पहली 200 पंक्तियाँ।
মুভির নামঃ Omar (ফিলিস্তিন) অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ মোহাম্মদ ইউসুফ
তারেক কোথায়?
কখন কিভাবে আসলি?
বিকেলের ফ্লাইটে এসেছি, সকালেরটার টিকেট পাইনি।
- কালান্দিয়ার দেয়ালের ওপর দিয়ে। - বিজন্যাস নাকি ইকোনোমি?
ইকোনমি রে ভাই, জঘন্য অবস্থা!!
বাইরে গিয়ে খেল...আর তুই, ঠিকমত পড়।.
- এল রাম ওয়ালের ওপর দিয়ে আসলি না কেন? - মানুষের কোলাহল বেশি তাই।
কফি তখনই পাবি যখন ব্র্যান্ডের খসখসে কন্ঠ তোর গলা দিয়ে বেরুবে।
- ওটা বাদ দেয়া যায় না? - না, যায় না!
- এত জালাস কেন? - কফি খেতে চাস?
ব্র্যান্ডো, কিছু বলুন মশাই!
এখন, কফি নিতে মহাশয়ের আজ্ঞা হয়।
- ফ্রেঞ্চ ভাষায় ব্র্যান্ডোর কিছু গালি শুনবে? - এত শখ নেই আমার!
ভালো।
তাড়াতাড়ি খাও, বেরুতে হবে।
- আমিও যেতে চাই। - কোথায়?
তুই একটু বেশি কথা বলিস, ভেতরে যা!
তোকে ভেতরে যেতে বলেছি!
আমরা প্রস্তুত, বন্ধুরা!
আমি গেরিলা টীমকে জানিয়ে দেবো।
লম্বা করে শ্বাস নে...
- ওর চোখের দিকে তাকা। - তারপর পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে পাশার দান উলটে দে!
যা, আরেকটা প্যাকেট নিয়ে আয়!
চাকর পেয়েছিস নাকি? তুই যা!
- তোকে এত বিপ্লবী দেখাচ্ছে কেন হঠাত? - কি আছে তোর ভাই?
আমার সাতটা বোন আছে, এর মধ্যে একটা বিবাহিত।
তাদের সবার অন্ন আমাকে জোগাড় করতে হবে।
ভুল বুঝিস না আমাকে। ওরা অনেক বড়লোক, আল্লাহ ওদের রহমত করুক।
কিন্তু, প্রত্যেকটা একেকটা শ্যাওড়া গাছের পেত্নী।
- তোর ঝুলিতে কোন জোক্স আছে? - নারে ভাই, আমি কোন জোক্স জানি না।
একটা জোক্স শোনা না, প্লিজ!
- ওয়াদা করছি যে আমরা হাসবো না! - খোদার কসম, আমি কোন জোক্স জানি নারে ভাই!
আমার আর ওমরের কসম লাগে।
- আচ্ছা, শুধু তোর জন্য? - ওমরের জন্য না।
নাহ, শুধু তোর জন্য।
একটা ছেলে গেল সিগারেট কিনতে...
বিক্রেতা ওকে একটা প্যাক দিল, ছেলেটা প্যাকের গায়ে লেখাটা পড়া শুরু করলো।
সেখানে লেখা ছিল," ধূমপান মানুষের যৌন মিলনের আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দেয়।"
তারপর সে বললো, " সমস্যা নাই, আমার কাছে ভায়াগ্রা আছে।"
ছেলেটা এরপর থেকে সিগারেট খেলে সাথে একটা ভায়াগ্রার ট্যাবলেটও খেয়ে নিতো।
হাসোস না কেন, চুতমারানি?
আমি প্রথমটার বিচি বরাবর লাথি মারি।
পরেরটাকে হাতের কনুই দিয়ে মাথায় কষে একটা দেই।
তিন নাম্বারটারটার গালে ঘুষি মেরে টমেটো বানিয়ে দেই।
চোপার কয়েকটা দাত সাথে সাথে খুলে পড়ে যায়!
