Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
অনুবাদে : আসাদুজ্জামান
সম্পাদনায় : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আহ, খুবই বিব্রতকর।
প্রশ্ন নম্বর এক।
হ্যাঁ, আমি হিলার। আমার আসল নাম জানার কোনো প্রয়োজন নেই।
দুই নম্বর... আমি কী করি?
আমি একজন কুরিয়ার বয়।
দক্ষতা বিবেচনা করলে, আমিই এই বিজনেসে সেরা।
তিন নম্বর।
এটা কি তোমার স্বপ্নের কাজ?
ধ্যাত... এটা কী ধরনের প্রশ্ন?
এই কাজ...
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে একটা জনমানবহীন দ্বীপ কেনার টাকা ওঠানো পর্যন্তই করতাম।
এমনকি দ্বীপও পছন্দ করে রেখেছি একটা।
যতটুকু জানি, দ্বীপটা এখনো অবিক্রিত।
যাইহোক, সেটা করতে গিয়ে...
একটা মেয়ের সাথে... দেখা হলো।
মানে। মাথাটাই পুরোপুরি ঘুরে গেলো।
তাই স্বপ্ন পরিবর্তন করলাম, বিশেষ করে স্যারের কথা শোনার পর।
রাজকন্যার সাথে থাকবো...
ছেলেমেয়ে বড় করবো ঠিক অন্যদের মতো।
ভেবেছিলাম সহজ হবে।
কিন্তু, শালারা পিছু ছাড়লো না।
আমাকে আঘাতের পর আঘাত করতে লাগলো।
কিন্তু, মেজাজটা সবচেয়ে খারাপ হলো...
যখন আমার প্রিয়জনদের পেছনে লাগলো।
চল।
চা খেতে ভেতরে আসবো?
কাল দেখা হবে। সাবধানে যেও।
- আচ্ছা। - বাই।
বাই।
এতো তাড়াতাড়ি বন্ধ করলো কেন!
বাবা?
এতো দেরি হলো কেন? অপেক্ষা করছিলাম তো।
জং হো!
মারার আগে দেখে মেরো।
চোখ বন্ধ।
হ্যালো।
আমার নাম সেও জং হো।
কিছু ঝামেলার কারণে...
আসল নামটা বলতে পারিনি।
ইয়ং সিন।
চোখ কি খোলাই রাখবে ভাবছো?
তাকাবো না।
এরকম পাজির পাঝাড়া আরো আসবে হয়তো।
ইয়ং সিন।
চোখ বন্ধ।
- মেরেছো? - হ্যাঁ।
ভীষণ দু:খিত। এখন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো...
চাই না এরা সেগুলো শুনুক।
- আপনার পুলিশকে ফোন দেয়া উচিৎ। - হ্যাঁ! দিচ্ছি।
বলবেন দোকানে ডাকাত পড়েছিলো।
- আমাকে দেখেছেন ভুলেও বলবেন না। - হ্যাঁ, অবশ্যই!
দা... দাঁড়াও। তো তোমার নাম বং সু না?
না, একদম না।
আমরা বিপদে? ইয়ং সিন কি বিপদে?
এই... মুহূর্তে, হ্যাঁ।
হচ্ছেটা কি এসব!
আমার বাবা... স্যার... ইয়ং সিনের আসল বাবা...
সবাইকে একই লোকজন মেরেছিলো।
তাই... ব্যাপারটা, মানে...
এটা আসলে...
শোনো বাবা,
আমাদের বাবারা সাংবাদিক ছিলেন।
- দূর্নীতি ফাঁস করতে গিয়ে খুন হয়েছিলেন। - হ্যাঁ, ঠিক তাই।
- কিন্তু, কেউই তাদের কোনো বিচার করেনি। - কেউ না।
তাই... তারা অবাধে তাদের সব কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলো।
- আর ও তাদের থামানোর জন্য লড়ছে। - হ্যাঁ, একদম।
তারপর থেকেই তারা,
আমার পেছনে এসব লোক লাগিয়ে ওকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।
ঠিক বলেছে ও।
এক মিনিট! খুনোখুনি আর সাংবাদিক, কী বলছিস এসব? হ্যাঁ?
