Ang unang 200 linya.
অনুবাদেঃ Funds Of Bangla Subtitle
TOMORROW
আমি ওদের খুঁজে পেয়েছি।
বাঁচা গেল।
টেক সাপোর্ট টিমে গিয়ে কিছুটা তদবির করে সাহায্য জোগাড় করেছি।
ইউন জুং-ইল, বয়স ৪৩
চো সু-জিন, বয়স ২১
কাং হো-ইল, বয়স ৩৪
কিয়ং মি-রিও, বয়স ১৯
ঠিক সময়েই পৌঁছেছিলে। আরেকটু দেরি হলে সব শেষ হয়ে যেত।
ওরা দারুণ প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল।
তারা একে অন্যের সাথে দেখা করল কীভাবে?
ইশ, কেউ যদি আমায় মেরে দিত!
আত্মহত্যার চুক্তি
মনে হয় কোনো দালালের মাধ্যমে পরিচয়।
-কী বললে? -সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেয়
যে, নির্ভুল আর ব্যথাহীন মৃত্যুর উপায় শেখাবে,
এবং লোক জোগাড় করে।
মনে হয়, গাড়ির ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে কীভাবে মরতে হয়—
সেটাই ওদের শিখিয়েছে।
সাবধানে থেকো।
তুমি তো এমন না।
এভাবে আমার জন্য চিন্তা করছ!
তোমার জন্য না।
ওখানে থাকা লোকগুলোর কথা বলছিলাম।
কে...
তুমি কে?
তুমি ঠিক আছ?
কী? কোথায় নিচ্ছ?
এটা তো আমাদের চুক্তির অংশ ছিল না!
ওই মেয়েটা কে?
দাঁড়াও।
ওপাশে যাও!
-বাঁচাও! ভুল করেছি! -বাঁচাও!
-বাঁচাও! আমরা ভুল করেছি! -তোমরা এ কী করছো?
তোমরাই তো একসাথে মরতে চেয়েছিলে, তাই না?
-না। -না।
-না। -না।
-না। -না।
আমি বাঁচতে চাই। দয়া করে আমাকে বাঁচতে দাও।
দয়া করে আমাকে বাঁচাও।
থামো, অনুরোধ করি।
প্লিজ!
সব মানুষই…
কোনো না কোনো সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হয়।
আর…
প্রত্যেকটি সিদ্ধান্তের
থাকে আলাদা ফলাফল।
বাঁচাও!
বাঁচাও! প্লিজ, আমাকে বাঁচাও।
দাঁড়াও!
-দাঁড়াও! -বাঁচাও!
দাঁড়াও!
দাঁড়াও।
তুমি যা বলবে, করবো!
এই! দাঁড়াও!
দয়া করে আমাকে বাঁচাও, প্লিজ।
তোমরা কি মরতে চাও, নাকি বাঁচতে?
বাঁচতে চাই, প্লিজ।
-দয়া করে, আমাকে বাঁচাও! -বাঁচাও!
আমাকে বাঁচাও!
আমি ভালো বাবা হবো!
ভুল করেছি… দয়া করে বাঁচাও।
এবার থেকে আমি মন দিয়ে সব করব!
বাসায় গিয়ে ক্ষমা চাইতে চাই। প্লিজ!
TOMORROW
এপিসোড-১ ঝরে পড়া ফুল
হ্যাঁ, আমি নাইট্রোজেনের মতো একজন।
যদিও একসময় নাইট্রোজেনকে নিরর্থক ভাবা হতো,
কারণ এটা বেশিরভাগ জিনিসের সাথে বিক্রিয়া করে না,
কিন্তু যখন এটা অ্যামোনিয়ায় রূপ নেয়,
তখন সেটা সার হয়ে এক-তৃতীয়াংশ গাছকে বাঁচিয়ে রাখে।
আমি…
এই তাক ফার্টিলাইজার কোম্পানিতে নাইট্রোজেনের মতো মানুষ হতে চাই।
ভাবনাটা বেশ অভিনব, তাই না?
ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ!
মিস তাক জি-হে।
ইন্টারভিউ শেষ করার আগে কিছু বলার আছে?
আমি…
ভালো সার বানাতে চাই আর এই কোম্পানিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে চাই।
এইবার সত্যি বলছি, আমি সুযোগটা পেয়ে যাব!
সর্বশেষ ইন্টারভিউতে মাত্র দুইজন!
তবুও মনে হয়, তোমার ছেলেটা এবারো বাদ পড়বে?
প্রথম স্ক্রিনিংয়ে তো সব সময় ঝামেলা হত।
কিন্তু বলেছি তো, মুখোমুখি ইন্টারভিউয়ে আমি কনফিডেন্ট!
শোনো, আমার উত্তরটা ওর চেয়ে অনেক ভালো ছিল!
আরে বাপরে!
তুই তো আগে ভাবতিস কোনো ভবিষ্যৎ নেই,
কারণ, ঘর থেকেও বের হতিস না,
এখন দেখছি, সত্যিই কর্মজীবনে পা দিচ্ছিস।
আচ্ছা, কাজটা দারুণ করেছিস।
সোজা বাসায় আসবি তো?
তোর জন্য একদম জম্পেশ খাবার রাঁধছি।
একদম দাওয়াতের মত হবে বুঝি?
মা, গালবি-চিম রান্না করবা--
ঠিকই তো, এখন তো আমি কর্মরত!
-এই নাও, আরেকটু খাও। -ধন্যবাদ!
কিন্তু এটা তো আমরা অর্ডার করিনি।
এটা দোকানের পক্ষ থেকে।
আজ আমার খুশীর দিন!
