Train (Teurein / 트레인)

Train (Teurein / 트레인)

Télécharger le sous-titre en Bengali

Informations sur la version

Train E03 WEB-DL 480p x264
Train E03 WEB-DL 720p x264
Train E03 WEB-DL 1080p x264
Train E03 WEB-DL Bengali Subtitle
Train E03 WEB-DL বাংলা সাবটাইটেল
Un commentaire de ArRmaN
💙❤ ২০২০ সালের অন্যতম সেরা থ্রিলার ড্রামাটি উপভোগ করুন বাংলা সাবটাইটেলের সাথে। 🖤 [ এপিসোড রানটাইম - 01:00:53 ] ⛔ ড্রামা ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে। ⛔

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
x264
720p
720
480p
480
1080
Publié le: 2020-09-01
Téléchargements: 34
Malentendants: No

Aperçu des sous-titres Bengali

Les 194 premières lignes.

অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ

আর... আর কখনো করবো না।

কথা দিচ্ছি। না, কসম কাটছি!

ওর গায়ে আরেকবার আঙুলও দিলে, তোকে খুন করবো।

তুই, তোর মা, কিংবা যে-ই হোক,

খুন করবো!

আমার কথা বুঝলে, আর কখনো দেখা দিবি না।

চলো।

আপাতত কিছু জিনিস ঠিক করে দিয়েছি।

তবে তোমার আগের বাসার মতো অতো ভালো হবে না।

আস্তে আস্তে সব ঠিক করা যাবে।

যাইহোক...

স্টেশনের সেদিনের জন্য ধন্যবাদ।

আমাকে বাঁচানোর জন্য।

আমিও কৃতজ্ঞ।

একটা কারণ খুঁজে পেয়েছি...

আমি।

বাঁচার কারণ।

তুমি আর কখনো কষ্ট পাবে না।

কথা দিচ্ছি।

সো-কিউং।

সো-কিউং।

সো-কিউং।

সো-কিউং।

সো-কিউং।

সো-কিউং!

সো-কিউং!

সো-কিউং!

সো-কিউং!

সো দো-উন। মিথ্যা কথা, তাই না?

আমি ভুল শুনেছি, তাই না?

সব বাজে কথা, তাই না?

সো-কিউং এখানে কেন?

কী হয়েছে?

কী হয়েছে বল?

সো-কিউং...

দো-উন।

স্যার।

দো-উন।

জুং-মিন।

আমাকে জাগিয়ে তোল।

প্লিজ।

কী এটা? গুলির ক্ষত।

সিনিয়র ইন্সপেক্টর সো দো-উন, ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সি

" মুগিয়ং স্টেশন সিরিয়াল মার্ডারের ৬ষ্ঠ ভিকটিম উদ্ধার "

" মুগিয়ং স্টেশন সিরিয়াল মার্ডারের ৬ষ্ঠ ভিকটিম উদ্ধার "

" ঘটনাস্থলে প্রসিকিউটরের খুন "

- কিছু বলুন? - খুনি আটক হয়েছে?

- এসেছে! - দয়া করে উত্তর দিন।

- কোনো সন্দেহভাজন আছে? - এটা কি সত্যি?

স্যার।

মিস. হান মারা যাবার আগে,

আপনাকে কল দিয়েছিল।

কথা বলেছিলেন?

একটি নতুন ভয়েস মেসেজ পেয়েছেন।

দো-উন।

তোমার বাবা নয়।

বলেছিলে আমাকে পছন্দ করো।

সেজন্যই চলে গিয়েছিলাম।

তোমার বাবা নয়, ওই লোকটা।

মুগিয়ং স্টেশনের খুনি।

আমার বাবাকে...

ও মেরেছে।

আমার বাবা ছিল।

১২ বছর আগে তোমার বাবাকে খুন করেছিল আমার বাবা।

সত্যিই বুঝতে পারছো না?

তোমার পাশে আমার থাকার কারণ,

তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার কারণ।

এটাই আসল কারণ।

প্রতিটা মুহূর্তে...

তোমার কাছে নিজেকে ঋণী মনে হয়েছে।

প্রতিটা মুহূর্তে, নিজেকে অপরাধী মনে হয়েছে।

প্রতিটা মুহূর্তে...

সেটা থেকে পালাতে চেয়েছি।

আমাকে একা থাকতে দাও।

হাতজোড় করছি।

১২ বছর আগে...

আমার মায়ের সব গহনা চুরি গিয়েছিল।

আর মুগিয়ং স্টেশন কেসের ভিকটিমরা...

সেগুলো পরে ছিল।

পাঁচজনই।

আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম।

তাই দো-উন,

তোমার আর নিজেকে...

অপরাধী ভাবতে হবে না।

আমার কারণে নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট পেয়েছো।

তোমাকে পছন্দ করার জন্য...

স্যরি।

এখানে কী করছিস?

শুধু ভাবছিলাম।

এখান থেকে বাইরের শব্দ শুনলেও,

আমি জানি ও আসেনি।

তবুও আমি চমকেছি...

মনে হয়েছে সো-কিউং এসেছে।

ওরও নিশ্চয়ই এমন লেগেছিল...

এখানে একাকী প্রতিরাতে,

আমি চলে যাওয়ার পর।

সেদিন রাতে,

মুগিয়ং স্টেশনের গুদামঘরে সো-কিউংকে যা বলেছিলি...

সব শুনেছি আমি।

- তোর বাবার কথা। - জুং-মিন।

আমার বাবা ছিল না।

কী?

১২ বছর আগে,

এই গহনাগাঁটি সো-কিউং এর বাসা থেকে চুরি যায়।

আর সেগুলো...

