121 baris pertama.
আপনার দোষ ছিল না।
স্যার...
কবির স্যার?
প্রিতপাল সিংয়ের খুনের ব্যাপারে কথা বলতে কেউ ভেতরে এসেছে।
আসতেছি।
উনি এখানে নতুন, মুম্বাই থেকে বদলি হয়ে এসেছেন। কবির সাওয়ান্ত উনার নাম।
স্যার...
স্যার, ইনি ডাক্তার আভিনাষ সাভারওয়াল। একজন সাইকিয়াট্রিস্ট।
দিল্লী পুলিশকে অনেক কেইসে সাহায্য করেছেন।
রাগ আর লালসা, রাবণের দশ মাথার দশ গুণের থেকে দুটো।
-এটাই তত্ত্ব/দর্শন। -রাবণ কেন?
বাইবেলেও তো আছে সাত পাপ...
অপহরণকারীও ভিডিওতে তাই বলেছিল।
রাগ এমন এক আগুন, যে এটাকে পুষবে...
রাগ তাকেই ছাই বানিয়ে দেবে।
আর এর মানে হচ্ছে যে, রাবণের দশ মাথা থেকে নাতাশা সবেমাত্র দ্বিতীয়টা ছিল।
বুঝতেছো এর মানে কি?
আরও আটটা।
আরও আটটা, আভা।
যদি আরও আটজন ভিক্টিম থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে যাওয়ারই সময় এটা।
দেখো, আমি ওদের সাথে অনেক কেইসে কাজ করেছি আর আমি জানি তারা কীভাবে কাজ করে।
পুলিশ আমার কাছে চলে আসে, এর আগে আমাকে তাদের কাছে যেতে হবে।
আমাকে এই তদন্তের অংশ হতে হবে।
যদি আমি এই তদন্তের একজন হয়ে যাই, তাহলে আমি ভেতরের সব তথ্য পেয়ে যাবো।
কিন্তু, সেটা করার জন্য, আভা, তোমাকে একটা কাজ করতে হবে।
প্রিতপাল সিংয়ের ওই ভিডিও, যেটা ভাইরাল হয়েছিল। আমিও সেটা দেখেছি।
আমার এক রোগী আছে...আচ্ছা, আসলে আপনারা ওকে আমার রোগী বলতে পারেন না,
কারণ আমাদের কখনো সামনাসামনি কথা হয়নি।
আমার ক্লিনিকের ল্যান্ডলাইনে তার কল আসে।
আমি নিশ্চিত নই, কিন্তু...আমার মনে হয় এই কেইসের সাথে ওর কোনো সম্পর্ক আছে।
-দেখুন, আমার ভুলও হতে পারে। কিন্তু এটা শুধু... -কী কথা হয়েছিল উনার সাথে?
প্রথম উনার ফোন এসেছিল তো,
সে আমাকে বলেছিল যে, ১০ জন ডাক্তারের কাছে হতাশ হওয়ার পর আমার কাছে পৌঁছেছে।
তার মনে হয় যে, হয়তো আমি ওর অবস্থা বুঝতে পারবো।
অনেক রাগে ছিল।
বারবার কোনো এক মিশন সম্পর্কে বলছিল।
সমাজ থেকে খারাপ দূর করার মিশন।
আমি চেয়েছিলাম ও যাতে এসে আমার সাথে দেখা করে, কিন্তু, ওই শেষ ফোন কলের পর আর যোগাযোগ হয়নি।
আমি তখন ক্লিনিকে ছিলাম আর আবারও ওর কল ল্যান্ডলাইনে এসেছিল।
এইবার, আগের মতো রাগী ছিল না।
সে আগের মতো আমাকে ন্যায় সম্পর্ক কথা শোনায়।
আর শেষের দিকে, কিছু এরকমটা বলেছে, যা আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে।
সমাজের প্রত্যেক নোংরাকে উনার নাকি ডাস্টবিনে পুঁতে মেরে ফেলা উচিত।
তার কাছে যখন তার ফোন নম্বর আর ঠিকানা চাইলাম তখন সে রেগে গেল।
বললো, আমিও নাকি অন্যসব ডাক্তারদের মতো।
সন্দেহপূর্ণ, বিচক্ষণতাপূর্ণ।
তারপর রাগে সে ফোন কেটে দেয়।
দেখুন স্যার, আমি জানি না লোকটা আসলে কে।
কিন্তু, আমার অভিজ্ঞতা থেকে এতটুকু বলতে পারি যে, সম্ভবত সেই'ই।
আর যেরকমটা মনে হচ্ছে, সে সহজে থামবে না।
আমি যেভাবে পারি সেভাবেই আপনাদেরকে সহযোগিতা করতে চাই।
কিন্ত, ওই কলম যেটা পুলিশের কাছে...
ওইটায় তোমার রক্ত আছে, না?
হাহ, আমি জানি।
দেখো, একবার এই কেইসের সাথে জুড়ে গেলে, সেটারও কিছু একটা করে নেবো।
শোনো এখন, শুধু তিন দিন বাকি আছে।
বলোনি...
