High Noon

High Noon

Lataa Bengali -tekstitys

Julkaisutiedot

High Noon 1952 720p BluRay by Subtitle Hut
High Noon 1952 720p TinyMoviez
High Noon 1952 720p [MEGA NZ]
Kommentaari Subtitle Hut
AFI's Top 100 American Films # 33, AFI's Best Western Film # 2 Imdb - 8.0, অনুবাদক: কুদরতে জাহান জিনিয়া, আতিকুল গণি রিপন, তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান। অসাধারণ নির্মাণশৈলির এই মুভি দেখুন বাংলায়। সাবটাইটেলটি ভাল লাগলে রেটিং দেবেন। আপনাদের উৎসাহই আমাদের অনুপ্রেরণ

Tunnisteet

BluRay
720p
720
Julkaistu: 2019-01-02
Lataukset: 67
Kuulovammaisille: No

Bengali tekstityksen esikatselu

200 ensimmäistä riviä.

High Noon - তপ্তদুপুর (1952) অনুবাদে: সাবটাইটেল হাট

AFI's Top 100 American Films # 33 AFI's Best Western Film # 2 Imdb - 8.0

অনুবাদক: কুদরতে জাহান জিনিয়া, আতিকুল গণি রিপন, তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান

সম্পাদনায়: কুদরতে জাহান জিনিয়া, রাফাত শামস, তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান

যা আমি দেখছি, তা দেখছ তুমি? এই যে, জো। এটা খোলো। আজ খবর আছে।

- তাড়া আছে তোমার? - হ্যাঁ তা তো আছেই।

বোকা কোথাকার! এসো।

ঠিক আছে। লেডিস অ্যান্ড জেন্টলম্যান, শুরু করা যাক তাহলে।

বর এবং কনে একটু সামনে আসবেন?

উইল কেইন এবং অ্যামি ফাওলার,

আমার ওপর প্রশাসনের অর্পিত দায়িত্ব মোতাবেক, আপনারা আজ আমার সামনে উপস্থিত হয়েছেন,

পবিত্র বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হবার জন্য।

- এত গরম আজকে! - গরম? সামান্য এই গরমেই হাঁসফাঁস করছ?

সেরেছে... মনে হলো যেন বেন মিলারকে দেখলাম।

- ও তো টেক্সাসের কোথাও আছে। - জানি।

পিয়ার্স আর কলবিও আছে মনে হয়। সেটা হতেই পারে না।

আরে তাজ্জব ব্যাপার!

- দুপুরের ট্রেন সময়মতো এসেছে? - হ্যাঁ স্যার, মানে আমার মনে হচ্ছে আর কি।

না আসার কোনো কারণ তো নেই, মিস্টার পিয়ার্স।

কেমন আছেন, মিস্টার মিলার? মিস্টার পিয়ার্স? মিস্টার কোলবি?

আপনি, উইল কেইন, আইনগতভাবে অ্যামিকে আপনার স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি আছেন?

এই হাতটি ধরে রাখতে রাজি আছেন, আজ থেকে জীবনের শেষ পর্যন্ত? - আমি রাজি।

আপনি, অ্যামি, আইনগতভাবে কেইনকে আপনার স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি আছেন?

এই হাতটি ধরে রাখতে রাজি আছেন, আজকের এইদিন থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত?

- আমি রাজি। - আংটিটা দিন দয়া করে।

আমার ওপর এই এলাকার প্রশাসনের অর্পিত দায়িত্ব মোতাবেক

আমি আপনাদেরকে স্বামী এবং স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিলাম।

আপনাদের কথা জানি না, তবে আমি এখন আমার প্রাপ্য সুবিধেটুকু ভোগ করবো।

রোববারে তো এত জোরে দৌঁড়াবার কথা না।

- উইল! - সবাই কী ভাববে...

