Les 200 premières lignes.
দেশি-বিদেশি নিত্যনতুন সকল ইন্ড্রাস্টির মুভির খবরাখবর সবার আগে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ "মুভি ফ্রিক জোন"
ব্রেকিং নিউজঃ আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আর বেঁচে নেই!
গতকাল রাতে মুখ্যমন্ত্রী শ্রী আচুথা রামায়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর এই অকাল মৃত্যু রাজ্যের সকল মানুষের হৃদয়কে ব্যথিত করেছে।
তার প্রশাসনিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং চারিত্রিক গুনাবলি বিবেচনা করে...
..রাজ্যের মানুষরা বলাবলি করছে, তিনিই সেই রাজ্যের রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন...
এমনকি তারা এটাও বলছে যে, তিনি কখনও মরতে পারে না, তিনি চিরকাল তাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।
শ্রী আচুথা রামায়ার শূন্যস্থান পূরণ করতে...
দলের হাইকমান্ড তাদের কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে বিবেচনা করেছে।
কিন্তু তরুণদের কয়েকজনও খুব কাছাকাছি থাকায়...
রাজ্য প্রশাসন উভয়সংকটে পড়েছে।
অল্প কিচ্ছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সেই ঘোষণাটি শুনবো যে "কে হচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী"
পুরো রাজ্য এমন একজন নেতার প্রত্যাশী, যিনি তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে সাহায্য করতে পারবেন।
বাবা আমাদের সবার জন্য অনেক কিছু করেছিলেন।
আমি যেমনটা চেয়েছিলাম একজন বাবা হিসেবে তিনি আমাকে তার চেয়েও ভালো জীবন দিয়েছেন।
এমনকি যে মুখ্যমন্ত্রীর পদ আপনারা সবাই আমাকে নিতে বাধ্য করছেন...
এটার যোগ্য শুধুমাত্র আমার বাবাই!
এই রকম একজন মহান ব্যক্তিকে...
আমি এমনভাবে সম্মান করতে চেয়েছিলাম, যেমনটা কোনো ছেলে তার বাবাকে কখনও করেননি।
আমাদের নেতার নাম নেওয়ার সময় আমাদের গর্ববোধ হওয়া উচিত!
তার মর্যাদা হিমালয়ের চূড়া স্পর্শ করা উচিত!
আমার বাবার নাম...
...আমাদের ইতিহাসে চিরকাল বেঁচে থাকা উচিত।
কিন্তু বিরোধী দলের লোকেরা আমাদের থামানোর নানান পরিকল্পনা করছে।
ইতিমধ্যে তারা তোমার বাবার ক্ষমতায় থাকাকালীনের কাজগুলো নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে।
ইতিহাস এমনকিছু নয় যা শত্রুরা অপপ্রচার করবে।
ইতিহাস এমন কিছু যা শাসকরা লিখে থাকে।
বাবার শাসনে যে দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে সেটা নিয়ে ভাবার দরকার নেই।
এমনকি তাঁর শিরশ্ছেদ করা লোকেদের সম্পর্কেও না...
তিনি যে ভালো কাজগুলো করেছেন তা নিয়ে কথা বলুন।
আমরা কেবল 'তাজমহল' এর কথা শুনেই 'শাহজাহানের' কথা স্মরণ করি।
তিনি যে হাত কেটেছিলেন সেটা শুনে নয়।
বাবার নাম চিরকাল ইতিহাসের পাতায় থাকা উচিত।
শত্রুদের নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ...
...আমাদেরও এমন একটা তাজমহল দরকার!
আমি ওয়াদা করছি, তা অর্জনের জন্য আমি আমার জীবন ঝুঁকিতে ফেলতেও পিছপা হবো না।
অনুবাদ আয়োজনে Team Thambi -টিম থাম্বি
জোহার! (জয় হোক!)
বাবু, তোমার হাতটা দাও।
চিন্নি?
চিন্নি... এদিকে আসো।
বাবার জন্য প্রার্থনা করো।
বাবার কি হয়েছে মা?
বাবাকে জল অনেক দূরে নিয়ে গেছে।
চিন্নি...
