200 baris pertama.
সাবটাইটেল অনুবাদে শান্তনু মুখার্জী
- মর্নিং, বয়। - মর্নিং।
আমরা একটু ভুল পথে চলে এসেছি। এখানে একটা খনি থাকার কথা, কিছু জানো?
- চারপাশে প্রচুর পুরোনো খনি রয়েছে। - এই খনিটা স্যান্ড নামের একজন চালায়।
- স্যামুয়েল স্যান্ড। - তিনি আমার বাবা।
বল কি তুমি?
সেনা বাহিনীতে থাকাকালীন তোমার বাবা আর আমি বুনো মহিষ শিকার করেছি।
তাই সে এখন কেমন আছে সেটা জানতে চলে এলাম।
প্রায় তিন মাইল দূরে একটা দ্বিতীয় গিরিখাত আছে, তার পশ্চিম দিকে গেলেই দেখতে পাবেন।
- তোমার প্রথম নাম কী বাছা? - ম্যাক্স।
অনেক বাধিত হলাম ম্যাক্স।
নিজেকে এর থেকে দুরেই রাখ, নেটিভ!
- বল, সোনা গুলো কোথায়? - সহজ ভাবে নাও।
বলে দাও, স্যাম।
স্যাম, এটা চেপে রাখার কোন মানে নেই এখন।
সোনাদানা কিছুই নেই, জেসি। তোমার বোকা মাথায় কথাটা ঢুকবে কখন?
দেখো, তুমি একটা মৃত খনিতে কাজ করে সেটাকে সচল করে তুলেছ।
- নিশ্চয়ই কিছু একটা খুঁজে পেয়েছ। - তাহলে কি আমার দশা এমন থাকত?
- বুঝতেই পারছ, আমরা পুরাটা না, অর্ধেক চাই। - কিছু না'র অর্ধেক।
তুই তুষারপাতের মত স্বর্ণের কণা ছড়িয়েছিস।
- সেটা একদিনের খাটুনি. - তুমি সোনার বিস্কুট দিয়ে বকেয়া পরিশোধ করেছ।
দুই বছর কাজ করে $38 সমমূল্যের একটা বিস্কুট জমিয়েছি. যেটা দিয়ে আমার যন্ত্রপাতির দামও উঠবে না।
আমরা এতদুর ঘোড়ায় চড়ে তর্ক করতে আসিনি।
আমাদের জায়গাটা দেখা, স্যাম। সেটার জন্য তোর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ হলেও আপত্তি নেই।
মালাটা দেখতে বেশ ভাল, না? নিজেই বানিয়েছিস নাকি মাগী?
১৫ বছর আগে এক নেটিভ মাগীর ছাল উঠিয়েছিলাম।
তবে উপায়টি এখনও ভুলে যাইনি।
দয়া করে... ওকে ছেড়ে দাও।
আমি বলছি কোন সোনা নেই। দিব্বি কাটছি, নেই।
আমি ভয় পাই না।
ম্যাক্স...
তারা দুজনই মারা গেছে।
এখন তোমার কিছু করার নেই, ম্যাক্স!
ম্যাক্স, ঐ দিকে যাওয়ার চেষ্টা কোরনা। ঈশ্বরের দোহাই, এর থেকে দূরে থাকো।
আমার সঙ্গে শহরে চলো।
ওদের আর মানুষ বলে চেনা যাচ্ছে না।
তাদের কষ্টের ইতি হয়েছে।
আমি চাই না কেউ তাদেরকে ঐ বীভৎস রুপে দেখুক. কখনো।
চলে যান। আমাকে একা ছেড়ে দিন।
হে...ইশ্বর!
ম্যাক্স, হতভাগা ছেলে।
- চলো তুমি আমাদের সাথে থাকবে। - সম্ভব না।
আমাদের কয়েক একর জমি আছে, আর অনেক কাজ।
- আমাকে ঐ লোকদেরকে খুঁজে পেতেই হবে। - খুঁজে পেলে?
- প্রতিশোধ ঈশ্বরের উপায় নয়। - ধর্মকথা তোমার কাছেই রাখো।
তুমি তো একটা ছোট ছেলে, তারা নৃশংস লোক।
যাও, ম্যাক্স। তাদের খুঁজে বের করো।
- এলভাইরা! - সে না করলে আর কে করবে?
- আইন। - কোন আইন?
