Informazioni sulla release

The Face Reader (2013) Bluray 480p x264
The Face Reader (2013) Bluray 720p x264
The Face Reader (2013) Bluray 1080p x264
The Face Reader (2013) Bluray বাংলা সাবটাইটেল
The Face Reader (2013) Bluray Bangla Subtitle
The Face Reader (2013) Bluray Bsub by ❤Onubade Onuronon❤
The Face Reader (2013) Bluray বিসাব বাই ❤অনুবাদে অনুরণন❤
Un commento di Onubade_Onuronon
││ 🔰🔰 আমাদের সকল প্রকার আপডেট তৎক্ষণাৎ পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজ "অনুবাদে অনুরণন" - এ। 🔰🔰 ││ ⭕⭕ কোরিয়ান মুভি সংক্রান্ত নিত্যনতুন খবরা-খবর পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ "কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট" - এ যুক্ত হোন। ⭕⭕

Tag

BluRay
x264
720p
720
480p
480
1080
Pubblicato il: 2020-07-28
Download: 53
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

সাবটাইটেল পরিবেশনায় “অনুবাদে অনুরণন”

অনুবাদ অংশগ্রহণে রাজু তালুকদার | তানজীদ আহমেদ | সজিব খান ইমরান প্রমিত সরকার ধ্রুব | সাবিকুন্নাহার সোনিয়া | নূরুল্লাহ মাশহুর

সাবটাইটেল সম্পাদনায় নূরুল্লাহ মাশহুর তানজীদ আহমেদ

তোরা আমাকে খুন করতে এসেছিস।

খুন করতে?

আমরা তো শুধু আপনার ওষুধ দিতে এসেছি।

চলে যা।

আমি নিশ্চিত, আমি তার কণ্ঠ শুনেছি।

আপনার আদেশ অনুসারে আমরা নিরাপত্তা দ্বিগুণ করেছি।

কেউ আপনার ক্ষতি করবে না।

আপনি এই রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষ।

এখন আর আমার ক্ষমতা নেই।

কিছুই বাকি নেই।

আমার স্ত্রী আর মেয়ে মারা গেছে।

আমার আর কিছুই বাকি নেই।

তবুও মহারাজ আপনাকে ওষুধ,

ওই চেয়ার আর ছড়ি দিয়েছেন।

এজন্যই আমার নিজেকে রক্ষা করতে হবে।

শিরচ্ছেদ হয়ে গেলে আর ওষুধে কাজ হবে না।

শিরশ্ছেদ? এমন কথা বলছেন কেন?

সে বলেছিল আমি এভাবেই মারা যাবো।

বলেছিল এটা আমার চেহারায় লেখা আছে।

কে এসব বলেছে?

চেহারা গণক।

চেহারা গণনা? এটা কুসংস্কার না?

তার সাথে তোমাদের দেখা হয়নি কখনও তাই এরকম বলছ।

সে সব জানত।

চেহারার দিকে একবার তাকিয়েই

সে সব কিছু বের করে ফেলত।

সে ছিল জসেওন এর সেরা গণক।

বাড়িটা কোথায় হতে পারে?

শুনেছি এখানেই কাছে কোথাও।

আমি আর হাঁটতে পারছি না।

ওটা কী?

এইতো চলে এসেছি।

মা গো, আটার বস্তার মতো ভারী।

সুন্দর আবহাওয়া।

মনোরম দৃশ্য।

আপনারা কারা?

এটাই কি বিখ্যাত গণকের বাড়ি?

কী?

ওহ, তোমাকে বলিনি?

উনারা আমার ব্রাশগুলো কিনতে এসেছেন।

আপনারা কি নেউলের পশম খুঁজছেন?

সেরকম কিছু।

আমি বাজারে যাচ্ছি।

সাবধানে যা।

তাড়াহুড়ো করিস না!

আমার ভাগ্নে গণনা করা ঘৃণা করে।

এদিকে আসুন, প্লিজ।

চলুন ভিতরে যাই।

এটাই নেউলের লেজ।

অনেক মূল্যবান।

আগ্রহী নন?

খোদা! এ তো একেবারে উলঙ্গ।

নে কিয়ং , ওঠো।

ওঠো।

- উমম, অনেক মজা... - ঠিক আছে, উঠে পড়ো।

উনার ঘুমের মধ্যে কথা বলার অভ্যাস আছে।

তাকে দেখতে সাধারণ মনে হলেও, উনি কিন্তু একজন পেশাদার।

নে কিয়ং! খদ্দের এসেছে!