- চিন্নি... - ছুটির পর ওকে নিয়ে যাবো।
- মা বাড়িতে একা। - কিছুতো অন্তত খেয়ে যাও ...
মা আমার জন্য অপেক্ষা করবে।
তুমি কখনোই আমার কথা শোনো না। অন্তত একটু জল পান করো।
ঠিক আছে। আমি বাড়িতে গিয়ে পান করবো।
আরে, রাজু।
রাজু...
দয়া করে আমাকে ভুল বুঝবে না। এখানে পড়েপড়ে কেনো এই নোংরা জল পান করছো?
আমাদের গ্রামে চলে আসো।
বলাটা যত সহজ করাটা তত সহজ না।
এমনকি আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর গ্রামবাসীরা আমাকে ঘৃণা করা শুরু করেছে।
- এই অবস্থায় যদি ওখানে আসি, ভেবে দেখো। - যা ইচ্ছা করো।
- রাজু? - হ্যাঁ
- তাকে একটু স্কুলে নামিয়ে দিয়ে যাও। - ঠিক আছে।
- চিন্নি... চিন্নি, এদিকে আসো। - আসছি।
ভাইয়া তোমাকে স্কুলে নামিয়ে দিবে, ঠিক আছে?
ব্যাগটা আমাকে দাও।
আরে...আরে... আরেকটু দাঁড়াও।
মা...মা।
- শুধুমাত্র এটা থেকে পানি পান করবে, ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
আমি তাহলে গেলাম।
তুমি কী নিয়ে ভাবছো, চিন্নি?
মা বললো বাবাকে জল নাকি অনেক দূরে নিয়ে গেছে।
কিন্তু আমার স্কুলে তো তারা বলেছিলো, জল আমাদেরকে জীবন দেয়।
এই ব্যাপার? আসলে যে জীবন দিতে পারে সে নিতেও পারে।
বাদ দাও এসব! ভালো করে পড়াশোনা করো, ঠিক আছে?
অনুবাদ অংশগ্রহণে: হাবিবুল্লাহ কায়সার ۞ এফ আর সজীব সুমন হোসেন ۞ তানভীর হোসেন (Brad Delson)
অনুবাদ অংশগ্রহণে: রবিউল আউয়াল জীবন ۞ মৃদুল সরকার ইমতিয়াজ উদ্দিন ۞ যুবায়ের রহমান
সারাক্ষণ কোথায় থাকিস তুই?
তোর কি আমাদের ব্যবসা নিয়ে মাথাব্যথা নেই? কি করছিস তুই?
এতো স্পেশাল চা যদি এতো তাড়াতাড়ি পেয়ে যায় তাহলে মজা কী থাকলো চাচা!
এতো স্পেশাল চা কিছুটা আস্তেধীরে দিলে কাস্টমাররা খেয়ে মজাও পাবে।
ভাইয়া মাত্র ৫ মিনিট দেন, আমি চা দিচ্ছি।
দয়া করে আর কিছুটা সময় দিন।
আমি এসেছি এক ঘন্টা হয়ে গেছে কিন্তু চায়ের কোনো খবর নেই!
- প্লিজ, অপেক্ষা করুন! - আমার তোমার চা লাগবে না!
আর দুই মিনিট, ভাইয়া। প্রায় হয়ে গেছে।
৫ টা বেজে গেছে? এই মুরালি,আমার টাইম হয়ে গেছে। কেটলিতে চা ভর তাড়াতাড়ি।
আরে গান্ডু!!! তোর প্রেমের ঘন্টা বেজেছে নাকি....!!!
মুখ বন্ধ করে কেটলিতে চা ভর। নাহলে আমি তোর টাক মাথায় ঘণ্টা বাজাবো।
সম্পাদনায়ঃ রবিউল আউয়াল জীবন। তানভীর হোসেন (Brad Delson)
দেরি করে ফেলেছি? সে হয়তো চলেই গেছে!
যাও...যাও..যাও
যেভাবেই হোক তার সাথে কথা বলবো আজ।
হেই সিদ্ধু, এক কাপ চা দাও না!! আর আমার সার্ভিস এক ঘন্টা নিয়ে নাও।
আমি কি দেরি করে ফেলেছি ? ভগবান!
