Le prime 200 righe.
অ্যাভেঞ্জারকনে একটা টিনএজ বালিকা।
ওওও! ওওও!
দেখে মনে হচ্ছে তোমার ক্ষমতা শরীরের ভেতর থেকে আসছে।
যেন কঙ্কন তোমার ভেতরের সুপারহিউম্যান সত্তাটাকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
কঙ্কনটা আমার মা আয়েশার ছিল।
- সানার মায়ের কী হয়েছিল? - সেদিন রাতে গায়েব হয়ে যায়।
জানো আমাদের পরনানির সাথে কী হয়েছিল? আয়েশা?
নামটা কোথায় শুনেছ?
আলো বন্ধ করে দেব নাকি এখনো জ্বিনে ভয় করে?
ওকে, আমি ১২ বছরের মেয়ে নেই।
তুমি চান্স পেয়েছ। ক্যালটেকের অগ্রীম ইমারসন প্রোগ্রামে।
কিন্তু সেটা ক্যালিফোর্নিয়ায়।
আরেকটা সুপারহিরো বিপর্যয় ঘটেছে,
আর মেয়ে ওখানে বসে গরীবের ক্যাপটেন মার্ভেল নিয়ে গল্প দিচ্ছে।
তারপর সুপারহিরো মেয়েটা তোমাকে হত্যাচেষ্টা করেছিল।
আমাকে হত্যাচেষ্টা করেনি তো, আমার জীবন বাঁচিয়েছিল।
কেউ সাহায্য করো!
পৃথিবী রক্ষা জার্সির গলি থেকে উঠে আসা ব্রাউন মেয়েদের কাজ নয়।
দেখ, নাইট লাইট এসেছে।
সকল কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ আর মন্দিরে খোঁজ শুরু করো।
- ওঠো। - কামরান?
তোমার সাক্ষাতের জন্য অনেক দিন ধরে অপেক্ষায় করছিলাম।
আমার মায়ের সাথে পরিচিত হও।
ফারিহা, সেলিম, কঙ্কনটা পেয়েছি।
ওটা দ্বিখণ্ডিত হাতে আছে বলে কি চিন্তিত হওয়া উচিত?
মন্দিরের লোকটার কথা তো শুনেছিলে?
বলেছিল আমাদের ২টা লাগবে।
আমাকে দেখতে দাও।
তো, বাকিটা কোথায়?
বলেছিলাম তোমাকে। ব্রিটিশরা হয়তো জায়গাটা ইতোমধ্যে ২বার লুট করেছে।
তুমি এখানে কী করো? তোমার এখানে থাকার কথা নয়।
- তাহলে একটাতেই কাজ চালাতে হবে। - গুলি চালাব কিন্তু।
মহারানীর নির্দেশে, আক্রমনের জন্য প্রস্তুত।
ওকে পালিয়ে যেতে দিয়ো না।
যাও। অ্যাডামের খোঁজ নাও।
নাজমা, ব্রিটিশ আর্মি চলে এসেছে। হাতে একদম সময় নেই।
আয়েশা, জানি না একটা কঙ্কনে ঠিক কী হবে।
ফারিহা! সেলিম! এখানে!
ওরা গুহা ধ্বংস করে দিবে। আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে।
কঙ্কনের সাহায্যে আমাদের ফিরে যাওয়ার ন্যূনতম সুযোগ থাকলেও, আমাদের চেষ্টা করতে হবে।
দেখলে কী হলো?
আয়েশা, কঙ্কন ওদের হাতে পড়তে দেওয়া যাবে না।
তুমি ঐপথে যাও। আমি বাকিদের খোঁজ নিচ্ছি।
ওকে? সব ঠিক আছে।
শীঘ্রই দেখা হবে।
- কথা দিচ্ছি। - যাও।
তারপর থেকে আমরা একসাথে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
আর তোমার পরনানি আয়েশার খবর,
সেবারই ওকে সর্বশেষ দেখেছিলাম।
তো, উনাকে তোমরা কীভাবে জানতে?
তোমাদের স্কুলে পরিচয় হয়েছিল না-কি?
