200 baris pertama.
তোমা r তোমার আরও উন্মুক্ত সভায় যাওয়া উচিত।
এখান থেকে ডানে।
ব্যস, এখানেই।
কিন্তু, এটা বেশিই আক্ষরিক হয়ে গেল না?
সত্যিসত্যিই। এক অজুহাত দিয়ে এটা ব্যবহার করতাম না।
কীভাবে এসব ম্যানেজ করে নাও?
এটা?
বামে চাপলে বামে ঘুরবে, ডানে চাপলে ডানে ঘুরবে।
এরকম আচরণ করো যেন কিছুই হয়নি।
দেখো, এটা কোনো অভিনয় না।
আমার জীবনের নাটকগুলোকে মুখোশ পরানোর জন্যে এক বিশাল উদ্যমী ভঙ্গি।
কিন্তু, সামনে অচল অবস্থায়ও একটা রাস্তা তো আছে।
হাই, বাবা।
তো, আমি দীপককে বলে দিয়েছি। কাল সকালে সে টায়ার পাল্টে দেবে।
হ্যালো, কবির স্যার।
জলদি বলুন, ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে যাবে।
স্যার, ডি এন এর সংবাদ দেখুন, আরও একটা খুন হয়ে গেছে।
এইবার একটা মেয়ে।
-থামুন। -আরে...
স্যার, স্যার, কী চান?
ক্রাইম ব্রাঞ্চ, টিভি চালু করুন।
-ডিএন নিউজ। -স্যার, কীভাবে দেখবেন?
এইচডিতে দেখবেন নাকি ইউএইচডি?
ঠিক আছে, স্যার। আমি চালু করছি।
কেবলই আমাদের চ্যানেল এক উত্তেজনাকর ভিডিও পেয়েছে।
প্রিতপাল সিং এর ভিডিওর মতো,
এই ভিডিওটিও ভিক্টিমের ফোন থেকে রেকর্ড করে আমাদের চ্যানেলকে পাঠানো হয়েছে।
কে এই আরতি, যে এই মেয়েটিকে এত নিষ্ঠুরভাবে মারছে?
আসলে, এসব কী হচ্ছে?
প্রথমে প্রিতপাল সিং, আর এখন এই মেয়ে।
থামো! প্লিজ! প্লিজ! আমাকে যেতে দাও। আরতি...
আমি কী করেছি, আরতি? দয়া করে যেতে দাও আমাকে।
প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ...আমাকে যেতে দাও!
অনুবাদে ও সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব। কন্টাক্টঃ FR Shozib
আজকের তাজা খবর,
প্রিতপাল সিং এর ভিডিওর মতোই এই ভিডিও,
ভিক্টিমের ফোনে রেকর্ড করে,
নিউজ চ্যানেলকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
আসলে, এমন কী রকম শত্রুতা ছিল যার পরিণাম এমন হয়েছে?
আসলে এসব হচ্ছেটা কী? প্রথমে প্রিতপাল সিং আর এখন এই মেয়ে।
-এটা কোন ধরণের পাগলামি আচরণ? -আরতি, দয়া করে খুলে দাও।
কে এই মেয়ে আরতি, যে এই মেয়েটাকে এত নিষ্ঠুরভাবে মারছে?
এটা ওই'ই, স্যার। একই কার্যকলাপ।
ভিক্টিমের খুনের ভিডিও ওরই মোবাইল দিয়ে শ্যুট করে নিউজ চ্যানেলকে পাঠিয়ে দিয়েছে।
পার্থক্য শুধু এইটুকু, এইবার চ্যানেলটা ভিন্ন।
এটা কীভাবে বলো? আগেরবার দিল্লীর আর এটা জোধপুরের।
নাতাশা গারেওয়াল, দিল্লীর মেয়ে।
জোধপুর কোনো কাজে যাচ্ছিল, স্যার।
কিন্তু, আমি এতটা বিশ্বাসের সাথে বলতে পারি, দুই খুনে কোথাও সম্পর্ক আছে।
আর তারা বলেছে, এই ভিডিও আসার আগে তারা আরও একটা ভিডিও পেয়েছে।
-একই নম্বর থেকে। -কী ছিল ওই ভিডিওতে?
