Informasi rilis

Swing Kids (2018) BluRay বাংলা সাবটাইটেল
Komentar oleh ArRmaN

Tag

BluRay
x264
720p
720
480p
480
Diterbitkan pada: 2020-01-28
Unduhan: 31
Tuna Rungu: No

Pratinjau subtitle Bengali

200 baris pertama.

বি:দ্র: প্রতিবেদনটি যথাযথ সততার ভিত্তিতে নির্মিত হয়েছে

২৫শে জুন, ১৯৫০।

উত্তরের আকস্মিক আক্রমণের ফলে, দক্ষিণ কোরিয়া অচিরেই নাকদংগান নদীর দক্ষিণাংশে ধাবিত হয়,

যুদ্ধ হারার অনিবার্য হুমকির মুখে পড়ে,

তবে, মিত্রশক্তি মার্কিন সেনার অংশগ্রহণে,

আশা করা যাচ্ছিল যুদ্ধ অতিশীঘ্র শেষ হতে যাচ্ছে।

কিন্তু, শক্তিশালী চীনা সাম্যবাদী সেনার অংশগ্রহণে যুদ্ধের পরিণতি রহস্যে পরিণত হয়।

এমনকি, কোরীয় যুদ্ধ রূপ নেয় দুই বৃহৎ শক্তির যুদ্ধে।

এরই মধ্যে, চীনের উত্তরাঞ্চল থেকে প্রায় ১৪০,০০০ যুদ্ধবন্দীর আগমন ঘটে।

বন্দীদের বিচ্ছিন্ন করে রাখতে উপদ্বীপের সর্বদক্ষিণস্থ এলাকা,

কোজি দ্বীপে বৃহদায়তনে স্থাপন করা হয় যুদ্ধবন্দী শিবির।

জেনেভা কনভেনশনের অধীনে যুদ্ধবন্দীদের মানবাধিকার বাড়ানো হয়,

যুদ্ধবন্দীদের ছুটি নিশ্চিত করা হয়, যেমন কারিগরি শিক্ষা আর অবসর সময়,

সেই সাথে দক্ষিণ কোরিয়ান বেসামরিক ও সৈন্যদের চেয়ে ভালো চিকিৎসা গ্রহণ।

এরইমধ্যে, বিপুল সংখ্যক পুনর্বাসিত লোক বিদ্রোহ শুরু করে, যারা কিনা যুদ্ধের পর উত্তর কোরিয়ায় ফিরতে চায় না।

কিন্তু উগ্র সাম্যবাদী বন্দীরা দল গঠন করে সম্পূর্ণ প্রত্যাবাসন নিতে চায় যেখানে কিনা বন্দীদের সবার উত্তর কোরিয়ায় ফেরা উচিত।

এর ফলে, এন্টি-কমিউনিস্টদের বিপক্ষে তারা এক নির্মম যুদ্ধ ঘোষণা করে।

আর এই যুদ্ধকে যুদ্ধবন্দীদের যুদ্ধ: কোজি দ্বীপের ৩য় যুদ্ধ বলা হয়।

পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায়, মার্কিন সেনারা বন্দী শিবিরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উগ্র সাম্যবাদী যুদ্ধবন্দীদের দমানোর চেষ্টা করে,

যার প্রেক্ষিতে বন্দীদের মধ্যে সর্বমোট ৩১ জন নিহত হয় এবং ১৬৪ জন গুরুতরভাবে আহত হয়।

অন্যদিকে মার্কিন সেনাদের মধ্যে ১ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়।

এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তীব্র নিন্দা জানায়,

যার পরিপ্রেক্ষিতে বন্দী শিবিরের কমান্ডারকে পদচ্যুত করা হয়।

এদিকে, উত্তর কোরিয়ার ফিয়কদং যুদ্ধ শিবির থেকে প্রাপ্ত খবর বলছে,

মিত্রবাহিনীর যুদ্ধবন্দীরা ঠিকঠাক আছে,

তারা জেনেভা কনভেনশনের অধীনে সুরক্ষিত।

যেন সেখানে যুদ্ধের কোনো লক্ষণ নেই।

যার সাথে অনিয়ন্ত্রিত কোজি বন্দী শিবিরের খুব একটা সাদৃশ্য দেখা যায় না।

যুদ্ধবন্দীদের বিবৃতি কোরিয়া যুদ্ধবন্দী শিবিরে ব্যাপক দাঙ্গা

মনগড়া তথ্য।

স্বভাবতই।

যেন কোনো যুদ্ধবিগ্রহই নেই।

এভাবেই দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয়, ভদ্রমহোদয়গণ।

ভালো খাও, ভালো খেলো।

কিছু বলার আছে?

