Informasi rilis

Bad Guys E03 WebRip 540p x264
Bad Guys E03 WebRip 720p x264
Bad Guys E03 WebRip Bengali Subtitle
Bad Guys E03 WebRip বাংলা সাবটাইটেল
Komentar oleh ArRmaN
❤💙 কোরিয়ান এই অ্যাকশন-ক্রাইম-থ্রিলার ড্রামাটি উপভোগ করুন বাংলা সাবটাইটেলের সাথে। 💙❤ ││ ⛔ ড্রামা ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে। ⛔ ││ 💜 ফেসবুকে আমাদের গ্রুপ: কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট 💜

Tag

webrip
web
BRip
x264
720p
720
Diterbitkan pada: 2020-04-06
Unduhan: 44
Tuna Rungu: No

Pratinjau subtitle Bengali

200 baris pertama.

BAD GUYS

অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ

BAD GUYS

১১২ থেকে বলছি। কী প্রয়োজন?

আমি কিডন্যাপ হয়েছি।

গুমদাং মোড়ের কাছে একটা বাড়িতে আছি।

কে করেছে?

কিছু লোক।

জলদি আসুন, প্লিজ।

আরেকবার বলুন, আপনি ঠিক কোথায় আছেন?

আসলে, আছি...

গুমদাং মোড়ের কাছে একটা বাড়িতে। আশা গির্জার পাশেই।

শান্ত হোন। আরেকবার বলতে পারেন?

দরজা লক করে দিয়েছি।

জলদি আসুন, প্লিজ। জলদি আসুন।

কী হলো? হ্যালো? হ্যালো? ঠিক আছেন?

ব্যস্ততার মাঝেও খেতে হবে।

যে ক্রিমিনালদের আমরা ধাওয়া করছি,

ওরা হয়তো প্রতিবেলায় মাংস খাচ্ছে।

নাও।

খাও একটা! সকালে আপেল খাওয়া ভালো।

জি। খুশিমনে খাচ্ছি, স্যার।

সকালে আপেল খাওয়া ভালো কেন জানো?

সকালে আপেল খেলে, হজমশক্তি বাড়ে।

আপনি খোসা ছাড়িয়ে দেয়ায়, আরও বেশি সুস্বাদু লাগছে।

তাই নাকি? খাও তবে।

গলা পর্যন্ত খাও...

আর যত খাও তত হাগো।

কী বলছেন বুঝতে পারছি না।

জনগণের কষ্টের টাকায় মাইনে পেলে,

গু হোক বা সয়াবিন পেস্ট হোক,

কিছু একটা তো দেখাতে হবে!

খুবই দুঃখিত, স্যার। অতিসত্বর ঠিক করে ফেলা হবে।

৪ ঘন্টা!

তোমার স্টেশন ৪ ঘন্টা নষ্ট করতে করতে,

হারামীটা ভিক্টিমকে মেরে সিন থেকে পালিয়েছে।

তোমার লোকেরা সময়মতো সেখানে পৌঁছলে খুনি ধরা পড়তো,

আর মহিলাটাও মরতো না!

এলাকার লোকেদের ভাষ্যমতে,

সেখানে অহরহ খুন হয়,

আর ওখানে কালোবাজারিদের আস্তানা গাড়ার গুজব আছে,

যার ফলে সিনে যাওয়াটা কষ্টসাধ্য।

কষ্টসাধ্য?

তুমি... তুমি বলছো এই কথা?

বের হও।

বের হতে বললাম!

জি, স্যার!

আমি।

পাগলা কুকুরদের,

আবার ছেড়ে দাও।

- ভালো আছো? - আছি বৈকি।

কাঁধ, নাড়াতে পারছো?

হ্যাঁ। চামচ তুলতে পারি।

হারামী... চাঙ্গা আছো দেখি।

নেতিয়ে পড়বো কেন?

রেগে আছো, তাই না?

রাগ?

ওটা বেশি হয়ে যায়। আমি রাগি না।

শুধু মারি।

তাহলে, আমাকে মারবে?

তে-সু, জীবনে ইউ-টার্ন নিও না।

ইউ-টার্ন নিলে, হেরে গিয়ে মরবে। এটাই জীবন।

জীবন আমার, আপনি ভাগুন।

এসেছেন কেন?

কথা রাখতে।

কথা রাখতে? শালার কাহিনী।

আপনি আমাকে এখানে পুরেছেন আবার।

এখন আবার বের করতে এসেছেন? আপনার ক্রেডিট কার্ড আমি?

