Ang unang 200 linya.
অনুবাদেঃ Agent007
----DISCLAIMER---- অনুবাদে কোনো ভুল-ত্রুটি হলে দয়া করে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ ❤️
– এটা কি…? – হুম।
– তুমি এটা চালাতে পারো? – না।
Night Action-এ কাজ করলে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনের পাশে বসে থাকতে হয়।
ফোনটা বাজে না কখনো, তবুও অপেক্ষা করতে হয়, ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে এই আশায়।
কিন্তু শুধু আমার অনুমতি পেলেই হবে না, Hawkins-এরও সায় লাগবে।
তুমি আমাদের দুজনকেই রিপোর্ট করো।
তুমি তো সেই অর্ধেক ব্যাপারটাই ভুলে গেছো।
আমাকে নিজে থেকেই দেউলিয়া ঘোষণা করতে হবে।
ডেটা ব্রিচ, র্যানসমওয়্যার... এরপর সব ক্লায়েন্ট ছেড়ে দিয়েছে।
তোমার যখন প্রয়োজন, যত দিন খুশি এখানে থাকতে পারো।
- কী হচ্ছে? - কেউ একজন বাইরে।
এই নম্বরে কল করো, বলো "Night Action"।
- Night Action। - ডেপুটি ডিরেক্টর হকিন্স।
আপনি এখানে কী করছেন?
- ডায়ান ফার আমাকে পাঠিয়েছেন মিস লারকিনকে নিতে। - কোথায় নিয়ে যাবেন?
- আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? - এফবিআই।
এখন ওরা আমার পেছনে, তাই না?
আমি যা বলতে পারি তা হলো আমার অর্ডার — আপনাকে সুরক্ষা দেওয়া।
তাহলে আমার আন্টি-আঙ্কেল গুপ্তচর ছিলেন?
আমি হোয়াইট হাউজের সবচেয়ে নিচু স্তরের লোক।
বিশ্বাস করুন, আমি কিছুই জানি না।
পেয়ে গেছি!
তোমার যা দেখেছো, ওদের সব সত্যি বলে দাও।
আমার আন্টি বলেছিলেন, হোয়াইট হাউজে কারো ওপর ভরসা করা যায় না।
আমরা চাই, আপনি যেন যতটা সম্ভব স্বস্তিতে থাকেন।
বসে পড়ুন, মিস লারকিন। অনেক কিছু আলোচনা করতে হবে।
কতজন কর্মচারী আছেন?
এখন ৩৭ জন, বছরের শেষে হবে ৮০।
পরের বছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে ২০০-র লক্ষ্যে।
এত দ্রুত বড় হওয়ার জন্য প্রস্তুত তো?
আসলে ধীরে চলছি।
চারজনকে ফিরিয়ে দিই, একজনকে নেওয়ার আগে।
সাইবার সিকিউরিটির ভবিষ্যৎ আপনি কোথায় দেখেন?
বড় কোম্পানিগুলোর কাছে রয়েছে সংবেদনশীল তথ্য,
যা তাদের রক্ষা করা দরকার,
কিন্তু ছোট প্রতিষ্ঠান আর ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
সিলিকন ভ্যালি নারীদের জন্য কঠিন জায়গা।
আপনি একজন বিরল নারী সিইও — বিউটি বা ওয়েলনেস নয়, একেবারে টেক দুনিয়ায়।
অনেকে যেখানে ব্যর্থ হন, আপনি সফল হয়েছেন— ভাবলেন কীভাবে?
ভীষণ দুঃখিত।
একটা কল এসেছে।
এখন না হলে হয়?
কে কল করেছে?
লরেন্স ফিনস্টার।
ও তো আমাদের সবচেয়ে বড় ক্লায়েন্ট!
- দুঃখিত। - কোনো সমস্যা নেই।
- এখানেই? - হ্যাঁ, এখানেই।
মি. ফিনস্টার, আমি রোজ লারকিন। কীভাবে...?
আমাদের সিস্টেমে কেউ ঢুকে পড়েছে।
আমরা পুরোপুরি লকড আউট। সব বন্ধ হয়ে গেছে।
আমাদের সঙ্গে হ্যাকাররাই যোগাযোগ করেছে।
ওরা চায় ৭.২ মিলিয়ন বিটকয়েন,
না হলে আমাদের প্রযুক্তি অনলাইনে ফাঁস করে দেবে।
ওটা হলে আমাদের কোম্পানি ডুবে যাবে।
এটা নিশ্চয় ভুল হচ্ছে!