সে কি এখানে আছে?
সে চলে গেছে!
হাই!
তার সাথে কথা বলতে হবে।
- এক কাপ চা দে রে। - হ্যাঁ দিদি, কেমন আছেন?
- সব ঠিক আছে? - হুম,সব ঠিক আছে।
নাও
- আমি যাই তাহলে। - ঠিক আছে,যা।
- চা... - আমি গেলাম, মা।
দাঁড়াও!
- ভিতরে গিয়ে তাকে চা টা দিয়ে আসো। - আমার স্কুলের দেরি হয়ে যাচ্ছে,মা।
আমি তোমাকে তার সাথে শুতে বলছি না। শুধু তাকে চা টা দিয়ে আসতে বলেছি।
- হ্যালো। - হ্যাঁ, বল।
- আজকে রাতে ফ্রি আছো? - আরে হবে না, আজকে রাতে দ্বিতীয় এক ব্যক্তি আসবে।
আরে প্লিজ! টাকা আরো বাড়িয়ে দিবনি।
তাড়াতাড়ি আসো, দাদা।
তোমরা আমাকে রক্ত দাও!
আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।
তোমরা আমাকে রক্ত দাও!
আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো।
তিনি যুবকদের রক্তে দেশপ্রেমে ফুটিয়ে তুলেছিলেন...
সুভাষ চন্দ্র বোস!
একটা যুবক ছেলে, তার কথায় প্রভাবিত হয়েছিলো।
সে বোসের সাথে দেখা করতে চেয়েছিলো এবং স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিতে চেয়েছিলো।
১৯৩৮ সাল...
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ!
আমাদের স্বাধীনতার জন্য...
ব্রিটিশদের শত্রু 'হিটলারের' সাথে হাত মিলিয়েছিলেন সুভাষ চন্দ্র বোস!
কিন্তু যুবকটির বাবা গান্ধীজির পথে বিশ্বাসী ছিলেন..
এটা হচ্ছে দেশদ্রোহ।
কিন্তু যুবকটির বোসের প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তারজন্য যে শক্তি প্রদর্শন করেছিলো...
সেটা হচ্ছে বীরত্ব!
সে তার নিজের বাবার বিরোধিতা করেছিলো এবং শেষ পর্যন্ত 'বোসের' সাথে দেখা করতে সক্ষম হয়েছিলো।
আজাদ হিন্দু ফৌজ! (ভারতীয় জাতীয় সেনা)
ছেলেটি লাইনের একদম প্রথম সারিতে দাঁড়িয়েছিলো।
জানো, সেই ছেলেটি কে?
আমি!
ভিতরে আসো।
বৃষ্টি খুব শীঘ্রই থামবে বলে মনে হচ্ছে না।
বিদ্যুৎ সংযোগও অনেকক্ষণের জন্য চলে যাবে।
তোমরা ভিতরে গিয়ে ঘুমাও?
ঠিক আছে, দাদা।
- সাবধানে! - ঠিক আছে।
বইগুলো ওখানে রাখো।
- মাদুরটা কি ওখানে না? - না।
ওহ, এটা এখানে।
আরে, রামু ...
- আবার চাল ফুটো করেছিস না? - না, আমি করিনি।
দাদা, দাদা। সে আবার একটা ফুটো করেছে।
কি হয়েছে?
- কি হয়েছে? - দাদা আমি করিনি, দাদা।
তাড়াতাড়ি কর!
রাতে আপনি বলেছিলেন, রক্ত দিলে আমরা স্বাধীনতা পাবো, তাই না?
নতুন টাইলস পেতে হলে তাহলে আমাদের কী দিতে হবে?
আরে, আবার এই সমস্ত কয়েন নিয়ে এসেছো তুমি!
এই নাও।
এই উঠো!
উঠে পড়ো!
কি ব্যাপার, এতো ভোরে আমাকে বিরক্ত করছিস কেনো?
জিনিস এনেছিস?
জিনিসের জন্যই প্রথম যাই!