যখন ইচ্ছা ঢোকাচ্ছেন, বের করছেন।

এমনিতেও আসবে, এত কাহিনী করো না।

কাহিনী?

আবার বলুন তো।

আসতে চাইলে আসো, মুখে চালিয়ো না, হারামী শালা।

ওই হাতে দিয়ে কত লোক মেরেছো?

যত জনকে মেরেছো তত জনকে বাঁচাও।

ওই হাত দিয়েই।

তবেই ছাড়া পাবে।

লি জুং-মুন, জানো তো,

তোমাকে বুঝতে পারছি না।

এই মুহূর্তে, ঠিক কী ভাবছো?

তোমাকে বুঝার চেয়ে সন্ন্যাসীকে মাংস খাওয়ানো সহজ।

তো আমাদের সাথে আছো নাকি নেই?

আমার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কখনো?

শুরু থেকেই তো সিদ্ধান্ত আপনি নেন।

আমি কখনো নিইনি।

আপনার কথাই শুনেছি কেবল।

'হ্যাঁ' ধরে নিচ্ছি।

জানতে চাচ্ছিলেন কী ভাবছি।

মজার ব্যাপার কী জানেন?

যতবারই আপনাকে দেখি,

আমিও একই কথা ভাবি...

আপনি কী ভাবছেন?

বাবা, কী ভাবছো?

হুমম?

- বললাম কী ভাবছো। - হুমম।

আমার মেয়ে দেশের বাইরে পড়তে গেলে,

আমার জন্য কে রান্না করবে, কাপড় ধুয়ে দিবে কে,

ঝাড়পোঁছ করবে কে? এসব আরকি।

আমি তোমার মেয়ে, কাজের বেটি না!

মেয়ে আমার মানিয়ে নিতে পারবে তো? সময়মতো খাবে তো?

কোনো খারাপ ছেলের খপ্পরে পড়ে কষ্ট পেলে?

এসব ভাবা উচিত।

আমার মেয়েকে কেউ কষ্ট দিলে, ওকে ভুগতে হবে,

খোঁড়া করে দেবো না!

ওকে পেটাবে তুমি?

তুমি পুলিশ না। মাস্তান, মাস্তান।

কেউ তোমাকে বিয়ে করবে না।

- আবার বিয়ে করবো না বলেছি। - করো না প্লিজ!

কোনো সুন্দরী, সেক্সি মহিলাকে খুঁজে নাও। তার সাথে রেস্টুরেন্টে আর মুভি দেখতে যাও।

সত্যি বলছি, ডেটে যাও না।

আর আমি বলি, আমি কোনো সুন্দরী, সেক্সি মহিলাকে চাই না।

আমার মেয়ে সুন্দরী আর সেক্সি হলেই হবে। আর আমার ডেটে যাওয়ার চেয়ে,

আমার মেয়ের কোনো ভালো ছেলের সাথে রেস্টুরেন্টে আর মুভি দেখতে যাওয়াটা বেশি ভালো হবে।

বাবা, তুমি...

কেন? খুশি হয়ে আমার সাথে থেকে যাবি নাকি?

না, তা না।

- থাকবো না! - এই, এই, এই!

বাবাকে এরকম কথা বলিস না, মেয়ে...

যাকগে, তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরিস।

ডিনারে তোর প্রিয় ডিশ স্পাইসি স্ট্যু বানাবো।

সত্যি?

সেদিন রাতে, মেয়ে ওহ জি-ইয়ন খুন হয়,

সেজন্যই কাজটা করেছেন?

আমরা এখানে ডিটেকটিভ ওহ গু-তাকের সাসপেনশন ও শাস্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে এসেছি।

সাসপেনশন ও শাস্তির ব্যাপারে আপনার আপত্তি আছে?

আপত্তি আছে কিনা জিজ্ঞেস করছি।

আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করি।

আমরা মানুষ নাকি জানোয়ার?

যাদেরকে আমাদের ধরা প্রয়োজন তারা হলো জানোয়ার।

তাহলে, আমরা কী?

মানুষের রূপে ধরতে গেলে, জানোয়ারের হাতে শিকার হচ্ছি।

জানোয়ারের রূপে ধরতে গেলে,

আপনার মতো নামধারী মানুষরা আমাদের জেলে পুরে দিতে চাচ্ছে।

কী করতে বলেন?

