Gonjiam: Haunted Asylum

Gonjiam: Haunted Asylum (곤지암)

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

GONJIAM Haunted Asylum (2018) BluRay REMUX 480p x264
GONJIAM Haunted Asylum (2018) BluRay REMUX 720p x264
GONJIAM Haunted Asylum (2018) BluRay REMUX 1080p x264
Gonjiam Haunted Asylum (2018) BluRay 480p x264
Gonjiam Haunted Asylum (2018) BluRay 720p x264
Gonjiam Haunted Asylum (2018) BluRay Bengali Subtitle
Gonjiam Haunted Asylum (2018) BluRay বাংলা সাবটাইটেল
GONJIAM Haunted Asylum (2018) BluRay REMUX Bengali Subtitle
GONJIAM Haunted Asylum (2018) BluRay REMUX বাংলা সাবটাইটেল
Un commento di ArRmaN
🔴🔵মুভি ডাউনলোড লিংক জিপ ফাইলের ভেতর এবং কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে।🔵🔴 ⭕🎭নিত্যনতুন কোরিয়ান মুভির খোঁজ পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ "কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট" - এ যুক্ত হোন।🎭⭕

Tag

BluRay
REMUX
x264
720p
720
480p
480
1080
Pubblicato il: 2019-11-11
Download: 178
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

সিনেমায় দেখানো সবকিছু কাল্পনিক, বাস্তবের সাথে এর কোনো মিল নেই।

অবশেষে, ৪ তলা।

ভয় করছে রে!

কী রে! কেমন ভয়ানক।

ভয়ংকর...

ধুর! ভয় দেখাস নাতো!

ভীতুর ডিম।

এটাই ৪০২ না?

সত্যিই আছে তাহলে।

জিনিস তো একটা।

হে-ছান। বলেছিলি আমরা আসবো না।

দেখ আমরা ৪০২ রুমের সামনে দাঁড়িয়ে।

দেখছিস ৪০২!

আমরা তোর মতো ভীতু না। বুকের পাঠা আছে আমাদের!

এবার দরজা খুলে চলে যাবো।

ভেবেছিলি পারবো না। কিন্তু আমরা এসেছি!

সাহস কাকে বলে দেখ!

দরজা খুলছি! ধর তো।

সত্যিই কিন্তু খুলছি!

ঢুকছে না রে।

ফাজলামো করিস না!

খুলছে না। কীভাবে...

পুরাই বলদ।

- কী রে? - কী?

দাঁড়া তো।

হাই, গাইজ। ভিডিওটা নিশ্চয়ই ইউটিউবে দেখেছো।

হাই স্কুলের দুই ছাত্র গনজিয়ামে নিখোঁজ হয়েছে।

তো কী করা যায়?

ক্লিপটা ভুয়া কিনা চেক দিয়েছি

টা-ডা!

ভৌতিক অভিযানে গিয়ে দুই কিশোর নিখোঁজ।

খবরটা সত্যি।

ভুতের ছবিও ফেইক মনে হচ্ছে না।

তো!

হরর টাইমসের তৃতীয় ভৌতিক অভিযানের স্থান হচ্ছে

কোরিয়ার সবচেয়ে তিন ভুতুড়ে বাড়ির একটি

আর পৃথিবীর ৭ ভয়ংকর স্থানের একটি!

নামিউং মানসিক হাসপাতাল।

১৯৬১ এর মে'তে চালু হবার পর থেকে, এটা ছিল কোরিয়ার সবচেয়ে ভালো মানসিক হাসপাতাল।

কিন্তু বিপুল সংখ্যক রোগীর আত্মহত্যা এবং পরিচালিকার নিখোঁজের পর

১৯৭৯ এর অক্টোবরে এটা বন্ধ হয়ে যায়।

ভবনটা এখনো পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে।

গনজিয়াম আশ্রম!

ফুটেজ!

