Our Planet

Our Planet

Lataa Bengali -tekstitys

Kausi 1

Julkaisutiedot

Our Planet 2019 S01E05 720p WEB Bangla by Moshiur Shuvo
Our Planet 2019 S01E05 720p WEB x264-STRiFE
আওয়ার প্ল্যানেট | নেটফ্লিক্স | সিজন ১ | এপিসোড ৫ | রান টাইম : 00:51:15
আওয়ার প্ল্যানেট | সিজন ১ | এপিসোড ৫ | বাংলা সাবটাইটেল by মশিউর শুভ
Our Planet | S01 E05 | বাংলা সাবটাইটেল
Our Planet S01 Season 01E05 720p WEB-DL x264-XpoZ
From Deserts to Grasslands
Our Planet 2019 S01E05 From Deserts to Grasslands 1080p NF WEBRip DDP5 1 x264-NTb
Kommentaari Moshiur Shuvo
🔥সম্পূর্ণ সহজ ও সাবলীল বাংলা সাবটাইটেল। এপিসোড নংঃ ৫ রানটাইমঃ 51:15। 💣 Google drive: https://bit.ly/3dueYIP 💣 FTP সার্ভার : https://bit.ly/2W6xVeQ 💣 টরেন্ট ডাউনলোড : https://bit.ly/2VcOeGp

Tunnisteet

web
720p
720
x264
Web-DL
web-dl
WEB-DL
TS
webrip
BRip
1080
Julkaistu: 2020-05-18
Lataukset: 61
Kuulovammaisille: No

Bengali tekstityksen esikatselu

151 ensimmäistä riviä.

Moshiur Shuvo Presents

মাত্র ৫০ বছর আগে,

আমরা চাঁদে যাওয়ার সাহস করি।

সেইবার প্রথম আমরা, আমাদের গ্রহের দিকে ফিরে তাকিয়েছিলাম।

সেই থেকে জনসংখ্যা দ্বিগুণের থেকে বেশি হয়েছে।

এই সিরিজ প্রচার করবে, এখনো টিকে থাকা প্রাকৃতিক বিষ্ময়

এবং মানবজাতি এবং প্রকৃতির বিকাশের জন্য

যেসব জিনিস সংরক্ষণ করতে হবে।

পৃথিবীতে এখনো অভয়ারণ্য আছে,

এবং বিভিন্ন উপলক্ষে, তারা বন্যপ্রাণীর নন্দনীয় সমাবেশ ঘটায়।

তারা অত্যবশকীয় জায়গার ব্যবস্থা করে, কিন্তু তারা দ্রুত বিনীন হয়ে যাচ্ছে।

আমাদের গ্রহের এক পঞ্চমাংশ জায়গা জুড়ে মরুভূমি।

সবচেয়ে শুষ্ক হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার আতাকামা।

এখানে এমন জায়গাও আছে যেখানে কখনো বৃষ্টি হয় নি।

মরুভূমিকে মনে হতে পারে ধূধূ প্রান্তর এবং অনুর্বর,

কিন্তু তাদের ভূমিকা অপরিসীম।

যারা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে,

তাদের জন্য অত্যাবশকীয় আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে।

Socotran cormorants,

এরাবিয়ান মরুভূমির ধুলো ঝড় থেকে বেরিয়ে আসছে।

ধূধূ প্রান্তরের আকর্ষণে তারা এখানে এসেছে,

এবং তারা সংখ্যায় অনেকগুলি।

তারা পঞ্চাশ হাজার।

তাদের মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ।

তারা এখানে এসেছে বংশবৃদ্ধি করার জন্য...

নির্বিঘ্নে।

কিন্তু মরুভূমিতে বাসা বাঁধা কঠিন।

তাপমাত্রা বেড়ে ৪০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।

তবুও প্রাপ্ত বয়স্ক এবং তাদের সাদা বাচ্চারা

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত।

তারা উর্ধ্ব শ্বাস ফেলে নিজেদেরকে ঠান্ডা রাখে।

যদি কোন প্রাপ্তবয়স্ক খাবার যোগাতে পারে তার দিকে ভীড় ছুটে যায়।

একটা প্রাপ্ত বয়স্ক শুধু তার সন্তানকেই খাবার দেয়,

যে কিনা এখানে কোথাও থাকার কথা।

বাচ্চারা প্রাপ্তবয়ষ্কদের পিছনে ছুটে বেড়ায়।

কাজ হল না।

এবার তাদের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত কলোনিতে ফিরতে হবে।