ঠিক তা নয়। আয়েশা অন্য ডিমেনশন থেকে এসেছিল। আর আমরাও।
- তা তো অবশ্যই। - এখানে আমরা সেচ্ছায় আসিনি। আমাদের বহিস্কৃত করা হয়েছিল।
আর যখন বাড়ি ফেরার একটা পথ পেয়ে যাচ্ছিলাম, আমরা আলাদা হয়ে যাই।
অনেক খোঁজ করেছি ওর, কিন্তু দেশভাগের ঝামেলার মধ্যে,
ধরে নিয়েছিলাম, সেও বাকিদের মতো হারিয়ে গেছে।
পপকর্ণ। পপকর্ণ।
ওকে গ্রাহ্য করার দরকার নেই। আমরা শতবছর ধরে এখানে আছি,
আর মানব সভ্যতার সবচেয়ে বাজে অভ্যেসগুলোর দিকে আকৃষ্ট হয় ও।
মন খারাপ করলাম।
ইয়াহ, ভালো কথা... ৪০ দশেক থেকে জীবিত আছ বিবেচনায় তোমরা তো এখনো বেশ তরুণ।
- ধন্যবাদ। - ওকে। সবাই নয়। বাচ্চাটার বয়স ১৭।
ভালো খবর। চিন্তামুক্ত হলাম।
তোমার কথা ঠিক। অনেক মিষ্টি একটা মেয়ে।
কখনো সেরকম বলিনি। এমন নয় যে সেরকম ভাবি না।
- আমি সেটা নিজের কাছে রাখার চেষ্টা করছিলাম। - তোমার জন্য অকওয়ার্ড পরিস্থিতি।
- পরিস্থিতি তুমি অকওয়ার্ড বানাচ্ছ। - কী শিখিয়েছিলাম তোমাকে?
- লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছ কেন? - ও তোমার বিষয়ে বলছিল না।
ক্রাশ খেয়ে তব্দা মেরে গেছ দেখছি...
- চলো, এখানে অনেক শব্দ হচ্ছে। - এটা আমার বাড়ি।
ওর খিদে লেগেছে কি-না জিজ্ঞেস করেছিলে? কেউ ওকে জিজ্ঞেস করেনি।
ভালো কথা, আমাকে বাঁচানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দেওয়ার সুযোগ হয়নি।
আর কিছু না হোক, আয়েশার পরিবারের দেখভাল তো করতে পারি।
তুমি কঙ্কনটা পরার পূর্ব পর্যন্ত ওর যে পরিবার আছে সেটাই জানতাম না,
নূরের উপস্থিতি অনুভব না করা পর্যন্ত।
নূর? সেটার অর্থ তো আলো, ঠিক? নূরের মেয়ে। না, সেরকম হবে না।
আমাদের মধ্যেও নূর আছে। সেজন্যই তো আমাদের বয়স ধীরে বৃদ্ধি হয়।
কিন্তু এই ডিমনশনে আমরা সেটার পরিপূর্ণ ব্যবহার করতে পারি না।
হয়তো তোমার জন্ম এখানে হয়েছিল বলে তুমি পারো।
কামরান পারে না? ওর জন্মও তো এখানে হয়েছিল?
কঙ্কনটা তোমাকে নূর উন্মুক্ত করতে সাহায্য করে।
হয়তো কোনো একদিন ওর ক্ষেত্রেও কোনোকিছু সেটা করবে।
জানি না। এই কঙ্কনের কারণে তো বিপর্যয় ঘটতেই আছে।
যেমন, একটা বাচ্চাকে বিল্ডিং থেকে ফেলে দিয়েছিলাম। তারপর ড্রোনের তাড়া খেয়েছি।
সেজন্য, আমার মনে হয় না এর কারণে কারো কোন উপকার হবে।
অবশ্যই হবে।
কঙ্কন আর তার ভিশনগুলো তোমাকে আমার কাছে নিয়ে এসেছে,
আর তোমার শিকড়ের কাছে।
পৃথিবীর মানুষজন তোমাকে কসপ্লে করা একটা বাচ্চা হিসেবে দেখে।
কিন্তু আমি জানি জন্মসূত্রে তুমি মাহাত্ম্যর উত্তরাধিকার।
তো, তুমি আমার কঙ্কন চাও?
আয়েশা চেয়েছিল আমরা যেন বাড়ি যেতে পারি। এখন তোমাকে ওর শুরু করা কাজ শেষ করতে হবে।
তো, তোমাদের বাড়ি ঠিক কোথায়?
আর তোমরা আসলে কী? মানে তোমাদের কী বলে ডাকা উচিত?
আমার নিজেদের ডিমেনশনে, নূর ডিমেনশনে, আমাদের ক্ল্যানডেস্টাইন বলে ডাকা হয়।
আর আমাদের সত্তা সম্পর্কে বললে, আমাদের আজনাবি, মাজনুন, অদৃশ্য সত্তা...
আরো অনেক নাম আছে।
কিন্তু আমরা সাধারণত জ্বিন হিসেবে পরিচিত।
দুঃখিত। জ্বিন বললে না-কি?
ড্যুড, আজকের রাতটা যা আজিব ছিল..
