Informasi rilis

রিপ্লাই ১৯৮৮ এপিসোড ০৩ WEB-DL 480p x264
রিপ্লাই ১৯৮৮ এপিসোড ০৩ WEB-DL 720p x264
রিপ্লাই ১৯৮৮ এপিসোড ০৩ ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল
Komentar oleh ArRmaN
❤💙 ফ্যামিলি, কমেডি ও রোমান্স জনরার ড্রামাটি উপভোগ করুন বাংলা সাবটাইটেলের সাথে। 🖤 [ এপিসোড রানটাইম - 01:25:11 ] ⛔ ড্রামা ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে। ⛔ © Arman AL Mahamud 💙 fb.com/ArRmaN13

Tag

other
Diterbitkan pada: 2020-07-10
Unduhan: 228
Tuna Rungu: No

Pratinjau subtitle Bengali

200 baris pertama.

অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ

আগস্ট, ১৯৮৮ ব্রাজিল তক-বকি

এই, এই, এই।

ওভাবে না বলেছি।

তা বুঝো না কেন তুমি?

জাং মি-ওক ওরফে ম্যাগি চিউং দাঁতে ব্রেস পরা প্রথম ব্যক্তি

ওয়াং জা-হিউন ওরফে জোয়ি ওং হাই-টিন রোমান্টিক উপন্যাস সরবরাহকারী

দারুণ!

সুং দক-সুন। ভুল করতে থাকলে, সমস্যায় পড়তে হবে।

এই। পাক্কা দুইমাস আছে। নিজেদের চিন্তা কর।

সব ভুল করলেও, এটা ঠিকঠাক করতে হবে

আরেকবার দেখ।

তা বুঝো না কেন তুমি?

তিনটা রামেন দিন!

এখানে কী করছিস? পিকেট গার্ল প্র‍্যাকটিসে যাসনি?

- তোরা এতদূরে এখানে কেন? - এই। তোদের চেয়ে আমাদের স্কুল কাছে।

- জুং-ফাল, আমিও তক-বকি অর্ডার করছি। - আচ্ছা।

তিনটা তক-বকিও দিবেন!

- জুং-ফাল, আমরাও নিচ্ছি। - ওই!

এর মানে ঠিক আছে।

আমাদেরকে আরও তিনটা তক-বকি দিন!

- দক-সুন, পানিটা একটু দিবি? - হ্যাঁ।

আজকে বোধহয় তোর প্র‍্যাকটিস নেই।

সারাদিন তো স্টেডিয়ামেই থাকিস।

খেয়ে যেতে হবে। রাতে প্র‍্যাকটিস আছে।

ওই, যে.গা.বি.প.খা।

- চুপ কর। কাকে ওটা ডাকছিস? - শুনে ও ঘুরেছে, না?

অনেক প্র‍্যাকটিস করেছিস? শুনলাম সোবাংছায় নাচবি।

হ্যাঁ।

এতসব কখন করবি? পিকেট গার্ল প্র‍্যাকটিসও কঠিন।

রামেন নিয়ে যাও!

জি!

- দক-সুন, রামেন খাবি? একটা? - এই!

খাবো না!

দক-সুন, আমরা যাচ্ছি। জুং-ফাল টাকা দিয়ে দিয়েছে।

- কত কী খেয়েছিস? - বাই।

খাবি না তোরা? ফ্রি তো।

ও সাংমুনের ক্লাস ক্যাপ্টেন, তাই না?

কে? সুন-ঊ? লম্বাটা? হ্যাঁ, কেন?

কী করবি এবার?

কী?

ও বোধহয় তোকে পছন্দ করে।

আসার পর থেকেই শুধু তোকে দেখছিল।

দেখছিল, তাই না? আমিও দেখেছি।

পানি দিতে বলেছিল কেন? দোকানদারকে বলতে পারতো।

আর যখন বললি সোবাংছা প্র‍্যাকটিস করছিস, তখন ওর চেহারায় চিন্তার ছাপ দেখেছিস?

হ্যাঁ, আমি ভালোভাবে দেখেছি।

আর চূড়ান্ত প্রমাণ...

"রামেন খাবি?"

কনগ্রেচুলেশন, দক-সুন।

তুই... বয়ফ্রেন্ড পেয়ে গেছিস।

দক-সুন! সুং দক-সুন!

কী?

একটু সাদা কালি দিবি?

সাদা কালি?

আমার কাছে তো নেই।

কী চমৎকার। কোন ধরণের স্টুডেন্টের কাছে সাদা কালিও থাকে না?

