাকে।
হ্যাঁ, তার সময়টা ভালোই যাচ্ছে।
ওহ, এনা আত্মীয়ের বাড়িতে থাকে।
কেসি তোমাকে এটা বলছে হয়ত।
No comments yet. Be the first to leave one.