200 baris pertama.
আব্রাহাম ওজলার ভাষা : মালয়ালম রানটাইম : ০২:২২:৫১
বেন ১০-এর মত পোজ নাও, ওজলার!
তোমাকে বেন১০-এর মতন নয়, বরং বোকার মতন লাগছে।
ধুর!
পরবর্তী পোজ!
সঠিকভাবে পোজ নাও, ওজলার।
সোনা, এবার বাবাকে একটু বিশ্রাম নিতে দাও।
আমি এতক্ষণ গাড়ি চালানোর পর ক্লান্ত।
ওজলার, তক্ষক সর্পের গল্প সম্পূর্ণ করো। প্লিজ!
আমি তোমাকে অনেকদিন ধরেই বলছি।
ঋষি শ্রীঙ্গী রাজা পরীক্ষিতকে অভিশাপ দেন,
যে সে সাত দিনের মধ্যে সাপের কামড়ে মারা যাবে।
রাজা সত্যিই ভয় পেয়ে গেলেন।
তাই, তিনি একটি হ্রদের মাঝখানে একটি টাওয়ার তৈরি করে বসবাস শুরু করলেন।
তারপর?
সাত দিন কেটে গেল।
সপ্তম দিনে, সূর্যাস্তের আগে,
কিছু ঋষি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন।
তারা রাজার জন্য কিছু ফল এনেছিলেন। রাজা সেগুলির মধ্যে একটি বেছে নিলেন।
রাজার অজান্তেই...
সেই ফলের ভিতর তক্ষক সর্প, একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গের আকারে...
লুকিয়ে ছিল।
উহু!
-ওজলার ! - হ্যাঁ!
এই গল্পের নৈতিক শিক্ষা কি?
নৈতিক...
আচ্ছা...
- এখন কে ডাকছে, ওজলার? - এখানে কোন সিগনাল নেই, তাই না?
- আনিশা! - এখানে কে ফোন করছে?
- তুমি কি কাউকে আমাদের এখানে আসার কথা বলেছিলে? - না।
নিশ্চয়ই তত্ত্বাবধায়ক পালানি বলেছে।
এখানে সবকিছু ঠিক আছে কিনা জানতেই হয়তো সে ফোন করছে।
- তাহলে, নৈতিক শিক্ষা? - নৈতিক...
- কোন নৈতিকতা নেই? - হ্যাঁ, তা আছে।
আমি তাকে ফোনটা দিচ্ছি।
- কে? - তোমার জন্য, ওজলার।
- হ্যালো? - হ্যালো!
স্যার, আমি মুন্নার থানা থেকে ফোন করছি।
আপনার অফিস থেকে আমরা শুনেছি, আপনি এখানে আছেন।
আমি জানি, আপনি ছুটিতে আছেন।
কিন্তু আমাদের অন্য কোন বিকল্প না থাকায় আপনাকে কষ্ট দিচ্ছি।
কি ব্যাপার?
এখানে একটি ট্যুরিস্ট কটেজে দুটো খুন হয়েছে, স্যার।
দুই ব্রিটিশ নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে।
এখান থেকে মৃতদেহ সরিয়ে নেওয়ার আগে...
আপনাকে একবার এসে দেখতেই হবে, স্যার।
এমনকি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এর সাথে জড়িত, স্যার।
সুতরাং, আমাদের খুব সুনির্দিষ্টভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্যার, প্লিজ।
আমি আসবো।
চাকরি ডাকছে?
হ্যাঁ!
আমাকে আধ ঘন্টা সময় দাও।
যতক্ষণে তুমি জিনিসপত্র বার করে গোছাবে,
ওজলার তার মধ্যেই ফিরে আসবে।
তুমি কি করছো, রবি?
দুই দিন! মাত্র দুদিন!
আমি এই হাই রেঞ্জ এলাকায় একটি ঘর ভাড়া করেছিলাম,
যাতে আমার স্ত্রী এবং সন্তানের সাথে কিছু মধুর সময় কাটাতে পারি।
এবং অবতরণের সাথে সাথে, আমি স্থানীয় থানা থেকে একটি ফোন পেয়েছি,
আমাকে সেখানে অবিলম্বে যেতে বলছে।
কে তোমাকে আমার কটেজের ফোন নম্বর তাদের দিতে বলেছে?
আমরা কাউকে ফোন নম্বর দিই নি, স্যার।
আমাদের কাছে আপনার নম্বরও কেউ চায় নি।
তাছাড়া, আপনি আমাদের বলেন নি, কোথায় যাচ্ছেন।
হ্যালো?
