142 ensimmäistä riviä.
তুমি ফিরে যাবে না?
তারা তোমায় রেখে চলে যাচ্ছে।
এটা তোমার সহকর্মীর কবর?
না, একটা ইশবাল বাচ্চার।
লাশটা রাস্তার পাশে পড়ে ছিল।
চলো যাওয়া যাক।
যুদ্ধ শেষ।
আমার মনের গভীরের ইশবাল যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি।
ভুল বললাম, আমি নিশ্চিত সেটা কখনোই শেষ হবে না।
আমিই সে যে আপনার উপর আস্থা রেখেছি এবং বাবার রিসার্চ আপনাকে ন্যস্ত করেছি।
আমিই সে যে নিজ ইচ্ছায় মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হয়েছি, মানুষের সুখ-শান্তির আকাঙ্খায়।
কিন্তু সেটা আমার আকাঙ্খার বিপরীত পরিণতি বয়ে এনেছে।
আমি এ সত্য থেকে পালাতে পারছি না।
তার খেসারৎ দিতে পারছি না।
একটা উপকার করবেন, স্যার মাস্তাংগ?
দয়া করে আমার পিঠের চামড়াটা পুড়িয়ে দিন।
কীভাবে আমি এমন একটা কাজ করতে পারি-
অন্তত!
যদি আমি এর খেসারৎ দিতে না পারি, তাহলে অন্তত...
চাই যে, আপনি আমার পিঠে অঙ্কিত ফ্লেইম অ্যালকেমি সিক্রেটটা ধ্বংস করে দিন,
এটা নিশ্চিত করতে যে, পৃথিবী আর কখনোই কোনো ফ্লেইম অ্যালকেমিস্টকে দেখবে না।
দয়া করে আমার জন্য সেটা করতে পারবেন?
দয়া করে আমায় মুক্ত করুন।
দয়া করে আমার বাবার চাপিয়ে দেয়া অ্যালকেমির বোঝা থেকে আমায় মুক্ত করুন-
দয়া করে তা থেকে মুক্ত দিন।
প্লিজ।
ঠিক আছে।
আমি যথাসম্ভব কম ক্ষতি করার চেষ্টা করে তোমার পিঠ পুড়িয়ে দিবো।
ধন্যবাদ, স্যার মাস্তাংগ।
কী হলো, লেফট্যানেন্ট?
কী মনে করে আমার দিকে পিস্তল তাক করেছো?
কে?
হাসিয়ো না।
আমরা একাকী থাকলে, কর্ণেল আমায় ‘রিযা’ বলে ডাকে।
শালার!
তো তোদের দু'জনের মাঝে কিছু ইটিশ-পিটিশ চলছে?
টোপ দিলাম,
তুই সেটা গিলেছিস বলে ধন্যবাদ, এনভি।
তোকে এখানেই মরতে হবে।
ব্যথা লাগে, মাগী!
শালারপুত...!
তুই অনেক গুলি করিস!
আমি তোকে একটা ছেঁড়া ত্যানা বানিয়ে কর্ণেল'কে দেখাবো-
কর্ণেল?
তুই আমার অপূরণীয় অধস্তনকে কী করার ভাবছিলি?
খুব বেপরোয়া হয়ো না, লেফট্যানেন্ট।
মনে হয় তোমায় বলেছিলাম, আমি একাই তাকে সামলে নিবো।
কোন সাহসে তোরা নিকৃষ্ট মানুষেরা আমার দিকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকাস-
শালারপুত...!
আবারো-
তো এটাই তোর আসল রূপ।
তুই দেখতে জঘন্য।
তো তোর নাম ‘এনভি’ যার অর্থ ‘হিংসা-বিদ্বেষ’।
এখন বুঝলাম।
না...!
থাম...!
হিংসা সত্যিই খুব কুৎসিত।
না! আমি মরতে চাই না!
ন-না!
দূর হ...
না...!!!
আমার চোখের সামনে থেকে!
কী করছো, লেফট্যানেন্ট?
যথেষ্ট হয়েছে, কর্ণেল।
বাকিটা আমায় করতে দিন।
আরেক চুটকিতেই খেল খতম হয়ে যাবে।
পিস্তল নামাও।
আমি রাজি না।
দয়া করে আপনার হাত নিচে নামান।
ভাট বকা বন্ধ করো!
আমি তোমায় পিস্তল নামানোর আদেশ দিচ্ছি!
ফুলমেটাল।
তাকে আমার কাছে হস্তান্তর করো।
আমি আবারো বলছি,
তাকে হস্তান্তর করো।
দিবো না।
সে সবচেয়ে নিকৃষ্ট মৃত্যুপ্রাপ্য।
প্রত্যাখ্যান করলাম।
তাকে হস্তান্তর করো!
না দিলে তার সাথে তোমার ডান হাতও পুড়িয়ে দিবো!
বেশ ভালো বলেছেন!