ভুট্টার বদলে ক্ষেতে ধনে পাতা চাষ করতি, তাইলে এত জুডো প্র্যাকটিস করতে হতো না।
আমি যদি একটা বর্ণও মিথ্যা বলি, আমার সব কয়টা বোনের সাথে তোর বিয়ে দেব।
নাদিয়াকে ভালোবাসিস?
আমাকে কি পাগলা কুত্তা কামড়েছে?
ওকে দেখলেই মাথা ঘুরান্তি দেয় খালি জানিস! ওর ঠোট দেখলে খালি চুমু দিতে ইচ্ছে করে।
তারেককে তুই চিনিস না? তোর জিনিস কেটে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দেবে।
মেয়েটা আমাকে পছন্দ করে অনেক জানি, কিন্তু তাও সবসময় আমি নিজেকে সামলে রাখি।
- তোর বোনেদের কসম! - মারা খা তুই!
তোর কি আছে যা আমার নাই!
এখন, এই সময়ে?
ভালোবাসো আমাকে?
কাউকে ভালোবাসো?
মানে, আমি হ্যাঁ বলার পরও এই প্রশ্ন কেন?
হ্যাঁ, বাসি, ব্র্যাড পিটকে।
আসলে, আমি এসেছি এটা দিতে।
কাল স্কুলের পরে এসো, বাসায় একা থাকবো।
নাদিয়া, নাদিয়া!
আমি অপেক্ষায় থাকবো।
দাঁড়ান! যেখানে আছো দাঁড়ান!
দাঁড়িয়ে থাকুন!
মাথার পেছনে হাত নিন! চালাকির চেষ্টা করবেন না!
টি শার্ট উচিয়ে ধরে ধীরে ধীরে এক পাক ঘুরুন।
মাথার পেছনে হাত নিন!
এবার এখানে আসুন!
- কোথায় যাচ্ছিলেন? - কাজে।
থাকেন কোথায়?
- ক্যাসিনোতে। - একটা ভাঁড়কে পেয়েছি আমরা।
আপনার পরিচয়পত্র?
- কোথায় ছিলেন? - আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে!
ওহ, রোমিও!
এগুলো কি?
মেয়েটার কি হাতের নখ বড়?
পেছনে ঘুরুন, পেছনে ঘুরুন।
একটা পাথর দেখতে পাচ্ছেন ওখানে? যান, গিয়ে দাড়ান ওখানে।
পাথরের ওপর বলেছি।
তোদের তামাশা কি শেষ হয়নি?
এক বাপের ছেলে হলে অস্ত্র ফেলে খালি হাতে আমার সাথে লড়।
ওখানেই দাড়া!
পাথরটা দেখতে পাচ্ছিস?
যা, ওটার ওপর দাড়া, তবে এবার এক পায়ে দাড়াবি।
- নাও। - আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, মালিক।
- আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুক। - তোমাকেও
আজ রাতেই কেন?
আজ নয় তো কখনোই নয়!
একমত।
তোর নাকের আবার কি হয়েছে?
বাইক থেকে পরে গিয়েছিলাম।
দিয়ারার জায়গায় কারিম বেনযামাকে বসানো হয়তো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল...
কিন্তু, মার্সেলোকে গোনার বাইরে ধরাটা ছিল সবচেয়ে ভুল পদক্ষেপ।
বুঝলাম না, ওর কোন যোগ্যতা দেখে ম্যানেজমেন্ট ওকে কোচ বানিয়েছিল!
- তুই নিজে পারোস তো আন্ডা! - চুপচাপ খা।
লবনটা দাও না?
লম্বা করে একটা শ্বাস নে, লক্ষ্যস্থির কর, তারপর শুট কর।
আমার বদলে তুই করলে ভালো হয় না?
আমরা আগেই আলোচনা করে নিয়েছিলাম, মনে আছে?
