Ang unang 200 linya.
স্লিপলেস ইন সিয়াটল- অনুবাদে সাবটাইটেল হাট
অনুবাদক: আতিকুল গনি রিপন হাসান মাহাদী সাজ্জাদ রিটু তানভীর আহামেদ নিলয় এস এম আনিসুর রহমান নুরুল্লাহ মাশহুর কুদরতে জাহান জিনিয়া
সম্পাদনায়: তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, কুদরতে জাহান জিনিয়া
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
মা অসুখে পড়ল। আর হঠাৎ করেই.............।
কারোরই কিছু করার ছিল না।
এটা একেবারেই ঠিক হয়নি। কোনো কারণ নেই।
যদি জানতে চাই কেন, পাগল হয়ে যাবো।
মাইক্রোওয়েভে পাঁচ মিনিট।
সে যেই জিনিসই হোক,পাঁচ মিনিট গরম করলেই খেতে পারবে।
জুস কিভাবে বানাতে হয় জানো?
মাইক্রোওয়েভে পাঁচ মিনিট।
এই যে, আমার মানসিক ডাক্তারের কার্ড। ফোন করো ওকে।
বিপত্নীকদের সাপোর্ট গ্রুপ।
শিকাগো ক্যান্সার ফ্যামেলি নেটওয়ার্ক।
সঙ্গীহীন বাবা-মা। বাবা-মাহীন সঙ্গী।
"নিজেকে জড়িয়ে ধরো," "বন্ধুকে জড়িয়ে ধরো," "মানসিক ডাক্তারকে জড়িয়ে ধরো," নয়ত কাজ করো।
কঠোর পরিশ্রম করো, যদি বাঁচতে চাও। একমাত্র কাজই তোমাকে উদ্ধার করতে পারবে।
কিছু মনে করো না, বেচারার বউ মারা গেছে।
মনে হয়, আমাদের পরিবর্তন দরকার।
কাজ হবে। কয়েক সপ্তাহ কাজ বাদ দাও, গায়ে রোদ লাগাও, জোনাহকে নিয়ে মাছ ধরতে যাও।
না, আসল পরিবর্তন। নতুন শহর।
কিছু জায়গা আছে, গেলেই ম্যাগির কথা মনে পড়ে।
কোথায় যাবে?
সিয়াটল যাব ভাবছি।
সত্যি বলতে, কয়েকমাসের মধ্যেই দেখবি নতুন কাউকে পছন্দ করতে শুরু করেছিস। কারো সাথে পরিচিত হবি।
ঠিক, ঠিক। এটাই করব ঠিক করেছি, আগের কথা মন থেকে মুছে ফেলব।
আর কয়েকমাসের মধ্যে, ধুম, সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার একটা নতুন হৃদয় গজাবে।
- স্যাম, আমি দুঃখিত, আমি..................... - ও একথা বলতে চায়নি।
জানি, জানি, দেখো, দ্বিতীয়বার আর এমনটি হতে দিচ্ছি না।
ঐ লম্বা লাল চুলওয়ালী কি তোমার চাচাতো বোন আইরিন?
মুখের বিরক্তির ছাপ দেখেই চিনতে পারবে।
হ্যারল্ডের সাথে বিয়ে হয়েছিল, যে কিনা আবার সেক্রেটারির সাথে পালিয়ে গিয়েছিল।
আবার ফিরে এসেছে, না আসলে ওর কুকুরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল আইরিন।
তোমার ভাই ডেনিস জন হপকিন্সের অধ্যাপক।
উনার বিয়ে হয়েছে, আহহহ, বেটসির সাথে।
দুনিয়ার সবচেয়ে খুঁতখুঁতে মহিলা।
মনে হয় না, সব মনে রাখতে পারব।
ওহ, ওয়াল্টার, পারবে!
তোমার চাচা সব টাকা খুইয়েছে।
অন্য লোকেরাও।
পিরামিড স্কিমে। IRS বা যুক্তরাষ্টের বন্দি আইনের কথা আর তুলো না।
তোমার মা'র নাম বারবারা, বারার নাম ক্লিফ।
- বাবার ইলেক্ট্রিক ট্রেন আছে। - তাই?
ওনারা যা ভেবেছেন, আমি কি সেই আশা মেটাতে পারব?
ওহ, ওয়াল্টার, ওরা তোমাকে পছন্দ করবে!