হ্যালো।

ওর সাথে মিশিস না। তুইও গাধা হয়ে যাবি।

চুপ করো!

- কী বললি? - এই, বাদ দে।

জুং-হোয়ানের কাছ থেকে নিবো। যাচ্ছি। আপু, যাচ্ছি।

আচ্ছা, যা।

খেয়ে নাও।

দ্বিতীয় কোরীয় যুদ্ধ লেগেছে নাকি?

এত আলু কেন?

- জরুরি খাদ্য সরবরাহ হচ্ছে? - ভেবে বলছো তো?

এক বয়স্ক মহিলার জন্য মায়া লাগায় গতকাল এক বক্স আলু কিনে এনেছিলে।

কখন আনলাম? তোর জিভ ছিঁড়ে ফেলবো।

ভালোই নাটক করছো।

অভিনয় ভালো পারি, তাই না?

টাকা কেন জলে ফেলছো?

বাড়তি টাকা আছে বলে খরচ করছো?

বাচ্চারা দেখছে।

আর শরীরের জন্য আলু কত উপকারী জানো?

বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে আনলাম, কিন্তু তুমি বুঝতেই পারলে না?

তোমার হাত কীভাবে যে এত শক্ত।

যাকগে, দক-সুন। স্পোর্টস নিউজের সময় হয়েছে না? MBC দে।

MBC চলছে। স্পোর্টস নিউজের সময় হয়নি।

তাই নাকি?

অ্যানকর খাং সুন-ঊকে খুব পছন্দ আমার।

ভদ্র, নায়কের মতো দেখতে। অনেক লম্বাও।

কী বলছো? ও শুধু চেয়ারে বসে বসে কথা বলে!

লম্বা না খাটো দেখেছো?

আপনাদের সবার কানে ওয়্যারট্যাপ আছে!

ওটা বুঝি সুন্দর?

আপনাদের সবার কানে ওয়্যারট্যাপ আছে!

আমার বাসা গারিবং-দং, ১৩৬-৩৫...

ওমা, হচ্ছে কী?

ওয়্যারট্যাপের কী যেন এলো গেল, তাই না? শুধু কি আমিই দেখেছি?

- হ্যাঁ? - একজন অপরিচিত ব্যক্তি এসেছিলেন...

আরে, অদ্ভুত।

দক-সুন!

অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।

- সুং দক-সুন! - আমাদের সুন-ঊ বোধহয় দরজায়।

সুন-ঊ ভাইয়া, সম্প্রচারজনিত দুর্ঘটনা ঘটেছে! জলদি আসো!

সুন-ঊ, এসে আমাদের সাথে খাও!

দক-সুন, গিয়ে সুন-ঊ'র জন্য ভাত নিয়ে আয়।

ওমা, এখানেই তো ছিল। আজ ক্ষণিকের মধ্যে কতকিছু ঘটে গেল।

- ওরে, দেখো কেমন করছে। - একেবারে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে, আহারে।

আহ্, এই প্রথম সরাসরি সম্প্রচারে ব্যাঘাত ঘটতে দেখলাম।

কত অদ্ভুত ঘটনা ঘটে।

- হ্যালো। - ও, সুন-ঊ!

এসে খেয়ে যাও।

আমাদের সাথে খেয়ে যাও।

না। তেকের বাসায় রামেন খাবো—

মাগো, টিভির দুর্ঘটনার চেয়েও বেশি ভয় পাইয়ে দিয়েছো।

কী রে... এত রাতে সেজেগুজে কোথায় যাচ্ছিস?

রামেন খেতে।

চল, সুন-ঊ।

গ্রীষ্ম, ১৯৮৮।

সুং দক-সুনের জীবনে প্রথম প্রেম।

এখানেই প্রথম প্রেমের শুরু।

ধনী নিরপরাধ গরিব অপরাধী

গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত জি গাং-হন এবং অন্যান্য আসামি পালিয়েছে,

তাই সউল জুড়ে ভীতি ও অস্থিরতা বিরাজ করছে।

রাত আটটার দিকে অন্য জেলে যাবার পথে,

জি গাং-হন সহ আসামিরা পুলিশি ঘেরাও ভেঙে পালায়।

তারা এখন সউলের আনাম-দং এবং হেংদাম-দং নিকটবর্তী এলাকায় আছে,

তৈরি করছে জিম্মিদশা।

পুলিশ এখনো তাদের অবস্থান জানতে পারেনি, এবং দুর্বল তদন্তের রহস্যভেদ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভাবি, ভয় হচ্ছে। ওরা আমাদের এখানে এসে পড়লে?