এক সেকেন্ড, অপেক্ষা করুন।
দুঃখিত, একটু সরুন।
- খাদিম! - জানি, চেষ্টা করছি।
কেউ কোডে হস্তক্ষেপ করেছে।
আমাদের দিক থেকেই?
মনে হয় না। কে করলো এটা?
বস, এটা অ্যাডামই!
দ্রুত ভিতরে যেতে দিন!
অ্যাডাম, কী করেছো তুমি?
দেখো, আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বসে আছি।
এবার সত্যিটা বলো, আমরা আর কত অপেক্ষা করবো?
– আর কী চাও আমার কাছে? – সত্যিকারের একটু সাহায্য।
তুমি বলেছিলে ফোনে ওর মুখ দেখেছো।
আমি বলেছিলাম চায়া দেখেছি, মুখ না।
তুমি বলেছিলে মুখ দেখেছো।
হয়তো ভুল করেছি। হয়তো তখন আমি শকে ছিলাম।
সে কত লম্বা ছিল? গড়ন কেমন?
সাদা? কৃষ্ণ? হিস্পানিক?
কিছুই মনে নেই?
হায় ঈশ্বর!
তুমি নিজেই যদি জড়িত হও, সেটা আমরা জানবো কীভাবে?
জেমি, এটা খুব বাড়াবাড়ি।
ওর আন্টি-আঙ্কেল মারা গেছে, আর ওর গায়ে আঁচড়ও পড়েনি?
থামো!
দেখো, আমি বিশ্বাস করি না তুমি জড়িত,
কিন্তু আমি এটাও মনে করি না যে তুমি পুরো সত্যি বলছো।
তুমি কি চাও না, তোমার আন্টি-আঙ্কেলের খুনিকে ধরা হোক?
অবশ্যই চাই, কিন্তু সেটা তো তোমার কাজ!
আমার কাজ হচ্ছে ওদের জন্য একটা ডাবল ফিউনারেল প্ল্যান করা।
রোজ, আমরা একই দলের লোক।
তাহলে ওর মুখে বলো!
আর এখনো কেউ আমাকে মেরে ফেলতে চাইছে — কিছু একটা করো!
কি হচ্ছে এখানে?
ও কিছু লুকাচ্ছে।
ও একটা ভয়াবহ কিছু পার করেছে।
হ্যাঁ, সেটাই।
- কিন্তু ও কিছু লুকাচ্ছে। - আপনি সেটা জানলেন কীভাবে?
তিন দশক ধরে ফেডারেল এজেন্ট আমি।
তুমি কি সত্যিই দেখোনি?
তুমি পারো, ওকে কথা বলাতে।
এখন কী হবে?
সিক্রেট সার্ভিসের গাড়ি আসবে, তারা তোমাকে রেমবর্ন হোটেলে নিয়ে যাবে।
তারা তোমাকে নিরাপত্তা দেবে যতক্ষণ না ঘরে ফেরা নিরাপদ হয়।
- আমি হাঁটব। একটু হাওয়া দরকার। - সেটা হবে না।
আমাকে যদি গ্রেপ্তার না করো, তাহলে আমার কথাই চলবে।
আমি ওকে এগিয়ে দিয়ে আসি, আর এজেন্টরা পিছনে থাকবে।
সাদারল্যান্ড কোনো সাক্ষীর দায়িত্ব নেয়ার প্রশিক্ষণ পায়নি,
আর ও যদি ভুল করে, ঠিক করার সময় আমাদের হাতে নেই।
তুমি ওকে অবহেলা করছো, মানে এই না আমি করবো।
গত এক বছর ধরে আমি ওকে দেখছি। ও পারবে।
তোমার ভয় হচ্ছে ও সফল হবে, যেখানে তুমি পারোনি?
তুমি ওদের বলোনি তুমি কী দেখেছো?
না। কারণ তুমি জানো কেন।
তোমার প্ল্যান কী, রোজ?
যতটা সম্ভব বেঁচে থাকা।
তুমি ঠিক কী বলোনি ওদের?
তুমি এখন আমাকে বিশ্বাস করো না?
আংশিকভাবে করি, কিন্তু হোয়াইট হাউজে কেউ আমাকে মারতে চায়।
যদি তুমি ভুল শুনে থাকো?
নাহয় ও ভুল ছিলো? ওদের একটা বর্ণনা দাও।
যদি খুনিরা জানে আমি একজনকে চিনেছি,
তাহলে আমি কতটা নিরাপদ থাকবো তুমি বলো?
তুমি যদি তোমার বসদের এতটাই বিশ্বাস করো, যাও গিয়ে বলো আমি মিথ্যে বলেছি।
দেখো কী হয়।
বিপদের মধ্যে শুধু আমি না,
এখন হয়তো তুমিও।
এই তো জায়গা।
ব্যালকনিতে যেও না, বুঝলে?