সবাই শোনো, অ্যানি কিছু বলবে।
ওহ, ওয়াল্টার আর আমার বাগদান হয়েছে।
ধন্যবাদ।
মা জানত, বাবা, মা জানত।
অ্যানি, কোনো আংটি দেখছি না যে।
অভিনন্দন, ওয়াল্টার।
আলহামদুলিল্লাহ বলো!
- তুমি ঠিক আছ? - ও কিছু না, কিছু না।
হয়ত ফুলের জন্য।
সরিয়ে নিচ্ছি।
না, নড়াচড়া করবেন না! এমন সময়ে হাঁচি দেবার জন্য খুব খারাপ লাগছে।
মুহূর্তটা আমার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ।
ওর সবকিছুতেই অ্যালার্জি, চিন্তার কিছু নেই।
মাছি। আমার মাছিতে অ্যালার্জি।
হ্যারল্ডের সবধরনের মাছিতে অ্যালার্জি।
আমরা যেখানেই যাই, হাইপোডার্মিক অ্যাড্রেনালিন স্প্রে সাথে করে নিয়ে যাই।
যদি এক তিল পরিমাণ বাদাম মুখে গেছে তো.........
মাথা তরমুজের মতো ভারি হয়ে যায়, আর পড়ে যাই।
মাছি দেখলে হ্যারল্ডেরও একই অবস্থা হয়।
তোর মা আর আমি বিয়ের দিন স্যামন মাছ খেয়েছিলাম,
আর আমার কাছে মনে হয় ঠান্ডা স্যামন ছাড়া বিয়ে মানে..............
- স্যামনে আমার অ্যালার্জি নেই। - ওহ, স্যামনে অ্যালার্জি নেই।
আমার মনে হয় না, আরকি। কে জানে?
- কে জানে? - আগে হ্যারল্ডের মাছিতে অ্যালার্জি ছিল না।
আহা, কী দুঃখের ব্যাপার।
ঘরে না শ্যাম্পেন ছিল? শেষ হলো কবে?
মিল্টন চাচা জামিনে ছাড়া পাওয়ার দিনে।
- অনেক মজা ছিল। - হ্যাঁ, তাই না মিল্টন?
- অ্যানি, বিয়ে কবে? - জুনের প্রথম দিকে,বাগানে।
ওহ....... বাগানে।
- হ্যারল্ডের কী হবে, বাগানে তো অনেক মাছি? - আমার মাছিতে অ্যালার্জি।
তোমাকে স্প্রে দিয়ে চুবিয়ে ফেলবো।
ঠান্ডা স্যামন, কচি শসার সালাদ, স্ট্রবেরি।
মনে হয়, স্ট্রবেরিতেও অ্যালার্জি আছে।
ওয়াল্টার, তোমার কোনো সমস্যা নেই তো?
আজ, আমাকে দুনিয়ার সবচেয়ে ভাগ্যবান...............
মা-মা-নু-নু-ষ-ষ ব-ব-লে-লে ম-ম-নে-নে হচ্ছে।
লু গ্যারিগের সংলাপ...
বাবা, মনে আছে লু গ্যারিগের সেই লাইনটা...
- প্রাইড অব দ্যা ইয়াঙ্কিস। - প্রাইড অব দ্যা ইয়াঙ্কিস।
- প্রাইড অব দ্যা ইয়াঙ্কিস! - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
বেসবল, বেসবলের একটা ঐতিহাসিক সংলাপ।
আমি একটা টোস্টের প্রস্তাব দিচ্ছি।
- বেশ, বেশ। - আমার ছোট বোনের প্রতি।
ওয়াল্টার আর আমার মেয়ের প্রতি।
ওয়াল্টার ও অ্যানির প্রতি।
সবাই খাবার মুখে দাও, ঠান্ডা হওয়ার আগে।
এই যে। ঐতিহাসিক সংগঠন চেয়েছিল,
দেইনি।
ওহ, মা.......
খেয়াল করলাম, এটার চল আবার ফিরে এসেছে।
দাদীমার কাপড়!
ওহ, অ্যানি। ছেলেটা ভালো আছে।
আমি জানি সেটা।
- আর অসাধারণ অ্যাথলেট। - ওর পরিবার পরিজন কেমন?
