192 ensimmäistä riviä.
ভা
ভাবা
ভাবানু
ভাবানুবা
ভাবানুবাদে
ভাবানুবাদে:
ভাবানুবাদে: আ
ভাবানুবাদে: আক
ভাবানুবাদে: আকতা
ভাবানুবাদে: আকতার
ভাবানুবাদে: আকতার হো
ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
স
সম্পা
সম্পাদ
সম্পাদনা
সম্পাদনায়
সম্পাদনায়: আ
সম্পাদনায়: আকা
সম্পাদনায়: আকাশ
সম্পাদনায়: আকাশ ব
সম্পাদনায়: আকাশ বসা
সম্পাদনায়: আকাশ বসাক
::ব্রিদ ::-
এখনো সময় আছে, স্যার।
রেইড তো বরাবর লাঞ্চের সময়ই হয়। তাই কিছুটা সময় আছে, স্যার।
ওখানে কী হয়েছে?
কিছু না, স্যার।
দৈনন্দিন রাস্তার কাউয়া-ক্যাঁচাল।
তার উপর এক ছোকরা আমাকে "হারামখোর পান্ডু" বললো।
খুবই অপদস্ত হয়ে গিয়েছিলাম, স্যার।
আমার পরিবার, এবং বাচ্চারাও সাথেই ছিল।
তাই মাদারচোদের কানের নীচে এমন একটা বসিয়ে দিলাম যে শালার দাঁতই ভেঙে গেল।
ঠিকই করেছো।
স্যার, আপনি রিয়া'জির স্বামী না?
আমি প্যাটেল। রিয়া'জি বলেছিল হয়তো।
এইযে আমার কার্ড।
স্যার, আপনি ফ্ল্যাট বিক্রি করতে আগ্রহী, তাই না?
- কেউ ফ্ল্যাট বেচবে না। - চলে যান।
আরে স্যার, এনআরআই পার্টি আছে।
হিন্দি বুঝেন না?
স্যার, এই ধরনের বাড়ি কিন্তু এত সহজে বিক্রি হয় না।
এ এজেন্ট বিনোদ, কথা বুঝতে পারছিস না? ভাগ হালা।
চলো।
হাই যশ, কেমন আছো?
কী করছো, বাবা?
আমিও ভালো, ধন্যবাদ।
দাদীকে ফোনটা দাও।
হ্যাঁ, ও ঠিক আছে?
আমিও ঠিক আছি।
ঠিক আছি মা। হ্যাঁ, খাওয়াদাওয়া করছি।
বাই... বাই।
জি, অবশ্যই দাম জানানোর অনুরোধ করবো।
তো এই কালেকশনগুলোর মধ্যে থেকে...
যদি আর অন্য কিছু চান।
এই মূহুর্তে এটা ম্যানেজ করা খুবই কষ্টকর হবে, কিছুটা সময় লাগবে।
রিয়া।
প্লিজ, ১ মিনিট অপেক্ষা করুন।
এতবার ফোন করলাম ধরছো না কেন?
৪ বার ফোন দিলাম ধরলে না কেন?
দুঃখিত, ব্যস্ত ছিলাম।
না, না, শোনো।
দালালকে ফোন করেছিলে কেন?
কবির, ঘরের বিষয়ে পরে কথা বলা যায় না?
না, পরে নয়, আমি এখনই কথা বলতে চাই।
এখানে, এক্ষুনি।
শুধু ৫ মিনিট সময় দাও।
দুঃখিত, কোথায় ছিলাম যেন? হ্যাঁ।
কোনো ধারণা আছে?
ঠিক আছে, ছোট কিছু।
হ্যাঁ, তো।
- নম্রতা, একটু দেখবে... - অবশ্যই।
কবির।
দালালকে ফোন করেছিলে কেন?
- প্লিজ, আমরা কি... - না-না, এখনই।
- এখন আমি একটু ব্যস্ত... - আমি পরোয়া করি না!