অ্যামি, বিয়ে করলে মানুষকে আলাদাই থাকতে হয়।

জানি।

অ্যামি, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

আমিও করব।

আর হানিমুন করা লাগবে না। এসো সবাই।

- এত অবাক হয়ো না। - বিয়ের দিনেও ওকে প্রাইভেসি দিলে না।

আরেকটা অনুষ্ঠান হয়ে গেলেই উইলকে মোটামুটি একজন মুক্ত হয়ে যাবে।

মার্শাল, তোমার ব্যাজটা জমা দাও।

নতুন মার্শাল আসার আগেই এই কাজটা করতে খারাপ লাগছে।

ফুলার, হ্যালেন্ড আর আমি মিলেই এই কম্যুনিটির বোর্ড অফ সিলেকশন।

আমরা তোমার ভালো বন্ধুও বটে।

যেই কাজ দেখিয়েছ তাতে আমি নিশ্চিন্তে বলতে পারি যে,

এই শহর কাল পর্যন্ত নিরাপদ। জজেরাও আমাকে সমর্থন করবে জানি।

তবে কোনো কোয়েকারকে বিয়ে কোরো না, দোকানদার বানিয়ে ছাড়বে।

আমি এভাবে তোমাকে কল্পনাই করতে পারি না, উইল। - আমি পারি।

আমিও পারি, সেটাই ভালো হবে।

ধন্যবাদ।

নিজে যখন স্টার পরতে তখন তো এভাবে কথা বলতে না।

ঠিক আছে ঠিক আছে খুলছি। তবে আগে পাওনা মেটাতে হবে।

- নামাও বলছি! - আগে চুমু খাও।

উইল, নামাও, বোকা কোথাকারে!

- তোমার উকিল হওয়া উচিত ছিল। - আমার দোকানদার হবারই কথা ছিল।

মার্শাল, একটা টেলিগ্রাম এসেছে।

ভয়াবহ, বিশ্বাসই হচ্ছে না।

- ফ্র্যাংক মিলারকে ওরা মাফ করে দিয়েছে। - বিশ্বাস করি না।

আমরাও যেতে পারি।

- ভালো হয়েছে তোমাকে জানিয়েছে। - এটুকুই নয়।

বেন মিলার ডিপোতে আছে, পিয়ার্স আর কোলবির সাথে।

- দুপুরের ট্রেনের কথা জিজ্ঞেস করছিল। - দুপুরের ট্রেন?

দেখো.. এ মুহূর্তেই তোমাকে এই ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।

- ওটা কী? - বাদ দাও।

- কী হয়েছে, মিস্টার হাউই? - চলে যাও, চিন্তার কোন কারণ নেই।

- আমরা সবকিছু সামলাবো। - আমার থাকা উচিত।

পাগল নাকি? অ্যামির কথা চিন্তা করো।

বিদায় অ্যামি, চিন্তা নেই। সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

হুম...মজার ব্যাপার।

- কী? - এখন আর দেখতে পাবে না।

কেইন আর ওর নতুন বউ তাড়াহুড়া করে চলে গেল।

- এতে মজার কী আছে? - মানে, অনেক তাড়াহুড়া করে।

তুমি কি মনে করো, কেইন ঐ তিনটা ডাকুর ভয়ে ভীত?

তুমি তো দেখোনি! ওভাবে ওকে ঘোড়া ছোটাতে কখনও দেখিনি।

- স্যাম।? - এসো, হেলেন।

বেন মিলার এসেছে শহরে। দুই পুরোনো দোস্তকে আছে সাথে।

আমি তাহলে আশেপাশটা একটু ঘুরে দেখি।

- থামলে কেন? - সম্ভব না, আমাকে ফিরে যেতে হবে অ্যামি।

- কেন? - কোনো পিস্তল নেই আমার সাথে, এভাবে নিরস্ত্র থাকা পাগলের কাজ।

- তাহলে জলদি চলো। - না।

সেটাই ভাবছিলাম।

ওরা আমাকে পালাতে বাধ্য করছে। আমি আগে কখনো কারো কাছ থেকে পালাইনি।

- আমি এসবের কিছুই বুঝতে পারছি না। - আমার তোমাকে বলার সময় নেই।

- তাহলে ফিরে যেও না, উইল। - যেতেই হবে, এটাই ব্যাপার।

কেইন ফিরে এসেছে।!

