Anohana: The Flower We Saw That Day

Anohana: The Flower We Saw That Day

あの日見た花の名前を僕達はまだ知らない。

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

Anohana Episode 07 Bengali Sub by Anime Freaks
Un commento di Anime_Freaks
অনুবাদক: Aktar Hossain. ৪৮০পি জি-ড্রাইভ লিংক: https://bit.ly/3dyyFzU

Tag

other
Pubblicato il: 2020-04-06
Download: 37
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 184 righe.

তিনি আমার উপর খুব রাগ করেছেন।

মনে হচ্ছিলো কোনো খারাপ আত্মা তার উপর ভর করেছে।

আমি তাকে বললাম আমি কিন্তু ঘর ছেড়ে চলে যাবো, আর তিনি বললেন পারলে গিয়ে দেখাও।

আমার মনে হচ্ছে তাকে একটু বেশিই রাগিয়ে দিয়েছি।

ইয়াদোমি?

এটা কেনো নিয়ে এসেছো?

আমি এটা ছাড়া ঘুমাতে পারি না।

আর এই তোয়ালে?

এটা ছাড়াও ঘুমাতে পারি না।

কি মেয়েরে বাবা!

একবার ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখো, তুমিতো বাড়ি থেকে পালাতে পারবে না।

আর স্কুল মিস দেয়াও একদমই উচিত নয়।

এখন এসব প্যাঁচালই শুনতে হবে।

আমার কথা শোনো, আনজু।

যদি তুমি স্কুল মিস দেয়া শুরু করো, তাহলে সবকিছু হাতের বাইরে চলে যাবে।

এটাই প্রথম আর শেষ কথা।

তোমার স্কুল মিস দেয়াতে কোনো কিছুই পরিবর্তন হবে না।

যখন তুমি একবার মিস দিবে, তখন পরেরবারও মিস দেয়ার ইচ্ছা হবে। তারপর বলবে আরেকবার আর এভাবে চলতেই থাকবে।

আর কোনোকিছু বুঝে ওঠার আগেই...

আমার মনে হয় না এভাবে তোমাকে লেকচার দেয়া ঠিক হচ্ছে।

সমস্যা নেই।

কিহ্?

হুম, তুমি ঠিকই বলেছো।

তুমি সত্যিই চমৎকার। তোমার কথা বলার স্টাইল একদম আগের মতোই আছে।

এসব কি বলছো...

সত্যিই তোমার একটুও পরিবর্তন হয়নি।

কিহ্?

তুমি যত বড় বিপদেই থাকো না কেন, সবসময় অন্যের চিন্তা করো।

বন্ধ করো এসব!

তুমি সবসময় অন্যকে নিয়েই বেশি চিন্তা করো।

আমি সেরকম নই।

মেনমা আমার চেয়েও...

ওই শোনো...

আমি ইয়ুকিয়াতসুর সাথে কথা বলেছি। সে বলেছে, আমরা মেনমাকে নিয়ে একটু বেশিই চিন্তা করছি।

আর এও বলেছে যে, বেশি চিন্তা করা আমাদের জন্য ঠিক না।

তুমি যাই বলোনা কেন, সে তো এখন আমার বাসায়।

এজন্যই তো বলছি...

কিহ্, মেনমার ব্যাপারে আমার কথায় বিশ্বাস নেই তোমার?

নাহ্, আমি তো এরকম কিছু বলিনি।

আমি বাসায় যাচ্ছি।

একটু দাঁড়াও, ইয়াদোমি।

আমি কিছু রাইস আর মাংস নিয়ে এসেছি।

গুণে গুণে ৫২০ ইয়েন নিয়েছে।

Meat & produce

চালিয়ে যাও তোমরা!

তুমি যেমন ভাবছো তা নয়!

আমি শুধু ডায়েরি নিতে এসেছিলাম ...

আমার খাবার!

পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা শেষ হয়ে গেলো, তারপরও শেষ হলো না আমাদের অনুভূতি প্রকাশ।

আমাদের সব আবেগ ঝেড়ে ফেলে, এখন আমরা নতুন করে লিখবো সব।

আমি জানি না কিভাবে শেষ করবো এই পৃষ্ঠা।

ডায়েরিতে চিহ্ন করে রেখে,

তুমি আমি বাইকে ঘুরবো সারাদিন।

চলো যাই আমাদের গোপন আস্তানায়,

যেখানের প্রতি ইটের ভাঁজে ভাঁজে আমাদের স্মৃতি লুকায়িত আছে।

চলো সেই পাহাড়ে যেখান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়,

যেখান থেকে আকাশ ছুঁতে পারবো আমরা মেঘের উপরে ভেসে ভেসে।

এক হাতে থাকবে আমার আপেলের সুরা, অন্য হাতে খুঁজে ফিরব আমি তোমাকে।

বাসায় যাওয়ার সময় যখন আমাকে খুঁজতে,

যখন আমার কাছে আরো বেশি কিছু চাইতে,

যখন রাতে আমার পাশে শুতে।

এখনও কেন আমার তোমাদেরকে দেখার ইচ্ছা করে?

হয়তো আমার কিছু একটা হয়েছে।

এটা পড়ে হয়তো আমার মেনমার ইচ্ছা সম্পর্কে কিছু জানতে পারবো।

চলো শুরু করি।

যে মেনমাকে আমি জানিনা সে এখানে।

মেনমা আমাদের সম্পর্কে যা যা ভাবে সব এখানে।

ফেব্রুয়ারি ১২, মেঘাচ্ছন্ন আকাশ।

আজ সবার সাথে খেললাম, ভালোই মজা হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, রৌদ্রজ্বল।

আজ সবার সাথে খেললাম, ভালোই মাস্তি হলো।

খুব ভালো...

খুব কষ্ট করে লিখেছে।

শুধু একটা জিনিসই আলাদা, মজা না হয় মাস্তি।

লেখালেখিতে সে কাঁচা।

ওই, এটা একটু আলাদা মনে হচ্ছে।

সবার সাথে খেলার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়েছি, ভালোই লেগেছে।

দেখো, এটাও আলাদা।

আজ আমরা সবাই জিনতানের মাকে দেখতে হাসপাতাল গিয়েছিলাম।

মনে আছে তোমাদের?

আমরা মাঝে মাঝেই করতাম, সবাই একসাথে।

মা!

জিনতানের মা সবসময় হাসপাতালে থাকে।

একটা বুদ্ধি পেয়েছি! চলো সবাই উপরওয়ালার কাছে চিঠি লিখি।

"দয়া করে খুব শিঘ্রই জিনতানের মাকে সুস্থ করে দিন!"

সেটা আবার কিভাবে করবো?

ওদিকে দেখো জিনতান!

Shooting Star

আমার মনে পড়েছে...

জিনতান?

আমরা সবাই একসাথে আতশবাজি করবো।

আমরা জানি এটা খুবই কঠিন হবে।

কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

আমারও মনে পড়েছে!

আমরা রকেটে একটা চিঠি লিখে ঈশ্বরের কাছে পাঠাতে চেয়েছিলাম।

এটাই কি তার ইচ্ছা হতে পারে?

এটাই! খুব সম্ভবত এটাই হবে।

আমরা একটা বানাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বানাইনি।

কি ভাবছো ইয়াদোমি?

আমার মায়ের জন্য...

লেট জিনতান।

অপরাধী জিনতান।

বদমাশ জিনতান।

আউচচচচ্!

আমি একদমই জিনতানের কথা ভাবছিলাম না।

এত রাতে খাবার খেলে তো মোটু হয়ে যাবে।

আমি না তুমিই হবে মোটু।

নুডলস সাথে ডিম।

অনেকদিন ধরে নুডলস রাঁধি না।

ভাবলাম আজকে তোমাকে একটা ট্রিট দিই।

জিনতান।

খুবই সুস্বাদু!

বাবা যেকোনো সময় চলে আসবে তাড়াতাড়ি করো।

আর হ্যাঁ, আমি কালকেও স্কুল যাবো।

তাই... আবার পিছু করো না।

তোমাকে নিয়ে গর্বিত!

এই যে তোমার পুরষ্কার।

নাহ লাগবে না।

আগের মতো অদ্ভুত কোনো কাজকারবার করো না আবার।

স্কুল মিস দেয়ার পরেও কেন তুমি স্কুলড্রেসে এসেছো?

সমস্যা কি? আমার স্বাধীনতা আছে ড্রেস চয়েস করার আর...

