Les 200 premières lignes.
চা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে, মি. লিন্ট ।
দুঃখিত, স্যার লাইওনেল ।
শীতের রাত বলে কথা, তাছাড়া পাড় থেকে অনেক দূরে আছি ।
শশশ ! কিছু শুনলে ?
নাহ ।
হ্যাঁ, সঠিক জায়গা । কজটা এখানেই করতে হবে ।
ফাঁটিয়ে ব্যাকপাইপ বাজাব ।
ভালোই । আচ্ছা, শুরু করা যাক ।
এসবে কি কাজ হবে, স্যার ?
লোকে বলে মিউজিক বন্য প্রাণীদের শান্ত রাখে, মি. লিন্ট ।
এখন হবে কিনা জানি না, স্যার ।
হাতে ক্যামেরা আছে তো ? যেকোন সময় লাগতে পারে ।
আপনার সিটের নীচে, স্যার ।
ভালো ।
ক্লাবের বুড়োগুলোর মুখে কালি পড়বে
যখন অকাট্য প্রমাণ দেখাতে পারব ।
আর্মিতে যোগ দিলেই ভালো হতো ।
- স্যার লাইওনেল ? - হুমম ?
"ডারউইন্স ফিনসেজ" ! এটা সত্যিই আছে !
আমি জানতাম । জানতাম এটা আছে ।
ওহ, গায়ে জোরও আছে । তাই না ? হা-হা ।
- একটু ধরতে পারবে ? - ওয়া !
আহ, ঠিক আছে ।
ওহ !
ওহ !
একটু ডানেদিকে, প্লিজ ।
না, না, আমার ডানদিকে ।
হয়েছে, হয়েছে । আমরা এখন কী বলতে পারি ?
সাহায্য করুন !
নাহ, মি. লিন্ট । এটা বাদে কী বলতে পারি ?
হাত দিয়ে রক্ত পড়ছে !
- আমরা কি বলতে পারি "চীজ" ? - প্লিজ !
কাছাকাছি উচ্চারণ ।
ওহ !
মানুষখেকো. হাহ ।
ভয় নেই, মি. লিন্ট । কোন ক্ষতি হয়নি ।
আহ !
ধুত্তেরি ।
আমি পদত্যাগ করছি !
আমার পক্ষে এসব করা সম্ভব না ।
তুমি প্রাগৈতিহাসিক লেক দানবের মুখে ছিলে ।
এমন কৃতিত্ব কজনের আছে বলো ?
কারো নেই । কারণ সবাই মারা গেছে !
ভেবেছিলাম তুমি শক্ত আছো ।
এমন কথা বলতে পারলেন ? হাজার হলেও আমি তো মানুষ !
হ্যাঁ । দেড় বিলিয়ানর মতোই একজন মানুষ ।
অপরপক্ষে, ওই প্রাণীটা পৃথিবীতে একটাই । সেটা জানো ?
ওহ, ভালো করেই জানি ।
আপনার সাথে কেউ থাকবে না ।
যেও না, মি. লিন্ট ।
তোমাকে আর কেউ খাবে না । প্রমিস ।
আগেও একথা বলেছিলেন ।
অ্যাডভেঞ্চার কমিউনিটির কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেতে হলে,
আমাকে অবশ্যই প্রমাণ দিতে হবে ।
ক্যামেরার উপর নির্ভর করাটা ভুল হয়েছিল ।
আমরা আবার যাব । গিয়ে বাস্তব প্রমাণ নিয়ে আসব ।
না, আমি আর যাচ্ছি না ।
গেলে আপনি একাই যাবেন ।
আহ ...
চলেই গেলি, ভাই ।
"পৌরাণিক প্রাণী সন্ধানী হিসেবে খ্যাত, প্রিয় স্যার লাইওনেল ফ্রস্ট,
"প্রস্তাবটা আপনার হয়তো ভালো লাগবে ।
"আমি আপনাকে স্যাচকুয়াশ নামক অনাবিষ্কৃত
প্রাণীর সন্ধান দিতে পারি ।
"নির্দেশিকা অনুসরণ করে ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের পুরনো কেম্প ক্রিকে গেলেই ,
"আপনি তাকে খুঁজে পাবেন ।
"আমি সত্য কথা বলছি , আর ...