চিন্তা করো না। এখানে চুরি করার মতো কী আছে?

ওনার বাসায় অনেক দামি জিনিস আছে!

রেকর্ড প্লেয়ার, মাইক্রোওয়েভ, রাইস কুকার!

৫০০টা কয়লাও আছে না?

আমাদের বাসায় চোর ঢুকবে না।

কেন?

এমনিতেই একটা আছে।

কী?

ঠিকমতো নিজের দায়িত্ব পালন না করাই তো চোরের কাজ, তাই না?

বাহ্, কী সুন্দর। এটা ভালো হবে।

আপনাকে খুশি করা সহজ নয়। আপনার স্বামী সৎ মানুষ।

- ওনাকে কখনো টাকা নষ্ট করতে দেখিনি। - তাহলে ওকে নিয়ে নিন।

- কেন? ওনাকে দিয়ে দেবেন? - হ্যাঁ।

কেউ আমার স্বামীকে নিলে, তাকে বাসাটাও দিয়ে দেবো।

আমি, আমি! আমি নিবো!

এই বুড়ো বয়সে আবার বিয়ে করবো।

ওমা।

কী ব্যাপার? আপনার প্রাক্তন-স্বামী তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরেছে।

মি-রান।

মি... রান।

থামো তো।

আমার সাথেই কেন এমন করো?

থামতে বললাম!

ঠিক আছে বাবা, আর করবো না।

খোদা। আপনারা মজার কিছু নিয়ে কথা বলছিলেন?

ওহ।

ভাবি বললেন আপনি নাকি চোরের চেয়ে কম না।

চোর?

অবশ্যই। কারণ...

ওকে হাসাতে ওর জীবন চুরি করেছি!

আচ্ছা, এই চোর চলে যাচ্ছে।

ও, হ্যাঁ।

সবাই দীর্ঘজীবী হোন!

আগে আসলে আগে পাবে।

আমি বরং একা থাকবো। প্রথম স্বামীর প্রতি আমাকে বিশ্বস্ত থাকতে হবে।

ওমা। কী হচ্ছে?

আজকে শুধু চোর দেখছি।

বো-রা'র বাপকে দেখুন।

দোকান লুট করেছে বোধহয়।

বাসায় আসছেন?

আজকে কী কিনেছেন?

কী? আবার কী কিনলে?

আরে, ভেতরে গেলে দেখতে পাবে।

একটু মিষ্টি আলু খান।

এত তাড়া কীসের?

জলদি সারতে চায় বোধহয়।

বাচ্চারা ফেরার আগেই সব সারতে হবে।

দাও তো। আবার কিনলে কেন?

ওহ, ঢেঁকি শাক। শুনেছি ওটা পুরুষত্বের জন্য নাকি খারাপ।

না, আপনি জানেন না।

হয়তো ওনার পুরুষত্ব বেশি, তাই কমাতে চায়। তাই না?

ভেতরে গিয়ে কথা বলি।

খোদা, ওখানে কী?

ওমা।

বেশ তাড়ায় আছে।

আরে জ্বালা!

জানি না কীভাবে ওরা বছরের ৩৬৫টা দিন

বকবক করে!

ওদের দেখলে গা জ্বলে। বাসা পাল্টাতে হবে।

এসব কী?

দেখে বুঝতে পারছো না? শাক আরকি।

আসার পথে "সামান্য" কিনে আনলাম।

এটাকে "সামান্য" বলছো? হ্যাঁ?

আরে জ্বালা।

কাগজের দোকানটা তো চেনো?

সেই দোকানের সামনে বসে এক বয়স্ক মহিলা সারাদিন শাক বেচে।

একদম আমার মায়ের মতো দেখতে।

উবু হয়ে বসে এসব বেচছিল,

সারাদিনে বোধহয় সব বেচতে পারেনি।

তাহলে মানুষ হিসেবে কীভাবে এড়িয়ে যেতাম?

তাই, "সামান্য" কিনে এনেছি।

আরে জ্বালা, দাম বেশিও না!

গরিবদের একে অন্যকে সাহায্য করা উচিত!

মানুষকে সাহায্য করার অবস্থায় আছি আমরা?

হাফ-বেজমেন্টে থাকি, ছেলে-মেয়েদের ব্রান্ডের জুতা কিনে দিতে পারি না।

তোমার বউ যে ফুটো মোজা পরে দেখতে পাও না?

চোখে কী দিয়ে রেখেছো? দেখো!

কী? সুন্দরই তো লাগছে, বাতাস চলাচল করতে পারবে।

Komentar

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left