Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - শাফিন চৌধুরী আরমান আল মাহমুদ
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - শেখ রাসেল সোহেল রানা
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - হামিদ উদ্দিন আবুবাকার সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আরমান আল মাহমুদ
টার্গেটের অবস্থান পেয়েছি।
ইউনিট ২ ছাদে। ডিভাইস লাগানো হয়েছে।
ইউনিট ২, অবস্থান নাও।
র্যাপেল ডাউনের জন্য প্রস্তুত।
বের হবার পথগুলো ঘিরে রাখো৷ আমার ইশারা পাওয়া মাত্রই ঢুকবে।
ব্যক্তিগত নিরাপত্তাটাই মুখ্য।
3...
2...
1...
যাও!
বলদ কোথাকার, এসব করা ছাড়বি কবে?
রক্তপরীক্ষা করিয়েছি রে, মূর্খচোদা।
শারীরিক সমস্যা থাকলে, শাক-সবজি খা।
ড্রাগ নিস না।
এই ধোঁয়ার কারণেই শরীর বরবাদ হচ্ছে। জানালাটা খোল রে।
জুয়া খেলাটা জুয়াড়িদের মারে না,
বরং ফুসফুসের ক্যান্সার মারে।
ফ্যানটা দেখতে পাচ্ছিস?
চালিয়েছিস কখনো?
ওহ্...
মাগো...
ধুর!
কোন মরা?
কি হচ্ছেটা কী এসব!
এটা কে আবার?
একটু… দাঁড়াও।
এক সেকেন্ড।
পরিষ্কারের কোনো সাজ-সরঞ্জামই নেই।
তাহলে কোনো জানালা পরিষ্কারক নও, তুমি কি পুলিশ?
বুঝে গেছো। এর জন্যে তুমি একটা স্টিকার পাবে।
জঘন্য কাজকারবার।
এতো কাহিনী করে জুয়াড়িদের ধরে পোষাবে?
কী মিষ্টি তুমি। তোমাকে এরেস্ট করবো না।
বাকিরা সবাই, হাত উপরে করো!
ওই বলদটাকে ধরতে এসেছি৷
- জ্বী, ম্যাম। - আচ্ছা।
চলো, হোয়ান-দং। রাতের খাবারের সময় হয়েছে...
কোথায় যাচ্ছো? পালাবে নাকি?
খাওয়ার ইচ্ছে নেই।
আসলে ডায়েটে আছি তো। তাই খেয়ে নিয়েছি।
পালানোর সব পথ ঘেরাও করে রেখেছি৷
২ নং দরজার পেছনে কে আছে, বলো তো?
থামবে এবার... এদিক দিয়ে আসবে না।
প্রথমবার ধরতে এসেছি, তর সইছে না!
তার মানে এই জানালাটাও ঘেরাও দেয়া?
বেশ।
দাঁড়ান... যাচ্ছেনটা কোথায়?
এটা থামায় কীভাবে?
আপনিও ওনার সঙ্গী?
হাতটা একটু ধরো!
অবস্থাটা একবার দেখো।
র্যাপেল ডাউন করতে চাইলে,
বড়সড় একটা লাফ দিয়ে,
জানালা ভেঙ্গে ঢুকে,
এখানে গড়িয়ে উঠে,
লাঠিটা নিবেন,
আর আঘাতপ্রাপ্ত না হয়েই
টার্গেটকে মোকাবেলা করবেন।
তারপর টার্গেটকে ঘায়েল করে,
হাতকড়া পরিয়ে,
তাদের অধিকারগুলো জানিয়ে দেবেন।
এভাবেই তো করে, তাই না?
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কম করা।
এদেশের পুলিশদের জন্য বড়ই মায়া হয়। এদের কোনো আত্মসম্মানবোধ নেই?
টাকার সামনে মাথা নত করে।
ওটা তোমার পুঁটলি?
হ্যাঁ।
অনেক মুভি দেখো নিশ্চয়ই।
লাভ নেই।
হ্যাঁ?
ঢুকো!
অপরাধী পালাচ্ছে!
পিছু নাও!
ঠিকই বলেছিল! ধুর!
ক্যাপ্টেন খো!
যাও! যাও!
ওই! দাঁড়া!
ওই!
হচ্ছে কী এসব?
হারামজাদা!
ওই! দাঁড়া!
কুত্তার বাচ্চা!
ঝাক্কাস টাইমিং।
পা চালাতে না পারলে, গাড়ি চালাতে পারো।
ঘিলুটাকে একটু কাজে লাগানো উচিৎ।
জানি সোনা ব্যথা লাগে। হাতকড়াটা পরিয়ে দিলে আরাম পাবে।
হাতকড়া, গেলো কোথায়?
তোমাদের হাতকড়াটা ছুঁড়ে মারো।
ধুর!
মাঝবয়সী লোককে আটক করে, তাকে প্রায় মেরেই ফেলেছিলে।
একেবারে মেরে ফেলোনি কেন?
তোমরা জানালা ভাঙতেও ভয় পাও,
অথচ ১৬টা গাড়ি ভেঙে ফেলেছো৷
শেষের গাড়িটা ইচ্ছকৃতভাবেই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে।
হ্যাঁ।
ওটা আগে থেকেই ভাঙাচোরা ছিল। আমি দেখেছি।
- চুপ করো। - পুরো ইনস্যুরেন্স খরচটাই তাহলে ভুয়া।
বজ্জাতের দল!
চুপ করতে বলেছি।
গাড়ি ভেঙেছে ১৫টা৷ সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছেন?