কি দারুণ আবহাওয়া!
গন্ধটাও চমৎকার! আর একদম সামনেই আমার অফিস!
স্যার, হ্যালো।
আমি আমার জীবন উজাড় করে দেব কোম্পানির জন্য! স্যার!
তাক
মিস তাক জি-হে।
আমি ভালো সার তৈরি করে এই কোম্পানিকে এগিয়ে নিতে চাই।
তাক…
চেয়ারম্যান তাক জাং-গু।
তাক
তাক জি-হে।
তাক।
তাক।
তাক।
হ্যালো, মি. চোই জুন-উং! তাক ফার্টিলাইজার কোম্পানি থেকে...
দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে যে, আপনার অসাধারণ সিভি থাকা সত্ত্বেও
আপনি ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হননি।
যদি এত দুঃখ লাগে, তাহলে চাকরিটা দিয়েই দাও!
আমায় চাকরি দিয়ে দাও!
আপনি ইন্টারভিউয়ে উত্তীর্ণ হননি....
দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে যে....
আপনি উত্তীর্ণ হননি...
দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে যে...
আশা করবো, আমি নিজ স্বপ্ন পূরণে আরো বড় সুযোগ পাবেন।
এটা আর কতবার শুনব!
আসলে আমি কখনোই এখানে কাজ করতে চাইনি!
তোর নিজের তো চাকরি নেই, তবু খরচ করছিস কেন বল তো?
তুইও তো গাঁটের পয়সা খরচ করে, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য পড়ছিস।
আসলে,
আমি শুধু খরচ করি
–যখন বুঝি, টাকাটা পুরো কাজে লাগবে! –টাকাটা পুরো কাজে লাগবে!
বাটপারি ভালোই বুঝিস!
তুই ঠিক আছিস তো?
হয়তো আমারও উচিত ছিলো আর কিছু না ভেবে
সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার দিকে যাওয়া।
তোর উচিত ছিল এমন কিছু শেখা
যেগুলো আসলেই দরকার ছিল সিভি-তে।
TOEIC, TOEFL, বড় কোনো কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ,
ভলান্টিয়ার কাজের সার্টিফিকেট, নানারকম প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়ার রেকর্ড।
এগুলো খুবই সাধারণ।
গাড়ি সারানোর লাইসেন্স, পোষা প্রাণী দেখাশোনা, রান্নাবান্না।
জাদু দেখানো, গান গাওয়া, অভিনয়, নকল করে দেখাতে পারা।
রক্তদানের সার্টিফিকেট...
–আমি কত রক্ত দিয়েছি! –ঠিকই বলেছিস।
ক্রিশ্চিয়ান হলে বাড়তি সুবিধা পাবি শুনে ধর্মই পালটে ফেলেছিলি।
আমেন।
আমেন।
ইনকামিং কল মা
এই!
কোথায় যাচ্ছিস?
ইনকামিং কল মা
ভোরে উঠতে পারলেই আমি খুশি!
ভোরের ফুটবল ম্যাচ মিস করলেও সমস্যা নেই!
প্রতিদিন যদি সোমবার হয় তাতেও কিছু আসে যায় না!
শুধু একটা কর্মীর আইডি কার্ড পেলেই চলবে।
আমি আর একটাও কভার লেটার লিখতে পারছি না, সত্যি!
কেন…
ওই লোকটা রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে কেন?
কেন যে আজকে এই পথেই হাঁটতে হল আমায়? কেন?
স্যার…
না।
জড়ালে শুধু ঝামেলাই বাড়বে।
হ্যাঁ, ঝামেলাই।
স্যার, আপনি কী করছেন?
কি! ছাড়ো আমায়!
স্যার, একটু শান্ত হোন!
শান্ত হোন!
নিজের কাজে মন দাও! যাও এখান থেকে!
আমি এখন আপনাকে দেখে ফেলেছি, এমনিই চলে যেতে পারি না!
আমার কাকা…
আপনাকে দেখে আমার কাকার কথা মনে পড়ে গেল।
আমার কোনো এমন ভাতিজা নেই!
স্যার, প্লিজ!
ছাড়ো! আমি মরতে চাই, আর তুমি এসব করছ কেন?
আপনি মরতে চাইলে, আমার সামনে মরতে যাবেন না কেন?
দিনটা এমনিতেই বাজে যাচ্ছে!
চলো, দিনটা অন্তত একটা কাজে লাগুক! প্লিজ!
সামনে থেকে সরে দাঁড়াও!
স্যার!
–স্যার! দাঁড়ান! –ছাড়ো আমায়!
এই!
–প্লিজ! –এই যে তুমি!
সরে দাঁড়াও!
বলেছিলাম না, সামনে থেকো না।
আমায় যেতে দাও।
চেতনা আছে, হাড়টাড় কিছু ভাঙেনি।
আপনি ডাক্তার নাকি?
না।
সদ্য মেডিক্যাল ড্রামা দেখা শুরু করেছি। তাই বললাম ঐ লাইনটা।
মানে আপনি মোটামুটি ঠিক আছেন, উঠে পড়ুন।
মজা করছেন? “মোটামুটি ঠিক” মানে কী?
তুমি পাগল নাকি?
এইভাবে হান নদীতে ঝাঁপ দিতে যাচ্ছিলে কেন?
তোমরা লোকজন এমন কেন?
মরতে চাই আমি!
নিজের ইচ্ছেমতো মরতেও পারব না নাকি?
আমি…
আমি…
মৃত্যু ছাড়া আর কোনো রাস্তা আমার কাছে নেই!
No comments yet. Be the first to leave one.