Ang unang 200 linya.
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: সায়ন্তী ঘোষাল এবং এস.এম. ফাতিন।
'শুভ জন্মদি...' শশশ!
শুভ জন্মদিন!
কী এটা?
সন্ধ্যায় বানালাম।
স্পেশাল বিরিয়ানি।
তোমার প্রিয় বিরিয়ানি।
কেমন হয়েছে?
তোমাকে কেউ এখানে আসতে দেখেছে?
কেউ দেখলে কী হবে?
আমি আমার প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসেছি, তাই না?
আমার ভাই উপরে আছে।
আমি...
আমি জাহাজে কাজ করি।
আমি সমুদ্রকেও ভয় পাই না!
তোমার ভাইকে কেন ভয় পাবো?
আরে!
কেউ আসার আগে,
তোমার জন্মদিন পালন করি, বিরিয়ানির সাথে।
তাহলে ভয় পাচ্ছ!
সেজন্য নয়।
তাদেরকে দেওয়ার মতো কিছু অবশিষ্ট থাকবে না।
আরে!
আমরা জন্মদিন পালন করছি, অন্ধকারে।
পরের বার,
সবাইকে আমন্ত্রণ করব আর আলোর মধ্যে উদযাপন করব!
মোমবাতি নিভাও।
আরে না! যাও! যাও!
[হাই ডিয়ার. কিছু দারুণ ইডলি আর সাম্বার বানাও সকালের খাবারের জন্য]
সাম্বার?
The morning came flying by, singing 'Rum Pum Pum' in my ears
Sprinkling happiness as a tune on my lips
Eyes sang a verse to each other The sky sought a verse from the earth
Sunrays covered the sky up above A thousand doves fluttered below
হ্যালো?
অ্যান্টনি জোসেফের বাই - স্ট্যান্ডারকে শীঘ্রই নার্সিং স্টেশনে আসতে বলা হচ্ছে।
রাধা দিদি...
আজ চিত্রার জন্মদিন।
কেমন হয়েছে?
হাই
হে! - বাইজু ভাই!
আরে সাবু! - আজকে চিত্রার জন্মদিন।
আমি এটা বানিয়েছি। - দারুণ।
হে!
সিস্টার, আজ চিত্রার জন্মদিন।
শুভ জন্মদিন! - ধন্যবাদ!
আরে!
The morning came flying by, singing 'Rum Pum Pum' in my ears
প্লিজ, আমাকে পাঁচ মিনিট সময় দাও. আমি তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে আসছি.
Sprinkling happiness as a tune on my lips
Eyes sang a verse to each other The sky sought a verse from the earth
Sunrays covered the sky up above A thousand doves fluttered below
'Madhuram'
এক সেকেন্ড, বাবা। গাড়ি দাঁড় করাতে দাও.।
হ্যাঁ।
কোথায় তুমি?
আমি খাবার নিয়ে হাসপাতালে দিকে যাচ্ছি।
আচ্ছা, তোমার ছুটির কি হলো?
আমি আবেদন করেছি।
এটা পাওয়া মুশকিল।
যেভাবেই হোক আসার চেষ্টা কর, বাবা।
আমি এখানে সবকিছু একা সামলাতে পারছি না।
দেখছি। ডাক্তার কি বলছে?
তারা এটাকে শুধু চেক - আপস আর আর স্ক্যানিং এর নাম করে টেনে যাচ্ছে।
তারা বলেছিল, দুই দিনের মধ্যে আমাকে সার্জারির তারিখ জানাবে,
কিন্তু এখনো কিছুই জানায়নি।
আগেই বলেছিলাম , আমরা প্রাইভেট হাসপাতালে যেতে পারি?
তুমি কি কিছু জানো?
মনে নেই সানি ভাইয়ের কথা?
যখন সবাই তাকে ফেলে চলে গিয়েছিল, শুধু এই ডাক্তারই তার সাহায্যে এসেছিল।
আর যেহেতু এটা সরকারি হাসপাতাল,
বাই স্ট্যান্ডার্ডদের কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
একটু সহ্য কর।
আব্বু, এটা আমার জন্য কোনো সমস্যা না।
আমি শুধু চাইছি রোগটা যেভাবেই হোক সেরে যাক।
চিন্তা করিস না সার্জারি সময় মতোই হবে।
চেরি তোমার সাথে নেই?
না।
তার কথা ভুলে যেও না এই সবকিছুর মধ্যে।
বাবা!
সাইট ভিজিট আর হাসপাতালের কাজের পর আমার আর সময় থাকে না।
তাই এসব কথা এখন বলোনা।
তুমি তোমার মাকে চেনো, তাই না?
তার অনেক সময় লাগে মানুষের সাথে মিশতে।
আমাকেই দেখো, উদাহরণস্বরূপ।
সে আমাকে তার পিছনে অনেক ঘুরিয়েছে!
তুমি আমার পুরনো ছবি দেখনি? আমি অনেক রোগা ছিলাম।
এটা তার পিছনে ঘোরার জন্যই হয়েছে।
তারা ধীরে ধীরে মিশে যাবে।
সার্জারির পরে এই ব্যাপারে আমরা কথা বলবো।
বাবা, আমি ট্রাফিকের মধ্যে আছি, তোমাকে পরে ফোন করবো।
হ্যালো?
রয়চেট্টা!
বেড নং 4 এর বাই-স্ট্যান্ডারকে বলো OT তে যেতে।
না।
সকালে আমি যখন তাপমাত্রা মেপেছি, এটা নর্মাল ছিল।
আমি সন্ধ্যার সময় আবার মাপবো তারপর তোমাকে জানাব।
রয়চেট্টা, যাও!