এসব কথা ভেবেই, আমি ইয়ং সিনকে আমার সাথে নিয়ে যেতে চাই।
পাগলটা কী বলছে বল তো?
দেখতেই পাচ্ছেন, এ জায়গা মোটেও নিরাপদ না।
- আমাদের কিছু সেফহাউজ আছে... - কি!
হবে না।
যার নামই ঠিকমতো জানি না, তার সাথে আমি আমার মেয়েকে যেতে দেবো?
পাগল পেয়েছো!
কাজ হবে না বলছে।
হুম... আচ্ছা।
আমরা আশেপাশের বাড়িগুলো ভাড়া নেয়ার চেষ্টা করবো।
ততক্ষণ পর্যন্ত, এখানেই থাকুন। আমি জলদি ফিরবো।
এই শো... শোনো?
শুধু পাঁচ সেকেন্ড।
গেলাম।
- জলদি ফিরো। - ফিরবো।
ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া কোরো। লক্ষী মেয়ে হয়ে থেকো।
খাবার...
ঠিকমতো খেয়ো।
পাশের বাড়ি।
কতোগুলো বিল্ডিং দেখো তো!
সবগুলোতেই মানুষ থাকে, অবিশ্বাস্য!
নার্স শীঘ্রই চলে আসবে। কিছু লাগলে, ফোন দিও।
আচ্ছা।
আপু।
আজ একসাথে ডিনার করবো।
আমি রান্না করবো। তুমি থালাবাসন মাজবে।
তোমাকে কিছু বলার ছিলো।
আজ রাতে বলবো। সবকিছু।
অপেক্ষায় থাকবো।
এবার যাও।
গণতন্ত্র... গণতন্ত্র... কোথায় তুমি?
এইতো আমি।
হ্যাঁ, কিম মুন হো বলছি।
যদি কোনো তথ্য থাকে, একদিন পত্রিকায় বলুন...
কোথায় আপনি?
কিম মুন হো। আপনিই কি আমাকে কল দিয়েছিলেন?
বড়ভাই সম্পর্কে আপনিই তথ্য দেবেন?
বড়ভাইকে কীভাবে চেনেন?
এই যে... তাকান। তাকান তো।
এই যে? এই যে? ঠিক আছেন তো?
এই যে?
আহ! জং হো'র বন্ধু।
আপনার দেখছি একদমই কোনো আক্কেল বুদ্ধি নেই।
যার পেট তার খ্যাতির ওপর নির্ভর করে, সে কি জানে না এটা তার কতবড় ক্ষতি করতে পারে?
- আপনি কি জং হোর সেই... - রিপোর্টার কিম অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সাথে এ কি করলেন!
দেখুন সচিত্র প্রমানসহ, ক্যারিয়ার শেষ।
এমনকি পরে সত্যি জানা গেলেও, কেউ কেয়ার করবে না।
ঠিক বলেছেন।
গো সং ছুলের কথা মনে আছে?
LA'র সেই খুন হওয়া ভিকটিম?
এটা LA থেকে আনা তার সেই ফুটেজের কপি।
কীভাবে?
পুরোনো ক্লায়েন্টদের যে পরিমান তথ্য আমি জোগাড় করেছি সেগুলো দেখলে তো...
কিম মুন হো স্যার মূর্ছা যেতো।
ওহ হ্যাঁ। আমি হলে এখন ভুলেও একদিন পত্রিকায় যেতাম না।
ওখানে বহু লোক বসে আছে যারা দাবি করছে তারা আপনার হাতে নির্মমভাবে মার খেয়েছে।
এখানে এসব লাগাচ্ছেন কেন?
শোনো সবাই!
সময় থাকতে কিম মুন হো মিথ্যা অপবাদের জন্য ক্ষমা চান!
ক্ষমা চান! ক্ষমা চান!
ক্ষমা চান! ক্ষমা চান!
ক্ষমা চান! ক্ষমা চান!
- আপনি এখানে কাজ করেন? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ, হ্যাঁ। বন্ধ করো! বন্ধ করো!
বন্ধ করো! বন্ধ করো! কিয়েক্টা অবস্থা...
দাদা দাদীরাও আজকাল আন্দোলন শুরু করেছে!
চিন্তা করে দেখো...
এখানে কী করছো?
