Le prime 114 righe.
বাবা?
বাবা!
বাবা!
-মা... -বাবা!
বাবা!
বাবা!
আমার বাবা!
-তুমি ঠিক আছ, বাবা? -ভাল আছি, মা।
বাবা!
তোমাকে আমি কত খুঁজেছি।
কোথাও খুঁজে পাইনি!
বাবা!
বাবা!
কেউ...
কেউ আছেন?
ভাই...
শুনতে পাচ্ছেন কেউ?
হ্যালো!
কেউ শুনছেন, ভাই?
আমাকে আটকে রেখেছে!
একটু দয়া করবেন?
কেউ একটু বাঁচান!
দয়া করুন!
ভাই, দয়া করুন!
ম্যাডাম, একটা কথা কদিন ধরে বলব ভাবছি।
সাহস পাচ্ছি না।
কী বলবে বলো।
ম্যাডাম, আসলে...
বাজারের জায়গাটা প্রমোটারকে দিতে চাই।
এ প্রসঙ্গে আর একটা কথাও শুনতে চাই না।
এই বাজারটা আমার বাবার।
এটার সঙ্গে আমার কত স্মৃতি জড়িয়ে জানো?
এই বাজার আমার পরিবারের জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ জানো?
এখানে কেউ না থাকলেও...
বাজার যেমন আছে তেমনভাবেই রাখব।
শামসুর বাজার ঢাকায় আমার বাবার প্রথম বাজার।
এটাই আমার বাবা-মার একমাত্র স্মৃতি।
যতদিন আমি বাঁচব এই বাজার এরকমই থাকবে।
আমি ঠিক সেভাবে বলতে চাইনি।
আমার কাজ আছে। যাও।
স্লামআলেইকুম, ম্যাডাম।
এই, শালারা! চুপ!
আবার কথা?
তুই চশমা খোল।
সংগ্রামী ভাই ও বন্ধুরা...
আপনাদের সংগ্রামী শুভেচ্ছা।
আমাদের নেতা, আনিস সাহেব, গুম হয়েছে।
আমরা জানি এ কাজ কারা করেছে।
কিন্তু...
নাম বলা যাবে না।
নাম বললে চাকরি থাকবে না।
কী থাকবে না?
-চাকরি! -চাকরি!
আপনারা আমার সঙ্গে প্রার্থনা করুন।
এই! ওভাবে নয়। ভাল করে কর।
-আল্লা! -(সকলে) আল্লা!
-আল্লা! -(সকলে) আল্লা!
তোমার কাছে বিচার দিলাম।
তোমার কাছে বিচার দিলাম।
এ বিচার কবুল করো।
এ বিচার কবুল করো।
-আমিন! -(সকলে) আমিন!
শনিবার আমরা আবার মিছিল করব।
যা, বাজার গরম কর।
চলুন।
মিছিল তো শেষ। টাকা দেবেন কখন?
টাকা? পুঁটকি দিয়ে ঢুকিয়ে দেব।
যা। দাঁড়িয়ে আছিস কেন এখনও?
তাগড়া হয়ে মিছিল কর।
-যাও! -(অস্পষ্ট কথাবার্তা)
মিছিল করো! মিটিং করো!
-জ্বালিয়ে দাও সব! -(অস্পষ্ট কথাবার্তা)
"বদরুল আলম, এমপি"
আপনাকে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করালাম।
আপনি তো অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আসেন না।
এমনিতেও যারা আসে তাদের চার-পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
কিন্তু আপনি আমাদের ঘরের মানুষ।
আনিস আমার ছোট ভাইয়ের মতো।
তাই আপনাকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সময় দিলাম।
সরি, রেজওয়ানা।
কী খাবেন? ঠাণ্ডা না গরম?
আনিসকে আমি কীভাবে পাব?
কবে পাব?
এমনভাবে বলছেন যেন আনিস আমার ড্রয়ারের ভেতর।
ড্রয়ার খুলেই বের করে দেব।
কিছু একটা তো ঘটেছে।
অপরাধমূলক কাজকর্ম যাঁরা দেখাশুনো করে...
তারা ওকে খুঁজে বের করতে পারবে।
পেয়ে যাবেন।
আপনি এ নিয়ে চিন্তা করবেন না।
আপনার দুঃখটা আমি বুঝি।
না।
বুঝতে পারছেন না।
আপনার কেউ হারায়নি।
দেখুন।
আমরা রাজনীতি করি।
মানুষের দুঃখ-দুর্দশা বোঝা আমার কাজ।
এখানে তো লক্ষ লক্ষ মানুষ আছে।
শুধু একজনেরটা বুঝলে তো হয় না।
আপনি চিন্তা করবেন না। বাড়ি যান।
কোনও দরকার হলে আমাকে ফোন করবেন।
আমার এটাই দরকার ছিল।
তাই এখানে এসেছি।
এর জন্য কষ্ট করে এতদূর আসার দরকার ছিল না।
দরকার হলে আমিই আপনার ওখানে যেতে পারতাম।
স্যার।
ম্যাডামকে সিকিউরিটি দিয়ে বাড়ি পৌঁছে দাও।
-ম্যাডাম। -আমার একটা জরুরি মিটিং আছে।
স্লামআলেইকুম।
হুম।
পরশু কিন্তু মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ।
একাবার মনে করিয়ে দিতে এলাম।
তুমি আমায় মনে করিয়ে দেবে বলেই তো আমি এত বছর রাজনীতি করছি।
নিজের কাজটা করো না কেন?
No comments yet. Be the first to leave one.