আমার বিশ্বাস আপনিও সত্য কথা বলেন."
হাহ ।
পুরনো কেম্প ক্রিক । আমি জানতাম । হা-হা !
খেলা শুরু হয়েছে !
হা-হা ! শুরু হয়েছে । খেলা ... হুমম ।
ও, তুই । তোর ভিতরে যাওয়া মানা ।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, খুব ভালো, ধন্যবাদ ।
আমার সামনে সে বসে ছিল,
তার শয়তানী রক্তচক্ষু আমার দিকে নিবিষ্ট ছিল ।
বাতাসে কিছুই ছিল না ঘাসের শব্দ ছাড়া ।
তারপর মুহূর্তেই আমি হাটু গেড়ে বসলাম,
হাত নিয়ে গেলাম পায়ের কাছে,
ঊরুতে লুকানো পিস্তল বের করে,
তার দুচোখের মাঝে তাক করলাম,
আর যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেখানেই শুইয়ে দিলাম, "খেল খতম ।"
কেমন লাগল, হুমম ?
আদর্শ যুদ্ধ ।
কপাল ভালো অস্ত্র ছিলো না তার কাছে ।
তারপর কী হলো ?
আহ, তখনও জঙ্গল থেকে বের হইনি ।
কিছুপথ আসতে না আসতেই
একটা প্রাণী আমার পথে দাঁড়িয়েছিল । সেটা হলো ...
স্যার লাইওনেল ফ্রস্ট !
ভদ্রলোকেরা ...
শিহরিত হত্তয়ার মতো খবর নিয়ে এসেছি ।
আরে, দৈত্য শিকারী দেখি ।
এই ক্লাব শুধু মেম্বারদের জন্য ।
আবার কী হলো, ফ্রস্ট !
লেক দানবের গল্প শোনাতে আসলে নাকি ?
আহ, লর্ড পিগট-ডান্সবে ।
আমাদের দেখাও লেকে কী প্রমাণ পেয়েছ ।
দুঃখিত, আমি প্রমাণ আনতে ব্যর্থ হয়েছি ।
আহ ...
কিন্তু আমি অতীতের জন্য শোক করতে এখানে আসিনি ।
আমি এখানে আমার লোভ ধরানো প্রজেক্টের
মোড়ক উন্মোচন করতে এসেছি, ভদ্রলোকেরা ।
আবার পাগলামি জুড়ে দিলো ।
- বাদ দাও । - থামাও এসব ।
- আমার কাছে বিশাল প্রাণীর ফুটপ্রিন্ট আছে । - ওহ !
- ওটা বিগফুটের পায়ের ছাপ । - প্রাণীটা বড় মাপের ছিল ।
রহস্যময় প্রাণীর ডজন ডজন রিপোর্টের ভিতর এটা একটা ।
- কিছু মনে না করলে ? - ওহ ।
বৃহৎ আকৃতির, লোমশ, সোজা হয়ে হাটে ।
মানুষও ও গরিলার কোনটা না,
কিন্তু দুইটার মাঝের লিংক ।
এটা অনেক নামে পরিচিত :
স্কুকুম, রুগুরু,
সিনাহাহা, লু পু ও’ইয়েস ।
এটা পুরনো হকোমিলেমের স্থানীয় ভাষায় এটাকে বলে ...
- স্যাচকুয়াশ । - হেহ । ধরা সহজ নাহ ।
সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া প্রাণীকে একপলক দেখার অফার দিচ্ছি তোমাদের ।
আর প্রমাণ ... প্রমাণ ...
যে মানুষের আদি পুরুষরা কোন গালগল্প নয় ।
বরং বাস্তব ও চরম সত্য
আর নতুন বিশ্বে বসবাস করছে ।
হা-হা !
- খাঁটি নিগূঢ় থিওরি । - আগে কখনো শুনিনি !
- ডাহা মিথ্যা কথা ! - কিন্তু ভেবে দেখুন ।
মানুষের আদি পুরুষের অস্তিত্বের প্রমাণ, মিসিং লিংক !
না, স্যার, ভাবনা চিন্তার কোন দরকার নেই ।
- আহ ... - চারপাশে দেখো ।
তুমি বিশ্বসেরা অভিযাত্রিকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আছো ।
এই ক্লাবের সদস্যরা সমুদ্র পাড়ি দিয়েছে,
বুনো প্রাণী পোষ মানিয়েছে, উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠেছে ।
আমরা পাষণ্ডদের জবাই করে ...