ম্যাক্স, কমপক্ষে একদিন বিশ্রাম নিয়ে নাও।
হয়তোবা ঐ ধূসর ঘোড়াটি বেচে দেওয়ার আগেই ওদের ধরে পারব।
এইযে... নাও, ম্যাক্স।
মিস ম্যাকক্যানেল্স, আমার কাছে রাইফেল, ঘোড়া আর আট ডলার আছে, এগুলোই যথেষ্ট।
তাহলে শুভকামনা রইল। ফিরতে হবে যে ভুলে যেও না।
আপনাদের দুজনের কৃপা আমার মনে থাকবে।
তুমি আবার কে ছোকরা?
আমার নাম ম্যাক্স। ম্যাক্স স্যান্ড.
- তরুণ ছেলে। - ইন্ডিয়ান।
- হাফ-ইন্ডিয়ান। - তুমি একা?
তাড়াতাড়ি বলো।
আমি ৩ জনের দলকে খুঁজছিলাম, যারা আমার বাবা-মা'কে খুন করেছে।
- ভেবেছিলাম আপনারাই তারা। - আমরা কি সেই দল?
না।
- কতদিন যাবত তাদের খোঁজ করছ? - তিন, চার দিন।
- শেষ কবে খেয়েছিলে? - দিন দুয়েক আগে।
ঘোড়াগুলো এনে আমাদের সাথে চলো।
ছোকরা, তুমি বাড়ি ফিরে যাচ্ছ না কেন?
এখনো সুযোগ আছে, কেটে পড়ো।
আমার কোন বাড়ি নেই।
আমি যা করেছি তার পরেও... আপনারা এত খাতির যত্ন করছেন কেন?
এই জগতের প্রত্যেকেই নিজের মত করে বোকা।
তাছাড়া, আমরাও একসময় অবুঝ ছিলাম। কী বলিস?
নড়বেন না, মিস্টার।
ঘুরে দাঁড়ান, হাত উপরে করে।
আমি শুধু চাই কিছু খাবার আর একটি ঘোড়া।
- বহু বছর হবে ওরকম বন্দুক দেখিনি। - দূরে থাকুন।
- বন্দুক চলবে না, জানো তো? - আমি বললাম দূরে থাকুন।
নল পুরোটা মরিচা ধরেছে, হ্যামারটাও ভাঙ্গা, আর এই বন্দুকের গোলাবারুদ আর তৈরি হয় না।
বদলাবদলি করতে চাও?
কিছু খাবার পেলে আমার ভাল হয়।
তিন দিনের মধ্যে ২৫ পাউন্ড খাবার খেয়েছো। তোমার পেট কবে ভরবে ভেবেছ?
আমি দুঃখিত। জানি খাবার জোগাড় করাটা কষ্টসাধ্য।
- আচ্ছা, খাবারটা শেষ করো। - করছি।
আপনি এত উদার হবেন আশা করিনি।
- ভেবেছিলে তোমাকে নেকড়েদের মুখে ছেড়ে দিব? - আপনার সম্পূর্ণ অধিকার ছিল।
দরকার হলে আপনাকে মেরে ফেলার ফন্দিও ছিল।
হত্যার ব্যাপারে তুমি কি পারদর্শী?
হরিণ, খরগোশ অনেক মেরেছি।
- কখনো মানুষের উপর বন্দুক ধরেছ? - না।
তবুও বেড়িয়ে পড়েছ তিনজনকে মেরে ফেলতে? ব্যাং ব্যাং ব্যাং।
ভাবছ তুমি ন্যায়ের পথে, তাই তুমি কাজটা করতে পারবে?
- এটা সাহায্য করে। - তারা প্রতি সপ্তাহে একটা শেরিফ এখানে কবর দেয়।
ব্যাপারটা হল আমাকে হত্যা করার আগে তাদেরকে হত্যা করতে হবে।
এই অভিনব বন্দুক চালানোর কায়দা দেখাবে?
ঘুরে সূর্যের মুখোমুখি হও।
মারো এটাকে।
বাড়ি ফিরে যাও, বাছা। সহজ পথ নিবে।
চোখে রোদ পড়ছিলো আর আমি প্রস্তত ছিলাম না।
তুমি আশা করো শিকার তোমার জন্য স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে, যাতে তুমি তাকে মারতে পারো?
- আমি ৮০ গজ দূর থেকে খরগোশ মারতে পারি। - খরগোশ পাল্টা গুলি করে না।
- বার রুমে রাইফেল কীভাবে ঘোরাতে হয় জানো? - আমি কখনো বার রুমে যাইনি।
কেবল তাদের খুঁজে পেতেই তোমাকে এখান থেকে মেক্সিকোর মধ্যে...