উনারা অপেক্ষা করছেন।

বেশিই পান করে ফেলেছি।

উনারা জানতে চান

চীন থেকে রেশম আমদানির ব্যবসাটা ভালো হবে কি না।

চলে যান।

কী?

আমি মিথ্যাবাদীদের সাথে কথা বলি না।

মশাই,

আপনার চোখ বলছে টাকাপয়সার ক্ষেত্রে আপনার কপাল ভালো না।

আপনার ভ্রু আর গোলগাল চোখ কোনো ব্যবসায়ীর নয়।

বরং কোনো অকর্মা বা সেক্রেটারির মতো।

ভদ্রমহিলা ব্যবসায় দক্ষ

কিন্তু শুধু রেশম বিক্রেতা বলে মনে হচ্ছে না।

সুন্দর মুখ এবং লাল ঠোঁট বলছে যে আপনি একজন ওঝা হতে পারেন।

তবে সম্ভাবনা অনেক কম।

মিথ্যা বলেছেন কেন?

জানি না আপনারা কী চান, কিন্তু মিথ্যা বলতে চাইলে চলে যান।

আমাকে বোকা ভেবেছেন? এভাবে ডাহা মিথ্যা বলছেন?

আপনারা কোথা থেকে এসেছেন?

আপনি হাসছেন?

আমার ভগ্নিপতির সাথে মিথ্যা বলবেন না।

তার মুখের উপর এভাবে মিথ্যা বলার সাহস কী করে হয়!

ভালো। এখানে আসায় আমি আনন্দিত।

ইয়নহং এর রঙমহলটা চেনো?

আমাকে বোকা মনে হয়?

উচ্চপদস্থ রাজকর্মকর্তারা গণনা করা এবং অন্যান্য কাজের জন্য সেখানে যান।

উনি সেখানকার প্রধান।

আপনি একজন গণক?

দেখে তো মনে হয় না।

আমি এখনও আনাড়ি।

আমার অভিজ্ঞতা আমাকে

মানুষ পড়ার ব্যাপারে কিছুটা শিখিয়েছে।

আরে, আপনার হাত সামলান!

আমার হয়ে কাজ করবেন?

আপনি আপনার প্রতিভার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করতে পারবে।

আমি হলাম ব্যাবসায়িক সহকর্মী।

সে শুধু গণনা করে।

আমরা আপনাকে কাজের জন্য টাকা দেবো।

হাতের কাছে থাকতে প্রস্তাবটা লুফে নিন।

জীবন অনেক ছোট, অপচয় করার সুযোগ নেই।

আপনি কি চিরকাল এভাবেই পার করতে চান?

নেউল? হ্যাঁ, ঠিক।

আমার কোমর!

সে কি ভালো?

শুধু ভালো না। সে দুনিয়া কাঁপিয়ে দিতে পারবে।

ইঁদুরের গোঁফ?

আরো দিন।

আপনি তো জানেন, এগুলো বিরল।

অপেক্ষা করো।

আমার পরিবারের খাওয়ার মতো কিছুই নেই।

ওকে বাইরে নিয়ে যা!

তুই যেহেতু ট্যাক্স দিতে পারবি না, তার বদলে আমি ওকে নিয়ে যাবো।

জনাব!

দয়া করে এমন করবেন না!

- আমার স্বামী আছে, দয়া করুন! - ঠিক আছে, শান্ত হও!

শালা হারামজাদা!

পাগল হয়ে গেছো? সে একজন ইন্সপেক্টর।

- ছাড়ুন আমাকে! - দয়া করে যেও না।

তো, শুধু বসে বসে দেখে যাবেন?

যদি এমনটা করো, আমরা সবাই মারা পড়বো।

এতে সে আরো ক্ষেপে যাবে।

দারুণ ঘ্রাণ!

এটা উলটে দিতে হবে।

যা ভাগ!

মাংস রান্নার ব্যাপারে তোমার কোনো ধারণাই নেই।

জিন-হিয়ং!

কিছু খেয়েছিস?

আমরা আজ মুরগি খাবো।

আমরা মুরগি কিনেছি!

আজ মুরগি খাওয়ার দিন!

