Les 200 premières lignes.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় : আল মাকসুদ।
THE GIRL WITH THE NEEDLE
অনুবাদ ও সম্পাদনায় : আল মাকসুদ।
- কে? - ইয়েনসেন।
এক মিনিট।
হ্যাঁ?
- ক্যারোলিন, তোমাকে চলে যেতে হবে। - কী?
তোমাকে চলে যেতে হবে। অন্যকারো জন্য কামরাটা লাগবে।
- এখানে থাকি আমি। - কিন্তু ভাড়া দাও না।
- দিয়ে দেব। - ক্যারোলিন?
- জামা পরতে দাও আমাকে! - তোমাকে বুঝতে হবে ...
তাদেরকে কামরাটা এখনই দেখাতে হবে।
- কত বকেয়া আছে? - ১৪ সপ্তাহের।
- কাল টাকাটা পেয়ে যাবে। - চিমনিটা পরিষ্কার করতে হবে।
- এবার করে ফেলো। - জানি আমি!
কাল পেয়ে যাবে। কী হচ্ছে?
- কাধ থেকে হাত সরাও। - বছর ধরে থাকছি এখানে।
- টাকা আছে আমার কাছে। - না, ক্যারোলিন।
দেরির জন্য দুঃখিত। প্লীজ আসুন।
কামরা খালি নেই এখানে। আমি সরি।
- সাড়ে তিন সপ্তাহের আছে এখানে। - পুলিশের কাছে যাব?
বাকি টাকা আদায়ের জন্য কোর্টে নিয়ে যাব তোমাকে?
নিষ্ঠুর হচ্ছি না আমি।
যৌক্তিক কাজই করছি আমি। তুমিও তাই করো।
প্লীজ আসুন।
১০ টা থেকে ১২ টার মধ্যে পানি থাকে।
এইযে রান্নাঘর। ক্যারোলিন, প্লীজ।
- চুলায় চরম ধোঁয়া হয়। - চিমনি আজই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ইদুর আছে এখানে।
বড় বড় ইদুর।
রাতে বেরিয়ে আসে।
ঘুমে থাকার সময়ে, পায়ে কামড়ে দেবে।
- ক্যারোলিন, অনেক হয়েছে। - অনেক ইদুর আছে।
এখানে থাকতে চাই না।
এখানে থাকতে চাই না। বাড়ি যেতে চাই।
এতেই চলবে।
কাল ঘোড়ার গাড়ি ঠিক করে দেব। পরেও ব্যবহার করতে পারবে, চাইলে।
নিশ্চিত করবো ভাড়া সাধ্যের মধ্যেই থাকবে।
আসো।
থাকার জায়গা আছে?
তোমার সাধ্যের মধ্যে একটা কামরা খুজতে সাহায্য করতে পারি।
কথা না, কাজে লেগে থাকো।
- লাইনটা আটকে ফেলছো তুমি। - সুই ভেঙেই যাচ্ছে বারবার।
তাহলে সাবধানে কাজ করো।
"তাহলে সাবধানে কাজ করো"।
- ভাড়া কত? - সপ্তায় ১৫ ক্রোনার।
অনেক টাকা।
- পানির কী হবে? - উঠানে আছে।
কুয়ার পাড়ে বালতি আছে।
অতিথি আনা যাবে না।
নিশ্চয়ই।
হ্যাঁ?
যে দর্জি মেয়ের সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন।
প্লীজ। আসুন।
আপনার চিঠি পেয়েছি আমরা, বিধবা ভাতা চেয়েছিলেন।
কেমন চলছে সবকিছু?
আমার এপার্টমেন্ট থেকে বের করে দিয়েছে আমাকে ...
জনাব ডিরেক্টর।
- আপনার স্বামীর কোনো খবর? - না।
আপনার স্বামীর মৃত্যু সনদ ছাড়া, আপনার অনুরোধ পাশ করাতে পারবো না।
কিন্তু আপনার চিঠি নাড়িয়ে দিয়েছে আমাকে। আপনার অবস্থা আসলে ...
আসলে...
আপনার স্বামীর নামটা বলবেন?
পিটার নীলসেন।
যোগাযোগ আছে আমার ভালোই। চেষ্টা করতে পারি।
কোনো মানুষ হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে পারে না।
ক্যারোলিন নীলসেন।
আশা করি এখানে সাক্ষাতে মনে কিছু নেননি?
সতেজ হাওয়া মনকে প্রাণবন্ত করে।
আপনার স্বামীর কোনো খবর বের করতে পারিনি।
নিহত সৈন্যের লিস্টে তার নাম নেই, কিন্তু...
তাতে খুব একটা উপকার হলো না।
আমি সরি।
চলেন হেটে আসি?
আমিও চেয়েছিলাম নাম লেখাতে।
অবশ্য, আমার অবস্থান তাতে সায় দেয়নি।
এখান থেকে যা পারি করি। যে পোশাক বানাচ্ছি তাই বা কম কীসে।
- শুভ দিন, স্যার। - শুভ দিন।
বাদাম।
বেছে দেব?
ভালো লাগছে?
একটা ভরসার কাঁধ দরকার হলে,
আমাকে স্মরণ করবেন।
দিনটা ভালো কাটুক।
তাজা খবর! যুদ্ধের পরিসমাপ্তি! যুদ্ধের পরিসমাপ্তি!
একটা কাগজ নিন! যুদ্ধের পরিসমাপ্তি! জার্মানির আত্মসমর্পণ!
একটা কাগজ নিন! পুরোটা পড়ুন!
