Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
যাস না। ম্যাডাম যেতে বারণ করেছে!
ম্যাডাম, ওকে আটকাতে পারিনি।
আপাতত ওর পেছন পেছন একটা ডেলিভারি মোটরসাইকেল পাঠিয়েছি। আর কী করবো?
ম্যাডাম!
তো...
কোথায় গেছে?
- হ্যাঁ? কিম মুন হো বলছি। - কি ইয়ং জে'কে চেনেন?
শুনেছি আপনারা দুজন একে অপরের পরিচিত।
তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত করতে হবে, ব্যবস্থা করো।
থানার সব সিসিটিভি চেক করো।
বিশেষত, জিজ্ঞাসাবাদের রুমেরটা।
কাল রাত থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সব চেক করো।
কিউং সুব, এখনই করতে হবে!
কাউকে প্রমাণ নষ্ট করতে দিও না, ওকে?
দাঁড়ান! ওখানে কেবল কর্মচারীরা ঢুকতে পারে।
মর্গে...
রিপোর্টার কিম মুন হো?
হ্যাঁ। হ্যালো।
আমি ওন ডং ইয়ুন। সাইবার টিমের ডিটেকটিভ।
এর আগে আমাদের ফোনে কথা হয়েছিল।
এখনে কী করছেন?
সত্যি না, তাই না?
হ্যাঁ?
সেদিনও...
এভাবে মজা করেছিলে।
মজা থামিয়ে ওঠো।
স্যার?
এবার বেশি হয়ে যাচ্ছে।
আর না।
আর না বললাম।
ওমা! এসব কী?
দাঁড়ান।
এই যে। উঠুন!
ঠিক আছেন?
ঠিক আছেন?
কেউ একজন এসে পড়বে।
ইয়ং জে।
- ওকে চিনেন বলেছিলেন? - হ্যাঁ।
চিনি।
কিন্তু...
এখানে যে আসতে হবে সেটা এতো জলদি জানলেন কী করে?
ও আমার পরিবারের মতো ছিল।
পরিবারের কেউ মারা গেলে সেটা জানাটা আমার আবশ্যক।
ইয়ং জে।
বিষয়টা আমি দেখবো।
কি ইয়ং জে কেস টিম ৩ নিচ্ছে বলেছিলে না?
ওদের জানাও, কেউ একজন হাসপাতালে এসেছিল।
কি ইয়ং জে'র জন্য এসেছিল কিনা জানি না।
ওদের জানাও...
এই! ভালোভাবে শোনো।
সকল কর্মীবৃন্দ থেকে সাইবার টিম নেটওয়ার্কের লোকদের চাই।
আজকে নাহয় সর্বোচ্চ কাল... একজন গেস্ট আসবে দেখা করতে।
লোকটা ইয়ং জে'র ফাইলে থাকবে।
চুপিসারে ফাঁদ পেতে লোকটাকে ধরো।
তোর জন্মদিনে, সীউইড স্যুপ খাবি।
জন্মদিনে সীউইড স্যুপ!
- একে কমনসেন্স বলে। - কেক কাটবো না?
ছোকরা, কেক অন্যের বানানো জিনিস।
সীউইড স্যুপ তোর স্যারের বানানো।
- দুটোর তুলনা হয়? - হ্যাঁ, কিন্তু কেক!
স্যুপটা কীভাবে বানাতে হয় জানো?
দোকানের মহিলাটার কাছ থেকে শিখে নিয়েছি।
পানি, মাংস...
আর সীউইড!
ধুতে হবে না?
সিদ্ধ হলে এমনিতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
আরে ধুর! কী হলো?
ধুর।
দেখো। ডিগ্রী সার্টিফিকেট।
প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, উক্ত শিক্ষার্থী সকল বিষয়ে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে।
দেখেছো তো? এবার দাও।
হারামজাদা। পাশ করেছিস তাহলে।
ব্রিফকেসটা দাও এবার।
এটা?
অনেক কষ্টে পেয়েছি এটা।
- এভাবে দিয়ে দিবো? - কী বলছো?
এর ভেতর মার্শাল আর্টের গোপন বই আছে?
বলেছিলে সেটা পড়লে, আমার দক্ষতা তিনগুণ বেড়ে যাবে।
সেটা ব্যবহারকারীর উপর নির্ভর করে।
তোর মতো কেউ পড়লে হয়তো...
ফল পাবে।
দিবে বলেছিলে। দাও।
না।
দাও। দাও বলছি! দাও।
আরে! আহ্!
এরকম করছিস কেন? না, নিতে পারিস না।
দেখি তো।
কী এসব? 'মশাই নিঃসঙ্গ', 'মিস, কী করছেন'?
বুড়ো পাগল!
সব দরকারী মালামাল!
- জং হো, জং হো! - সরুন!
এক মহিলা কল দিয়ে বললো তোমাকে এখানে পাবো।
তোমাকে থামাতে বললো। দাঁড়াও। দাঁড়াও! একটু দাঁড়াও, কেমন?
জং হো। বললো ওকে মেরে ফেলবে।
জং হো।
- মিথ্যা কথা, তাই না? - সরুন।
যেও না। যেও না। যেও না।
ওরকম লোকের কারণে নিজে খুনি হবে?
কেন হবে!
ইয়ং জেও এটা চায়নি।
জানো সেটা।
তাহলে কী? করবোটা কী?
কিছু একটা বের করবো।
- সত্য বের করবো। - কী বলছেন?
এখন কিছু বলুন! কিছু একটা করতে দিন।
এই মুহূর্তে, আমার... আমার...