- বিশ্বাস হচ্ছে না। - মাত্র দেখলাম!

- কয়টা কফিন আছে? - দুইটা।

কমপক্ষে আরো দুইটা লাগবে, যেই প্ল্যানই করো না কেন।

কাজ শুরু করো, ফ্রেডি।

প্লিজ উইল, কী হয়েছে একটু খুলে বলবে?

পাঁচ বছর আগে এক লোককে খুনের দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলাম, ওর ফাঁসি হবার কথা ছিলো।

কিন্তু উত্তরের বিচারকেরা ওকে যাবজ্জীবন দিয়েছিল, আর এখন ও ছাড়া পেয়ে গেছে।

জানি না কীভাবে, কিন্তু মনে হচ্ছে ও ফিরে এসেছে।

- এখনো বুঝতে পারছি না... - ও একটা...

ও সবসময়ে একটু বুনো আর পাগলাটে কিসিমের ছিল। ঝামেলা করার সম্ভাবনাই বেশি।

কিন্তু সেটা নিয়ে তো এখন তোমার চিন্তা করার কথা না।

আমিই ওকে চোদ্দোশিকের পিছে পাঠিয়েছিলাম।

তখন তো তোমার কর্তব্য ছিল ওটা, এখন নতুন মার্শাল এসেছে।

কালকের আগে আসবে না, মনে হচ্ছে আমাকে থাকতেই হবে।

- এই ব্যাজ থাকুক আর না থাকুক, আমি বদলাচ্ছি না। - সেটা হতে পারে না।

আমি নিশ্চিত ও আমাকে খুঁজতে আসবে। ওর তিন দোস্ত ডিপোতে অপেক্ষা করছে।

- সেজন্যই আমাদের পালাতে হবে। - ওরা আমাদের পিছে পিছে আসবে।

দলে ওরা চারজন... আর আমরা মাত্র দু'জন একটা অচেনা প্রেইরিতে থাকব।

- এক ঘন্টা সময় আছে - এক ঘন্টায় কী হবে?

ঐ দোকানটা আসলে কখনোই রাখতে পারব না, অ্যামি।

যেখানেই যাই ওরা উদয় হবে, দৌড়ের ওপর থাকতে হবে সারাজীবন।

না, ওরা আমাদের খুঁজে পাবে না।

- অনুনয় করছি, চলো চলে যাই। - পারব না।

হিরো হবার চেষ্টা কোরো না। আমাকে দেখানোর জন্য এসব করতে হবে না।

যদি মনে করে থাকো আমি হিরো সাজতে যাচ্ছি, তাহলে তুমি বদ্ধ পাগল।

দেখো, অ্যামি। এটা আমার শহর। এখানে বন্ধুবান্ধব আছে আমার।

ডেপুটি সহ বাকিরা থাকবে, কোনো সমস্যা হবে না।

- তুমি জানো, সমস্যা হবেই। - হলে সেটা এখানে হওয়াটাই ভালো।

দুঃখিত, সোনা। জানি তোমার কেমন লাগছে।

- তাই? - অবশ্যই, এটা তোমার ধর্মবিরোধী কাজ।

- অবশ্যই জানি, তোমার খারাপ লাগছে। - কিন্তু তারপরেও তুমি একাজ করছ।

আহা উইল...মাত্র কয়েক মিনিট আগে আমাদের বিয়ে হলো।

পুরো জীবনটাই পড়ে আছে আমাদের সামনে, এর কি কোনো মূল্যই নেই?