স্যার, এখানে প্রায় ১ বছর থেকে বুঝলাম

এদেরকে না মারলে কাজ হয় না।

স্যরি! স্যরি!

ঠিক আছে, সমস্যা নেই...

ঠিক আছে, ভয় পেও না।

তোমার নামটা যেন কী?

তোমার নাম?

আমি, রবার্টস।

তুমি? নাম?

সাম-শিক৷ সাম-শিক।

হ্যাঁ, সাম-শিক। সাম-শিক।

কোথায় ছিলাম?

দ্বিতীয়ার্ধের গুরুত্ব বুঝাচ্ছিলেন, স্যার!

হ্যাঁ।

দ্বিতীয়ার্ধের জয়ে সংখ্যাটাই বড়। দু-চারটে বজ্জাতকে, পিটিয়ে সোজা করা।

গোটা দলকে ধরতে চাইলে, কিছুর লোভ দেখাতে হবে।

স্বাধীনতার মিষ্টি স্বাদে আসক্ত করতে হবে।

তাই না, সাম-শিক?

নো ইংলিশ।

আর কিছুই করতে হবে না, ভদ্রমহোদয়গণ।

স্বতঃস্ফূর্ত প্রত্যাবাসনই বিজয়।

সম্পূর্ণ প্রত্যাবাসনে ব্যর্থতা।

বুঝলে?

জি, স্যার!

বেশ তাহলে, খেলা এবার ঘোরানো যাক।

বুঝিয়ে দাও ক্যাম্পটা এখন নতুন ম্যানেজমেন্টের অধীনে।

কয়েকটাকে ছেড়ে দাও।

কাকে ছাড়বো আগে?

সবচেয়ে বেশি ঝামেলাকারী কে?

SWING KIDS

নে, ধর। এটা তোদের!

কমরেড খি-সু!

কমরেড খি-সু!

কমরেড খি-সু!

রোহ খি-সু! রোহ খি-সু!

কমরেড খি-সু!

হোয়াং খি-দং!

ছাড়ো!

আমাকে কি বীরের মতো লাগছে, কমরেড খি-সু?

তোমার মার্কিনী লুকে বিপদের আভাস পাচ্ছি!

কমরেড মান-ছুল।

আমার মত ফিটফাট হয়ে থাকলে, মার্কিনীরা তাচ্ছিল্য করবে না।

করেই দেখো, কমরেড।

কী কী খবর মিস করলাম বলে ফেলো।

অবস্থা খারাপ।

নতুন কমান্ডারটা এক্কেবারে বেজি!

ব্যাটায় ট্যালেন্ট শো আর জব ট্রেইনিং করে।

পুঁজিবাদের জন্য ভীতু শালাদের পটিয়ে নিচ্ছে।

ওরে হারামীর দল!

নিমকহারামের দল, ও কে জানিস?

ও রোহ খি-সু! আমাদের বীর রোহ খি-জিনের ভাই!

মার্কিনীদের পাছায় চুমু খাওয়া নিমকহারামের দল!

এভাবেই বলতে হবে।

মার্কিনীরা এটাকে বলে স... স্টাইল দূর করা।

ওই, ব্যাটা! শালা হারামী...

ওই, সাদা চামড়া!

দুনিয়া আন্ধার, হারামী!

- চলো! - সব আজ লুটে নেবো!

কতগুলো নর্দমার কীট...

তোর দুনিয়া আবার আন্ধার করে দিবো।

তোর বারোটা বেজেছে, না রে?

হ্যাঁ, উচিতই হয়েছে!

শালার মার্কিনী!

ওই, দিয়ে দে ওটা!

থাংকু!

থাংকু? ইতরের বাচ্চা! শালা!

তুই কী চাস, পুঁচকে বাঁদর?

চুদি তোরে!

তোকে আজকে...

তাহলে এই মার্কিনী মাল খেয়ে গালের চর্বি বাড়াচ্ছো?

তুমি তো বুঝলেই না ব্যাপারটা।

যুদ্ধের প্রধান নীতি কী?