সময় নষ্ট করো না!
রোগী ইনসুলিন নিয়েছে।
না. ইসিজি তে কোনো পরিবর্তন নেই - সিস্টার...
এক মিনিট। হ্যাঁ, দিদি।
আমি বাই-স্ট্যান্ডারকে খবর দিয়েছি।
রিপোর্ট আবার দেখে, আমরা শিফটিং এর ব্যাপারে জানাব।
সিস্টার!
আমি ফোনে কথা বলছি!
দুঃখিত. আমাকে এখানে এসে ফর্ম পূরণ করতে বলা হয়েছে।
পরে ফোন করব।
নাম আর ঠিকানা বলুন।
তাজউদ্দীন ভালিয়াপারাম্বু।
বিষ্ণুয়েট্টা!
বলো 'তাজু'.
এভাবেও লিখতে পারেন 'তাজু'.
আইডি কার্ডের এই নামটা তো?
আইডি কার্ড?
সে আইডি কার্ড আনেনি।
জানেন না হাসপাতালে আইডি কার্ড সাথে আনতে হয়?
তাহলে আমি পূরণ করি?
তুমি এখানে কেন বসছো না?
মানে, আমি এটা পূরণ করতে পারি যদি তুমি ব্যস্ত থাক।
হ্যালো?
বিষ্ণুয়েট্টা, তাকে জিজ্ঞেস কর, আমার রুম কোথায়।
জিজ্ঞাসা করো আমার রুম কোথায়!
এখানে সই করুন। - রয়চেট্টান আসছে।
আচ্ছা, তার রুম কোথায়?
ওই বড়ো রুমটা দেখতে পাচ্ছেন? ওটাই।
হ্যালো?
ফর্মটা।
তোমার পেন।
সম্পর্ক কী?
তাকে বলুন তার সাথে কোনো সম্পর্ক চাই না।
সে বলছে যে তোমার সাথে কোনো সম্পর্ক চায় না।
রোগীর সাথে তার কী সম্পর্ক?
সে তার বাবা!
কার বাবা? - তার বাবা।
আমি ফোন করব।
যাও।
আসো।
ওয়ার্ডে থাকা মানুষের কথা চিন্তা করো!
তাজু!
এখানে এসো। - এটা কী?
এটা তোমার বড়ো রুম।
এটা? - এটা হল রুম!
আমার সাথে এসো.
এখানে কি হচ্ছে?
তাজু, এখানে এসো।
তুমি অবশ্যই এখানকার অসহায় মানুষের কষ্ট বুঝবে না।
কেন?
এখানে অনেক মানুষ আছে তাই না?
আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই!
আমি এখানে থাকতে পারব না!
চলো যাই।
তাজু, তার দিকে তাকাও।
এই মহিলাটি অবশ্যই তোমার কুলসুম্মার বয়সী।
হ্যাঁ, ঠিক!
আর তাকে দেখতে একদম তোমার কাকা মঈদীনের মত!
আর এখানে অনেকেই আছেন, যাদের দেখতে গাফরুক্কা আর নাজুমাথার মত, তাইতো?
তাতে কি?
তোমার এদের সবাইকে পরিবার মনে করা উচিৎ।
বিষ্ণুয়েট্টা!
আমার কথা ভুলে যাও।
এখানের পরিস্থিতি যদি এমন হয়,
আমার বাবার অবস্থা কি হবে?
আমি সেটাই চিন্তা করছি।
বাবা বরাবরই হিসেবী।
সে কি তার নিজের জন্য কিছু খরচ করতে পারে না?
সে তখনই হিসেবী হয়ে যায় যখন তার নিজের জন্য কিছু খরচের প্রয়োজন হয়।
তুমি এক কাজ কর. ওখানে একটা এসি আছে।
যেখানে ঠান্ডা সেখানে গিয়ে বসো।
এসি? এখানে? সত্যি?
ওই জানলার কাছে গেলে ঠান্ডা হাওয়া পাবে. যাও আর সেখানে গিয়ে বসো।
আমি গিয়ে তোমার জন্য একটা চাদর কিনে আনি।
আচ্ছা. তাড়াতাড়ি এসো। - হ্যাঁ।
ঘোষণা : যে সকল রোগীদের KASP বীমা আছে তাদের ওষুধ,
দেওয়া হচ্ছে কাউন্টার নং 4 থেকে।
মনোযোগ দিয়ে শুনুন!
KASP বীমা ধারণকারী রোগীদের ওষুধ,
দেওয়া হচ্ছে কাউন্টার নং 4 থেকে।
Kiddo!
এদিকে এসো।
আসো।
বসো এখানে। - এখানে?
হ্যাঁ!
এখানে বসে কথা বলা যাক
- আসসালামু আলাইকুম। - ওয়া আলাইকুম সালাম।
রবি
হাই কাকা। - হাই
আমি জানি না...
তোমার এখানকার সেট - আপ খুব একটা ভালো লাগেনি, তাইতো?
না।
তুমি খারাপ না মনে করলে, তোমাকে কিছু বলতে চাই।
কী? - এটাই সব্বোর্চ সুবিধা যা তুমি এখানে পাবে।
এটা যথেষ্ট. দুই দিনের মধ্যে এটা ঠিক হয়ে যাবে।
সুবিধা? - না।
তোমার মন।
এরকমই হয় সবসময়, তাই না?
কে ভর্তি আছে এখানে? - আমার বাবা।
তুমি কোথা থেকে এসেছ? - মালাপ্পুরম।
এত দূর থেকে এসেছ?
বাবা একজন ডাক্তারের সাথে আলোচনা করতে চেয়েছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.