কয়েক সেকেন্ডের হবে, স্যার। পুরোটাই ঝাপসা।
তুমি ওই ভিডিও দেখেছ?
দেখতে যাচ্ছি।
কিন্তু কেইস তো জোধপুর অঞ্চলে পরে।
আমরা কেন মাথা ঢুকাবো?
কেইস দিল্লীর আন্ডারে, মেয়েটাও দিল্লীর।
এটা আমাদের কেইস।
ইন্সপেক্টর সাওয়ান্ত, আমার মনে হয় তুমি জানো যে, আমরা কোনো পুলিশি পরিচালনায়,
কোনো রীতিনীতি বা কার্যপ্রণালী ব্যতীত মাথা ঢুকাতে পারি না....
ম্যাম, রীতিনীতি আর কার্যপ্রণালির চক্করে ফেঁসে গেলে,
খুনী পালিয়ে যাবে। আর আমি জানি আপনি এটা চাইবেন না।
স্যার, আমার জোধপুর যাওয়াটা খুবই অনিবার্য, বাকিটা আপনার কল এর উপর।
কবির, আমার মতে তুমিই ঠিক।
ম্যাম।
তুমি কী ভাবছো, জেবা?
এইতো, আপনি ওকে একটু বেশি দৌড়াচ্ছেন না?
আশা করি সে যাত্রা শেষ করে ফিরুক।
আরতি, কী করছো তুমি? কী হচ্ছে এসব....
স্যার, এই ভিডিও এখানে থেমেছে, আর এখান থেকে শুরু হয়েছে।
এর আগের ভিডিওটা দেখাও।
দাঁড়াও। আবার আগে থেকে।
পিছনে, পিছনে।
সানওয়ে হাভেলি
সানওয়ে হাভেলি।
-ওকে। -দয়া করে কিছু করুন।
স্যার, সানওয়ে হাভেলি হাইওয়েতেই।
এখান থেকে প্রায় ১৫০ কিঃমিঃ দূরে।
হোটেলের ম্যানেজারের সাথে কথা হয়েছে আমার। নাতাশা গারেওয়াল রাতের বেলা ওখানেই ছিল।
আসো।
আর দেখবেন, ওখানকার স্থানীয় পুলিশ যাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটাকে কলুষিত না করে।
-জেপি? -জ্বী, স্যার।
দিল্লী আর জোধপুরের রাস্তায় যতগুলো সিসিটিভি ক্যামেরা আছে,
টোল, পেট্রোল পাম্প, রেঁস্তোরা, হোটেল সবগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ চাই।
আর জলদি তৈরী হয়ে যান। হোটেলের উদ্দেশ্য বের হবো আমরা।
-হ্যাঁ। -রোড দিয়ে।
স্যার, স্যার...
স্যার, আমি বলছিলাম যে, অভিনাষ স্যার বলেছিল, আরও খুন হতে পারে।
-স্যার, উনাকেও আমাদের সাথে নিয়ে নিই? -হ্যাঁ বলো?
না, স্যার...উনি...মনে হলো... উনি অনেক ঘটনাস্থলে আমাদের সাহায্য করেছেন।
তো, উনি অভিজ্ঞ। কিন্তু, আপনার সিদ্ধান্ত, স্যার।
কিন্তু, ওরা হোটেল সম্পর্কে জেনে গেছে।
মি. প্রকাশ, দাঁড়ান এখানে।
-এটাই কি? -হ্যাঁ, এটাই সানওয়ে হাভেলি।
আসুন।
কোথায় আপনি, প্রকাশ?