তোয়ালে নাওনি।
সিয়া, সবদিকে টর্চ মেরে দেখো।
দেখা যাচ্ছে কিছু?
-দেখতে পাচ্ছো কিছু, দিয়া? -কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
একটু ভেতরে যাও, প্লিজ। খুব ভালো, খুব ভালো। শক্ত মেয়ে।
-দেখা যায় কিছু? -দেখা যাচ্ছে না।
চলে আসো, সিয়া। অনেক খেলেছো পানিতে এখন।
বাইরে চলে আসো।
সিয়া, নিচে নামো, নিচে নামো। খারাপ আংকেল চলে এসেছে।
দিদি, জলদি করো।
দিদি, জলদি করো। খারাপ আংকেল চলে আসবে।
না, না, না। স্ক্রু কোথায় গেল?
সিয়া...
সিয়া, প্লিজ স্ক্রুটা খুঁজো।
-পেয়েছ? -না।
পেয়েছ?
তুমি ভিতরে আসলে কীভাবে? আমাদের বাথরুম এটা।
দেখছ না গোসল করছে?
একটু দেখবে যে, স্যার কখন আসবে?
-ওই রোগীর রেকর্ড। -ওকে।
ম্যাগাজিনের লোকগীতির লোকেরা অনেক খুঁতখুঁতে।
এই, কথা হচ্ছে আমি একজন অপেশাদার,
আমি শুধু তিনমাসের ফটোগ্রাফির কোর্স করেছি।
ঠিক আছে, সেটার সিদ্ধান্ত আমাকে নিতে দাও।
ওহ, ভগবান! আমি জানি না। মানে...
কোথাও না কোথাও সতর্কবাণী তো আছেই,
এখন আমি বইতো লিখেই দিয়েছি, আমি আমার যৌন বিষয়ক কথা তো বলেই দিয়েছি।
আর তারপর আমি ভাবলাম, জানি না সমাজ কীভাবে নেবে।
আচ্ছা, সেটা ওদের সমস্যা। তোমার না।
যেরকম আছো সেরকমই থাকো।
ঠিক আছে, বলো। কী খাবে?
চা, কফি, হুইস্কি?
দয়া করে এসব জগাখিচুড়ি দেখে আমাকে বিচার করো না, ওকে?
আসলে, আমি প্রিয়াংকাকে প্রমিজ করেছিলাম, ওর পুরনো ছবি ডিজিটাইজ করে দেবো।
আর তারপর উত্তেজনায় চলে এসে আমার গুলোও করে নিলাম।
ওর ঘর ওর স্বাচ্ছন্দের জায়গা।
শুধু আমাকে বলো, যাইহোক। ঠিক আছে?
ভালো, খারাপ, কুৎসিত... যা মনে হবে বলে দেবে। ঠিক আছে? স্পষ্টভাষী হবে।
এই, এই ছবিগুলো যুক্ত করিনি এখনো।
দাদু, ২ মিনিট ওখানে দাঁড়াও, আমি আইসক্রিম খেয়ে আসছি।
একটা কোণ আইসক্রিম।
আরও একটা হাতল দাও, প্লিজ।
এখানে নতুন?
হাহ। আর তুমি এখানকার?
না, প্রত্যেক বছরের ছুটিতে দিল্লি থেকে এখানে আসি।
দাদু বাড়ি।
প্রিন্সিপাল মূর্তি বলেছেন, ছুটির সময় আমার কিছু একটা করা উচিত।
তারপর সে প্রতিদিন আইসক্রিম পার্লার আসতো আর আমি,
সন্ধ্যায় ওকে মল রোডে নিয়ে যেতাম।
কত্ত বড় স্কুল রে বাবা!
জানো, আমি কখনো বয়েজ হোস্টেল...ভেতর থেকে দেখিনি।
মেয়েদের যেতে দিবে না।
আর গার্লফ্রেন্ড কে?
আসো, যাই। কোন দিকে?
যতদূর আমার ভালোভাবে মনে আছে, সে খুব আত্মবিশ্বাসী ছিল তখন, বুদ্ধিমান...স্মার্ট।
আমি জানি না...মানে, ছুটি শেষ হয়ে গিয়েছিল, তারপর সে দিল্লী ফিরে যায়। পুরনায় আর কখনো ওকে দেখিনি।
নাতাশা।
ডিএনএ রিপোর্ট এখনো পাইনি কেন আমরা?
এই ফাইলের দুইটা কপি করে নিজেরা নিন।
আর অভিনাষের সাথে ওই লোকের যে কথা হয়েছিল,
সেটা এতবার পড়েন যে, মনের মধ্যে গেঁথে যায়।
আর দিল্লী ও দিল্লীর আশেপাশে যত সাইকিয়াট্রিস্ট আছে ওদের তালিকা বের করে,
ওদেরকে কল দিন।
আর খোঁজ নিন, ওদেরকেও এরকম কোনো লোক ফোন করে কি না যে আমাদের প্রোফাইলের সাথে মিলে।
No comments yet. Be the first to leave one.