Les 200 premières lignes.
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
কি আবল তাবল কাজ করছি!
আমি কি ঠিক করছি?
বং পাল।
আমাকে কেমন লাগছে?
হুহ?
আমাকে কেমন লাগছে? ভালো?
হ্যাঁ... ড্রেসটা সুন্দর।
অনেক সুন্দর!
- চলো। - কোথায়?
কাজে।
- কী? - এখন তোমার বাকেয়া পরিশোধের সময়।
কী? আমরা এত রাতে কাজে যাব কেন?
এটা নতুন ড্রেস! আর তুমি চাচ্ছ আমি নতুন ড্রেসে মারামারি করি?
জ্বি, স্যার! জ্বি, আমি আসছি। আর আমার নাম্বার আপনাকে ম্যাসেজ করে দিচ্ছি।
আপনার দিন ভাল যাক!
ঐ সিনিয়রদেরও আমার মেসেজটা দেওয়া উচিত।
কী শুরু হলো এসব?
জ্বি।
এখনই?
জ্বি, সম্ভব। জ্বি।
- চলো। আমাদের কাজে যেতে হবে। - আবার?
- পারব না। আমি অনেক ক্লান্ত - না, তারা আমাদের এক্ষুনি আসতে বলেছে।
মনে হয় না একটু বেশি বেশি হচ্ছে?
আমি এতই ক্লান্ত যে মাথাটা দরজায় ধাক্কা খেয়েছে, আমার ভেতরে যাওয়ারও সামর্থ্য নেই।
- আজকের মতো থাক, ঠিক আছে? - না।
তোমাকে কাল খাওয়াতে আর পড়াতেও হবে। আমাদের চুক্তি মনে নেই?
তারপরও, এটা ঠিক না!
একটা ড্রেস কিনে দিয়েছ বলে আমাকে চাকরের মতো খাটাচ্ছ।
বললে আমাকে পড়াবে। কখন থেকে শুরু করছি?
আচ্ছা, আচ্ছা। কাজটা শেষ করে আমরা পড়ব, ঠিক আছে?
- না, আমি যাব না। - কোথায় যাও? চলো।
- আমি ক্লান্ত। - জলদি করো।
পুরো ঘর নোংরা হয়ে গেছে। কখন এগুলো পরিষ্কার করব?
হাউজিং এজেন্সি জানতে পারলে আমাদের ঠ্যাঙাবে।
ভাগ্য ভাল যে বেঁচে আছিস। তোর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিত।
আমি কৃতজ্ঞ। আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব আর... এখন সময় প্রার্থনা করার।
প্রিয় খোদা, বোদ্ধা, আল্লাহ, অনেক অনেক ধন্যবাদ...
না!
না, আমার বরং বং পালকে ধন্যবাদ দেয়া উচিত!
সে বলদ হতে পারে, কিন্তু তখন এসেছে যখন আমার তাকে সবথেকে বেশি প্রয়োজন ছিল।
সে সত্যিকারের পুরুষ।
কী মনে হয় সে কীভাবে জানলো আমি বিপদে আছি?
আসলে, ব্যাপার হলো...
দাঁড়া।
- অহ, বং পাল। - সে তোকে মেসেজ করেছে?
জিজ্ঞেস করছে আমি ঠিক আছি কিনা?
জোশ একটা ছেলে। অনেক ভদ্র।
- না, সেটা না। - কী বলেছে সে? দেখা দেখি।
প্লিজ আমার একাউন্টে টাকাগুলো জমা করে দিবেন।
সে কীসের ব্যাপারে বলছে? কীসের একাউন্ট?
বং পাল বলেছে সে প্রতি ভূত তাড়াতে ১ মিলিয়ন করে নেয়।
১ মিলিয়ন...
- কী? ১ মিলিয়ন উয়ন? - হ্যাঁ।
দাঁড়া, একটু বুঝতে দে।
তো... বং....
উম... তো, বং পাল আসলে আমাকে বাঁচাতে আসেনি।
- ঠিক। - সে তো ভালা না।
- সে হিসাবে ধরেছে। - তোর কাছে ১ মিলিয়ন উয়ন আছে?
না, নেই।
তাহলে কী করবি? সে এমনি এমনিই যেতে দিবে না।
জানি না, জানি না, জানি না। তাকে এড়িয়ে চল! আমি জানি না।
এড়িয়ে চলব? আমি...
প্রেসিডেন্ট ছা ছুং সং কি ভেতরে আছেন? আমি হাউজিং এজেন্সি থেকে এসেছি।
জানি আপনি ভেতরে আছেন!
