نخستین 200 خط.
m 293.3 64.7 l 918 66 918 572.7 290 572.7
জাপান অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউজিক এন্টারপ্রাইজেস এর ৫০তম বার্ষিকী প্রকল্প
m 293.3 64.7 l 918 66 918 572.7 290 572.7
« "কিন্তু মানুষকে ঠিক কোন জিনিস টা সুখী করবে?" জিওভানি বললো। « "জানি না," ক্যাম্পানেলা ফিসফিস করে বললো। « "যাই হোক না কেন, আমরা শক্ত হয়ে টিকে থাকবো!" — জিওভানি যেন বুকভরা নতুন শক্তি নিয়ে হঠাৎ নিঃশ্বাস ফেলে বলে উঠলো। লেখক - কেঞ্জি মিনাসাওয়া "গ্যালাক্টিক রেইলরোড এর সেই রাত"
৪ঠা জুলাই, ১৯৪৫
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
জিওভানি'র দ্বীপ
১৫ই আগস্ট, ১৯৪৫
গ্যালাক্টিক রেইলরোড এর সেই রাত
লেখক - কেঞ্জি মিনাসাওয়া
১লা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
২৮শে মে, ১৯৪৬
১৬ই জুলাই, ১৯৪৬
২৫শে সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬
৩রা অক্টোবর, ১৯৪৬
আগামীকাল মাঝরাতে এখানে অপেক্ষা ক'রো।
আগামীকাল মাঝরাতে এখানে অপেক্ষা ক'রো।
সেনো পারিবারিক কবরস্থান
স্বাগতম, স্নাতকগণ!
গ্যালাক্টিক রেইলরোড এর সেই রাত
কত বছর কেটে গেল বলো তো?
শিকোতান থেকে ছেড়ে চলে যাওয়ার সেই বছরটা,
যেখানে আমরা একটা সময় থাকতাম।
আমাদের ছোটবেলার অগণিত স্মৃতিবিজড়িত...
সেই জন্মভূমি।
অনুবাদে - মারিব সিরাজ এবং অলিশা মন্ডল সম্পাদনায় - অলিশা মন্ডল
ম্যা'ম, আমরা দ্বীপের একদম কাছে চলে এসেছি।
অবশেষে।
তাহলে শেষ পর্যন্ত ফিরেই এলাম। কতটা সময় কেটে গেছে, ৫০ বছর?
কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে এখানটায়, তাই না?
আমার তেমন স্মৃতি নেই।
যেই স্মৃতিগুলো আমি ভুলে যেতে চাই সেগুলো ইরেজার দিয়ে মুছে ফেলতে চেষ্টা করি।
সেটা কি আদৌ সম্ভব?
হয়তো না।
স্মৃতিরা তোমাকে তাড়া করবেই।
ঠিক যেমন আমাকে তাড়া করে বেড়ায়। চাইলেও ভুলতে পারি না।
জুনপেই, আমি নিশ্চিত, তোমার ক্ষেত্রেও তাই।
হয়তো সেটাই।
আমাদের জন্মভূমি; যে দ্বীপে স্বর্গের তারারা মর্ত্যে নামে।
জিওভানি আর ক্যাম্পেনেলার সেই দ্বীপটা ছিল ওদের গ্যালাক্টিক রেইলরোড।
- জুলাই, ১৯৪৫... - জুলাই, ১৯৪৫।
ডিম, ডিম, ডিম, ডিম...
এই! এদিকে তাকা! আমাকে দ্যাখ্!
বাসায় কেউ নেই!
- ভেসে ওঠা ডিমগুলো তোর, কান্তা! - এটা ঠিক না, ভাইয়া!
পেয়েছি।
ভেসে ওঠা ডিমগুলো ফোটার সময় হয়ে গেছে।
তোমার ডিম ফিরিয়ে দিলাম!
দুঃখিত...
- ভাইয়া! - তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি!
- শুভ সন্ধ্যা, ভদ্রমহিলাগণ! - হাই, জুনপেই!
- আপনার জন্য, ম্যাডাম! - এটা কত্ত বড়! দেখ!