আপনার মাঝে কোনো অনুতাপ নেই, ডিটেকটিভ ওহ গু-তাক।

অনুতাপ...

থাকলে ভালো হতো। সাসপেন্ড হতাম না।

কিন্তু জানেন তো,

আমার মতো কারো অনুতপ্ত হতে নেই। যতক্ষণ না,

জি ইয়নের খুনি হারামীকে ধরছি।

আসবে? লোকগুলো?

না আসলে, কী করবে? আসবে, ১০০%

১০০%? এত নিশ্চিত হচ্ছেন কীভাবে?

ওরা আশার স্বাদ পেয়েছে। আর আশা হলো ড্রাগের মতো।

শিকারের জন্য তৈরি?

এখন থেকে তোমরা সউল মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের লোক।

যেসব কেস পুলিশ সমাধা করতে পারে না সেসব সমাধা করাই এই ডিভিশনের কাজ,

ব্যক্তিগত কারণে।

আমাদের কর্মকাণ্ড, সাথে তোমাদের, সব একেবারে গোপন থাকবে।

একটা ক্রিমিনালকে ধরার পর, তোমরা জেলে ফিরে যাবে।

তবে, নতুন অর্ডার আসলে, তোমরা আবার কাজে নামবে।

ক্রিমিনাল ধরবে, সাজা কমাবে।

আর সাজা মুক্ত হলে, কথামতো ছাড়া পেয়ে যাবে।

স্বাধীন হলে,

কিছু পাওয়ার চেয়ে যা আছে তা রক্ষা করা কঠিন।

পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি বলে, সেটা তোমাদের রক্ষা করতে হবে।

নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করো।

আর সেজন্য, সমাজকে ধ্বংস করা হারামীদের শিকার করো।

নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে ওদের স্বাধীনতা কেড়ে নাও।

বুঝেছো?

এখন, ক্রাইম সিনে যাও। ইন্সপেক্টর ইও।

চলো।

ওই মহিলাটা, কোথায় এখন?

- হাসপাতালে। - কোন হাসপাতালে?

কেসটা সমাধা হলে বলবো।

কেমন আছে?

এমন ঘটনার পর কীভাবে ভালো থাকে?

ও মরলে,

আপনিও মরবেন।

ভিক্টিমের নাম শিন সো-জুং, বয়স ২৪, কলেজ পড়ুয়া।

২ দিন আগে, ২৬শে জুলাই রাত ২টার দিকে,

পার্ট-টাইম জব থেকে সে বাসায় ফিরছিল।

গুমদাং ৪-গিল রাস্তায় আসে।

তখনই!

কিডন্যাপ থেকে বন্দী করা পর্যন্ত ৩ মিনিট লেগেছিল।

যার অর্থ দুটি,

এক, ক্রিমিনাল তার বাসা থেকে ভিক্টিমের উপর নজর রাখছিল।

দুই, এটা ওর প্রথম কাজ নয়।

ক্রিমিনাল ভিক্টিমকে ওর রুমে নিয়ে বন্দী করে।

পিটুনি খেয়ে, ভিক্টিম সম্ভবত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

পরবর্তী কাজের জোগাড়যন্ত্র করতে ক্রিমিনাল চলে যায়।

গলাকাটা খুন?

কিন্তু একটা অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে।

ভিক্টিম জ্ঞান ফিরে পেয়ে, দরজা লক করে পুলিশে কল দেয়।

গুমদাং মোড়ের কাছে একটা বাড়িতে আছি।

আমি কিডন্যাপ হয়েছি।

দরজা লক করে দিয়েছি, কিন্তু লোকটা...

জলদি আসুন, প্লিজ। জলদি আসুন!

ক্রিমিনাল জেনে যায়, আর দরজা ভেঙে ঢুকে,

ভিক্টিমকে ঘায়েল করে,

তারপর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে খুন করে।

আমাকে ছেড়ে দিন।

লীজ রেকর্ড অনুযায়ী, আমরা এখন পর্যন্ত এতটুকুই জানি।

ইয়াং সি-ছল, জন্ম গুমিতে, বয়স ৩৭।

ইয়াং সি-ছল ভিক্টিমের বডিকে ৩০০ টুকরো করে,

তারপর এখান থেকে চলে যায়।

ইয়াং সি-ছলকে ধরাই

তোমাদের একমাত্র কাজ।

সহজ কাজ, ওর নাম তো জানি।

কয় বছর?

Komentar

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left