-আসতেছি, আসতেছি। -জলদি।
যান, স্যার। কামড়াবে না।
তুমি জানো সে কামড়াবে না। আমি জানি সে কামড়াবে না।
কিন্তু, কুকুরটা কি জানে যে সে কামড়াবে না? নিয়ে যাও এখান থেকে।
স্যার, সহজে সে কারও সাথে বন্ধুত্ব করে না।
আগে কখনো এখানে এসেছেন আপনি?
স্যার, সিসিটিভি তো পুরো হোটেলের কোথাও নেই।
আর স্যার, সত্যি বলছি... আমি অন্য মেয়েটার আইডি নেই'ই নি।
কারণ হচ্ছে, উনি আমাকে ৫০০ রূপির দুইটা নোট দিয়েছিল...
স্যার, আমাকে মাফ করে দিন।
নাতাশা গারেওয়াল এর সাথে আরও একটা মেয়ে ছিল।
-তার সম্পর্কে কী জানো? -স্যার, কী জানবো?
আমি ওর চেহারাও দেখিনি।
মাথায় ওড়না আর চোখ চশমা দিয়ে ঢাকা ছিল।
কাহিনী শোনাস না আমাদের।
-ওদের রুমটা দেখা, চল। -জ্বী, স্যার।
-হ্যাঁ? -ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
এতো নোংরা করে রেখেছে ঘরটাকে।
ওই মেয়েদের কিছুই পাওয়া যাবে না এখানে।
ঘরে কিছু পেয়েছেন আপনারা?
না। কিছুই না।
কেউ আপনাদের রুমে এসেছিল কিছু জিজ্ঞেস করতে?
না, স্যার। কেউ আসেনি।
কোথায় তুমি, আভা? একটা কলও ধরোনি তুমি।
-সব ঠিক তো, না? -হাহ। সব ঠিক।
একটু দূরে ছিলাম।
-হোটেলে। -সাহায্যকর ছিল, না?
হাহ, মন দখলে থাকে।
বলেছিলাম না তোকে? আভা, আমি তোর জিগরি বোন।
তোর ভালোর জন্যেই বলেছি।
-জেপি? -হ্যাঁ, স্যার। এই নিন, স্যার।
কী, স্যার?
আপনাদের কারোর এটা?
না, স্যার।
অস্থির! কিছু তো পাওয়া গেল।
স্যার, হয় এটা নাতাশার হবে, নয়তো ওই মেয়ে আরতির হবে।
হোটেল রুম এটা। মানুষ আসতে যেতে থাকে।
যে কারোর হতে পারে।
-এটা ফরেন্সিকে পাঠাও। -জ্বী, স্যার।
স্যার...
বাইরে এক নতুন সমস্যা....
স্যার, যখন আমি সুইচ অন করতে বাইরে গিয়েছিলাম,
তখন দেখলাম ১০৪ এর ম্যাডাম বাইরে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিল।
আর তার সাথে এক পুরুষও ছিল।
কে?
স্যার, এটা তো দেখিনি। অনেক অন্ধকার ছিল।
কিন্তু, হ্যাঁ, স্যার। সে যখন হাঁটছিল, এভাবে খুঁড়িয়ে হাঁটছিল।
আর তারপর ১১২ থেকে আমার কল আসে, তারপর আমি সেখানে সেবা দিতে চলে যাই।
এভাবেই...প্রথম থেকে করো...
হ্যাঁ, এভাবেই...
ঠোঁটের বাম হোটেলে ফেলে গেছো, আভা।
পুরো কেইসটাকে মোড়কের মধ্যে গিফট করে দিয়ে দিলে ওদেরকে।
পুলিশের কাছে আমার আঙ্গুলের ছাপ কীভাবে আসবে...
আর একটা কথা...