উনাদেরকেও তোমার পছন্দ হবে।
আজরাতে ডিসি যাচ্ছি, আর আগামীকাল, বড়দিনের সকালটা উনাদের সাথে কাটাবো।
- তোদের পরিচয় কীভাবে হলো?- - ব্যাপারটা শুনলে হাসবে।
মানে, একবার অফিসে দেখেছি, দিব্যি মনে আছে দেখেছিলাম।
ও সহকারী সম্পাদক।
আর একদিন, দু'জনই একই দোকান থেকে স্যান্ডউইচ অর্ডার করেছিলাম,
ওর কাছে আমার লেটুস, টমেটো, গমের বানানো স্যান্ডউইচ চলে গিয়েছিল, যেটাতে আবার ওর অ্যালার্জি।
আর শুধু লেটুস আর টমেটো দেয়াটা আমার কাছে চলে আসে।
- কী অপুর্ব। - তাই নাকি?
জীবনের নেয়া হাজারটা সিদ্ধান্ত কোনো কাজে আসেনি,
আর একদিন খাবার অর্ডার জীবন পালটে দিলো।
এটাকেই বলে নিয়তি।
মা, নিয়তি হলো মানুষের একটা মনগড়া কথা,
কারণ আমরা যখন কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে পারি না, তখন এর দোহাই দেই।
দুইজন মানুষ একই সময়ে একই স্থানে এর ব্যাখ্যা কীভাবে দিবি .......
স্যান্ডউইচ অর্ডার করে, রুটি ছাড়া?
দুনিয়াতে এমন মানুষ কতজন আছে..........
যারা শুধু লেটুস আর টমেটো পছন্দ করবে অন্য কিছু ছাড়া, যেমন টুনা?
বেশ, এটা কোনো দৈব ইশারা নয়, কাকতালীয়।
আমি আটলান্টিক সিটিতে ছিলাম পরিবারের সাথে, ক্লিফ ছিল ওয়েটার।
ওর সে রাতে কাজ করার কথা ছিল না। ধর, ও যদি না করত, তাহলে?
ও আমাকে মাঝরাতে স্টিল পিয়ার পার্কে ওর সাথে হাঁটার প্রস্তাব দেয়।
হয়ত একথাটা হাজারবার বলেছি, কিন্তু তাতেই কী, আবার বলি।
তারপরে ও আমার হাত ধরে।
আর এক সময় হাতের দিকে খেয়াল করি, কিন্তু এটা বলতে পারিনি কোনটা ওর আঙ্গুল আর কোনটা আমার।
- আর আমি জানতাম। - কী?
তুইও জানতে পারবি।
- কী? - যাদু, যেন যাদুর পরশ।
জাদুর পরশ।
আমি জানতাম আমরা চিরদিনের জন্য। আর এইজন্যই সবকিছু এত অসাধারণ।
যেমনটা তুই ওয়াল্টারের জন্য অনুভব করিস।
ওয়াল্টার, একটা সাধারণ নাম। তাই না?
একটা ব্যাপার নিশ্চিত জানতাম, আমি আর তোর বাবা.........
বিছানায়...দারুণ সময় কাটাবো
মা।
অবশ্য সবকিছু গুছিয়ে আনতে কয়েক বছর লেগেছে,
তোর বাবা যন্ত্রের মতো খাটাখাটুনি করত।
তাই, একটু সময় লেগে গেলে চিন্তা করিস না।
- আমরা এরমধ্যেই.......... - বেশ, বেশ, তো কেমন চলছে?
- যন্ত্রের মতো। - ওহ, মা রে............
- এটা দৈব সঙ্কেত। - দৈব সঙ্কেত বলে কিছু নেই।
ওরা তোমাকে পছন্দ করেছে। বলেছিলাম পছন্দ করবে, করেছেও।
- আই লাভ ইউ। - আই লাভ ইউ, ওয়াল্টার।
ওয়াল্টার ছাড়া কেউ কখনো অন্য কিছু বলে ডাকত?
না।
- ছোট থাকতেও না? - না, ছোট থাকতেও না।
তো আমার সাথে সত্যিই যাবে না?
ওহ, শুক্রবারে বাল্টিমোর কিভাবে যাব?