ওমর গাড়িটা চুরি করেছে, আমি পরিকল্পনা সাজিয়েছি, তোর কাজ হচ্ছে গুলি করা।
- আমি করবো গুলি? - না, এটা কোন এক্কাদোক্কা খেলা না।
তুই হচ্ছিস একজন মুক্তিকামী মানুষ, এত ভয় পেলে চলবে না।
ভালই মানিয়েছি।
- তারেক কোথায়? - তারেক কোথায়?
হয়েছে, এত সিরিয়াস হওয়ার কিছু নেই।
- খুব শীঘ্রই বিয়ে করবো তোমাকে। - প্রত্যেকবার একই কথা বলো তুমি।
না, এখন আমি সিরিয়াস। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজই তারেকের সাথে কথা বলবো।
আচ্ছা, তা মধুচন্দ্রিমায় আমাকে কোথায় নিয়ে যাবেন, সাহেব?
- মোজাম্বিক? - বাংলাদেশ কেন নয়?
তারা এমনিতেই অনেক সমস্যায় জর্জরিত, নতুন করে আবার তাদের কোন ঝামেলায় না ফেলি।
খালি মজা করে!
আচ্ছা, তো তুমি কি চাও আসলে?
বাংলাদেশে আছেটা কি?
ইলিশ...খুব ইচ্ছা অই মাছটার স্বাদ চেখে দেখার।
আচ্ছা, তো...
- প্যারিস হলে কেমন হয়? - প্যারিস নিয়ে কোন ধারনা নেই আমার।
এই ইদুরের গর্ত থেকে বের হয়ে শেষ কোথায় গিয়েছিলে বলো তো?
- হাবরন। - ওমা, তাই নাকি?!
আচ্ছা, তুমি কবে বের হয়েছিলে ইঁদুরের গর্ত থেকে?
দরকার নেই বের হওয়ার। আমার তুমি আছো।
- ভালোবাসা দেখছি চুয়ে চুয়ে পরছে! - মানে?
আমার অনেক স্বপ্ন, জানো? অনেকদিন আগে থেকে এই স্বপ্ন বুকে লালন করে এসেছি।
কি স্বপ্ন?
কি আবার, বিয়ে করবো। সন্তান হবে।
তুমি, আমি , বাচ্চাকাচ্চা। একটা সুখী পরিবার হবে আমাদের।
তোমার গালে একটু ময়লা দেখছি।
জানোস, আফ্রিকাতে শিকারীরা বানর ধরে কিভাবে?
বাওর ধরার জন্য শিকারীরা চিনির কিউব ব্যবহার করে। ওটা খেয়েই বানরের নেশায় মাথা টাল হয়ে যায়।
এর জন্য প্রথমে তারা খুব ছোট্ট একটা গর্ত করে সেখানে চিনির কিউবের টুকরো ফুলো রাখে।
বানর গুলো দল বেধে আসে, কিউবের গন্ধ শোকে, তারপর নেওয়ার জন্য গর্তে হাত ঢুকায়।
কিন্তু, গর্ত ছোট থাকার কারনে সে কিউব গুলো বের করতে পারে না।
হাত বাইরে আনতে হলে হাতের মুঠোয় কিউব গুলো ফেলে দিতেই হয়।
ততোক্ষনে শিকারীরা কাছাকাছি চলে আসে।
বেচারা বানর গুলো ফাদে আটকা পড়ে।
শিকারীরা যখন জাল ছুড়ে মারে, তখনো বানর গুলো কিউব নিয়ে ব্যস্ত থাকে?
এই বানর ধরার পরের কাহিনীটা কি?
দেশের প্রেসিডেন্ট তখন এই কাজের জন্য তখন পুরস্কার দেয়।
তুই যে নাম্বার ওয়ান ভোকচোদ আমি জানি।
ধুর, আমি কি করে জানবো বানর ধরে এরপর তারা কি করে?
- তারেক... - হুম?
- কি? - রুটিগুলোর স্বাদ কেমন বিশ্রি!