আমার কিচ্ছু যায় আসে না!
এমন ব্যবহার করছো কেন?
রিয়া, তোমায় সরাসরি জানিয়ে দিচ্ছি।
আমি ঐ বাড়িটা বেচবো না।
এখন তুমি এসিপি, ডিসিপি, প্রধানমন্ত্রী, যাকে ফোন করার করো, আমি কোনো পরোয়া করি না।
- এসিপি... - বুঝতে পেরেছো?
হয়তো তোমার কাছে এসিপি হতে পারে, কিন্তু উনি আমার আঙ্কেল হন।
আঙ্কেল?
হ্যাঁ।
ফাক। মাথা গেছে না-কি?
পাগল হয়ে গেছো?
উনি পরিজন।
না। উনি পরিজন নন।
না। উনি নন। উনি পরিজন নন।
উনি আমার অফিসার।
হেডকোয়ার্টারে চেয়ারে বসে, আমায় আদেশ করেন।
এবং, তিনি যা বলেন আমায় সেটাই করতে হয়।
এটা সরাসরি তোমার মাথায় ঢুকিয়ে নাও।
আমি আঙ্কেলের করা উপকার কখনো ভুলতে পারবো না, বুঝেছো?
উনি অনেক কিছু করেছেন।
হ্যাঁ, ভুলে যাওয়া তো তোমার কাছে খুবই সহজ।
- শুধু শুনে রাখো... - এতদিন বিভ্রান্ত ছিলাম।
কিন্তু এখন একদম নিশ্চিত হলাম।
নিয়মের কথা ভুলে যাও, সাধারণ জ্ঞান কাজে লাগাও।
যখনই তুমি কোনো অন্ধদের স্কুলে...
ক্লাস বা ট্রেনিং করাবে...
অবশ্যই তাদের সাথে সাধারণের মতোই আচরণ করবে।
যদি তাদের সাথে আলাদা আচরণ করো...
বা তাদের বিশেষ সুবিধা প্রয়োজন এমন অনুধাবন করাও...
তাহলে, তারা খুবই...
রাগান্বিত হয়, কষ্ট পায় আর...
হ্যাঁ... যেভাবে আমরা...
অন্যান্য স্কুলে প্রশিক্ষণ দিই ঐ স্কুলেও ওভাবেই দিবে।
কোনো সমস্যা হলে ফোন করো...
বাই। হ্যাঁ, বাই।
ছেলে এবং পুত্রবধূ সকাল ৮ টা বেজে ৪৫ মিনিটে কাজে বেরায়।
কাজের মহিলা ৯:৪৫ এ আসে।
পাউরুটি বিক্রেতা বিকাল ৪ টা বেজে ৪৫ মিনিটে আসে।
কিন্তু, স্যার, কার বাসায় যাবেন অন্তত সেটা তো বলুন।
আরে, বি-উইং এর ভর্মা'জির বাসায়।
আচ্ছা স্যার, নামটা এন্ট্রি করে দিন।
দাদা আপনিই করে দিন না। দেখছেন না হাতে ভারী উপহার?
আচ্ছা... আচ্ছা... আমিই করে দিচ্ছি।
- নামটা বলুন। - সৌরভ শর্মা।
সৌরভ শর্মা।
কোথা থেকে এসেছেন?
চেম্বুর।
দাদা, একটু জলদি করুন না। আমার দেরি হচ্ছে।
হ্যাঁ... হ্যাঁ... ফোন নম্বর বলুন।
- ৯৭৬৮৮৬৭৮৪... - একটু ধীরে বলুন...
- ৯৮... কী বললেন? - ৯৭।
৯৭৬... ৮৮... দু'টো ৮... দু'টো ৬... ৭৮৪...
৮৮৭৮৪...
- এখন যেতে পারি? - জি, স্যার। যান।
হ্যাঁ, আসছি আমি। কী আর করবো?
আজ কাজে ডবল শিফট রয়েছে। তুকারামেরও ছিল, কিন্তু আসেনি।
আসছি।
চ... চা। চৌগ্লে'জি এখানে থাকেন?