অহ! উপহার ফেলে এসেছি। তোমার সৎমার দেয়া উপহার ভুলে ঘরে ফেলে এসেছি।
কসম, আমরা একসাথে বুড়ো হব, চামড়া ঝুলে যাবে,
তখন তুমি আমাকে নকল দাঁত পরার কথা মনে করিয়ে দেবে।
আমি সারা শহর ঘুরে আসব দাঁত ছাড়া দুই মাড়ি দিয়ে চিবুতে চিবুতে, খেয়ালই থাকবে না।
- আমি অপেক্ষা করব। - অপেক্ষা করবে? ওহ, ঠিক আছে।
না, করতে হবে না, ওয়াল্টার। সত্যিই, বোকামি কোরো না। যাও, এমনিই দেরি হয়ে গেছে।
আমি দশ মিনিট পরেই আসছি।
"আপনি ও আপনার আবেগ অনুষ্ঠানে" আবারো স্বাগতম।
আমি ডক্টর মার্সিয়া ফিল্ডস্টোন, সমগ্র আমেরিকায় একযোগে সম্প্রচার করা হচ্ছে.............
শিকাগোর সিয়ারস টাওয়ার থেকে।
আজরাতে আমরা কথা বলব আপনাদের ইচ্ছা ও স্বপ্ন নিয়ে।
এই বড়দিনে আপনার ইচ্ছা কী?
- আপনার ইচ্ছা কী? - আমার ইচ্ছা হয়েছে চ্যানেল পরিবর্তন করার।
স্বাস্থ্য সেবায় আজ সন্ধ্যার বিষয় হচ্ছে "বিষণ্ণতা।"
- আর আজ আপনাদের অতিথি হলেন ডক্টর......... - আমার জীবনে এসব নেই।
পরবর্তী গান "জিঙ্গেল বেল" নিয়ে আসছে আপনাদের প্রিয় ব্যান্ড নিউ জার্সি..............
- সিয়াটল, বলো। - হ্যালো, আমি জোনাহ.........
শুধু জোনাহ, শেষ নাম নেই।
তোমাকে অন্য কলারদের চেয়ে অনেক ছোট মনে হচ্ছে। বয়স কত তোমার?
আট।
আট? এত রাত পর্যন্ত সজাগ কেন?
সিয়াটলে রাত বেশি হয়নি।
ওহ, অবশ্যই। একদম ঠিক বলেছ।
বেশ, জোনাহ, এই বড়দিনে তোমার ইচ্ছা কী?
আমার জন্য না, আমার বাবার জন্য। আমার বাবার একজন নতুন বউ দরকার।
যিনি আছেন উনাকে তোমার পছন্দ না?
নাই তো। এটাই তো সমস্যা।
কোথায় আছেন তোমার মা?
মারা গেছেন।
- ওহ, খুবই কষ্ট পেলাম। - আহ, এ তো বিশ্বাস করা যায় না।
আমি খুব কষ্ট পেয়েছি, তবে বাবা মনে হয় বেশি পেয়েছেন।
তোমার বাবার সাথে এটা নিয়ে কথা বলেছ?
- না। - কেন?
এতে ওর কষ্ট আরো বাড়ে।
অহ, বুঝতে পেরেছি। জোনাহ, তোমার বাবা এখন ঘরে আছেন?
- হ্যাঁ। - কী করছেন? ব্যস্ত?
না, বাইরে ডেকে বসে আছে।
আমি নিশ্চিত, কিছু একটা করতে পারব। তবে তার আগে তোমার একটা কাজ করতে হবে,
- কূটনি মহিলা! রেখে দাও, জোনাহ! ওর কথা শুনো না!
কোনো ভাবেই না, বাবা জানলে মেরে ফেলবে।
আমার উপর আস্থা রাখো।
তুমি তাকে নিয় দুশ্চিন্তা করো, এটা জানলে আর রাগ করবেন না।
বাজি লাগবে?
কিন্তু যদি ক্ষেপে যান, তাহলে আর আপনার এই অনুষ্ঠান আর শোনা হবে না।
বেশ, আমি রাজি।
- বাবা? - হ্যাঁ।
ফোনে একজন তোমার জন্য অপেক্ষা করছেন।
- ওর নাম স্যাম। - স্যাম।
যদি আপনারা মাত্রই যোগ দিয়ে থাকেন, আমি ডক্টর মার্শিয়া ফিল্ডস্টোন,
আর আজকের বিষয় ইচ্ছা ও স্বপ্ন।
আর এখন আমাদের সাথে আছেন সিয়াটলের একজন।
No comments yet. Be the first to leave one.