মুগিয়ং স্টেশনের ভিকটিমদের গায়ে ছিল।

এর মানে...

খুনি একই?

সো-কিউং এর বাবাকে যে খুনি মেরেছিল...

ওকেও সে মেরেছে?

গোড়া থেকেই আমি ভুল ভেবেছি।

১২ বছর আগে,

আমার বাবার ভাগ্য খারাপ ছিল।

ভুল সময়ে ভুল জায়গায় ছিল।

সেখানে গিয়েছিল নিশ্চয়ই...

সো-কিউং এর বাবা খুন হবার পর।

সেই রাতে...

আমার বাবার এক্সিডেন্ট না হলে,

সব বদলে যেত?

সো-কিউং আর আমার দেখা না হলে

সো-কিউং কি...

আজ বেঁচে থাকতো?

ওকে আমি ক্ষমা করবো না।

এটা সো-কিউং এর শরীরে পেয়েছি।

৩৮-ক্যালিবার রিভলভারের বুলেট।

এই পিস্তলই পুলিশ ব্যবহার করে।

যেভাবেই হোক ওকে ধর।

সো-কিউং এর খুনিকে

যেভাবেই হোক ধর।

১২ বছর আগে মুগিয়ং আবাসিক হত্যাকাণ্ডের খুনিকে আমি...

ধরতে পারিনি।

এই কেসের খুনি...

একই লোক হলে,

ভিকটিমদের মৃত্যুর দায়...

আমার উপর বর্তাবে।

এই পরিস্থিতিতে কেউ আমার জায়গা নিলে...

দায়টা তার ঘাড়ে পড়বে।

কেসটার সুরাহা করে,

আমার পদ থেকে সরে দাঁড়াবো।

৬ষ্ঠ ভিকটিম পঞ্চাশোর্ধ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভিকটিম মহিলা, খুনের ধরণ একই।

শ্বাসরোধে হত্যা করে নিরেট অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট কেমিক্যাল দিয়ে নষ্ট করা হয়েছে,

তাই পরিচয় জানা যায়নি।

আঙুলে গাড়ির সিটে ব্যবহার করা

এক প্রকার রঙ পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট কারখানায় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তার পরিচয় জানার চেষ্টা করছি আমরা।

একটা ব্যাপার জানা দরকার,

ভিকটিমের পরনে ১২ বছর আগে খোয়া যাওয়া কোনো গহনা ছিল না।

লিফলেটে পাওয়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট সনাক্ত করা গেছে?

ব্যাগের লিফলেটে ডানহাতের ৩টি ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া গেছে।

আমরা জানতে পেরেছি একটি বৃদ্ধাঙ্গুলির, আর অন্য দুটি তর্জনী ও মধ্যমাঙ্গুলির।

৫ম ভিকটিম, লি জি-ইউং এর খবর কী?

আসলে...

এ অসম্ভব।

কেউ কখনো আমাকে বলেনি আমার যমজ বোন আছে।

এই মুহূর্তে এটাই একমাত্র ধারণা।

আপনার বায়োলজিক্যাল মাকে কখনো দেখেননি বলেছেন না?

যে হাসপাতালে জন্ম নিয়েছিলেন সেটা পুড়ে গেছে,

তাই আমরা আপনার বার্থ রেকর্ড চেক করতে পারবো না।

যমজদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সাধারণত একই রকম হয় না।

তবে একবার একটা কেসে...

ট্রিপলেটের তিনজনের ফিঙ্গারপ্রিন্টই একই ছিল।

তাহলে তার কিছু নেই কেন?

অন্তত আইডি বা কিছু তো থাকার কথা।

হতে পারে জন্মের পর তাকে দেশের বাইরে দত্তক দেওয়া হয়,

আর সে এখানে অবৈধভাবে বসবাস করছিল।

বুঝতে পেরেছি।

তাহলে লাশটা আমি নিবো।

মিস. লি, আপনার ঘাড়ে পোড়া দাগটা হয়েছিল কবে?

আমার দাদি বলেছিল আমি পাঁচ বছর বয়সী থাকতে...

ঘাড়ে কফি ফেলে দিয়েছিলাম।

কাঁধেও ফেলে পুড়িয়ে ফেলেছিলাম।

বলেছিল ভাগ্য ভালো যে আমার মুখ পুড়িয়ে ফেলিনি।

বুঝতে পেরেছি। ধন্যবাদ।

স্যার, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সনাক্তকরণের রেজাল্ট এসেছে।

আপনাকে এক্ষুণি পাঠাচ্ছি।

স্যার, ড্রাগের দালাল লি জিন-সুংকে মনে আছে?

ওইযে বড়লোকের ছেলেদের ৩ বছর আগের ড্রাগ কেলেঙ্কারির।

এই লোকের কাছে একটা ফাইল থাকায় ওসব হয়েছিল।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিশ্চিত লি জিন-সুং এর।

কিন্তু ব্যাপারটা অদ্ভুত না?

১২ বছর আগের মতো,

খুনি একটা প্রমাণও রেখে যায়নি।

তাহলে অসাবধানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেখে যাবে কেন?

ওর ঠিকানা জানা গেছে?

বছরের শুরুতে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে।

ঠিকানা জানা যায়নি।

পার্ক মিন-কিউং'কে খুঁজুন।

বয়স ২৯।

যখন ও ধরা পড়ে সে ওর গার্লফ্রেন্ড ছিল।

লোকটাকে আপনি চেনেন?

লি জিন-সুংকে আমি এরেস্ট করেছিলাম।

Commentaires

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left