শত্রুপক্ষের মালামাল ধ্বংস করা।

মার্কিনীদের জিনিসের প্রেমে পড়িনি, বরং এগুলো ধ্বংস করছি।

দাঁড়াও।

খি-সু? খেয়ে ফেলো দেখি।

নিজেদের জোর বাড়াতে আমরা শত্রুর জিনিস চুরি করছি।

এটাই তো প্ল্যান।

সাবাস। খেয়ে ফেলো।

কালা বেডা আবার শুরু করেছে।

মার্কিনীরা এটাকে ট্যাপ ডান্স বলে।

যুদ্ধ না লাগলে, আমাদের লিডারের সামনে দাঁড়িয়ে নাচতে আজ।

- তাই না? - চুপ করো।

আচ্ছা।

সরে থাকো। গায়ের উপর পড়বে।

এদিক দিয়ে যেতে বলেছে কে?

ন্যান্সি?

জি, ইন-জা আপু?

লিনডা আপু।

নাচে আবার গোলমাল করলে, বের করে দেবো।

সমস্যা নেই।

ইংলিশে বলো?

নো প্রবলেম।

সবাই ইংলিশ শিখছো তো?

জীবনভর তো আর অনুবাদ করে দিতে পারবো না।

স্যরি।

স্যরি। স্যরি।

নতুন মেয়ে!

জি?

প্রথমদিনে আমাদেরকে ভালোভাবে ফলো করবে।

তোমার নামটা যেন কী?

ইয়াং ফান-রে, আপু।

ইয়াং ফান-রে...

আমরা এখানে ইংলিশ নাম ব্যবহার করি। ক্যান্ডি কেমন হয়?

ক্যান্ডি আমার নাম।

তাহলে... জুলিয়া?

এটাও আছে। হ্যাঁ।

আপাতত ইয়াং ফান-রে থাক।

লিনডা আপু?

কী হয়েছে?

ওরা খাবার দিবে?

আমরা এখন আর যুদ্ধ শরণার্থী না।

আমরা এখন কোথায়?

আমেরিকা!

আমরা এখন কে?

বিউটিফুল আমেরিকান গার্লস!

মিউজিক স্টার্ট!

বেবি, আমাদের আনন্দ আর ধরে না!

স্টেপ! টাচ!

গো কোজি! গো আমেরিকা!

জাম্প!

সুন্দরভাবে ব্যবস্থা করে দিলে ২ ডলার পাবে।

৩।

তাহলে ২.৫০।

বললাম তো ৩।

নিগ্রো...

ভাইরে, অবশেষে আজকে মাস্তি করতে পারবো।

ওয়ান, টু! ওয়ান, টু!

হাসো!

হাই!

হাহ্-হা! ইয়াহ্!

করছো কী?

কী সমস্যা? আরে!

চলো।

জোরে ধাক্কাও!

এক, দুই, তিন!

শালার চিল্লাচিল্লি।

তোমার নাম কী?

সর!

ওহ্, ওয়াও।

ওই, গন্ধওয়ালা বোগল!

তোকে পেয়েছি আজ।

ছাড়!

আপু, টাকা কামানো যাক!

নাচো!

ওরে, খাইছে! আগুন!

জিমি, বেরুতে হবে!

তোর খবর আছে!

উপরে, বাবা!

দৌড়াও, সাম-শিক!

শুনলাম নাচা-গানার আয়োজন করেছিল, সার্জেন্ট।

কী লজ্জা, মিস করলাম। আমার ইনভাইটেশন বোধহয় মেইলে হারিয়ে গেছে।

আমি ক্ষমাপ্রার্থী, স্যার।

না, না, তোমাকে ক্ষমা চাওয়াতে ডাকিনি।

দেখো, বুঝতে পারছি আর্মিতে ঢোকার আগে ব্রডওয়েতে ডান্সার ছিলে।

ট্যাপ ডান্স, তাই না?

এখানে একটা দল বানালে কেমন হয়? এই বন্দীদের নিয়ে।

এই যুদ্ধবন্দীরা নাচবে মুক্ত বিশ্বের নাচ।

পাঞ্চলাইন হয়তো, নাকি?

জানি না, স্যার।

কী জানো না?

আমার মনে হয় না এশিয়ানরা ট্যাপ ডান্স পারবে, স্যার।

বাজে কথা বললে, বাবা।

এধরণের কুসংস্কারই তো তোমাকে ব্রডওয়ে ছাড়া করেছে, নাকি?

ওদেরকে জাতি হিসেবে বলিনি, স্যার। শুধু বললাম...

Komentar

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left