ধন্যবাদ।
কিজলার সুইং ফ্যাক্টরির প্রিয় শ্রমিকেরা।
ইউরোপের যুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয়েছে
আর আশাকরি, সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।
যদিও আমরা যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেইনি
তবুও যুদ্ধের কারণে ভোগান্তি হয়েছে বর্ণনাতীত।
এক মিনিট নিরবতা পালন করুন সবাই আমার সাথে।
নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায়।
সবাই একসাথে।
ধন্যবাদ।
আমরা ইউনিফর্ম বানানো বন্ধ করে প্রজন্ম ধরে আমাদের পরিবারের
ঐতিহ্য হয়ে থাকা লিনেনে ফিরে যাবো আবার।
প্রত্যাশা করবো সুইয়ের ভাঙ্গনে কমতি আসলে দারুণ পরিবর্তন আসবে।
প্লীজ একটা টোস্ট করা যাক।
মেরি ক্রিসমাস।
এইতো হয়ে গেছে।
তুমি অনেক সুন্দরী।
ধন্যবাদ।
বিশ্বাসই হচ্ছে না তুমি আমার হয়েছ।
ক্যারোলিন!
দাড়াও!
ক্যারোলিন!
কী চাও তুমি?
কে তুমি? কী চাও তুমি? খোলো ওটা।
ক্যারোলিন? কে উনি?
আমার বন্ধু।
- কাজ হারিয়েছ, ক্যারোলিন? - না।
তাহলে বাসায় "বন্ধুরা" আসছে কেন?
আমি তার স্বামী।
আমাদের এপার্টমেন্টে গিয়েছিলাম আমি। অন্য মানুষেরা থাকে ওখানে এখন।
কোথায় ছিলে তুমি?
আহত হয়েছিলাম।
তোমাকে চিঠি লিখেছি আমি।
পেয়েছিলে?
হ্যাঁ।
লেখোনি কেন? বছরখানেক হয়ে গেল।
হ্যাঁ।
আমি সরি।
সরি।
- পিটার। - হ্যাঁ?
অন্য আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছি।
আর আমি অন্তঃসত্ত্বা।
ভেবেছিলাম মারা গেছ। সেটা বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছ আমাকে।
নতুন জীবন হয়েছে আমার।
তুমি আমার স্ত্রী।
যাও।
যেতে হবে তোমার।
যা ভাগ!
এক্ষুনি চলে যা!
বিদায়! বিদায়!
কী হচ্ছে?
আমি সরি, স্যার, এই যুবতী মেয়ে শুনছেই না কথা।
- তাকে যেতে বলেছি। - ধন্যবাদ। ছোট করে আলাপ সেরে নিচ্ছি।
কী হচ্ছে?
বলো যে বিয়ে করবে আমাকে।
বলো।
বলো।
হ্যাঁ।
হ্যাঁ, বিয়ে করব।
সাহসী তুমি।
বাড়িতে ওঠার পর...
আমার সাথে তোকে নিয়ে যাব।
কী করবো আমি?
যা মনে চায়। গৃহকর্মীদের সর্দারনী হতে পারিস।
- গৃহকর্মী হব? - না, বোকা।
গৃহকর্মীদের সর্দারনী। তোর নিজেরও কাজের লোক থাকবে।
- শুভ দিন। - শুভ দিন, আপনার কোট নেব?
হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
এ-ই সেই যুবতী মেয়ে?
হ্যাঁ।
আসায় বেশ ভালো হয়েছে। শেষমেশ দেখা করতে পেরে খুশি হয়েছি অনেক।
সম্মানিত বোধ করছি, মিস... মাদাম...
প্লীজ, আসো।
আমাদের মেয়েলি ব্যাপারস্যাপার।
উলঙ্গ হও।
ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখবে।
যে কেউ এসে আমার ছেলেকে অন্তঃসত্ত্বার বাণী দিতে পারে, তাই না?
হ্যাঁ।
অন্তর্বাস থাকবে শুধু।
জানো নিশ্চয়ই কীভাবে হয় এসব।
হ্যাঁ।
এক মিনিট লাগবে শুধু।
হ্যাঁ।
জামা পরতে পারেন এখন।
হ্যাঁ। সে অন্তঃসত্ত্বা।
- ঝামেলা মেটানো যাবে? - বড্ড দেরি হয়ে গেছে।
- শুভ দিন, মাদাম ব্যারোনেস। - শুভ দিন, ডাক্তার।
আমার ছেলে কখনো তোমাকে বিয়ে করবে না।
ইয়োর্গেন আসতে পারবে এখন?
ধন্যবাদ।
নিয়ে আসো তাকে।
জি, মা?
যুবতী মেয়েটা বলছে তোমরা নাকি বিয়ে করবে?
আমরা আলোচনা করেছি, হ্যাঁ।
ইয়োর্গেন তার ইচ্ছে মত যা খুশি করতে পারে।
আমার টাকা দিয়ে নয়, এ বাড়িতে নয়।
কিন্তু সব তার মর্জি।
সম্ভবত ...
কিছু বলেছ, পুত্র?
সম্ভবত আমরা তাড়াহুড়ো করে ফেলেছি।
- প্লীজ মাফ করে দাও। -ইয়োর্গেন?
এতদূর চলে যাবে ভাবতে পারিনি।
কী হচ্ছে?
ওকে রুমাল দাও একটা।
ধন্যবাদ।
এখন দয়া করে যাবে তুমি?
ফ্যাক্টরিতেও তোমার আসা লাগবে না আর।
প্লীজ যাও এখন।
আমি সরি।
আপনার কোট।
দুঃখ হচ্ছে আপনার জন্য।
ভরে গেছে।
কী করছো তুমি?
No comments yet. Be the first to leave one.