জানো তো, মাত্র এক ঘন্টা আছে হাতে। অনেক কাজ পড়ে আছে।

যতক্ষণ না এসব শেষ হচ্ছে, হোটেলে থেকো।

না, এসব শেষ হবার সময়ে আমি এখানে থাকব না।

আমি কারো স্ত্রী থাকব নাকি বিধবা হয়ে যাব, সেটা জানার জন্য এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে বলছ।

- এতক্ষণ অপেক্ষা করব না আমি। - অ্যামি...

কান পেতে শুনে নাও, এখন আমার সাথে না গেলে ঐ ট্রেনটাতে করে আমি চলে যাবো।

আমাকে থাকতেই হবে।

- এখানে আসায় খুশি হয়েছি, পারসি। - হয়েছ?

ভুলে গেছ যে আমিই ফ্র্যাংকের বিচার করেছিলাম?

তোমার ফিরে আসাটা ঠিক হয়নি, উইল।

মনে হলো তাই আসলাম, ভেবে দেখলাম, আমার থাকা উচিত।

ভুল ভেবেছ। - আমি ১০-১২টা বন্দুকসহ একটা পজে গঠন করতে পারি।

- আমার মন অন্য কিছু বলছে। - কেন?

এখন পৌরনীতি শেখার সময় না।

খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে এথেন্সের নাগরিকেরা,

এক স্বৈরশাসকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে সরাবার পরিকল্পনা করল।

কয়েকবছর পরে সে যখন একদল অস্ত্রবাহী সৈন্য নিয়ে ফিরে এলো,

সেই নাগরিকেরা যে কেবল তার জন্য দরজাই খুলে দিলো না,

ও যখন একে একে সরকারের সবাইকে খুন করল, ওকে হাততালি দিয়ে সমর্থন করেছিলো।

একই ধরনের ঘটনা আট বছর আগে ইন্ডিয়ান ফলস নামের এক শহরে ঘটেছিল।

একজন বিতর্কিত নারী প্রাণটা বাঁচিয়ে দিয়েছিল আমার,

মূল্য হিসেবে আমার মায়ের একটা সুন্দর আংটিও গচ্চা গিয়েছিল।

দুর্ভাগ্যবশত, আমার কাছে আর কোন আংটি নেই।

- তুমি একজন বিচারক। - ছিলাম বিভিন্ন শহরে, বিভিন্ন সময়ে।

- আবারো হতে চাই, সেজন্য বাঁচতে চাই। - তুমি কী করবে না করবে তা আমি বলতে পারব না।

তুমি এত বোকা কেন? ও কী করেছে, ও যে পাগল, তা ভুলে গেছ?

মনে নেই, যখন ও বসে বসে বলেছিল:

"আমাকে কখনোই ফাঁসি দিতে পারবে না, আমি ফিরে আসবই। কথা দিচ্ছি। কেইন, আমি তোমাকে খুন করব!"

এই তো এসে গেছেন ম্যাম। এ পথ আপনাকে সেন্ট লুইস নিয়ে যাবে।

ধন্যবাদ।

অন্য কোথাও অপেক্ষা করলে ভালো হয়। হয়তোবা কোনো হোটেলে।

- ঠিক আছে, ধন্যবাদ। - সবকিছুর জন্য আমি দুঃখিত, মিসেস কেইন।

চিন্তা করবেন না, মার্শাল নিজেই নিজের দেখাশোনা করতে পারবে।

অনেক ধন্যবাদ।

আরে, ওটা তো পাঁচ বছর আগে এখানে ছিল না।

- তো কী? - কিছু না...এখনো পর্যন্ত

হার্ভে, কী মনে হয়? কেইন তোমাকে খুঁজছে না?

- তুমি দেখি, আসলেই ওর ওপরে ক্ষেপা। - আমার জায়গায় হলে তুমিও কি তাই হতে না?

তোমার জায়গায় থাকলে...হতাম হয়তো...

একটু পরেই ফিরছি।

বিদায় উইল। - বিদায়।

- ভেবেছিলে, আমি তোমাকে ডোবাবো? - না।

দেখো, দূরদূরান্তের ছোট্ট নোংরা একটা গ্রাম এটা।

এখানে যা ঘটে, তার কোনো গুরুত্ব নেই। চলে যাও।

সময় নেই।

আফসোস। গেলাম তাহলে।

জনি!