আর হ্যাঁ,
সাধারণভাবে একটু আড়ালে থাকার চেষ্টা করো।
দয়া করে।
মানে এটা একটা জেলখানা?
কি? না না।
রুম সার্ভিস থেকে যা খুশি অর্ডার করতে পারো।
মিনিবার আছে,
হলে দুজন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট আর লবিতে চারজন থাকবে।
সব ঠিক থাকবে।
ভালোই জীবন!
ল্যাপটপ নেই, পড়ার মতো বইও না। এখানেই আটকে আছি।
পুল খেলা প্র্যাকটিস করতে পারো।
– এটাই বুঝি আমার নতুন পেশা হবে? – কী, নাইন-বল খেলে টাকা রোজগার?
ভালো প্র্যাকটিস করলেই সম্ভব। কে জানে?
তুমি পারবে।
এই শোনো।
এই লোকগুলোকে ধরবোই আমরা।
বিশ্বাস করো।
আমি যাওয়ার আগে কিছু দরকার?
তুমি থাকছো না?
না, কাজে যেতে হবে।
তুমি তো রাতে কাজ করো।
ফার আমাকে এই কাজে চেয়েছে, তাই...
মানে, ব্যস এই তো?
চিরদিনের মতো বাই?
জানি না... হতে পারে।
এই সিক্রেট সার্ভিস গার্ডগুলো আমার চেয়ে অনেক ভালোভাবে তোমাকে নিরাপদ রাখবে।
তুমিও খারাপ না।
ধন্যবাদ। তুমিও ভালো করেছো।
– ধন্যবাদ। – হ্যাঁ।
মানে...
তোমরা ওর যত্ন নিও, ঠিক আছে?
অবশ্যই।
– ধন্যবাদ। – নিশ্চিন্ত থাকো।
এই শুনো, এটা কি ৬১০ নাম্বার রুমে পৌঁছে দিতে পারো?
– এখনই দিচ্ছি। – ধন্যবাদ।
ওনাকে বলবেন, পিটার পাঠিয়েছে।
বলেই দিচ্ছি।
ব্যাগে কী আছে ভাবছো না?
তোমার কৌতূহল জাগছে না?
আগে জাগত। এখন আর না।
কারণ শিখে গেছি, কিছু কিছু জিনিস না জানাই ভালো।
আগে কী জানার কৌতূহল ছিল তোমার?
তুমি কখন আমার জীবনে আসবে।
- কী বললে? - বলো না, প্লিজ।
উঁহু...
কেন মানুষ নিজের ভালোর বিপরীত কাজ করে — এটা ভাবতাম।
তারপর কী বুঝলে?
মানুষ...
...জীবনে কিছু রিস্ক না নিলে যেন কিছুই টের পায় না।
...ভিন্ন কিছু।
তুমি কত জোরে চালাচ্ছিলে?
বেশ জোরে।
তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে চাচ্ছিলাম।
আস্তে গাড়ি থামাও, ঠিক আছে?
ওহ!
এইটা রাখলাম, যদি দরকার হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স আর রেজিস্ট্রেশন ঠিক আছে, তাই হাসো আর টিকিটটা নিয়ে নাও, ঠিক আছে?
আমি স্পিডিং করছিলাম, তাই না অফিসার?
ধন্যবাদ।
স্যার, আপনার চাবি।
ধন্যবাদ।
- রোজ কেমন আছে? - ভালোই আছে।
আর কিছু জানতে পারলে?
নতুন কিছু না।
ওটা হকিন্সের চেয়ারে বসছো।
দুঃখিত, স্যার।
এমা আর হেনরি ক্যাম্পবেল খুন হওয়ার পর পেরিয়ে গেছে ১৪ ঘণ্টা।
প্রেসিডেন্ট জানতে চাইছে আমরা কী জানি। তো বলো, আমরা কী জানি?
তদন্ত চলছে।
আমি ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্টার না। আমাকে গল্প শোনাতে আসো না।
ক্যাম্পবেলরা আমাদের হয়ে কাজ করত কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সে।
মূলত ঘরোয়া পর্যায়ে বিদেশিদের নিয়োগ দেওয়া ছিল ওদের কাজ।
তবে কয়েক বছর আগে অবসর নিয়েছে।
তাদের ভাগ্নিকে দিয়ে ‘নাইট অ্যাকশন’-এ কল করানো মানে— তারা অফিসিয়ালি কাজ করছিল না।
No comments yet. Be the first to leave one.