Informasi rilis

রিপ্লাই ১৯৮৮ এপিসোড ১৫ WEB-DL 480p x264
রিপ্লাই ১৯৮৮ এপিসোড ১৫ WEB-DL 720p x264
রিপ্লাই ১৯৮৮ এপিসোড ১৫ ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল
Komentar oleh ArRmaN
❤💙 ফ্যামিলি, কমেডি ও রোমান্স জনরার ড্রামাটি উপভোগ করুন বাংলা সাবটাইটেলের সাথে। 🖤 [ এপিসোড রানটাইম - 01:38:08 ] ⛔ ড্রামা ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে। ⛔ © Arman AL Mahamud 💙 fb.com/ArRmaN13

Tag

other
Diterbitkan pada: 2020-08-30
Unduhan: 208
Tuna Rungu: No

Pratinjau subtitle Bengali

200 baris pertama.

অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ

মার্চ ১৯৮৯, সাংমুন, দবং, সউল

ওহ।

চাচা, বেসবল খেলতে পারেন?

হ্যাঁ। অল্পস্বল্প।

তাহলে, আমার সাথে একটু খেলবেন?

আচ্ছা।

সামনের মাঠে আছি।

ঠিক আছে।

উম...

বো-রা।

আজকে আমাদের এখানে লাঞ্চ কোরো, তোমার ভাই-বোনকেও আনবে।

হ্যাঁ?

আমরা রাঁধতে রাঁধতে ক্লান্ত, তাই আন্দোলনে নেমেছি।

প্রথমবারের মতো বাইরে খেতে যাচ্ছি।

ব্লকের বাচ্চাদের ডেকে এনে এখানে লাঞ্চ কোরো, কেমন?

কিন্তু ওরা তো অনেক। নিজে নিজে খেলেই ভালো হবে।

চিন্তা করো না, মা।

তোমার বড় ছেলে থাকতে চিন্তা কীসের?

আচ্ছা, তাহলে। ওদের খাবারের ব্যবস্থা করিস।

তোকে টাকা দিয়ে যাবো।

জি!

তোমার সাথে ভালো কিছু হয়েছে?

না।

প্রেম করছো, তাই না?

না।

মিথ্যা বলায় খুব বাজে তুমি।

সোজা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলো।

প্রেম করছো, তাই না?

না। মোটেই না।

তোমার চোখে দেখতে পাচ্ছি।

কিম জুং-বং সাহেব, শুভকামনা।

গুড লাক!

অসম্ভব। কিম জং-রিউল।

ভাইজান, প্রেম করছেন?

অভিনন্দন, ভাইজান!

আমি যাচ্ছি।

টাকা রেখে গেলাম। খাবার কিনে নিস, কেমন?

আচ্ছা!

নয়তো ডিনারে জাজাংমিউন অর্ডার করিস!

আচ্ছা।

গতকাল ডিনারেও সেটা খেয়েছি।

এই, দং-রিওং!

সব শুনেছিস?

অবশ্যই, ভাইজান!

"চিন্তা করো না, মা।" যখন বলেছেন তখন থেকে সব শুনেছি।

আমি জানতাম,

তবে তোর শ্রবণশক্তি অবিশ্বাস্য।

একদম, ভাইজান। ধন্যবাদ!

আমার শ্রবণশক্তি প্রখর।

সিক্রেট কিন্তু!

আচ্ছা!

লাঞ্চে আপনার বাসায় দেখা হবে!

বো-রা, তোর বাবার শার্টটা দিবি?

মা, এটা ফেলে দাও।

কলার একদম ছিঁড়ে গেছে।

তাই?

এবার বেতন পেলে ওকে নতুন একটা কিনে দিতে হবে।

একটু সর।

বাহ্! খুব ভালো হয়েছে!

ইস্ত্রির চেয়েও ভালো!

বো-রা, তোর পার্ট-টাইম জব সামনের সপ্তাহে শেষ হবে, তাই না?

তোর সিনিয়রের সাথে কথা বলেছিস?

হ্যাঁ, বলেছে সমস্যা নেই।

ও ভালো ছেলে।

আচ্ছা।

আজকাল আমি খুব খুশি।

মনে হচ্ছে উড়তে পারবো!

নো-উল, একটু যাবি?

মা-বাবার সাথে কথা বলবো।

আমি বার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিবো।

ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছিস, বো-রা।

ভালো সিদ্ধান্ত।

কাজ করার কথা দিয়েছিলাম, তাই এই মাসটা কাজ করবো।

আমার বদলি লোক খুঁজতে হবে তাদের।

হ্যাঁ, অবশ্যই।

তাহলে শুধু এই মাস কাজ করে

বারের জন্য প্রস্তুতি শুরু করবি?

হ্যাঁ, বো-রা, এখন থেকে কোনো চিন্তা করিস না।

পার্ট-টাইম জবটা শেষ করে, পড়ালেখায় মন দে।

সেটা ছাড়া টাকা কিংবা আর কিছুর চিন্তা করিস না।

তোর বাবা আর আমি সাহায্য করতে পারবো, বুঝেছিস?

মা,

আর কিছু নিয়ে সত্যিই এখন ভাবতে হবে না, বুঝেছিস?