- তুমি চার্চে যাওনি কেন? - তুমি যাওনি কেন?

একটা কাজ করে দিতে পারবে?

অ্যান্ডারসন, হোয়ে আর ফুলারকে খুঁজে বের করে এখানে আসতে বলো।

- তারপর হার্ভেকে খুঁজে বের করো! - দরকার নেই, আমি এখানেই আছি।

- কোথায় ছিলে? - ব্যস্ত ছিলাম।

কী হচ্ছে জানো? আমাদের অনেক কাজ বাকি।

এক সেকেন্ড। এটা আসলে তোমার কাজ না, জানো নিশ্চয়ই।

- সবাই আমাকে তাই বলে চলেছে। - এক সেকেন্ড শোনো।

- বেশ, শুনলাম। - আমি ব্যাপারটা থেকে যা বুঝলাম,

তুমি নিউ মার্শালকে নিয়ে গিয়ে কাল না ফেরা পর্যন্ত, আমি চার্জে থাকব, ঠিক?

যদি বিপদের সময়ে সবকিছু সামলাতে পারি,

তাহলে পাকাপাকিভাবে এই দায়িত্ব দিতে কেন দ্বিধা করছে উপরের মহল?

- জানি না। - তাই?

- হ্যাঁ। - তোমার ওপরের মহলে ভালোই ওঠাবসা আছে ।

- মনে হয় ওরা আমাকে জিজ্ঞেস করেনি। - ওরা হয়তো টের পেয়ে গেছে যে তোমার বয়স কম।

- তোমার কাছেও আমার বয়স কম মনে হচ্ছে? - মাঝে মাঝে সেরকমই আচরণ করো।

ব্যাপারটা খুবই সাধারণ, তুমি এদের সবাইকে বলবে যে আমিই নতুন মার্শাল।

কাল ওরা সবাইকে বলে দেবে যে, এই পদ আর খালি নেই।

- তুমি আসলেই তাই চাও, না? - হ্যাঁ

- কিন্তু আমি তা করতে পারব না। - কেন?

- না জানলে তোমাকে বলে লাভ নেই। - তার মানে এ কাজ করবে না?

- যা পারো করো। - বেশ।

সত্যি বলতে, শুরু থেকেই আমার বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত ছিল তোমার।

আমার আর হেলেন রমিরেজের ব্যাপারে সবসময়েই তোমার রাগ ছিল, তাই না?

তুমি আর হেলেন রমিরেজ? আমি...

আমি কিছুই জানি না, আর এসবের মূল্যও নেই আমার কাছে, তোমার জানা উচিত সেটা।

এক বছরেরও বেশি এই নিয়ে আফসোস ছিল তোমার।

খালি বিয়েটাই করেছ, নিজের জায়গায় কাউকেই সহ্য করতে পারো নি...

বিশেষ করে আমাকে - তুমি...

- আমার সময় নেই এসবের, হার্ভ। - বেশ, চলো কাজের কথা বলা যাক।

আমাকে কাজে লাগাতে চাইলে আমার হয়ে কথা বলতে হবে তোমাকে।

অবশ্যই আমি তোমাকে চাই, কিন্তু আমি বিনিময় প্রথা চাচ্ছি না। ব্যাপারটা তোমার ওপর।

ভেবেছিলাম তুমি এখন আগের থেকে পরিণত।

ভেবেছিলাম তোমার পদচ্যুতির কারণে অ্যাবেলিনের অবস্থা একটু ভালো হয়েছে।

মনে হচ্ছে, আমাদের দ'জনের ধারণাই ভুল।

এই মজা পাচ্ছ কী শুনে?

আসলেই ভাবছ, কেইনের সাথে এরকম করতে পারবে?

- কেন না? - কবে একটু দায়িত্ব নিতে শিখবে?

Kommentit

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left