আমাদের কল আর এড়িয়ে চলতে পারবেন না! এটা আরও ঝামেলায় ফেলবে!
প্রেসিডেন্ট! প্রেসিডেন্ট!
প্রেসিডেন্ট! প্রেসিডেন্ট! প্রেসিডেন্ট!
ওহ খোদা!
কতক্ষণ ঘুমিয়েছি আমি? এত ক্লান্ত ছিলাম।
বং পাল। বং পাল।
বং পাল।
স্যরি!
এই, আমি কিছুই দেখিনি। কসম খেয়ে বলছি!
রুমে ঢুকলে একটু নক করতে পারো না?
আমি তো ভূত। কীভাবে নক করি?
এখন থেকে তোমার হুটহাট যেখানে সেখানে হাজির হওয়া চলবে না।
বেশ।
জানো, তোমাকে ভিন্ন দেখাচ্ছে আজ।
তোমার কাপড়ও আজ অনেক ফাংকি সাংকি লাগছে।
চুলেও কিছু করেছ নাকি?
কী বকছ তুমি?
আহ, তার সাথে তোমার আজ ক্লাস আছে, তাই না? ঠিক বলেছি?
কি যা তা বলছো?
আমাকে যেতে হবে। ফলো করবে না।
কেন? যাতে ঐ মেয়ের সাথে ক্লাসে ভালভাবে সময় কাটাতে পারো?
না। বললে যে তুমি ক্লান্ত, তো আরাম করো।
এই রুমে যাবে না আর আমার অনুমতি ছাড়া কিছুতে হাত দিবে না।
পরে দেখা হবে।
এখানে আর কিছু বাদ আছে যেটা আমার জন্য নিষিদ্ধ?
পরে দেখা হবে।
বং পাল, চলো স্কুল যাই।
কী এসব? এখনই তো আমাকে বিদায় জানালে।
কখন? আমি তো জানাইনি।
আমাকে ফলো করতে করতে ক্লান্ত হও না?
আমার বাসার মধ্যে একা একা বোরিং লাগছে।
আর আমি বাসায় বসে থাকতে পারি না যখন এমন একটা সুন্দর ড্রেস পরে আছি।
ভালো, চালিয়ে যাও। পাগল একটা।
আপনাদের একটা সেপারেট মেন্টেনেন্স বিল পাঠাব। মাথায় রাখুন।
বুঝেছেন?
হ্যাঁ।
ছুন সং! ছুন সং! ছুন সং! থাম! থাম! থাম!
সত্যি, এখন আমরা কী করব?
আমি কীভাবে জানবো?
- কী? - ভূত!
কই? কই? কই?
এত খুশিতে আছ কেন?
এমনিই। আমায় এই ড্রেসে কলেজ পড়ুয়া মেয়ের মতো লাগে না?
ওহ প্লিজ।
- আরে, কিয়ুং যা আপু যে! - কে?
বং পাল, একজনের সাথে আমার দেখা করতে হবে।
এই, কার সাথে দেখা করতে...
ও খোদা।
আপু।
- আপু! - এখানে কী করছ?
আগেরবার বলেছিলাম না আমার জান এই স্কুলের।
আহ।
এই, তোমার কাপড়...
- কেমন লাগছে আমাকে? - কী মনে হয়?
পুরাই ঝাক্কাস লাগছে।
তোমাকে ইউনিফর্মে সুন্দর লাগত, তবে এই ড্রেসে আরও বেশি সুন্দর লাগছে।
তুমি তো এখন জুন জি হিয়ুন আর সং হে গ্যোর র্যাংকে উঠে গেছ।
আপু কি যে বলো!
তোমাকে এক জোড়া হাই হিলে একদম পারফেক্ট লাগবে।
কিন্তু কে তোমার জন্য এই ড্রেস পুড়িয়েছে?
ঐ রসমালাইয়ের কাজ নাকি?
ওরই কাজ, তাই না?
কী হচ্ছে এসব? আগেরবার কিস করেছে আর এবার ড্রেস পুড়িয়েছে?
মনে হয় তোমাকে পছন্দ করে।
- আরে না কি যে বলো! - ও মা, কেন না?
আমি ভূত হয়ে মানুষের প্রতি অনুভূতি থাকতে পারলে।
মানুষের ভূতের প্রতি অনুভুতি থাকতে পারবে না কেন?