- আপনার জন্য, ম্যাডাম! - ধন্যবাদ, কান্তা।
সবার দিনটা ভালো কাটুক!
- হ্যালো! - হ্যালো!
- এই যে ছেলেরা! - ভালো আছিস তো!
কুক্কুরুক্কুউ!
কুক্কুরুক্কুউ!
- আমরা এসে গেছি! - আমরা এসে গেছি!
- ওহ, তোরা এসে গেছিস। - সুন্দর ঘ্রাণ বেরিয়েছে!
- আমি তোদের জন্য রান্না বসিয়েছি। - আমি সাহায্য করছি!
লক্ষ্মী ছেলে।
গ্যালাক্টিক রেইলরোড, এখন ছেড়ে যাচ্ছে!
সব যাত্রীরাই বিদেশগামী!
জলদি কর, আমরা ছেড়ে যাচ্ছি!
স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছি!
কাম্পানেলা, ওঠো! জলদি!
আমার জন্য দাঁড়াও, জিওভানি!
আমাদের পরবর্তী স্টপেজ হলো সিগনাস স্টেশন!
সিগনাস স্টেশন!
বিমান হামলার সতর্কতা! বিমান হামলার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে!
১২০ টার বেশি বোমা নিয়ে শত্রুরা নেমুরো'র দিকে ধেয়ে আসছে।
সবাই দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান!
বিমান হামলার সতর্কতা! বিমান হামলার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে!
কি জানি, "প্রভাত সৈন্য"রা পাহাড় থেকে অতর্কিত হামলা করে ওদের বিদ্ধস্ত করবে কিনা?
যত্তসব।
আমার মনে হয় ওগুলো ওদের গুলির নাগালেরও অনেক বাইরে।
- এখন আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া যাক। - চলো।
- আব্বু! - আব্বু!
- তোমরা দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাও। - আচ্ছা।
আব্বু, ওদের দেখে রেখো।
তুই চিন্তা করিস না, বড় খোকা।
আমার আব্বু দ্বীপের প্রতিরক্ষা বিভাগের কমান্ডার ছিলেন।
আসলে, গ্রামের সত্যিকারের হিরো যারা ছিল, তাদেরকে প্রভাত সৈন্য বলা হতো,
পাহাড়গুলো তাদের অধীনে ছিল।
আমার আব্বু মূলত গ্রামের ফায়ার ব্রিগেডের প্রধান ছিলেন।
যুদ্ধ তাহলে শেষ পর্যন্ত এখানেও চলে এসেছে...
নেমুরো অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে...
- মহারাজ কী বললেন? - আমি ভালো করে শুনতে পাইনি...
- সব শেষ... - যুদ্ধ শেষ হয়েছে।
আগস্টের ১৫ তারিখ
জাপান... যুদ্ধে পরাজিত হয়।
আব্বু...
চিন্তা করিস না, বাছা।
যুদ্ধে হেরে গেলেও, দ্বীপটা যতদিন আছে...
যতদিন দ্বীপের মানুষগুলো বেঁচে আছে, এই দেশের কিচ্ছু হবে না।
এখন এই দেশের কী হবে?
আমেরিকানরা এসে আমাদের সবাইকে চাকর বানাবে।
কী?
মার্কিন রা হলো বদের হাড্ডি।
কী সব যা-তা বলছেন...
মেয়েদের লুকিয়ে রাখা ছাড়া উপায় নেই, কারণ ওরা কখন কী করে বসবে তার ঠিক নেই।
তুমি বরং মুখে কালি মেখে ছেলে সাজার চেষ্টা করো।
এভাবে ভয় দেখাবেন না তো!
আচ্ছা, আমি এখন যাচ্ছি।
যুদ্ধে হেরে গেলেও জেলেদের তো মাছ ধরতেই হবে।
আজকে কান্তা পড়ে শোনাবে।
কান্তা, তুই আমাদের পড়ে শোনাবি তো?
নিশ্চয়ই।
"ওদের সুখের জন্য আমার করণীয় কী?"
জিওভানি, হতাশ হয়ে, মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লো।
"কে বলবে এটা ভালোর জন্য ছিল না? যন্ত্রণা, সে তো কেবল..."