...প্রতিটা স্যালুন, জুয়া ঘর আর বেশ্যালয়ে চিরুনি তল্লাশি দিতে হবে।
ভেবেছ তুমি যাজকের সন্ধানে নেমেছ?
চার্চ থেকে বেরুবার পথে তাদের আটকাবে?
তুমি যাদের খুঁজছ তারা কাজের আলসেমির জন্য চুরি করে আর আনন্দের জন্য খুনখারাবি করে।
তারপর আবর্জনার মধ্যে ইঁদুরের মত লুকিয়ে থাকে।
ধরতে চাইলে, আবর্জনায় থেকে ওদের মত খেয়ে মদ্যপান করতে হবে, যতক্ষণ তোমার শরীর থেকে তাদের মত গন্ধ না আসে।
যা করা দরকার আমি প্রস্তত।
অত সহজ নয়, বাছা। সন্ধান করা একটি জিনিস, হত্যা করা অন্য এক।
আমি উপায় বের করে নিব।
ঐ ধরণের লোকদের কাছে গত ১৫ বছর ধরে আমি বন্দুক আর গোলাবারুদ বিক্রি করেছি।
কাউকে পঙ্গু এবং হত্যা করার জন্য তাদের এমন সব উপায় আছে যেটা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না।
তোমাকে পেছন থেকে গুলি করবে, যখন ঘুমিয়ে থাকবে, তখন তোমাকে আক্রমণ করবে।
তোমার কাছে আছে শুধু ইন্ডিয়ান প্রতিশোধস্পৃহা।
- আমি অর্ধেক সাদা। - তুমি অসহায়।
যদি এটি করতে পারো উভয় হাত দিয়ে...
অর্ধ মাতাল বা অর্ধ জাগ্রত অবস্থায়,
একটি অন্ধকার ঘরের ভেতর, অথবা চলমান ঘোড়ার ওপরে বসে।
তাহলে হয়তো সুযোগ থাকতে পারে।
- আমাকে শিখাবেন? - আমি বন্দুক বিক্রি করি, হত্যা শেখাই না।
- তাহলে আমি নিজেই শিখব। - তুমি ততদিন বাঁচবে না।
খাবার এবং পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞ, মিস্টার কর্ড।
- আমি এবার নিজের পথে ফিরি। - কোথায়? কীভাবে?
আমি যদি তোমাকে শিখিয়েও দেই, সেটা অর্ধেক মাত্র।
যতদিন ওই তিন জনকে খুঁজবে, তোমাকে খেয়ে বাঁচতে হবে, তাই না?
তোমার দরকার জামাকাপড়, খাবার, ঘোড়া, বন্দুক, গোলাবারুদ. এগুলো কোথায় পাবে?
শেষ পর্যন্ত তুমি চুরি আর হত্যা করতে বাধ্য হবে, যাদেরকে ধাওয়া করছ তাদের মতই জন্তুতে পরিণত হবে।
আমার চোখের সামনে শুধু বাবার নিথর দেহ আর রক্তে ভেজা কাপড় ভাসছে।
মাথা ফেটে চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
আর আমার মা... মাঝখান থেকে কাটা, আর তার চামড়া তুলে ফেলা শরীর।
ঈশ্বর আমাদের সাহায্য করুন।
পিতলটি ওঠাও। ওই এক একটি কার্তুজের দাম দেড় সেন্ট।
বসো।
পোকার খেলতে পছন্দ করো?
খুব একটা নয়।
- তাস খেলতে জানো তো? - না।
আমি তোমাকে শেখাতে পারব। মদ খাও।
মানে, আমি...
- তুমি মদও খাও না? - না।
তুমি যেখানে যাচ্ছ, ভাল হবে যদি এইসব শিখে নাও।
সর্বনিম্ন হাত পেতে পারো একজোড়া, একই ধরনের দুটি তাস।
তারপর দুই জোড়া, একই ধরণের তিনটি,
তারপর একটি স্ট্রেট।
তিনটি কী ধরণের?
যে কোন কিছুর। তিনটি নয়, তিনটি দশ, তিনটি জ্যাক।
- কোন গুলো দশ? - তুমি পড়তেও জানো না?