আমি আপনার সাথে মুখোমুখি লড়াই করবো।
কিন্তু তার আগে আয়নায় নিজের মুখটা একবার ভালো করে দেখুন!
আপনি এ চেহারা নিয়ে এ দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হতে চান?
এটা...
আপনার পরিকল্পনা এটাই ছিল না?
একজন অধস্তন কর্মকর্তা তার অধীনস্তকে দেখে রাখে এবং এভাবেই চলতে থাকে।
সেটা আমাদের মতো দুর্বল মানুষের পক্ষেও সম্ভব।
ইন্টারেস্টিং।
আমি তোমার সাথেই আছি।
আমি দেখতে চাই, তোমার আদর্শ এই দেশে কোন ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে।
তো তুমি নিজ আবেগের বশবর্তী হয়ে নিষ্ঠুরতার পথ বেছে নিতে চলেছো।
সেটা কি তোমায় মানায়?
তুমি প্রতিশোধের জন্য বেঁচে থাকতে জোড়াজুড়ি করলে আমি তোমায় থামাবো না।
শুনো!
আমার কারো প্রতিশোধে নাক গলানোর অধিকার নেই।
আমি শুধু দেখতে আগ্রহী যে, ঘৃণার কাছে বন্দী কারো হাতে কোন ধরনের পৃথিবী সৃষ্টি হয়।
আমি আপনাকে এনভি'কে মারতে দেবো না, কর্ণেল।
তবে একে বাঁচিয়ে রাখার পরিকল্পনাও আমার নেই।
আমি তাকে দেখে নিবো।
আমি...
আমি অবশেষে তাকে পরাজিত করেছি।
জানি সেটা!
কিন্তু...
কিন্তু আপনি যা করতে চলেছেন, তা দেশের স্বার্থে বা আপনার সহকর্মীকে সহযোগিতার স্বার্থেও নয়।
আপনি আপনার ঘৃণা নিঃসরন করার চেষ্টা করছেন।
এ অভিপ্রায়টাই আপনার হৃদয়কে চিবিয়ে খাচ্ছে।
আপনি সে পথ অবলম্বন করতে পারেন না।
মন চাইলে আমায় গুলি করে দাও।
কিন্তু মেরে ফেলার কী করবে?
আমি স্বাধীনভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চাই না।
এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর,
আমি আমার সাথে ফ্লেইম অ্যালকেমিকে কবরে নিয়ে যেতে চাই, কারণ ফ্লেইম অ্যালকেমি এমন এক শিল্প যা পাগলামো টেনে আনে।
সেটা কখনোই হবে না।
আমি...
আমি তোমায় হারাতে চাই না।
ভাবছি, এ পরিস্থিতিতে সমাধান কী?
একটা বাচ্চা আমায় তিরস্কার করেছে,
এবং এমন এক লোক সতর্ক করেছে, যে প্রতিশোধ নিতে আমায় মারতে চেয়েছিলো।
আমি তোমায় আবারো কষ্টকর পরিস্থিতিতে ফেললাম।
আমি বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো গাধা।
দুঃখিত।
তোমরা মান্ধাতার আমলের না-কি?
এখন তোরা মিষ্টি-মিষ্টি শব্দপ্রয়োগ করছিস?
তোরা কি ‘চলো মানুষ হই” খেলা খেলছিস?
তোরা সত্যিই আমায় বিরক্ত করছিস।
তোরা মানুষেরা কি সত্যিই চূড়ান্ত পর্যায়ের হাঁদারাম?
তোদের মন যা বলে সেটাই কর!
তুই এখনো ভুলিসনি, তাই না কর্ণেল মাস্তাংগ?
যে, স্কার তোকে মারতে চেয়েছিলো!
আমার যতদূর মনে পড়ে...
স্কারই পিচ্চিটার বন্ধুর পরিবারকে খুন করেছিলো, তাই না?
আরে ইস্ট সিটিতে কুকুর ও একটা মেয়ের সমন্বয়ে বানানো খিমিরাটার কথা মনে পড়েছে,
তাকেও স্কার'ই খুন করেছিলো না?
অন্য দিকে, তুই স্কার!
ইশবালে তোর অনেক ভাইয়েরা খুন হওয়ায়, তোর মনে যে ক্ষোভ ছিল তা কোথায় গেল?
ওই যে সেই মহিলাটা, তার উপাধি দেয়া হয়েছিলো ‘বাজপাখির চোখ’,
সে তোর অনেক বন্ধুকে গুলি করে ভোগে পাঠিয়েছে!
এটা তোদের সকলের জন্য বিশাল সুযোগের হাতছানি!
কাম অন, কর না!
পাশার দান একত্রিত হয়েছে!
ঘৃণা, কান্না, খুন করা, খুন হওয়া, এবং প্রবল যন্ত্রণায় লিপ্ত হওয়া!
No comments yet. Be the first to leave one.