আচ্ছা। আর এটা এই কিছুদিন গোপন রাখবে।

আমার ভাই-বোন আর বাকিদের থেকে।

এতে বিরক্ত হবো।

আচ্ছা! সমস্যা নেই!

তোর পার্ট-টাইম জব শেষ করে পড়ালেখা শুরু করা পর্যন্ত,

আমরা একটি কথাও বলবো না।

চিন্তা করিস না!

হ্যাঁ, চিন্তা করিস না।

বো-রা, সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিস।

সঠিক সিদ্ধান্ত...

নিয়েছিস।

হ্যাঁ, ওভাবে পরুন!

আপনার খুব বেশি হাঁটাচলা হয় না বোধহয়।

দেখেই বুঝা যায়।

আচ্ছা, সুন-ঊ।

সত্যি বলতে, আমি—

আস্তে মারবো!

আপনাকে জিন-জু ভেবে আস্তে মারবো।

এখানে দাঁড়ালে হবে?

না, তা না। আসলে, বেশি কাছে দাঁড়িয়েছো।

চোখ বন্ধ করবেন না।

আপনি একটু অ্যাথলেটিক।

- আসলে— - এখনো খুব কাছাকাছি।

ওখান থেকে মারবেন?

আমরা খুব বেশি কাছাকাছি।

এখানে?

আরেকটু যাওয়া উচিত বোধহয়।

এখানে? এবার বেশি দূরে।

মারছি এবার।

আচ্ছা।

প্রচুর বেসবল খেলা দেখেছেন।

স্ট্রাইক!

জিন-জু, চাচার সাথে মজা করো, কেমন?

বাজার থেকে তোমার প্রিয় রুটি আনবো।

এসেছো?

এত দেরিতে লাঞ্চ করছো?

এমনিতেও খেতে যাচ্ছিলাম।

এখনো বাজারে যাওনি?

এইতো যাচ্ছি।

জিন-জু খেয়েছে। ওকে খাওয়াতে হবে না।

আচ্ছা। গিয়ে মজার খাবার খাও। মজা করে আসো।

বাথহাউজে কাজ করা ছাড়া তো আর কিছুই করো না।

কী এসব?

স্যুপও নেই?

আমি কিমচি পছন্দ করি।

এতেই হবে।

তুমি রোগী মানুষ!

কিছু খেতে চাও? আমি রান্না করে দেবো।

বানানোর জিনিসপত্র কিনে আনবো।

কী খেতে চাই?

ইদানীং একটা জিনিস খুব খেতে ইচ্ছে করছে।

কী? কী সেটা?

শসার কিমচি।

খোদা, তোমার রুচিতে চাকচিক্য নেই।

ভালো শসা পেলে নিয়ে আসবো।

আচ্ছা।

মজা করেছিস?

হ্যাঁ। চাচা দেখতে এমন হলেও একদম অন্যরকম।

আমার হাত তো ভেঙেই যেত।

একদম অপ্রত্যাশিত।

পরে দেখা করা—

- খাবো না! - দং-রিওং!

বাসায় খাচ্ছিস না কেন?

বললাম তো খাবো না!

এখান থেকে...

চমৎকার ঘ্রাণ নাকে গেছে।

- স্যরি। - বাই।

- চল! - ধুর!

বললাম তো খাবো না!

হ্যাঁ, ঠিক আছে! চল!

খাবো না!

ওহ!

এখনো শেষ হয়নি?

সাহায্য লাগবে?

আর দশ সেকেন্ড!

- জাজাংমিউন খাবো না? - সেটা ভেবেছিলাম।

আমি সেটায় বিরক্ত, তাই অন্যকিছু করতে বলেছি।

সেই অধিকার কে দিয়েছে?

বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস কী জানিস?

ইনফরমেশন। তথ্য।

আমার কাছে সেটা আছে।

তথ্য এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।

- প্রায় টাকার মতো দামি। - এই।

- টাকা আসে যায়। - এই।

স্যরি।

- চুপচাপ খা। - জি।

- বুঝেছিস? - জি।

টেবিলে কিছু দে!

ওয়াও। মজা হবে।

- কিমচি ফ্রাইড রাইস। - ভাবলাম কী হতে পারে।

এতে সবার হবে? কম মনে হচ্ছে।

টেবিলে কিছু দে!

বেশ, তাহলে।

এতগুলো কীভাবে খাবো?

মজা হবে।

এটা বানাতে জানো?

অবশ্যই।

এটা সবাই বানাতে জানে।

আমার বাবা শুধু এটাই বানাতে জানে।

খাবারের জন্য ধন্যবাদ!

দং-রিওং, আর কিছু খেতে চাস?

না।

বাসায় রান্না করা সব পছন্দ করি।

জুং-হোয়ান কোথায় গেছে?

একটা সিনেমা ধার করতে গেছে।

"Amadeus" আনতে বলেছি।

- ওহ। - এসে গেছি।

আজকেও হলিডে নাকি?

বস! তোর ভাই দারুণ খাবার বানিয়েছে।

খুব ভালো।

- জলদি বসো। ঠান্ডা হয়ে যাবে। - বস।

বসে পড়!

দাঁড়িয়ে আছিস কেন? জলদি বস।

তেক আজকেও গো-গেম একাডেমিতে গেছে?

দংইয়াং কাপ শুরু হয়েছে।

সামনের সপ্তাহে Ing Cup এর ফাইনাল।

Komentar

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left