নং ১০২৬

ব্লু হাউজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১তম ৫.১৬ সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান।

প্রধান পুরষ্কার পেয়েছেন

নামিউং মানসিক হাসপাতালের পরিচালিকা পার্ক ইউং-এ,

মানসিক রোগীর পাশাপাশি রাজনৈতিক বন্দী

এবং নিষ্ঠুর অপরাধীদের সেবা দানের জন্য।

গনজিয়াম আশ্রমকে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য জনশ্রুতি।

কেউ কেউ বলে এটা এমন এক জায়গার উপর নির্মিত হয়েছে

যেখানে জাপানীরা নৃশংসভাবে কোরিয়ানদের মেরে কবর দিয়েছিল

যাতে কেউ লাশগুলো খুঁজে না পায়।

কিংবা এটা ছিল ৬০-৭০ দশকে আশ্রমের নামে ন্যাশনাল টর্চারিং ফ্যাসিলিটি,

কিংবা সেই বিপুল সংখ্যক আত্মহত্যা আসলে ছিল পরিচালিকার খুন

যে নিজেই আত্মহত্যা করে, নিখোঁজ হয়নি।

আর রয়েছে আশ্রম বন্ধ হবার পর ভুত দেখার

এবং কান্নার আওয়াজ শোনার অগণিত জনশ্রুতি।

সবচেয়ে বড় জনশ্রুতি রয়েছে ৪০২ নাম্বার রুম নিয়ে,

যা আশ্রমের একমাত্র আবদ্ধ রুম।

সেই রুম যে খুলতে যায় অভিশাপে তার মৃত্যু হয়।

তো মানুষের গোচরে আসা অতিপ্রাকৃত ঘটনা

এবং ভুতের সত্যতা উদঘাটন করতে

২৬শে অক্টোবর আমরা যাচ্ছি গনজিয়াম আশ্রমে, যেদিন সেটা বন্ধ হয়েছিল।

আসতে চান?

আমি এখন গাংনামের একটা ক্যাফের টেরাসে বসে।

আমিই বোধহয় আগে চলে এলাম। বাকিরাও আসুক।

- হরর টাইমস? - হ্যাঁ।

- হ্যালো। - হাই।

- ভিডিও করছো? - হ্যাঁ।

হ্যাঁ, আমার ফ্যামিলি আমেরিকায়।

আর আমি ড্যান্স গ্রুপ নিয়ে এখানে।

- বাহ্। - দারুণ।

- কী করো তুমি? - নার্সিং পড়ছি...

- ছেলেদের ক্রাশ! - মহিলা কলেজে পড়ি।

ওরা না?

ওরা এসে গেছে!

হ্যালো, গাইজ।

হ্যালো।

- ভালো লাগলো। - হ্যালো।

পরিচয় পর্ব সেরে নেয়া যাক।

শিওর!

এরা বাছাইকৃত প্রার্থী।

ওহ আহ-ইয়ন, পার্ক জি-হিউন আর...

- শার্লেট! - শার্লেট মুন।

আর হরর টাইমস থেকে আছে,

লি সূং-উক, পার্ক সুং-হুন।

- হ্যালো। - হ্যালো।

সূং-উক MC সামলাবে

আর সুং-হুন ফার্স্ট ক্যামেরায় থাকবে।

আমাকে তো চেনো? আমি হা-জুন, স্কোয়াড ক্যাপ্টেন।

- গ্রুপ ডেটের মতো লাগছে। - হ্যাঁ।

- ওটা মিন করিনি... - থামো।

একজন এখনো আসেনি বোধহয়।

- যেন ভুত দেখেছো... - ও না?

বোধহয়।

- ডাক দিবো? - এইযে!

- উপরে! - উপরে আসো!

হ্যাঁ, উপরে আসো!

এসেছে!

হ্যালো, এটা হরর টাইমস?

- হ্যালো! - স্যরি, পথ হারিয়ে ফেলেছিলাম।

জে-ইয়ুন এডিটিং আর গ্রাফিক্স এফেক্ট দিবে।

জি-হিউন, সেকেন্ড ক্যামেরা।

আর দুজনের জন্য একটা করে গো প্রো ক্যামেরা।

ফ্লোর প্ল্যান আর সূত্র মনে রাখবে।

কী করছো?

এটা ফাক ইউ স্টাইল।

- চিয়ার্স! - চিয়ার্স!

- দেখা হয়ে ভালো লাগলো! - চিয়ার্স!

CNN এর ৭ ভয়ংকর স্থানের মধ্যে কোথায় কোথায় গিয়েছিলে?

চেকের সেডলেক ওসারি, মেক্সিকোর পুতুল দ্বীপ,

জাপানের অকিগাহারা ফরেস্ট।

৩ স্থানে গিয়েছি।

গনজিয়ামে যারা ভুত দেখে তারা নাকি আগে

শব্দ শুনে।

- টেবিল টেনিস বলের কথা বলছো? - হ্যাঁ।

ভুত দেখার আগে টেবিল টেনিস বলের শব্দ শুনে।

কিন্তু ওই শব্দটাই কেন?