ভণ্ডটাকে ধরবো আমি।
চুপ করো। চুপ করো।
বলুক না কথা। মজাই লাগছে।
দুঃখিত, স্যার।
ওহে, এটা দেখো।
একজনকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয় বানিয়ে দিয়েছো।
দেখো।
"মিসেস. কিম" কে এখন থেকে সবাই "জঘন্য গাড়িচালক" ডাকার পরিবর্তে,
"সাহসী নাগরিক" নামে ডাকবে।
চমৎকার না।
তাই মনে হয় বুঝি?
আমি তোমাদের আশার কদর করি।
ক্যাপ্টেন খো।
জ্বী?
ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব পালন করতে করতে ক্লান্ত হওনি? আমি জানি, হয়েছো।
ছই যে প্রমোশন পেয়ে গেছে শুনেছো?
কিন্তু সে তো আমাদের ক্যাপ্টেনের থেকে ছোট!
মুখটা বন্ধ রাখো।
তোমরা যখন একটা ছোট্ট মাছকে ধরতে দড়িতে ঝুলছিলে,
সেসময় ছই আর তার পুরো ইউনিট মিলে প্রমাণ জোগাড় করেছে,
একটা বিশাল মাদকদ্রব্য পাচারের লেনদেনের ব্যাপারে।
তারা দুই মাসের জন্য গুপ্তচর হয়ে একটা আস্ত গুণ্ডা দলকে পর্যন্ত ধরেছে,
দুই কিলোগ্রামের মতো মেথ জব্দ করেছে,
আর তোমাদের কাজটা তারা করে দিয়েছে।
তাতে তোমাদের আর কী দাম থাকলো?
মনে হয় তোমরা ভুল পেশাটাকে বেছে নিয়েছো...
নাহলে হয়তো, আমার তোমাদেরকে নিয়ে ভেবে দেখা উচিৎ,
আস্ত একটা অকর্মণ্য আহাম্মকের দল!
স্যার...
বেরিয়ে যাও!
যাও!
বের হও!
- ভাগো! - রাগার দরকার নেই।
বের হও! বের হও!
- আপনার দিনটা ভালো কাটুক, স্যার। - বের হয়ে যাও!
চাকরিটা ছেড়ে দিবো বলে শপথ নিয়ে,
প্রতিদিন সকালে এসে হাজির হয়ে যাই।
হয়তো, শপথ করবো বলেই কাজে আসি।
একবেলা শান্তিমতো খেতে না পারলে, এতো কষ্ট করে কী লাভ?
আর সেটা হয়েছে কীসের জন্যে?
কারণ, তুমিই পুরো দলের বাজেটটা নিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিলে।
উধাও হইনি, আন্ডারকভারে ছিলাম।
সেটার কথা ভাবলেও আমার রাগ উঠে যায়।
তোমাকে নিজের হৃদয়টা দিয়ে দিতে পারি। চোর কোথাকার!
বাদ দাও!
এখন থেকে আমিই বাজেটের দায়িত্ব সামলাবো।
- ওটা বের করো। - করছি।
বাদ দিতে বলেছি!
- আমাকে ছাড়ো। - দুঃখিত, স্যার।
উহ?
চিপ।
কী?
চিপ?
চিপ।
কী চিপ?
চকো চিপ।
চকো চিপ?
হ্যাঁ, চকো চিপ।
গিলে ফেলো।
গিলে ফেলো, বলছি।
আন্ডারকভারে ক্যাসিনোতে গিয়েছিলাম। এটা কিনতেই হতো।
এটার সাথে তো ওই প্রতারকের কোনো সম্পর্ক নেই...
হারামি!
আমরা এখন এমনিই অভাবের মধ্যেই আছি!
ওকে মেরে ফেলবো!
থামুন। ছেড়ে দিন ওকে।
ছাড়ুন আমাকে,
ছাড়ো।
ক্যাপ্টেন!
- আমাকে বলছো? - এখানে আর কে-ই বা আছে?
তুমি যে ২ মাস আগে থেকেই জানতে, সেটা আমাকে জানানো উচিৎ ছিল।
তাহলে, আমরা একত্রে কাজ করতাম। কিছু বলোনি কেন?
আমিই তাদেরকে ধরতে চেয়েছিলাম।
কী?
আমি একাই তাদেরকে ধরতে চেয়েছিলাম।
তোমার অপারেশন নষ্ট করে দেয়ার একটা বদঅভ্যাস আছে।
ছাং এর কেসটার কথা মনে আছে?
এক মাস সময় দিতে বলেছিলাম, কিন্তু তুমি নাক গলানো বন্ধ করোনি।
শুনেছি, একটা সাধারণ বাস নাকি আজকে তোমাদের আসামীকে ধরিয়ে দিয়েছে।
ওটা একটা গ্রাম্য বাস ছিল!
অন্তত স্কুল বাস থেকে ভালো।
আমরা গেলাম।
আরেকটা কথা, এখন থেকে এখানে ক্যাপ্টেন একজনই। আমি প্রমোশন পেয়েছি।
সেজন্যে তোমরা আমায় অভিনন্দন জানাবে না?
চলো, যেয়ে একসাথে রাতের খাবার খেয়ে আসি।
আমরা বারবিকিউ খেতে যাবো।
জিব সামলাও।
একেবারে কাঁচা খেয়ে ফেলছো না কেন?
আধকাঁচা পছন্দ করি।
খাক।
আগে এতটা সুস্বাদু মাংসের ধারে কাছেও যায়নি।
অতটাও সুস্বাদু নয়।
তোমার কি আত্মসম্মান বলতে কিছু নেই?
না। এটা দারুণ। খেয়ে দেখো।
ঠিক আছে, ম্যাম৷
No comments yet. Be the first to leave one.