স্যার দেখুন ও...
কী? চুরি করছো? এই?
জিনিসটা একটু দরকার ছিলো।
এই রেকর্ডিংটাই তারা চাইছিলো। রাশিয়া থেকে এসেছিলো।
রেকর্ডিং শুরু করছি। একদিন পত্রিকা থেকে ছে ইয়ং সিন বলছি।
তথ্যদাতার নামটা কি জানতে পারি?
আমি এই মুহূর্তে রাশিয়া থেকে ফোন করছি।
কিম মুন হোর সাথে কথা বলতে চাইছি। আর কাউকে বিশ্বাস করি না।
কিম মুন হো স্যার তো এই মুহূর্তে এখানে নেই।
যদি আমাকেই বলতেন...
আমার নাম কিম জে ইয়ুন।
আমি প্রফেসর নিকোলাই কজলোভের একজন গবেষক।
আমি...
রেকর্ডিং এ পর্যন্তই ছিলো আর বদমাশগুলোও এটুকুই শুনেছিলো।
কিন্তু, এটা দিয়ে কি কিছু সম্ভব?
আচ্ছা। আমি এখান থেকে বেড়োচ্ছি।
এই, এই, দাঁড়াও! তুমি ভেতরে কীভাবে ঢুকেছো? আমি এখানেই দাঁড়িয়ে ছিলাম।
একটু চোখের পলক ফেলেছি আর হঠাৎ করে দেখি ওখানে ও!
পার্ক বং সু, তোমাকে আজ অন্যরকম লাগছে কেন?
- ওর কাপড়ের জন্য। কাপড়। - না, ওর চেহারার জন্যে। তাই না?
- এটা আমি পৌঁছে দেবো। - হ্যাঁ, কিন্তু...
এই বং...
বাহ। অসাধারণ তো।
দয়া করে বাসায় গিয়ে চুল শ্যাম্পু কোরো।
কী করছে ও?
মনে হচ্ছে বিদায় নিলো।
বিদায় নিলে, দরজা দিয়ে বেড়োও।
ওদিকে যাচ্ছে কেন, দরজা তো ওদিকে না!
প্রশ্ন... কাজ করতে গিয়ে স্মরনীয় কারো সাথে পরিচয় হয়েছিলো?
আমি মানুষের নাম মনে রাখি না।
দরকারি নামগুলো আমার পার্টনার বলে দেয়, কাজ শেষে সেগুলো ভুলে যাই।
আমার কাজ ঠিক... এতোটাই সাধারণ।
কাজের অনুরোধ পাই। আর তা সম্পন্ন করি।
তারপর, বাসায় ফিরে বিয়ারের বোতল নিয়ে বসি।
শেষ।
তাই, আসলে আমার কাছে এ প্রশ্নের উত্তর নেই।
সবগুলো কাজের মধ্যে, কোন কাজটা সবচেয়ে কঠিন ছিলো?
একটা মেয়েকে... খুঁজতে হয়েছিলো।
প্রথমবার তার সাথে একটা বাসে দেখা হয়েছিলো।
প্রথমবার তার চেহারার কথা মনে নেই কারণ কোনো আগ্রহ ছিলো না।
কিন্তু মেয়েটা...
আমার পিছু ধাওয়া করলো।
ভয়ডরহীন ভাবে।
চুপ থাকো।
এটা... ব্যথা পাচ্ছি।
প্রথমদিন থেকেই... আমি তাকে কষ্ট দিয়েছি।
সহিংসতার সামান্য আঁচ পেলেই ওর শ্বাসকষ্ট হতো।
আমি জানতাম না।
কিন্তু, যদি ভেবে দেখেন...
আমার সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই, ওর জীবন... জটিল হয়ে গেলো।
সবসময় কষ্ট আর আঘাত পেতে থাকলো।
এমনকি... মরতেও বসেছিলো।
এমনিতে ও খুব হাসিখুশি মেয়ে।
মনে রেখো।
তুমি অনেক হাসিখুশি একটা মেয়ে।
পরের প্রশ্ন।
কী এটা?
এটাই সেই বিখ্যাত LA ভিডিও ফুটেজ।
তুমি জানো না ওই ভিডিওর জন্য কতজন মরেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.