আরে বোকা! পেটে প্রথমে মাল পড়লে তবেই তো আমি কাজ করতে পারি।
- দে দেখি! - আরে দাঁড়াও।
দে!
- চলো, দেরি হয়ে যাচ্ছে। - চল..
- আরে চলো! - চল..
- চল! - আরে বুড়ো জলদি চলো!
- এদিকে আসো মেয়েরা। - স্যার!
ঠিক আছে, বাচ্চারা। এখন প্রতিযোগিতার(দৌড়) সময় হয়েছে।
এই বৃত্তের বাইরের এক পাকের দূরত্ব ৪০০ মিটার।
ভিতরের এক পাকের দুরত্ব ২০০ মিটার।
- কোনটাতে দৌড়াবে? - ২০০ মিটার!
ঠিক আছে। তোমাদের অবস্থান নাও।
কে তুমি?
এই, দাঁড়াও!
তুমি কি জানো মোট কত মিটার দৌড়িয়েছো তুমি?
তাও আবার জুতা ছাড়াই!
তোমার বাবা মা কোথায় থাকে?
কাল সকালে জুতা সহ মাঠে চলে আসবে।
এই, তুমি এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছো কেনো?
- আমাদেরকে ঐ রাস্তা দিয়ে যেতে হবে। - সেই রাস্তায় 'হনুমান উৎসব' চলছে, স্যার।
ঐ রাস্তাটি ব্লক ছিলো,স্যার।
ঐ মূর্তিটির চারপাশে সর্বত্র মানুষজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, স্যার।
আমি এসব নির্বোধ মানুষদের কখনো বুঝে উঠতে পারি না।
হনুমানের জন্য প্রার্থনা করার জন্য তো বাড়ি আছে, তাই না?
তাদের এখানে কেনো এই সমস্ত জগাখিচুড়ি তৈরি করতে হবে?
যে জিনিসটা মানুষকে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে নিয়ে যায় তা ঈশ্বরের ভয় নয়, স্যার!
এটা হচ্ছে সাহস! যা তিনি আমাদের দিয়েছেন!
অনেকেই বুঝতে পারে না যে ঈশ্বর আমাদের চেয়ে বড় কেউ।
তবে একটা মূর্তি সেই বিষয়টি প্রমাণ করে।
যেই মুহুর্তে তাদের চোখ ঈশ্বরের বিশাল মূর্তির উপর পড়ে...
এটা তাদেরকে তাঁর (ঈশ্বরের) মহত্ত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়...
এবং তাদেরকে শক্তি দিয়ে ভরিয়ে দেয়।
আর সেই শক্তিই তাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়, স্যার।
এই কারণেই প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মূর্তিটি দর্শনের জন্য আসে।
আমাদেরও কি এখন এমন মূর্তি দরকার?
শুধু 'দরকারই' নয়... 'অবশ্যই দরকার'!
আমার বাবার নাম পাথরে খচিত হতে হবে, আর এটা যেকোনো মূল্যেই করতে হবে।
তবে এই মুহুর্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব বড় ধরনের সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।
তার নামে আমরা বিশেষ কিছু প্যাকেজ চালু করছি না কেনো?
যেমন মাত্র ১০ টাকায় মুদির দোকানের জিনিসপত্রগুলোর মতো।
তাদের হাসপাতালের সমস্ত বিল সময় মতো দেওয়া হচ্ছে।
কারণ এই জাতীয় প্যাকেজগুলোর জনপ্রিয়তা কখনোই কমবে না।
পরবর্তী সরকার এসব প্যাকেজ ৫ টাকায় নামিয়ে এনে তাদের নেতাদের নামে দেবে।
তখন আমরা কী করবো?
চলো তোমার বাবার নামে রেলওয়ে স্টেশন বা এয়ারপোর্ট করে দেই।
আমার জন্মের আগে থেকেই আপনি এখানে আছেন।
হায়দ্রাবাদ এয়ারপোর্টের নাম এর আগে কয়বার বদলানো হয়েছে তা আপনি ভালো করেই জানেন!
তুমি জন্মের আগে থেকে আমি এখানে আছি বলেই বলছি...
No comments yet. Be the first to leave one.