আমাদের আব্বু কেনজি মিয়াজাওয়া'র লেখা "গ্যালাক্টিক রেইলরোড এর সেই রাত" বইটা খুব ভালোবাসতেন।
আমি প্রাইমারি স্কুলে যাওয়া শুরু করলে পরে,
তিনি প্রায় প্রত্যেক দিন আমাকে বইটা পড়ে শোনাতেন।
আব্বু বলতেন, বেঁচে থাকতে আমাদের আম্মু এই বইটা পড়তে খুব ভালোবাসতেন।
বইয়ের চরিত্রদের নামানুসারে আমাদের নামও রেখেছিলেন।
জুনপেই নামটা এসেছে "জিওভানি" থেকে, আর কান্তা এসেছে "কাম্পানেলা" থেকে।
- ম্যা'ম, শুভ সকাল! - শুভ সকাল!
শুভ সকাল, জুনপেই, কান্তা।
ম্যা'ম, আমেরিকানরা কি সত্যিই আসবে?
আমার দাদু বলেছে সব মহিলাদের পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হবে!
ম্যা'ম এর তো চিন্তার কিছু নেই! ওরা শুধু কচি মেয়েদের ধরে!
এর মানে কী, জুনপেই?
- সবাই, নিচু হয়ে বসো! - ভাইয়া!
ফাঁকা গুলি! ওরা ফাঁকা গুলি করছে!
সবাই শান্ত থাকো! বিপদ নেই!
ঐ পতাকাটা দেখো!
ওরা তো আমেরিকান না! ওরা তো সোভিয়েত!
সোভিয়েত সেনাদের "রুশকি" বলা হয়! ওরা খালি হাতেই মানুষ খুন করতে পারে!
- সবাই যার যার জায়গায় বসে পড়ো। - জ্বি, ম্যা'ম।
- ম্যা'ম! - হ্যাঁ, বলো কী হয়েছে?
শুনলাম ইওয়াসাকি ও কোমানো-দের পরিবার নাকি পালিয়ে গেছে, আমাদেরও কি পালাতে হবে?
বেশি চিন্তা করো না। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সবার আগে শান্ত ও একতাবদ্ধ থাকাটা জরুরী।
আমাদের আতঙ্কগ্রস্থ হওয়া চলবে না।
জ্বি, ম্যা'ম।
ম্যা'ম! দেখুন!
- রুশকি রা আসছে! - দ্যাখ, ওদের হাতে বন্দুক!
ম্যা'ম...
সব ঠিক হয়ে যাবে। শান্ত হও সবাই। যার যার জায়গায় বসে পড়ো!
আমার দিকে মনোযোগ দাও।
এটা কে করতে পারবে?
০.৫...
সবাই! বাইরে বের হও!
প্লিজ বাইরে যান। ক্লাস এখনো শেষ হয়নি।
আচ্ছা, দেখি তো, কে এটার সমাধান করতে পারে?
জুনপেই এসো।
বোর্ডে এসে সমস্যাটা সমাধান করো।
জুনপেই?
তুমি কি উত্তরটা জানো, জুনপেই?
জ্বি।
এক্ষুনি থামো বলছি!
কী হয়েছে এখানে?
এরা কথা শুনছে না, স্যার।
আপনি কী চান?!
এই নাও, খোকা।
ধন্যবাদ...
- সবাই চলে এসো। - স্যার?
এত দ্রুত!
কান্তা, না!
ভাইয়া...
প্রভাত সৈনিকদের অস্ত্র কেড়ে নেওয়া হলো।
আর তাদেরকে পাহাড় থেকে গ্রামে নিয়ে আসা হলো।
হায়রে, ওদের সবাইকে সাইবেরিয়া পাঠালে, ওদের আর বাড়ি ফেরা হবে না।
গ্রামের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব এখন তোমার।
সেনারা, থামো!
গ্রামবাসীরা এখন থেকে আপনার দায়িত্বে।
সেনারা, চলো!
ঘরে মূল্যবান যা কিছু আছে বের করুন!
No comments yet. Be the first to leave one.