200 ensimmäistä riviä.
অনুবাদকঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
একসাথে, আমরা অপরাজেয়!
একসাথে, লড়ব জুলুমের বিরুদ্ধে!
একসাথে, আমরা অপরাজেয়!
একসাথে, লড়ব জুলুমের বিরুদ্ধে!
একসাথে, আমরা অপরাজেয়!
একসাথে, লড়ব জুলুমের বিরুদ্ধে!
একসাথে, আমরা অপরাজেয়!
বস এতগুলো গার্ড রাখতে পারে...
কিন্তু ওর কর্মীদের ভালো বেতন দিতে পারে না?
সিকিউরিটি গার্ডরা আমাদের মতোই। ওরাও কর্মী।
ওদের সাথে হাতাহাতি না করি।
একসাথে, আমরা অপরাজেয়!
থামো!
আমরা ভেতরে যেতে চাই!
গিয়ে মালিকের সাথে কথা বলব!
আমাদের ভেতরে ঢুকতে দাও, নাহলে আমরা জোর করে ঢুকবো।
গেট খুলো!
থামো!
থামো!
অনেক হয়েছে!
অনেক হয়েছে!
শালা!
সবাই থামো!
আমার সাথে কথা বলার জন্য কাউকে ভেতরে পাঠাও।
ডানদিকের জন, আসবে না।
কী করবে?
তোমরা দুইজন যাও।
আমরা সবাই যেটায় রাজি হয়েছিলাম সেটা গিয়ে বলো ওনাকে।
আমাদের উপর ভরসা করতে পারো।
তবে একটা শর্তে। বাকিরা, বাসায় ফিরে যাও!
না!
আমাকে কি পাগল ভাবো?
তোমাদের দুই বন্ধুর কোনো ক্ষতি করব না।
এই, সর!
সর।
সবাই বাড়ি যাও।
আমার বন্ধু বলছিল তুমি ঝামেলা পাকাও, মিছিলে নেতৃত্ব দাও।
আমি ব্যস আমার ও আমার বন্ধুদের অধিকারের জন্য লড়ি।
আমার বন্ধুর বাবার কম বেতনে কোনো আপত্তি নেই, কমসেকম চাকরি তো আছে।
অন্যরা নিজেদের অধিকারের জন্য আওয়াজ তুলতে পারে না বলে...
এই না যে, আমাদেরও ওদের মতো চুপ থাকা লাগবে।
কিন্তু কেন?
যদি চোখের সামনে অন্যায় হতে দেখি আর কিছু না করি
তাহলে আমরা আর মানুষের পর্যায়ে পড়ি না।
লাইটটা ঠিক করার জন্য ধন্যবাদ।
সানচাকা, জানালাটা বন্ধ করো বাবু।
কিন্তু বৃষ্টি তো বাইরে হচ্ছে, মা।
তোমার উপর বিজলী পড়বে না।
জলদি, জানালাটা বন্ধ করো।
আমাদের দুই বন্ধুকে তিনদিন ধরে পাওয়া যাচ্ছে না।
লোকজন সব রেগে গেছে। ওরা কারাখানায় যেতে চায়।
দুইজনেই তিনদিন ধরে বাসায় ফিরেনি?
হয়তো মরে গেছে।
আমি যাচ্ছি। সানচাকার খেয়াল রেখো।
আচ্ছা। সাবধানে থেকো।
বাবা কোথায় যাচ্ছে?
মনে আছে দুইজন কর্মী কারখানার ভেতরে গেছিল?
তারপর থেকে ওরা আর বাসায় ফিরেনি।
তোমার বাবা আর বাকি কর্মীরা কারখানায় যাচ্ছে।
যে কর্মীরা ফিরেনি চলো তাদের বাসায় যাই। ওদের পরিবার ঠিক আছে কিনা দেখতে।
আমরা তোমার সাথে দেখা করতে এসেছি।
আমি ভালো আছি।
ধৈর্য ধরো।
- কত দিয়েছে? - কী?
নিজের বন্ধুদের ধোকা দেওয়ার জন্য কত টাকা দিয়েছে ওরা?
আমাদের টাকার দরকার ছিল।
জঘন্য!
মা!
ভয় হচ্ছে?
না!
মরতে রাজি?
মা!
মা!
মরতে রাজি?
হ্যাঁ!
মা!
মা!
মা!
সানচাকা, এক্ষুনি কারখানায় যাও!
বাবাকে গিয়ে বলো ওদের ফাঁদে ফেলা হয়েছে।
যাও, সানচাকা! তোমার বাবা বিপদে আছে।
ভয় হচ্ছে?
না!
মরতে রাজি?
হ্যাঁ!
ভয় হচ্ছে?
না!
মরতে রাজি?
হ্যাঁ!
বাবা!
বাবা!
বাবা!