গতকালের রুটি আজকে দিয়েছে আর কি।
- ভাবছি, কোন খানে এবার থিতু হবো। - এত টাকা পাবি কোথা থেকে?
অনেকদিন থেকে বাড়ি বানানোর জন্য টাকা জমাচ্ছি আমি।
আপনারা পালান! পুলিশ এসেছে!
তোর সাথে আর কে কে আছে বল?
বল কে কে আছে তোর সাথে?
কে অই সৈন্যকে গুলি করেছে?
ভালোয় ভালোয় বলে ফেল!
নয়তো মেরে পিঠের ছাল তুলে ফেলবো।
কে মেরেছে অই সৈন্যকে?
তোর সাথে আর কে কে আছে?
নাক...
কি?
তোর নাক...
জোরে জোরে বল।
শোনা যায় না কথা।
নাক থেকে রক্ত মোছ।
আমিও
তাদের কাছে কোন প্রমান নেই। আমাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য তারা।
আমার জন্য একট অপেক্ষা করো, আমি শীঘ্রই আসছি তোমার কাছে।
ইহাব-ই-আব্দুল্লাহ, হামাস। কোন গ্রুপে তুমি?
আসসালামু আলাইকুম।
হাসান ইসমাইল, আল আকসা ব্রিগেড।
কোথাকার লোক তুমি?
কি অপরাধে তারা গ্রেফতার করেছে তোমাকে?
তোমাকে শুধু সতর্ক করতে এসেছি। চোখ কান খোলা রেখো।
আসছে দিনগুলো কিন্তু তেমন ভাল না। আশা করি জানো সেটা।
প্রথমে তারা তোমাকে কোন এক জায়গায় পাঠাবে।
সেখানে কোন একজন বন্দী থাকবে, তোমার সাথে বন্ধুত্ব করবে।
সে তার সব কাহিনী খুলে বলবে।
তাকে বিশ্বাস করে তুমিও তখন নিজের ভেতরের কথা উগড়ে দেবে।
এই জায়গাটাতেই সমস্যা, তার কাছে গোপন রেকর্ডার থাকবে।
কি করেছো কেন করেছো কিচ্ছু বলবে না কাউকে।
তোমার মুখ দিয়ে যতক্ষন না কিছু বেরুবে, তারা তোমাকে সাজা দিতে পারবে না।
একটা কথা ভাল করে শুনে রাখো...
যদি তারা তোমার ভেতরের কথা জেনে যায়...
তারা তোমার তো বটেই, তোমার পরিবারেরও ক্ষতি করবে।
তোমার চেনাজানা সবার জীবন নরক বানিয়ে দেব।
তাই, মরে গেলেও কিচ্ছু বলবে না কাউকে।
পেছন ফেরার আর কোন সুযোগ নেই।
বের হবার কোন পথ নেই এখান থেকে।
শুধু মৃত্যুই এদের হাত থেকে তোমাকে মুক্তি দিতে পারে।
আমি কাউকে কোন কিছুই বলবো না।
ভাল।
বেশ ভাল।
আমি কাউকে কোন কিছুই বলবো না।
এটাও কিন্তু এক প্রকার স্বীকারোক্তি, বিচারক এটা দ্বারা যে কোন সিদ্ধান্তে পৌছতে পারে।
- আপনি কি বলছেন বুঝতে পারছি না আমি। - তুমি ভালো করেই বুঝতে পারছো।
তোমার উকিলের সাথে কথা বলতে পারো।
দেখো, আমি তোমার জন্য কিছুই করতে পারবো না।
যদি না...
তুমি আমাদেরকে সাহায্য না করো।
ভাল করে ভেবে দেখো, সময় নাও।
মিলিটারি কোর্টে, আলাদা আদালত আছে।
আপনার অই কথাটাই আপনাকে সাজা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
কি সাজা হতে পারে আমার।
কমপক্ষে ৯০ বছর জেল তো হবেই।
No comments yet. Be the first to leave one.