হ্যালো, স্যার?
হ্যালো?
সোনা...
জেনি !
আনিশা!
আনিশা!
সোনা...
জেনি, সোনা...
জেনি...
আনিশা!
জেনি...
সোনা!
আমার লুকানোর কিছু নেই, স্যার।
আমি সবকিছু স্বীকার করতে চাই।
গত চার-পাঁচ দিন ধরে আমি দৌড়ে বেড়াচ্ছি।
আমি সেই রোমাঞ্চ...
হারিয়ে ফেলেছি।
আমি আমার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশুনার মাঝখানে ছিলাম,
যখন ওজলার স্যার আমাকে গ্রেফতার করেছিলেন।
আমি মাদকের বাহক ছিলাম।
যদিও আমি তাকে অনুরোধ করেছিলাম,
স্যার এগিয়ে যান এবং মামলা রুজু করেন।
পাঁচ বছর জেলে কাটিয়েছি।
এটা আমার ভবিষ্যৎ এবং আমার পরিবারের সম্মান...
ধ্বংস করে দিয়েছে।
প্রতিশোধ নেওয়া ছাড়া,
আমার আর কিছু করার ছিল না।
আমি কিছুদিন ওজলার স্যারকে অনুসরণ করি।
অবশেষে,
আমি মুন্নারে তাকে একা পেয়েছিলাম।
আমি কুটির থেকে তার স্ত্রী এবং মেয়েকে অপহরণ করেছিলাম।
আমি নাইট্রোসুন ভ্রমণে ছিলাম।
আমি জঙ্গলের মধ্যে তাদের টুকরো টুকরো করে কাটি,
এবং সেই টুকরোগুলোকে প্লাস্টিকে দিয়ে মোড়াই। এইটুকু মনে আছে,
আমি অন্য কোথাও সেগুলোকে পুঁতে দিয়েছিলাম।
আমি বোধের বাইরে ছিলাম।
এবং আপনি যখন আমাকে গ্রেপ্তার করেছিলেন, তখনই...
আমি আমার জ্ঞান ফিরে পাই।
ভিনীত, কেয়ারটেকার পালানি কটেজের কাছে তোমার গাড়ি দেখেছিল ,
সে এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর আমাদের জানায়।
এটা ব্যবহার করে, আমরা তোমার ফোন ট্রেস করেছি।
আমরা তোমার অবস্থান খুঁজে পেয়েছি।
তোমার গাড়ি থেকে ওজলারের স্ত্রী এবং কন্যার রক্তমাখা কাপড় খুঁজে পেয়েছি,
সঙ্গে একটি রক্তমাখা ম্যাশেটি এবং একটি কুঠারও পেয়েছি।
ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে, আমরা বুঝতে পেরেছি যে তুমি সত্য বলছো।
কিন্তু মনে করার চেষ্টা করো, কোথায় তাদের পুঁতেছো। আমাদের সেটা বলো।
স্যার...
আমরা তো অনেক জায়গা খুঁড়েছি, তাই না?
আমি শপথ করছি! আমার কিছুই মনে নেই।
সেই রাতে,
আমি ড্রাগের একটি ভারী ডোজ নিয়েছিলাম।
সত্যি বলছি, মনে নেই।
স্যার...
আপনি আমাকে কি একটা জয়েন্ট দিতে পারেন?
আমার মাথা ফেটে যাচ্ছে, স্যার।
অথবা, আমাকে একটি আসক্তি মুক্ত কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারেন?
প্লিজ, স্যার।
প্লিজ!
মনে হয়, প্রসাদ স্যার তোমার প্রতি অত্যন্ত সদয়।
ইউনিফর্ম পরতে হবে না, চুল কাটতে হবে না...
তোমাকে শুধু প্রতিদিন অফিসে উপস্থিত হতে হবে।
এবং সেখানকার তত্ত্বাবধান করতে হবে।
এবং তোমার বেতন দ্রুত পেয়ে যাবে।
এটা চিত্তাকর্ষক!
আমি চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
কিন্তু আমার বস আমাকে অনুমতি দেননি।
আপনার বিষণ্নতার তীব্রতা কমছে না,
প্রকৃতপক্ষে, তা প্রতিদিন বাড়ছে।
আমরা দুজনেই এর পিছনের কারণ সম্পর্কে সচেতন।
তুমি এখনও তোমার স্ত্রী এবং কন্যার অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাও নি।
তাদের জন্য সঠিক নিয়মপালন... যথাযথ সমাধি...