নাহ।

কিহ?

বিষ্ফোরক আইন মোতাবেক,

তোমাকে আগে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে, তারপর লাইসেন্স করতে হবে।

মজা করছো নাকি?

মনে হচ্ছে ছোটো আতশবাজিগুলো আমরা ব্যবহার করতে পারবো।

কিন্তু তারপরেও আমাদের লাইসেন্স লাগবে।

মনে হচ্ছে এটা সম্ভব নয়।

হুম যদি ঠিকভাবে ভেবে দেখো, তাহলে আমাদের কারোরই লাইসেন্স সম্ভব নয়...

কিছুই কি করার নেই। ভাবো একবার সবাই...

এটা কি সত্যি?

কিছু ছোট ছোট আতশবাজি নাও তারপর সবগুলো একসাথে নিয়ে একটা বড় আতবাজি বানাও।

টয়লেট পেপার রোলে সবগুলো বেঁধে ফেলো।

নাহ! এটা জ্বলবে!

এটাই কি মূল উদ্দেশ্য না??

খুবই ভয়ানক! বাচ্চারাও ভয়ানক!

কিন্তু তখন আমরা ভেবেছিলাম এটা কাজ করবে।

হুম। আমরা সবাই ভেবেছিলাম যে আমরা এটা ওড়াতে পারবো।

যত অনুষ্ঠানে আতশবাজি দেখেছিলাম এটা কিন্তু সবগুলোর চেয়ে জোস ছিলো।

আমরা ভেবেছিলাম এটা উড়বে।

উড়ছে!

হাইস্কুলের ছেলেপেলেদের তখন অনেক বড় মনে হতো, আর আমরা ভাবতাম সেখানে উঠলে সবকিছুই করতে পারবো।

হুম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তখনই আমরা বেশি স্বাধীন ছিলাম।

কিভাবে কি করবো তা ভাবার জন্য সবাই সময় নিয়েছিলাম,

কিন্তু সবাই এটা নিয়ে খুব শঙ্কিত ছিলো।

কিন্তু...

শুধু একটা জিনিস মাথায় রাখো।

যেটার কথা বলছো এটা যদি মেনমার ইচ্ছা না হয়, তাহলে আমাদের সকল পরিশ্রম বৃথা।

মেনমা তোমার বাসায় না? তুমি কি তার কাছে শুনেছো এটা সম্পর্কে?

ইয়ুকিয়াতসু!

তাকে জিজ্ঞাসা...

তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করাটা ভয়ানক।

আবার দেখা হবে।

এটা ডেজা ভু।

কিহ্?

জিনতান, যে সবসময় ভবিষ্যতের কথা ভাবে আর ইয়ুকিয়াতসু, যে তা দেখে

তাহলে তুমি কাউকে বলোনা কেন?

যদি সে সেদিন আমাদের দেখা করার বিষয়টা না জানাতো...

মেনমা কি সেদিন আমাদের ফোন করেনি?

হুম?

হ্যাঁ সে ফোন করেছিলো।

ফোন?

হুম। সে বলেছিলো কি যেন একটা বিষয়ে কথা বলতে চায়।

তাহলে শেষমেষ মনে পড়লো, কেন বললে না অন্য কাউকে?

কারণ ইয়াদোমি ওখানে ছিলো।

কিহ্?

তুমি গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভুলে যাচ্ছো।

মেনমা বলেছিলো মিটিংটা ইয়াদোমির কাছ থেকে গোপন রাখতে।

মেনমা বলেছিলো?

পর্ব "৭"

আতশবাজি?

আমি একজনকে চিনি যে এসব বানায়।

সত্যি?

হুম আমি এক বৃদ্ধকে চিনি যে আতশবাজি তৈরির ফ্যাক্টরিতে কাজ করতো।

তুমিও কি বানানো শিখতে চাও?

হ্যাঁ, সেরকমই।

কেন?

আসলে তেমন কোনো কারণ নেই!

শুধু তুমিই?

নাহ্, পোপ্পো আর বাকিরাও আছে।

কি হলো আবার?

নাহ্, কিছু না।

আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে, আমি তোমার ব্যাপারে কথা বলবো।

Anohana: The Flower We Saw That Day subtitles in other languages

More Bengali subtitles for Anohana: The Flower We Saw That Day

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left