ওর আবার কী হলো?

পেট ভরে খা।

মুরগি কিনলে কীভাবে?

সকালে যাদের দেখেছিস,

তারা আমাদের ব্রাশগুলো কিনেছে।

ব্রাশগুলো তো এখনও এখানেই আছে।

তুমি গণনা করেছ?

গণনা?

ওরা বেশ নাছোড়বান্দা ছিল।

- গণনা করতে পারব না? - তুমি কথা দিয়েছিলে।

একজন বিদ্বান লোক এরকম নোংরা কাজ কীভাবে করতে পারে?

তাহলে কি আমার পড়াশোনা করে কোনো সরকারি চাকরি নেওয়া উচিত?

কেন নয়?

আমাকে কারণ জিজ্ঞাসা করছিস?

একজন বিশ্বাসঘাতকের পরিবার সরকারি চাকরি করতে পারবে না।

আমি তোর রুমে বই দেখেছি।

ভুলেও এসব ভাবিস না।

তোর দাদার মতো,

তোরও ক্ষতি হবে, সরকারি চাকরিতে যোগ দিলে।

না, আমি সরকারি চাকরি করব।

এমনকি এর জন্য আমাকে দাদার মতো মরতে হলেও আমি করবো।

এত বড়ো স্পর্ধা?

তুই মদও গিলিস?

আমি এখন আর বাচ্চা নই। আমার ১৭ বছর পূর্ণ হয়েছে।

জিন-হিয়ং, খাওয়া তো শেষ কর!

সমস্যা কী? ও মাঝেমধ্যে আমার সাথে গিলে।

তুই বেশি কঠোর আচরণ করছ।

আমি চাই সে হাল ছেড়ে দিক।

হাল ছেড়ে দিক?

এক সময় তুই যখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতি,

আমি মদ খেতে খেতে নিজেকে জমের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলাম।

ছাদের কড়ির সাথে যখন ঝুলে পড়তে যাচ্ছিলাম,

দেখলাম সে আমার দিকে তাকিয়ে কাঁদছে।

ওর বয়স ছিল ৫ বছর।

একেবারে হাড্ডিসার।

"আব্বু, বাঁচাও আমাকে..."

ভিক্ষা করে ওকে লালনপালন শুরু করলাম।

আমার ধারণা, ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার পায়নি বলেই ও খোঁড়ায়।

ওর আমার মতো বুদ্ধি আর লেখার দক্ষতা আছে,

কিন্তু তা কাজে লাগাতে না পারার আক্ষেপ ওকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

আমার অভাগী বোনটা সর্বস্বান্ত পরিবারে বিয়ে করেছে।

জানিস, আমরা আগে কতটা ধনী ছিলাম?

সব মেয়ে দূর থেকে আমার দিকে তাকিয়ে থাকত।

অতীতে কি ছিল না ছিল, তাতে কিছু যায় আসে না।

আমি ইয়নহং যাচ্ছি।

কী?

আমরা আজীবন এভাবে কাটাতে পারবো না।

আমি গণনা করা শিখেছিলাম কারণ আমার করার কিছু ছিল না।

এখানে সেটার কোনো মূল্য নেই।

হয়তো হানইয়াং-এ অনেক টাকা উপার্জন করতে পারব।

আমি আমার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ চালাব।

আমরা ভাত-মাংস খাবো। নতুন জামাকাপড় কিনব।

মাথা উঁচু করে বাঁচব।

জিন-হিয়ংকে কী বলবো?

আমরা একটা নোট লিখে যাবো যে আমরা ব্রাশগুলো বিক্রি করতে যাচ্ছি।

তুই মাঝে মাঝে এখানে আসবি।

আগামীকাল ভোরে আমাকে জাগিয়ে দিস, ঠিক আছে?

নে কিয়ং!

জিন-হিয়ং!

জিন-হিয়ং!

অতিরিক্ত মদ গেলা উচিত হয়নি।

জিন-হিয়ং!

আমি একটা শান্ত মন্দিরে পড়াশুনা করতে যাচ্ছি।

যখন আমি একজন সরকারি কর্মকর্তা হবো,

তখন তোমাদেরকে নিয়ে যাবো।

নিজেদের খেয়াল রেখো।

দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিও।

ওই, ওই ছোট্ট...

আমি ওকে নিয়ে আসছি।

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left