সেখানে একটা আধভাঙা টেনিস টেবিল আছে।

পানি পড়ার প্রতিধ্বনির শব্দ হতে পারে না?

কিন্তু পরিচালিকা তার সব রোগীদের মেরে ফেলেছিল কেন?

সে যে মেরেছে তার প্রমাণ নেই।

মানুষ বলে সব রোগী মারা যায়,

আর পরিচালিকা নিখোঁজ হয়।

আরও গুজব আছে সে হাসপাতালের বাথরুমে ফাঁস নিয়েছিল।

তার গলা বোধহয় ফুটখানেক লম্বা হয়ে গিয়েছিল।

জঘন্য...

ভয় পাচ্ছো?

আমি?

না।

- হয়তো পাচ্ছো। - একদমই না!

এটা সরাসরি সম্প্রচার করার আইডিয়াটা কার?

একটা কার রেসিং ক্লাব

কিছুক্ষণ আগে ওদের ওয়েবসাইটে রেসিংয়ের একটা ভিডিও ছেড়েছে।

ওটা ২০০কে ভিউজ পেয়েছে, আর কামিয়েছে ১০০কে থেকে বেশি।

- ১০০কে ডলার? - হ্যাঁ।

এসব দেখিয়ে তোমরাও টাকা কামাতে পারবে?

অবশ্যয়ই...

আমার মনে হয় তুমি ওই ধরণের স্টুডেন্ট

যে শুধু বই পড়ে শিখে...

নিয়ম ভাঙে না।

- কিউট মেয়ে। - হ্যাঁ, খুব কিউট তবে...

- সব বই পড়ে শিখে। - বাদ দাও।

এক্সপেরিয়েন্স থেকে না...

কত ভিউজ চাও?

- মিলিয়ন! - মিলিয়ন?

তেমনটাই ইচ্ছা।

- অন্নেক। - মিলিয়ন বললে?

তার মানে ২০০কে এর ৫ গুণ ভিউজ হলে আমরা $৫০০কে কামাবো?

ক্যাপ্টেন।

ওকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া উচিত।

কেন?

- রেডি? - হ্যাঁ।

ওহ মাই গড!

- ধরেছে? - বিশ্বাস হচ্ছে না!

ধরেছে!

অবিশ্বাস্য!

- ধরেছে! তাই না? - দেখি তো!

ইম্পসিবল!

কীভাবে করলে?

জলদি!

মেরে দাও!

মারো!

এই!

খোদা, সো স্যরি।

আসলেই ওকে বাড়ি পাঠানো উচিত।

- এদিকে আসো। - প্লিজ...

- মিলিয়ন ভিউজের জন্য! - মিলিয়ন ভিউজ!

চিয়ার্স!

পরিচালিকার ভুতকে কেউ দেখেনি।

আত্মাও সেখানে থাকার কথা নয়?

হ্যাঁ।

কিন্তু মানুষ কেবল রোগী আর হাই স্কুলের এক মেয়েকে দেখে।

রোগী নাহয় বুঝলাম। কিন্তু হাই স্কুলের মেয়ে কেন?

৩০ বছর আগে?

হাই স্কুলের তিনটা মেয়ে ভয়কে জয় করতে সেখানে যায়।

৪০২ নাম্বার রুম খুলতে গিয়ে তারা জ্ঞান হারায়।

তাদেরকে পেয়ে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তাদের দুজন পাগল হয়ে আত্মহত্যা করে।

অন্যজনের জ্ঞানই নাকি ফেরেনি। এমনটাই শুনেছিলাম।

সেজন্যই গুজব আছে ৪০২ নাম্বার রুম অভিশপ্ত।

৪০২ নিয়ে কী প্ল্যান করলে?

এই অভিযানের ক্লাইম্যাক্স হবে দরজাটা খোলা।

ওয়াও!

- এ ব্যাপারে তো বলোনি। - গ্রেট!

সারপ্রাইজেই মজা।

- খুলবো তাহলে! - হ্যাঁ!

- সবাই যাবো না? - কেন?

ভয় পাচ্ছো?

আরে, না!

ভালোই মজা নিতে পারো।

সত্যি করে বলো, দরজাটা কে খুলবে?

গো, গো, গো!

- না! - সরো, সরো!

না, ধুর না!

তুমি খুলবে!

ওয়েট, ওয়েট।

- জে-ইয়ুন খুলবে, জে-ইয়ুন খুলবে! - মানি না।

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left