Le prime 200 righe.
সাবটাইটেল পরিবেশনায় "অনুবাদে অনুরণন"
অনুবাদে : আরমান আল মাহমুদ
সম্পাদনায় : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
যুন সেওক!
তুমি যুন সেওক?
তাই না?
মিউং হি!
- মিউং হি! - যেতে দাও।
ঐ লোকটা...
এইমাত্র কী বললে?
তুমি দেখেছ, তাই না?
ও যুন সেওক!
কীসের কথা বলছ?
ঐ লোকটা!
যুন সেওক মানে?
সেও যুন সেওক?
এটা কি সম্ভব নয়?
মিউং হি।
হয়তো সম্ভব নয়।
এ হতে পারে না।
২০ বছর আগে ও মারা যাওয়ার সময় যেমন ছিল দেখতে ঠিক সেই রকম...
যুন সেওক এখানে আসতে পারে না।
আমার কী হলো?
তাদের চেহারায় মিল আছে?
যুন সেওক আর ঐ লোকটার?
আছে?
ঠাণ্ডা লেগে যাবে।
গতকালের সেই লোকটা কি...
- চোর ছিল? - হ্যাঁ।
আমি চলে আসায়
কিছু চুরি করতে না পেরে পালিয়ে যাচ্ছিল।
কিন্তু তখন আকস্মিকভাবে চোরের সামনে তুমি চলে আসো...
আমি কতটা অবাক হয়েছিলাম জানো?
তখন উল্টাপাল্টা বলার জন্য স্যরি।
ঐ চোরটা আর যুন সেওক দেখতে কি একই?
সত্যি বলতে, পরিষ্কারভাবে তার মুখটা দেখিনি।
যেহেতু কালো চশমা আর টুপি পরে ছিল।
তুমি তো জানো ওষুধের প্রভাবে আমি জেগে থেকেও স্বপ্ন দেখি।
তাহলে ঘুমের মধ্যে কথা বলছিলে?
ডাগর চোখে তাকালেই জেগে থাকো?
থামো তো।
একটা কথা।
বলো।
জানি না ওকে স্বপ্নে দেখার কারণে কিনা
কিন্তু হঠাৎকরে ওর কথা মনে পড়েছে।
আমি...
যুন সেওকের স্ত্রীর নাম্বারটা চাচ্ছিলাম।
শুনেছি যুন সেওক মারা যাওয়ার পর সে আবার বিয়ে করেছে।
তুমি কল করলে...
তার পক্ষে সেটা কি অস্বাচ্ছন্দ্যকর হবে না?
তারপরও নাম্বারটা চাই।
প্লিজ, খুঁজে দাও।
ঠিক আছে।
আসি।
সাবধানে থেকো।
যুন সেওকের একটা ছেলে আছে না?
হ্যাঁ।
- ওর নাম যেন কী? - জং হো, সেও জং হো।
বয়স কত হবে?
ও জিয়ানের ঠিক এক মাস আগে হয়েছিল।
জিয়ান জানুয়ারিতে হয়েছিল, আর জং হো ডিসেম্বরে।
ও একমাসের ব্যবধানে জিয়ানের থেকে একবছরের বড় ছিল।
তাহলে এই মুহূর্তে তো... ২৮ বছর হওয়ার কথা?
কল আজুম্মা।
সোনা, আমি এই মুহূর্তে বাসায় নেই।
কিছু বলার থাকলে ম্যাসেজ পাঠিয়ে দাও।
উত্তর দেওয়াটা ঝামেলার হলে তুমি না থাকার ভান করো...
জানি ভান করো।
আজুম্মা।
তাহলে এই কারণে তুমি আর বুড়োটা আমাকে প্লেনে চড়াতে চেয়েছিলে...
এই কারণেই তো?
এই ভদ্রমহিলা আমার বাবাকে চিনে।
তার কাছে আমার বাবার গ্রুপ ফটোটাও আছে।
কী এসব?
কিছু বলবে না?
তাহলে, তাকে গিয়ে আমি নিজে জিজ্ঞেস করব।
বলব, 'আমি সেও যুন সেওকের ছেলে হিলার ছদ্মবেশে কাজ করি...'
'আপনি কে, ম্যাম?'
বেশ।
কল কাটো।
বাবু।
ভালো আছ?
সিরিয়াসলি, এই বুড়োটা...
ভদ্র মহিলার নাম চোই মিউং হি।
তোমার বাবার ফটোতে পাঁচজনের মধ্যে একজন মহিলা আছে, তাই না?
ওটাই সে।
এতটুকুতে খুশি তো?
সম্ভবত এতটুকুতে হবে না, তাই না?
বেশ, আমি আসছি।
কাঁদছ?
কাঁদছ, তাই না?
এই গুরুকে এতই মনে পড়ছে?
আরেকটুখানি অপেক্ষা করো।
আর কেঁদো না।
আট বছর বয়সে...