এই মরুভূমি পানকৌড়িদের জন্য

নিরাপদ আবাসস্থলের থেকেও বেশি কিছু।

প্রতি সকালে বড় একটা দলের নড়াচড়া শুরু হয়।

এখন তীব্র বেগে এগোনোর সময়।

কলোনির ঠিক পাশেই, সমুদ্রের অগভীর এক অংশ,

খাদ্যে পরিপূর্ণ।

এই পরিপূর্ণতা মরুভূমির থেকেই আসে।

স্থল থেকে উড়ে আসা ধুলাবালিতে

পুষ্টি থাকে যেটা আশেপাশের পানিকে উর্বর করে।

তাই, মরুভূমিই সাগরকে উর্বর করে।

ওমানে, গ্রীষ্মকালে, সাগর থেকে কুয়াশা আসে,

ডোফার পাহাড়ে জমা হয়।

গাছপালা জন্মানোর জন্য পর্যাপ্ত আর্দ্রতা এই কুয়াশা বয়ে আনে...

এবং এই শ্যামশোভা জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

পাহাড়ি ছাগলকে ওসবের একটায় পৌছাতে খাঁড়া ঢাল পার হতে হয়।

কিন্তু তারা শংকিত...

সেটার পেছনে যথেষ্ট কারনও আছে।

একটা এরাবিয়ান চিতা,

দুনিয়াতে ২০০ এর কম টিকে থাকাদের ভেতর একটা।

এটা পুরুষের সীমানা

উঁচু পাহাড় এবং নিচু স্থান মিলে ৩৫০ বর্গ কিঃমিঃ জুড়ে বিস্তৃত।

এরাবিয়ান উপদ্বীপের দক্ষিণ ধাঁর

সেই কয়েকটা জায়গার ভেতর একটা যেখানে

তাদের বংশবৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত শিকার পাওয়া যায়।

তবুও সেখানে ৬০ টারও কম আছে

১৫,০০০ বর্গ কিঃমিঃ জুড়ে।

এই চিতাগুলো এমনিতেই বিরল,

কিন্তু বর্তমানে মানুষের সাথে সংঘর্ষ

তার সংখ্যা আরো কমিয়ে আনছে।

সামান্য কয়েকটা চিতা জীবিত আছে,

এজন্য এখন আমাদের ক্যামেরা যা ধারণ করেছে সেটা প্রায় বিস্ময়কর।

একটা মেয়ে চিতা,

এবং সে ছেলে চিতার পিছু নিয়েছে।

তাদের এমন সঙ্গমের দৃশ্য সত্যিই বিরল।

এই সংক্ষিপ্ত সঙ্গম

এই চিতাদের জন্য আপাতত ভবিষ্যতটা নিশ্চিত করল।

কিন্তু তাদের আসল ভবিষ্যত,

নির্ভর করছে যে, তাদের অভয়ারণ্য কতদিন টিকবে তার উপর।

ডোফার পর্বতমালার উত্তরে

অকল্পনীয় এক শূন্যস্থান রয়েছে।

The Rub' al Khali,

শূন্য এক চতুর্থাংশ।

এই গম্ভীর নামটা

মরুর ধূধূ প্রান্তরের সাথে রোমান্টিক ভাবে ধ্বনিত হয়।

এটা দুনিয়ার বৃহৎ ধুলোর সাগর।

এস্থানের কোথাও কোথাও লোকের পা পর্যন্ত পড়ে নি।

মরুর শ্রেষ্ঠ স্পেশালিষ্টরা এখানে টিকে থাকতে পারে।

Arabian oryx.