কিছুই করার নেই।
কেবল বলে দিন কী করবো!
আমিও ভুগেছি।
২০ বছর যাবত, আমিও কিছু করতে পারিনি। আমারও কষ্ট হয়েছে! বুঝলে?
তাই, প্লিজ...
আমাকে একটু সময় দাও।
আমি কিছু একটা বের করবো।
আমি... আমিই স্যারকে ডেকেছি।
সে আসতে চায়নি, আমিই ডেকে এনেছি।
জং হো!
যা বলতে চায়নি, তা বলিয়েছি।
আর যখন বললো, আমি তার উপর চটে গেলাম।
রাগে অন্ধ ছিলাম...
৮ বছর ধরে তাকে দেখিনি।
তার সাথে বসে খাইনি।
কিন্তু...
কিন্তু, বুড়োটা...
কাঁদো। কাঁদতে পারো।
কাঁদো, জং হো।
বুড়ো শয়তানটা।
কথা দাও।
আমাদের সম্মুখে যা দেখছো।
আর সেসবের পেছনে যারা দাঁড়িয়ে, সবাইকে আমরা শেষ করবো!
তাদের কুকর্মের মাশুল নিয়ে ছাড়বো।
আমার উপর আস্থা রাখো!
- কীভাবে করবেন? - জং হো...
আমাকে থামানো ছাড়া...
আর কীইবা পারেন?
রিপোর্টার লি। ওদিক থেকে একটা নিন।
ওয়াও! কী সুন্দর।
ম্যাডাম, আপনি।
আমি 'এশিয়া মান্থলি' এর রিপোর্টার লি মিউং জিন।
- স্বাগতম। - খারাপ লাগছে।
এখন তোমার রেস্টের সময়।
তুলে ফেলেছে যখন, আরও কয়েকটা তোলা যাক?
এমনিতেও আপনারা দেশের লিজেন্ডারি কাপল।
প্লিজ, স্যার।
তোমার আপত্তি নেই তো?
না।
এইতো দারুণ।
এভাবে?
ম্যাডাম, কষ্ট করে আরেকটু হাসবেন?
আমি মনে করি মেয়র পদে যোগ দিয়ে বেশ কঠিন পদক্ষেপ নিয়েছেন।
আসনটা লজ্জাজনক ঘটনায় বাদ পড়া প্রার্থী কিম উই চানের।
তার উপর, রাজনীতিতে আপনার অভিজ্ঞতা নেই।
হ্যাঁ। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা না থাকায় আমাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
পূর্ববর্তী প্রার্থী বিভ্রাটের কারণে, পার্টি এখন নজর দিচ্ছে...
স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা... এসব বিষয়ের উপর।
এটাকে দুর্বলতা বলতে পারেন, কিন্তু আমার ভেতর বাহির এক।
কিছু লুকাতে পারবো না।
যা আসলেই সমস্যা।
ধরছে না?
সারারাত তো একসাথে ছিলে।
হ্যাঁ, ছিলাম।
সকালে হাঁটতে বেরোয়।
ব্রেকফাস্টের সময় ওয়েট করেই গেলাম, কিন্তু ও আসলো না।
পার্ক বং সুকে তো চেনো? ভয় পেলে দৌড়ে পালানোর রোগ আছে।
তাই, রাতে নয়তো সকালে, কিছু দেখে হয়তো ভয় পেয়েছে।
কী?
ওকে পালাতে বাধ্য করতে মাঝরাতে কী করেছিলে?
কলও দিচ্ছে না, কাজেও আসছে না।
আহ... বেশ কৌতূহল হচ্ছে।
আমারও।
- আরে, কী বলছেন? - পার্ক বং সু কয়েকদিন আসবে না।
আমারও দেরি হয়ে গেলো।
- ৩০ মিনিটের ভেতর মিটিং শুরু করবো। - হ্যাঁ।
৩০ মিনিট? তৈরি হও!
হ্যাঁ?
একটু কথা বলার ছিল।
- আসো। - হ্যাঁ।
যেমনটা জানেন, কিম মুন সিকের উপর আমরা খবর করছি।
তারপর?
আর, আমাদের লক্ষ্য তার দুর্নীতির পর্দা সরানো।
- সেটাই। - তো...
আমার মনে হয় ওনার সাথে দেখা করা উচিত
ওনার সামনে দাঁড়িয়ে সরাসরি জিজ্ঞেস করা দরকার।
আমরা মনে করি আপনি দুর্নীতিগ্রস্থ। ঠিক তো?
হ্যাঁ।
সমস্যা হলো, ইন্টার্ভিউ দিতে চাইবে?
আপনার সম্পর্কটাকে কাজে লাগানো যায়?
- উনি তো আপনার ভাই। - আজকে থেকে, আর নয়।
- হ্যাঁ? - এটাই শেষ কথা।
কিম মুন সিক আর আমি? আমরা আর ভাই... নই।
ভাইদের মধ্যে মিলমিশ থাকাটা বোধহয় ভালো...
বেশ, তাহলে আমি বলে দেখবো।
কিম মুন সিকের সাথে কথা বলতে চাও?
আসলে, ওনার স্ত্রীর সাথে বলতে চাই।
কিছু পুরনো আর্টিকেল ঘাঁটার সময় এটা পেলাম।
এখানে লেখা কিম মুন সিক স্ত্রীর সাথে বেশ ক্লোজ।
এইযে, দেখুন, ওনার স্ত্রী।
আরে। আপনি তো চেনেনই। উনি আপনার ভাবী।
কাণ্ড দেখুন। এই নিন।
দেখুন।
No comments yet. Be the first to leave one.