ব্রিটেনকে অন্ধকার থেকে ,
আলোতে নিয়ে এসেছি ।
আর তুমি, জনাব, আমাদের সাথে মজা নিতে এসেছ ।
না, না, না । আমি যোগ দিতে এসেছি ।
আর এই প্রাণীকে আবিষ্কার করতে পারলে,
এখানে আমার জায়গা পাকাপোক্ত হবে ।
আচ্ছা, তোমার কী মত বলো ?
আমরা গরিলা নয় মানুষের বংশধর ।
তাহলে আপনি ভুল জানেন ।
কী ?
আমার বিশ্বাস দুজনে যদি হাতে হাত রেখে কাজ করি,
- তাহলে আর কী লাগে ... - আমাকে সে কী বলেছে ?
মনে হয় সে আপনাকে ভুল বলেছে ।
তোমার পঁচাকথা অনেক শুনেছি ।
তোমার কথা মূল্যহীন ।
আমার সব কথাই সঠিক । আপনি কী বলেন ?
আমি একমত নই ।
ওয়াদা করলাম আমি এই প্রাণীর প্রমাণ নিয়ে আসব,
যদি পারি, তাহলে নিজের ভুল স্বীকার করে,
আমাকে এখানের সদস্য করে নিবেন ।
যাতে আমি আমার জায়গা দখল করতে পারি ।
এটা তোমার জায়গা নয় । আর তুমি ব্যর্থ হবে ।
তাহলে বাজি ধরতে সমস্যা কিসের ?
তাই হোক ।
আপনি ওয়াদা করলেন ?
হ্যাঁ ।
তাহলে আমি এখন প্রস্তান করব ।
আহ ... হাতে অনেক কাজ আছে ।
ধন্যবাদ ।
আবার দেখা হবে, ভদ্রলোকেরা ।
এসব অন্ধকার যুগের নমুনা, কলিক ।
বিদ্যুৎ, নির্বাচন, বিবর্তন ...
সভ্যতার পতনে হলো বলে ।
আমার কথা মার্ক করো । আমাদের পায়ের নীচের মাটি ...
এইসব নতুন চিন্তবিদের জন্য খসে পড়ছে ।
এরা বিশ্বকে বদলে দেবে,
যেখানে আমাদের মতো ব্যক্তিদের কোন জায়গা থাকবে না ।
কিন্তু হুজুর,
ফ্রস্টের ফালতু অভিযান সচরাচর ব্যর্থ হয় ।
হয়তো বাজিতে সে হেরে যাবে ।
আমি কোন ঝুঁকিতে যাব না !
না , আমাকে অবশ্যই সভ্যদের পক্ষে দাঁড়াতে হবে ।
কিন্তু সেটা কীভাবে করবেন, হুজুর ?
ওকে মারার জন্য গুণ্ডা ভাড়া করব ।
সাবাস । ভালো বুদ্ধি ।
হ্যালো ?
হুমম ।
শশশ !
থামো, প্লিজ !
প্লিজ দাঁড়াও !
এখনো বেঁধে আছে ।
মাফ করবেন, মনে হয় ছোট কিছু একটা আমার গলায় আটকে আছে ।
এইতো ছাড়িয়ে গেছে ।
বাদাম কিংবা গেছো ইঁদুর জাতীয় কিছু একটা ।
আমি কি অপ্রাসঙ্গিক কিছু বলছি ? সত্যি বলতে আমি কিছুটা নার্ভাস ।
আমি ...
আপনি সম্ভবত স্যার লাইওনেল ফ্রস্ট ।
হাই ।
অবিশ্বাস্য ।
তুমি কথা বলতে পারো ।
হ্যাঁ । আমি লিখতেও পারি ।
হাতের লেখা খুব ভালো না আমার । কারণ ...
বিশ্রী হাত,
মোটা আঙ্গুল । সবই তো জানেন ।
তুমি কথা বলো কীভাবে ?
ভালো প্রশ্ন । কথা বলি কীভাবে ।
আসলে আমি প্রথমে দেখি । তারপর শুনি ।
কিছু বিষয়ে গুরুত্বারোপ করি ।
No comments yet. Be the first to leave one.