তাদের সীমানা বিস্মৃত

৩,০০০ বর্গ কিঃমিঃ পর্যন্ত।

এটা তাদের শেষ আশ্রয় স্থল।

তারা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছিল,

তারা তাদের পূর্বপুরুষদের জায়গা পুণরায় দখল করতে এসেছে।

বন্য প্রাণী সংরক্ষকদের সাহায্যে তারা নিজ বাড়িতে ফিরে এসেছে।

কিন্তু পুনঃপ্রবর্তন তাদের সকলকে রক্ষা করতে পারে নি।

মরুভূমির হাতি।

নামিবিয়ায় ১৫০ এর কম বেঁচে আছে।

এই আদিম প্রাণী শুষ্ক নদীগর্ভ খুঁড়ে বেড়ায়,

পানির আশায় যেখানে পুরো বছরে এক বা দুইদিন পানি প্রবাহিত হয়।

একটা প্রাপ্ত বয়স্ক হাতিকে

ক্ষুধা মেটাতে প্রতিদিন ২০০ কেজি করে খাবার জোটাতে হবে।

এই শেষ বেঁচে থাকা প্রাণীদের জন্য, জীবনটা এক অশেষ ভ্রমণ।

এই দলকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় এক মহিলা, যে তাদের কর্ত্রী।

সে তার পরিবারকে

এমন এক বিশেষ জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে খাবার পাওয়া যাবে

এমনকি খরার সময়ও।

সে এটার সন্ধান পেয়েছে তার মায়ের কাছ থেকে,

বহু বছর আগে।

এবার সে তার পরিবারের ছোটদের পথটা চেনাচ্ছে।

এই হাতিরা খাদ্যের সন্ধানে একা নয়।

মরুভূমির সিংহ।

তারাও এই হাতির মত বিরল।

ছোট হাতিগুলো তাদের মায়ের দ্বারা সুরক্ষিত।

এজন্য সিংহরা তাদেরকে যেতে দেয়।

দূরবর্তী গাছেরা পানির ইঙ্গিত দেয়।

নদীগর্ভ শুষ্ক।

এনা গাছ তবুও সবুজ।

কিন্তু একটা সমস্যা আছে।

বছরের এই সময়ে,

এনা গাছের রেশমের বীজ থেকে কুড়ি গজায়।

হাতিদের জন্য উপাদেয় খাবার।

তবে এই বছর শস্য জন্মায় নি।

কর্ত্রী তার দলকে এখানে বিনা কারনে এনেছে।

এমনকি গাছের কচি পাতাগুলো তাদের নাগালের বাইরে।

পরিবারটাকে চলে যেতে হবে।

একটা পুরুষ, প্রায় ৪ মিটার লম্বা

সে নাগাল পায়,

আর সে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।

কর্ত্রী তাকে বহু বছর ধরে চেনে এবং ইতিপূর্বে তার কাছে সাহায্যও চেয়েছে।

হাতিরা কেবল এখানে টিকে থাকতে পারে

কারন বংশপরম্পরায় এই জ্ঞান তাদের কাছে আসছে।

তবে এখন ২০টিরও কম কর্ত্রী বেঁচে আছে।

যদি তাদের এই জ্ঞান হারিয়ে যায়,

হাতিরা হয়তো এখানে আর বাঁচতে পারবে না।

মরুভূমিতে সারা বছর এত বেশি প্রাণী বাঁচতে পারে না,

যারা বিশেষভাবে এই পরিবেশে অভিযোজিত

তারাও কম সংখ্যক বেঁচে থাকে।

কিন্তু বিশেষ কোন উপলক্ষে,

মরুভূমি বদলে যায়।

বারো বছরে একবার,

প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

এক বৃষ্টিপাতেই মরুভূমি সবুজ হয়ে যায়।

দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায়,

মহাশূন্য থেকেও এই পরিবর্তন বোঝা যায়।

শ'খানেক বর্গ কিঃমিঃ হঠাৎ ফুলে ভরে ওঠে।

এমন পরিবর্তন যদি প্রায়ই ঘটে থাকে,

প্রাণীদের নতুন আবাসের ব্যবস্থা হয়।

তৃণভূমি।

আমাদের গ্রহের উর্বর জায়গাগুলোর একটা,

এটা দুনিয়ার বৃহৎ প্রাণীদের সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল।

Serengeti মিলিয়ন বন্য পশুর জায়গা দেয়।

বৃষ্টিতে জন্ম হওয়া ঘাসের জন্য তারা এখানে আসে।

এই পশুর দল মাংসাশী প্রাণীদের আকর্ষণ করে।

৫ টা পুরুষ চিতা।

Kommentit

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left