বাবা!
বাবা!
আমরা ছুরি রাখি না।
বাবা।
বাবা।
বাবা।
আমাকে ছেড়ে যেও না, বাবা।
বাবা।
আমাকে ছেড়ে যেও না, বাবা।
উঠো, বাবা।
এই, আয়!
সানচাকা।
আমাকে কাল শহরে যেতে হবে।
আমাকে একজন চাকরি দিতে চেয়েছে।
রাতারাতি?
হ্যাঁ, ব্যস একদিনের ব্যাপার।
তোমার বাবা মরেছে প্রায় একবছর হলো।
আমরা বাসাটা বিক্রি করে দিয়েছি। এখন ভাড়ায় আছি।
হাতে তেমন টাকা পয়সাও নেই।
আমাকে আরও টাকা কামাতে হবে।
একদিনের জন্য, না?
হ্যাঁ। পরশুদিন, স্কুল শেষে, আমি এসে পড়ব, এসে তোমার জন্য রান্না করব।
তুমি তো সাহসী ছেলে, তাই না?
বাইরে খেলো না। এখন বৃষ্টির মৌসুম।
পরে বিজলীতে আছাড় খেয়ে আবার অসুস্থ হয়ে পড়বে।
মা?
মা?
মা?
মা...
মা...
মা...
মা...
মা...
তোমার জন্য কিছু খাবার এনেছি।
ধর ওকে!
শালা! মরার শখ জেগেছে?
বেশিদূর পালাতে পারবি না, শুয়োর!
মাফ করবেন!
ধর ওকে!
শালা!
কী করেছিলে যে ওরা তোমাকে মারছিল?
ওরা একটা মেয়েকে বিরক্ত করছিল।
আমার মতোই রাস্তায় খেলা দেখায়।
তাই ওদের দিকে ইট চালিয়েছিলাম।
নিজের চরকায় তেল দিতে শিখো।
অন্যের ব্যাপারে নাক গলালে, তোমার জীবন বড়ই কষ্টকর হবে।
তাহলে আমার সাহায্য করলে কেন?
হ্যাঁ, তাই তো এখন ঝামেলায় পড়ে গেছি।
ওদের পাঁচজনের সাথে পেরে যাবো, সমস্যা নেই।
কিন্তু দলবল নিয়ে আসলে, আমি শেষ।
মাফ কোরো তোমাকে ঝামেলায় ফেলে দিলাম।
আমি আওয়াং।
সানচাকা।
খাও। তারপর তোমাকে মারামারি করতে শিখাবো।
কেন?
যাতে নিজের রক্ষা নিজে করতে পারো,
তখন আমাকে আর বাঁচানো লাগবে না।
তোমার বাড়ি ছিল কখনও?
হ্যাঁ।
ছিল এক সময়।
কিছু ধনী মানুষ আমাকে দত্তক নেয়।
কিন্তু ওরা আমাকে মারধর করতো।
সেখান থেকে পালিয়েছি।
ধনীদের কখনও বিশ্বাস করবে না।
ওদের অনেকেই খারাপ। আমি তো প্রায় মরতে বসেছিলাম।
তোমার বৃষ্টিতে ভয় করে?
বিজলীতে ভয় করে।
কেন?
এটা সবসময় আমাকে তাড়া করে।
তোমার বিজলীতে সমস্যা আছে?
তুমি কি বিজলীর ব্যাপারেও নাক গলিয়েছিলে?
বছরে একবার, এখান দিয়ে একটা ট্রেন যায়।
চলতে থাকে, টানা এক সপ্তাহ।
কোথায় যায়?
দক্ষিণ-পূর্বে। সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা।
আবার কখন যাবে?
কাল। ঐ ট্রেনে উঠে এখান থেকে বেরিয়ে যাবো।
টানা এক সপ্তাহ? কী খাবে?
গাড়িতে খাবার থাকবে।
সবজি। ফল।
আমি আসতে পারি?
না।
তুমি আমার দায়িত্ব না।
আমি কোনো ঝামেলা করব না।
এখনই তো করছ।
মা?
সানচাকা।
মা, তোমার কথা অনেক মনে পড়ছিল।
আমাকে আর কখনও ছেড়ে যেও না।
তুমি কি সত্যিই আমার সাথে যেতে চাও?
হ্যাঁ।
চলো।
আওয়াং!
সানচাকা, চলো!
আওয়াং!
চলো, সানচাকা!
আওয়াং!
জলদি করো, তুমি পারবে!
আওয়াং!
চলো, সানচাকা!
তুমি পারবে!
আওয়াং!
সানচাকা!
আওয়াং!
কাউকে বিশ্বাস কোরো না!
অন্যের ব্যাপারে নাক গলাবে না!
তুমি টিকে থাকবে।
No comments yet. Be the first to leave one.