এটা সত্যি না। ওর কাছে অনেক প্যান প্যান করেছি ড্রেসটা পুড়ানোর জন্য।
আর বং পাল অন্য একজনকে পছন্দ করে।
তুমি জানো না কারণ আগে কখনো কোনো ছেলের সাথে রিলেশন করোনি।
আমার মন বলছে সে তোমাকে ১০০% পছন্দ করে।
না, কোনো মতেই না।
- কার সাথে দেখা করতে গেছিলে? - পরিচিত এক ভূতের সাথে।
আমার মন বলছে সে তোমাকে ১০০% পছন্দ করে।
কী হয়েছে? এভাবে হাসছ কেন?
কিছু না।
বং পাল।
হ্যালো।
- জলদি চলে এসেছ? - হ্যাঁ।
- চলো ক্লাসের জন্য তৈরি হই। - আচ্ছা।
আমি জানতাম।
কত্ত সুন্দর!
আমি নিচ্ছি ওগুলো।
- না, ঠিক আছে। - আরে, আমি নিচ্ছি।
ও মাগো, টুরু লাভ!
ওরে, তোমার মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে তাকে পছন্দ করো।
লাভ কি তার সাথে তো ঠিক মতো কথাও বলতে পারো না?
- অহ, আমি দুঃখিত। - না, ঠিক আছে।
লজ্জা পাবার দরকার নেই।
তোমরা এত আগেই হাজির।
- হ্যালো। - হ্যালো।
এত আগে এসে আমাকে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ।
- ঐসব জিনিস কি আজকের ক্লাসের জন্য? - হ্যাঁ।
আপনার কি লেগেছে? ঐ কাটা দাগ...
আহ, তেমন কিছু না।
- দেখে খুব কষ্টদায়ক মনে হচ্ছে। - ওমা!
আমি ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী আনিনি।
- বং পাল। - হ্যাঁ?
মনে হলো প্রফেসর আমাকে তখন এড়িয়ে গেছে।
কি ফালতু বকছ!
আমি কি ভুল দেখলাম?
ঐ সিনিয়রগুলো আমার মেসেজের উত্তর দেয়নি কেন?
কে? ওহ, ঐ বলদগুলোর কথা বলছ?
দেখে তো মনে হয়েছে পয়সাকড়ি কিছু নেই। তোমার টাকা আর পাচ্ছ না।
বিপ শেষে মেসেজ ছাড়ুন।
সত্যিই, ঐ ছ্যাচড়াগুলোকে!
কাহিনী কী?
তোমার কী মনে হয়? তারা পালিয়েছে।
এখনই এমন কীভাবে বলতে পারো?
আমি টাকা না পেলে, তোমারও ঋণ শোধ হবে না।
কী?
কত বড় সাহস যে আমাদের টাকা মেরে ভেগেছে!
এই, তাদের আবার কল করো। জলদি!
ফ্যাসেলিটি মেন্টেনেন্স বিল হলো ৮,৯২,০০০ উয়ন।
২৩ তারিখের মধ্যে অফিসে পরিশোধ করতে হবে।
- কী এটা? - মেন্টেনেন্স বিল ৮,৯২,০০০ উয়ন।
- কী চায় সে? - ভূত তাড়ানোর ১ মিলিয়ন উয়ন।
- সে আসলেই জঘন্য। - এই, ফেলিস না!
৮,৯০,০০০ উয়ন... এত টাকা পাবো কোত্থেকে? হুহ?
আমার খুব বাজে সময় চলছে। তার উপর ক্যামেরার মাসিক কিস্তি।
এমন না যে বাসায় ফোন দিতে পারব।
- তোর কাছে কিছু নেই? - সত্যিই কিছু নেই।
যার কাছে টাকা আছে তার থেকে চা। আমার সব টাকা খরচ করে ফেলেছি।
কারো থেকে ধার নে। এভাবে চুপচাপ বসে থাকবি নাকি?
ঠিক আছে! করছি!
এখানে আমিই বড়!
- হ্যালো? - ইন রাং, আমি পুরাপুরি ভেঙে পড়েছি।
খুব বাজে পরিস্থিতিতে আছি। আমার কিছু টাকা ধার লাগবে।
- আমি ছাড়া কি কেউ নেই? - তোকে ছাড়া আমার কেউ নেই।
তুই আমার একমাত্র ক্লোজ ফ্রেন্ড।
হিয়ুন যু!
এই, সেও য়িওন।
আজ তোমায় ক্লাসে দেখলাম না যে!
আমার কিছু কাজ ছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.