ওই রাতে অপহরণকারীও এখানে ছিল।
আর সে নাতাশার সাথেও দেখা করেছিল।
ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল এখানে আসতেছে।
পুলিশ তদন্ত করছে।
কিন্তু, এখনও আমরা পুলিশের থেকে নতুন কিছু পেলাম না।
আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন, সিনিয়র ক্রাইম ব্রাঞ্চ অফিসার এসে পৌঁছেছেন।
চলুন। সরুন এখান থেকে।
আমরা এসে গেছি। সব দেখে নেবো আমরা।
-আসুন, স্যার। -দয়া করে সরে যান।
-সরুন, ভাই। -স্যার, একটা প্রশ্ন।
দেখা যাক উনারা কী বলেন।
স্যার, গাড়ি এখান থেকে নিচে গিয়েছে, ট্যাংক ফেটে গিয়ে ব্লাস্ট হয়েছে।
গাড়ির ভেতরের সবকিছু জ্বলে গেছে। কিছুই অবশিষ্ট পাওয়া যায়নি।
শুধু জ্বলে যাওয়া এই হ্যান্ডকাফ পাওয়া গেছে।
ঠিক আছে। রিপোর্ট লিখুন। আর এটা কী?
স্যার, এটা ভিক্টিমের কাপড়।
-ল্যাবে পাঠিয়ে দিন। -জ্বী, স্যার।
আর এটা টায়ারের চিহ্ন, আর এগুলা জুতার ছাপ।
যেগুলো টায়ারের সাথে সাথে নিচ পর্যন্ত গিয়েছে।
স্যার, এই নাতাশা আর তার সাথে আরতি, দিল্লী থেকে বের হয়ে জোধপুর,
আসার সময় রাস্তার মধ্যে সানওয়ে হাভেলিতে থামে।
তারপর এখানে নিচে এসে কাপড় খুলে,
গাড়ির সাথে সোজা নিচে।
স্যার, এটা কী রকম পরিস্থিতি?
ভিডিওতে সে তো আরতির নাম নিয়ে চিল্লাচ্ছিল।
-তাহলে এসবের পেছনে আরতি? -না।
ভিডিওতে আরও একজন ছিল যে কিনা গাড়ি ধাক্কা দিচ্ছিল।
এই জায়গাটুকু একদম সমতল, গাড়ি একা একা পরতে পারে না।
এই পায়ের ছাপ ওর'ই যে গাড়ি ধাক্কা দিয়েছিল।
আরতি, কী করতেছ? কী হচ্ছে এসব?
-প্রকাশ। -হ্যাঁ, স্যার।
এই পায়ের ছাপগুলো দেখুন। বামেরটা সোজা যাচ্ছে, ভারী পা।
ডান পা বাইরের দিকে একটু কোণাকুণি।
এখানেও একই রকম।
সামনেও ঠিক একই।
-জেপি। -হ্যাঁ, স্যার।
ওখানে গিয়ে দাঁড়াও।
-কী? -বলুন, স্যার...
এখন সোজা আমার দিকে হেঁটে আসুন, ওই পায়ের ছাপ দেখে দেখে আসুন।
-ওই বাম পা ওইটা... -এইটা বাম।
পুরো শরীরের ভর দিন, ঠিক একইভাবে যেমন আছে।
-হ্যাঁ, বামটা.. -ওজন বামে তাই না?
-হ্যাঁ। -এইভাবে।
এক মিনিট, স্যার। বাম পা দিলে উলটা হয়ে যায়।
-ডান পা দিয়ে চেষ্টা করবে... -বাইরের দিকে ডান পা দিয়ে আসো।
-এভাবে? -হ্যাঁ, স্যার।
খোঁড়া কয়েদি।
ওরে, ভাই! হোটেলের লোকটাও খোঁড়ানোর কথা বলছিল।
তার মানে আমাদের খোঁজটা সংক্ষিপ্ত হয়ে গেল।
একজন খোঁড়া লোককে খুঁজতে হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.