123 ensimmäistä riviä.
Moshiur Shuvo Presents
জানি মৃত্যু এসে একদিন নিয়ে যাবে,
জানি মৃত্যু এসে একদিন নিয়ে যাবে,
যারা পারে তারা ছবিতে মালা পরাবে;
আত্মার শান্তি কামনায় যে যার ধর্ম মত,
এত অবিরত আত্মীয় স্বজন প্রার্থনারত।
তবু পাপে পাপে হয়ে যাওয়া আত্মার ক্ষত,
মুছতে কি পারবে পুন্য শত শত?
আজ কেন হয় না মনে এই শেষ দিন,
কেন দেইনা শোধ জমে থাকা ঋণ?
কেন দেইনা শোধ জমে থাকা ঋণ?
থাকব কি বেঁচে কেউ অনন্ত কাল?
থাকব কি বেঁচে কেউ অনন্ত কাল?
কেন মনে হয় এটা জীবন সকাল?
কেন মনে হয় এটা জীবন সকাল?
মধ্যাহ্ন সায়াহ্ন বুঝি নিছক কল্পনা?
কেন মন এঁকে যায় অলীক আল্পনা?
একটি ভাল কাজ যদি মহীরুহ হয়,
একটি ভাল কাজ যদি মহীরুহ হয়,
একটি ভাল কাজ যদি মহীরুহ হয়,
একটি ভাল কাজ যদি মহীরুহ হয়,
হয়তো আত্মা পাবে পরম অভয়!
Moshiur Shuvo Presents
কত সেকেন্ড হল প্রথম নামটা লিখেছ?
৩৫...
৩৬...
৩৭...
৩৮!
৩৯!
মনে হচ্ছে নেয়ার, আমিই জিতলাম।
৪০!
নতুন পৃথিবী
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
এখনও মরিনি...
১ মিনিট পেরুলো...
এখনও মরিনি!
তোমাদের বলছি না, কেউ মরবে না।
কিন্ত কেন?
তারা মারা যাচ্ছে না কেন?!
গড...
যেভাবে বলেছেন সে ভাবেই করেছি!
রেস্টার, জাভানি, তাকে আটকাও।
জাভানি, নোটবুকটা।
নিজেরাই দেখে নাও।
প্রথম ৪ টা নাম SPK মেম্বারদের আসল নাম।
আর একমাত্র যে নামটা এখানে নেই...
সেটা লাইট ইয়াগমি।
মিকামি তোমায় "গড" ডেকেছে
এবং বলেছে তুমি যেভাবে বলেছ সে সেভাবেই করেছে...
এটা সব প্রমাণ করে।
এটা একটা চক্রান্ত!
এটা ষড়যন্ত্র!
আমায় ফাঁসাতে নেয়ার এসব করেছে!
এমন কি নোটবুকটায় নাম লেখার পরও কেউ মরলো না
যেটা অবিশ্বাস্য।
যা প্রমাণ করে যে এটা চক্রান্ত!
কিন্তু আমি বলেছিলাম যে আজ কেউ মরবে না
কারন আমি নোটবুক বদল করেছি।
না... এটা অসম্ভব!
এটা ষড়যন্ত্র। আমি তাকে চিনি না।
লাইট, বড্ড দেরী করে ফেলেছ। নেয়ার জিতেছে।
১ সেকেন্ড আগেই বলেছ "আমিই জিতলাম।"
আর কত স্বীকারোক্তি আমাদের দরকার!
লাইট...
কেন?
থামো...
লাইট ইয়াগামি... এল...
কিরা...
তুমি হেরেছ।
এক মুহূর্ত আগেই তুমি নিজের বিজয় ঘোষণা করেছ।
সত্য বলতে, জিত তোমারই হয়েছে... আমিই হয়ত হেরেছি।
তুমি যেমনটা ভেবেছিলে আমরা তেমনিই নকল নোটবুকটা দিয়ে বদল করেছি
কিন্তু যখন আমি এটা বদলের কথা বলেছি,
আমি আসল নোটবুককেই বুঝিয়েছি।
আমরা নকল নোটবুকের শুধু একটা অংশ বদলেছি।
কিন্তু আসল নোটবুকের...
পুরো অংশই বদলেছি।
এটা আসল নোটবুক।
অসম্ভব!
আমরা মিকামির মত একই কলম ব্যবহার করেছি, নিপুণভাবে তার হাতের লেখা নকল করেছি,
আর ভেতর এবং বাইরের অংশ হুবহু একই বানিয়েছি...
জাভানি যেটা একরাতেই করে ফেলতে পারে।
যেহেতু আগেই আমি নোটবুকটা স্পর্শ করে ফেলেছি...
আমি শিনিগামিটাকে দেখতে পেতাম...
দেখা হয়ে খুশি হলাম, মি. শিনিগামি। আমি নেয়ার।
আমিও খুশি হলাম। আমি রিউক।
সে রিয়ুকের সাথে কথা বলতে পারে।
তাকে দেখতে পারে, তবে তো এটা অবশ্যই বাস্তব।
নোটবুকের এই পৃষ্ঠার প্রান্তগুলো ছেঁড়া।
ছেঁড়া অংশে কারও নাম লিখলেও কি সে মারা যাবে?
হ্যাঁ, যাবে।
আমিও তাই ভেবেছিলাম...
তুমি হয়ত এটা ব্যবহার করার অনেক উপায় বতলেছ...
ভেবে আশ্চর্য হই যে, এটা দিয়ে কতবার তুমি আমাদের নাকানি-চুবানি খাইয়েছ...
তুমিই কিরা, লাইট ইয়াগামি।
নেয়ার হয়ত চালাকি করছে।
মিকামি কি বিশ্বাস ঘাতকতা করল?
তুমি ভুল ভাবছ।
এসব ঘটছে শুধুমাত্র মেলোর জন্যই।
ঠিকভাবে বললেই তুমি বুঝতে পারবে।
মেলো?!
এটা ভাল ভাবে দেখো...
তাকাদার নাম নোটবুকে লেখা...!
মৃত্যুর সময়টা আমার লেখা সময়ের
এক মিনিট পর!
মিকামি কি একই সময়ে আমার মত কাজ করেছে?!
গড, আমি ভেবেছিলাম আপনার উপর নজরে রাখা হচ্ছিল, এজন্য কিছু করতে পারছিলেন না...
এজন্য ভেবেছিলাম তাকাদার পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব আমার...
গাঁধা!
তোকে বলেছিলাম আজকের আগ পর্যন্ত উল্টা-পাল্টা কিছু না করতে!
ঠিক তাই
ঐদিন তাকাদার অপহরণের খবর সম্প্রচার হওয়ার পর...
মিকামি ব্যাংকে যায়...
আমি তার উপর নজর রাখছিলাম,
মিকামি প্রত্যেক মাসের ২৫ তারিখে ব্যাংকে যেত।
কিন্তু মিকামির মত নিয়মানুবর্তী লোকের পর পর ২ দিন
ব্যাংকে যাওয়ায়য় সন্দেহ হল।
তাকে একটা সেফ ডিপোজিট বক্সের কাছে যেতে দেখলাম।
আর শুধুমাত্র সেইদিন...
সে সতর্কভাবে দেখছিল কেউ তাকে অনুসরণ করছে কি না...
ডিপোজিট বক্সটা খোলা কোন ব্যাপার ছিল না।
সেটার ভেতরে...
আসল নোটবুকটা ছিল আর সেটায় তাকাদার নাম লেখা ছিল...
No comments yet. Be the first to leave one.