আমি কখনো স্কুলে যাইনি।
- লিখতে জানো? - পড়তে পারলেই তো লিখতে পারব।
- আদৌ কিছু করতে পারো? - বন্দুক তাক।
ভাল হুইস্কির অপচয় হল।
তুমি যেখানে যাচ্ছ, সেখানে হুইস্কির দরকার নেই।
একটি দশে দশটি স্পট থাকে। এতোদুর তো তোমার পায়ের আঙ্গুলও গুনতে পারো।
ম্যাক্স...
এখানে সহজ স্বাভাবিক থাকো। এটা শান্ত শহর। আমি এখানকার মানুষের সাথে ব্যবসা করি।
ঠিক আছে, মিস্টার কর্ড। তবে যদি আপনি...
সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে, আর SS ব্র্যান্ডের ঘোড়া দেখলে তোমাকে জানাব।
এই নাও, এক টাকা। নিজের জন্য ক্যান্ডি কিনে নাও।
বলুন স্যার, কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
এক কৌটা পিচ। বড় কৌটা দিন।
এখানকার সেরা পিচ।
আপনি কি এটা খুলে দেবেন?
বিনামূল্যে।
লেখাপড়া শেখার জন্য কোন বই আছে?
ম্যাকগাফির প্রাইমার। সিঁড়ির নিচে দেখুন।
না পড়তে পারলে বাছাই করতে পারবেন না, আর বাছাই না করলে পড়তেও পারবেন না!
এইযে এটা, ম্যাকগাফির বই।
পিচের জন্য 25 সেন্ট আর বইটার জন্য 10 সেন্ট।
জ্ঞানের চাইতে পিচের ওজন বেশি, আর মালবাহী সংস্থা ওজন হিসেবেই মূল্য ধরে।
বেশীরভাগ লোকের ক্ষুধা মস্তিষ্কের চাইতে পেটে বেশি থাকে।
আচ্ছা, এবার তোমার প্রথম সিদ্ধান্ত।
উপরের সাইন হচ্ছে সিলভার সিটির। ওটা কলোরাডোতে।
দ্বিতীয়টা ঐখানে, ডনার, ক্যালিফোর্নিয়া।
নিচেরটা হল সোনোরা।
সেটা দক্ষিণে, ওল্ড মেক্সিকোতে।
আমি নিশ্চিত করে বলতে পারব না কোন পথে যেতে হবে,
তবে যেহেতু তুমি তাদের ধরতে চাও, তাহলে টাকার পিছু নাও।
ওরা যদি তা পেয়ে থাকে, তাহলে যেখানে ব্যয় করতে পারবে সেখানেই যাবে।
মিস্টার কর্ড, জানি না আমি কোনদিনও আপনার সাহায্যের প্রতিদান দিতে সক্ষম হব কিনা।
কোন দরকার নেই।
ওদের তাড়া করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে, আমার খোঁজ কোরো, আমরা আলোচনা করব,
দেরি করে ফায়দা নেই। শুভকামনা, ম্যাক্স।
ব্যাং ব্যাং।
সুন্দরভাবে করেছ।
এই জিনিসের ব্যবহার করাটা হচ্ছে অর্ধেক কাজ। বাকিটা হচ্ছে মানুষের ধরণ বুঝতে শেখা।
সেটা শিখতে সারাজীবন লেগে যাবে, ততদিন কাউকে বিশ্বাস না করাই ভাল।
প্রতিটা পদক্ষেপের পরিকল্পনা করবে, লড়াইয়ের জন্য জায়গা ঠিক করবে,
কোন হুমকি দিবে না, আর কেউ হুমকি দিলে চলে আসবে না।
বিদায়, ম্যাক্স।
বিদায়, মিস্টার কর্ড।
বন্ধুকেও বিশ্বাস করবে না।
কাম অন, স্ট্রুথার, তুমি তোমার পাতলা শরীর যথেষ্ট ধুয়েছ।
স্ট্রুথার, দয়া করে তাড়াতাড়ি করো।
আরে, মেয়েরা সব আসছে!
মেয়েরা আসছে!
স্ট্রুথার, ভাল হয় জলদি বের হয়ে যাও।
আমাকে দেখে কথা বন্ধ হয়ে গেল?
- তুমি ভারি মিষ্টি! - ওয়াল্টার? কেমন আছ?
- আরে, আমার দিকে তাকাও! - চুপ কর।
হ্যালো, কাউবয়। শহরে স্বাগতম।
No comments yet. Be the first to leave one.