তুমি এখনো করে উঠতে পারো নি।
কিন্তু... ভাগ্য আমাদের বিপক্ষে।
শুধুমাত্র যদি তুমি তোমার অতীতের সাথে সমঝোতা করতে পারো,
হয়তো তুমি তোমার অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাবে।
এত বড় ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির মধ্যে দিয়ে যারা গেছে, হয় বরবাদ হয়ে গেছে,
নয়তো নিজেদের এই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে পেরেছে।
তারা সবাই একটাই মন্ত্র যুগ যুগ ধরে অনুসরণ করে আসছে।
এগিয়ে চলো!
আরে! তোমার অনিদ্রা এখন ক্রনিকে পরিণত হয়েছে।
তুমি এমনকি হ্যালুসিনেশন করতে শুরু করেছো।
যেহেতু তুমি ওষুধ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তে অবিচল,
তাহলে, অন্য কিছু করা যাক।
মনোবিজ্ঞান থেকে বেরিয়ে এসে শরীরবিজ্ঞানে মনোনিবেশ করা যাক।
নিজেকে যতটা সম্ভব কঠিন শারীরিক শ্রমে নিয়োজিত রাখো।
এটা যে কোন কাজ হতে পারে। এর ফলে, তোমার শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়বে।
একটা সময়ের পরে,
শরীর নিজেই কর্মক্ষমতা বন্ধ করবে।
তুমি অন্তত একটু ঘুমাতে পারবে,
অন্তত চেষ্টা করে দেখা যাক।
ওজলার,
আমি এখন তোমার সাথে কথা বলতে যাচ্ছি,
একজন বন্ধু হিসাবে যে তোমার জন্য চিন্তা করে।
গত তিন বছরে তীব্র হতাশা এবং অনিদ্রা,
তোমার শরীরকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।
তোমার মধ্যে অকাল বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
জীবনকে আলিঙ্গন করো এবং ফিরে এসো!
জীবনের একটা লক্ষ্য খুঁজে বার করো।
কোথায় ঘুরে বেড়াচ্ছো?
তোমাকে একটা জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে তো?
সেখানে বসতে পারছো না?
মাথা খারাপ করে দিচ্ছে!
- তুমি যাও! - আরে! স্যার এসেছেন।
কেন নিজের গাঁটের কড়ি খরচ করে তাকে খাওয়ান, স্যার?
- কতদিন হয়ে গেল, তাই না? - হ্যাঁ।
বেচারা!
আমি জানি আপনি সত্যিই বিরক্ত, স্যার।
কিন্তু...
আমি শপথ করছি, আমার কিছুই মনে নেই।
আপনার স্ত্রী ও সন্তানকে যখন অপহরণ করেছিলাম, আমার হুঁশ ছিল না।
আপনার স্ত্রী এবং কন্যাকে অপহরণের পর,
আমি কমপক্ষে ১০-১৫টি নাইট্রোসান বড়ি সেবন করেছিলাম।
আমার মাথায় তখন শয়তান ভর করেছিল।
সবকিছুর পরে,
যখন পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে,
কি এবং কোথায় হয়েছিল ,
হঠাৎ করেই অনেক কিছু ভুলে গেলাম।
স্যার...
আপনি যতবারই আমাকে জিজ্ঞাসা করুন না কেন,
কিন্তু বলার মত আমার কিছুই মনে নেই।
দীর্ঘস্থায়ী ড্রাগ ব্যবহারের এটাই পরবর্তী প্রভাব।
আপনি যখন আমাকে এই খাবার কিনে খাওয়ান,
আমার খুব আফসোস হয়।
কিন্তু...
স্যার...
প্রতি মাসে আপনি আমার জন্য যে এই হোটেলের খাবার আনেন...
এটাই বাইরের বিশ্বের সাথে আমার একমাত্র সংযোগ।
তারা ফ্রন্ট-এন্ড এবং ব্যাক-এন্ডের ব্যাপারে এখনও আলোচনাও করে নি।
এবং এখনো...
এমনকি আমার দলের সদস্যরাও বেশ খারাপ!
ফ্রন্ট-এন্ড যাই হোক না কেন,
আমি নূতন ব্যাচের ছেলেদের সামলে নেবো।
আমরা কিরকম মজা করতাম, এইসব ছেলেরা তা থোড়াই জানে।
সেলস ফোর্স প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরেও...
No comments yet. Be the first to leave one.