- না, আমি সুধির ভর্মা। - আচ্ছা।
- এটা ডি-উইং না? - না, এটা বি-উইং।
ওহ।
কিন্তু... ডি-উইং এও তো কোনো চৌগ্লে থাকে না।
বাহ, সমীর... ৩ বছরে ৩০ পেইন্টিং...
সাব্বাস।
হ্যাঁ, আর তোমার ৩৩ শতাংশ।
নিজেই একটা দোকান খুলছো না কেন?
রিয়া?
সমীর।
হুম?
- তোমার প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ড... ও একজন উকিল, তাই না? - হ্যাঁ, কেন?
ওর নম্বরটা পাঠাও তো।
এবার আবার কাকে ফাঁসাবে?
সমীর, আমার ডিভোর্স হচ্ছে।
হ্যাঁ, বললে আর বিশ্বাস করলাম!
না, সিরিয়াসলি।
কবির অতীতকে ভুলতেই চায় না।
ও ভয় পাচ্ছে যে... যদি সে ঐ দূর্ঘটনা ভুলে যায়...
বা নিজেকে ক্ষমা করে দেয়, তাহলে বাঁচবে কীভাবে?
সবচেয়ে বড়ো কথা, এসময় তো তোমায় ওর পাশে দাঁড়ানো উচিত।
ওর আর আমার প্রয়োজন নেই।
তাছাড়াও, এখন ওর সাথে দেখা করতেও আমার ভয় করে।
যখনই ওকে দেখি, মনে হয়... ও আমায় দোষারোপ করছে।
যেন আমায় প্রশ্ন করছে... মা হয়েও এত জলদি সবকিছু ভুলে গেলে?
মানে বলতে চাচ্ছি যে... আমিও অনেককিছুর মধ্য দিয়ে গেছি...
শুধু ও-ই নয়।
যাইহোক, এবার তো ও বলেই দিয়েছে।
বেশ অনেকখানি... এটা শেষ।
রিয়া, আমরা এসব রাগের মাথায় বলে থাকি।
কবিরের পক্ষ নিও না।
আরে, আমি কবিরের পক্ষে নই।
জানি তুমি কী করছো। থামো।
কী করছি আমি?
জানি, আমার ডিভোর্সের কথা শুনে ভিতরে ভিতরে তুমি খুবই খুশি হচ্ছো।
মানে... খুশিতে ফেটে যাচ্ছি।
একদম।
কিন্তু... যদি তুমি আমায় এই খুশিটা দেখাও, তাহলে...
তোমায় কোনো সস্তা শূকরের মতো মনে হবে।
কী?
- এজন্যই তুমি কবিরের পক্ষ নিচ্ছো। - মনে হয় তোমার এক কাপ কফির প্রয়োজন।
- প্লিজ... মধু সহকারে। - জানি।
ধন্যবাদ।
নম্রতা, মেইলগুলো পাঠিয়েছো?
- হাই। - কোন পৃথিবীতে একটা মেয়েকে...
৪০ মিনিট অপেক্ষায় রাখা হয়?
প্লিজ বলো আমায়।
"আসছি, আসছি" মেসেজ তো করো...
কিন্তু পৌঁছাও না।
- এভাবে হয় না-কি! - আমি দুঃখিত।
এইযে, তোমার পছন্দের কফি।
প্রতিবার কিন্তু কফিতে কাজ হবে না।
প্রথমবার নাহয় কাজ হয়েছিল।
যদিওবা কফি খারাপ ছিল, কিন্তু তুমি কিউট ছিলে বিধায় ডেট করেছি।
কিন্তু তুমি পুরো রিলেশনশিপটাকেই কোনোরকমে গ্রাহ্য করে চলছো।
তুমি তো দেখি আমার প্রাক্তণ স্বামীর থেকেও বাজে।
আরে...
No comments yet. Be the first to leave one.