আমার মা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় আমি কখনো মানুষের জন্য কাঁদিনি।
মানুষের কাছ থেকে কোনোকিছু আশাও করি না।
এই পৃথিবীতে আমি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি
মানুষ...
সহানুভূতি...
আর যত্ন নেওয়াকে।
আহ, এই হতচ্ছাড়াগুলো...
এক হপ্তাও ঝামেলা পাকানো ছাড়া থাকতে পারিস না কেন?
ভালোভাবে হাত তোল।
সেও জং হো বাচ্চাটা একটু যন্ত্রণাদায়ক হবে।
তারপরও, ওকে বুঝে নিন।
এই বাচ্চার মা-বাবা নেই।
দাদির সাথে থাকে।
বেচারা, কীভাবে হলো এমন?
শুনেছি ছোট থাকতে বাবা গত হয়েছে।
আর মা আবার বিয়ে করে।
তাই ছেলেটা নিজের মধ্যে রাগ পুষে রেখেছে।
তোমার বাবা এত তাড়াতাড়ি মারা গেছে কীভাবে?
- অসুস্থতায়? - অসুস্থতায় না...
- নিজ ইচ্ছায়। - মানে?
আত্মহত্যা করেছে।
ঘটনাটা আসলেই দুঃখজনক ছিল।
জং হোর ঠিক থাকাটাও অসম্ভব ছিল।
তাই বলব ব্যাপারটা বুঝে ওর যত্নটা একটু বেশি করে নিন।
কী?
কী হয়েছে, হ্যাঁ?
ওকে একা থাকতে দে।
ওকে একটু সময় দে।
কীসের সময়?
ছেড়ে দে!
- থাম! - ছেড়ে দে!
- ছেড়ে দে! - থাম!
ছেড়ে দে!
- হ্যালো। - এই, বং সুক!
কোথায় তুমি?
সারারাত বারে কাটিয়েছ?
ঘুমিয়েছ তো?
কল ধরছিলে না কেন?
বং সুক।
পার্ক বং সু?
হ্যাঁ।
তুমি ঠিক আছ?
হ্যাঁ, ঠিক আছি।
গলায় কী হয়েছে?
বং সুক।
হ্যাঁ।
এত সম্মান দিচ্ছ কেন?
আমাকে চিন্তায় ফেলছ কিন্তু।
তাহলে...
দিব না?
- সম্মান? - দাঁড়াও।
একটা বলো।
পূর্ব না পশ্চিম।
কোনটা?
কী?
গতকাল একজনের কাছ থেকে একটা জিনিস পেয়েছি।
কিম মুন হো কাজে আসলে এটা রিপোর্ট করতে হবে।
কিন্তু রিপোর্ট করব কি করব না সেটা ভেবে নিতে হচ্ছে।
তাই পূর্ব নাকি পশ্চিম?
দেখুন, ম্যাডাম...
পূর্ব নাকি পশ্চিম?
পূর্ব।
করব তাহলে?
ঠিক আছে, রাখছি।
দাঁড়ান।
- রিপোর্ট করলে... - ব্রেকফাস্ট করেছ?
দেরি হলেও সমস্যা নেই, খেয়ে আসবে।
পৃথিবীতে আমি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি...
মানুষের সহানুভূতি...
আর যত্ন।
এখন আমি...
এসব পছন্দ করতে শুরু করেছি।
অপহরণ আর লাঞ্ছনায় বিশেষজ্ঞ উকিল, আমার বাবা বলেছে
'মানুষ মানেই একে অন্যকে বিশ্বাস করা।'
'তোমার বিশ্বস্ত ৫০ জনের মধ্যে ১ জন তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে।'
'সেই একজনের কারণে বাকি ৪৯ জনকে সন্দেহ কোরো না।'
তারপরও...
সেই লোকটা বলেছে...
তোমাকে বলছি...
অন্ধের মতো কাউকে বিশ্বাস কোরো না।
কেউ কাছে এসে সুন্দর ব্যবহার করলে...
তার থেকে বেশি সাবধানে থাকবে।
শুনছেন।
এখনো কি আছ?
এই যে।
হচ্ছেটা কী!
কিছু জিজ্ঞেস করার ছিল।
কী?
এটাই তো একদিন পত্রিকা, তাই না?
একদিন পত্রিকা তিন তলায়।
আপনি কেন এসেছেন?
হ্যাঁ, তো?
এখনো আসেনি।
কিন্তু...
আপনি ওনাকে চিনেন?
কিম মুন হো যেমনটা বলতেন উনার ছাত্রদের মধ্যে
আমিই বস।
সেরা ছাত্রও বলতে পারেন।
দেখা হয়ে ভালো লাগল, আমি লি জং সু।
তাহলে তো কিম মুন হোকে ভালোভাবেই চিনেন।
হ্যাঁ, বেশ...
নিষ্ফলভাবে তার ব্যাপারে অনেক কিছুই জানি।
লোকটা কেমন?
জানতে চান?
তাহলে একটা চুক্তি করা যাক।
No comments yet. Be the first to leave one.