আমাকে 'বেঁচে আছি' ম্যাসেজ দিয়ে আট ঘন্টার জন্য গায়েব হয়ে যেতে পারো না, কেমন?
এখানে পুরো যা-তা অবস্থা। পুলিশ এসে নাইট লাইটের ব্যাপারে খোঁজ করছিল..
পুলিশ? ওরা ড্রোন পাঠিয়েছিল না-কি? কারণ আমাকে ড্রোন দিয়ে তাড়া করেছে।
তাছাড়া, আমরা নাইট লাইট নামটা বদলানোর চেষ্টা করছি।
- কীসের কথা বলো? - নামটা ভালো নয়।
- বাচ্চাশিশুর নামের মতো শোনায়। - কমলা, মনোযোগ দাও।
- আমি হলাম জ্বিন। - আর টনিক?
আমি নিজের সম্পর্কে জানতে পেরেছি, আর সেটা আসগার্ডিয়ান বা এলিয়েন নয়,
অথবা সেরকম অসাধারণ কিছু নয়।
আমি ছোটোবেলার দুঃস্বপ্নের বাস্তব রূপ।
তো, পৃথিবীর ভূতের গল্প আছে, আর আছে জ্বিনের গল্প।
কিন্তু জ্বিনের গল্প বেশি ভয়ানক, কারণ সেগুলো সত্য।
এসব তথ্য কোথায় পাচ্ছ?
তো গতরাতে ড্রোনের হাত থেকে আমাকে একদল জ্বিন রক্ষা করেছিল।
ওরা নিজেদের ক্ল্যানডেস্টাইন ডাকে। আর কামরান ওদের একজন।
বলেছিলাম না ছেলেটার মধ্যে আজিব একটা ভাব আছে?
না, ওরা মানুষ ভালো,
কিন্তু, ওরা আমাকে কঙ্কন আর তার ক্ষমতা সম্পর্কে বলেছে,
আর পরনানি আয়েশা সম্পর্কে।
তো এটা একটা উন্নতি। তাছাড়া, আমাকে ওদের সাহায্য করতে হবে, অর্থ তোমার আমাকে সাহায্য করতে হবে।
আচ্ছা। ওকে, অবশ্যই, কেন নয়?
কিন্তু জানি না কীভাবে একদল ভূতকে সাহায্য করব,
আর তাদের হ্যাবলা ছেলেটাকে। দেখ, সেজন্য আমার আরও তথ্য লাগবে।
আর আমি তোমাকে সব বলব, ওকে? কিন্তু প্রথমে..
তুমি তো গনিতে পাকা। আন্তঃডিমেনশ ভ্রমণ সম্পর্কে
কোনকিছু জানো না-কি?
নির্দিষ্ট করে বললে, নূর ডিমেনশন? বানান হবে নূ..র..
কথাটা শুনে আমার একটা পেপারের কথা মনে পড়ে গেল। সম্ভবত ডাক্তার এরিক সেলভিগের লেখা।
পারফেক্ট। তুমি ওটা আবার পড়। আমাকে আসলে মেহেন্দি অনুষ্ঠানের জন্য কিছু জিনিস কিনতে হবে।
যাওয়ার আগে,
তুমি তো ভাইরাল।
কী?
কোনো সমস্যা, অফিসার?
অ্যাজেন্ট, আসলে।
ড্যামেজ কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্ট থেকে।
আমরা অসনাক্ত সুপারহিউম্যান সম্পর্কে একটা রিপোর্ট পেয়েছি,
যে এই মসজিদ থেকে কাজ করছে।
কাজ করছে? এখান থেকে? সেটা সত্য নয়, ম্যাম।
কিন্তু উড়তে পারা কারো সম্পর্কে জানলে, ওকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিবেন প্লিজ।
বৃষ্টির পানি গড়ার নর্দমা পরিষ্কার করার লোক খুঁজছি।
আশেপাশে খোঁজ করো।
আমাদের অনুমতি ছাড়া সেটা হচ্ছে না। এখানে আপনার আইনের কোনো দাম নেই।
- এক্সকিউজ মি? - নাকিয়া বাহাদির, মসজিদ বোর্ড মেম্বার।
এখনো ভোট গননা শেষ হয়নি।
ওকে, ঠিক আছে, প্রত্যাশিত মেম্বার, কিন্তু ভোট সম্পর্কে আমি ইতিবাচক।
আমেরিকান ক্রিমিনাল কোড অনুসারে, কোনো প্রাইভেট জায়গায় আইনের লোক
ওয়ারেন্ট ছাড়া ঢুকতে পারবে না।
তো তালিমে বসে তুমি ক্রিমিনাল কোড শিখেছ?
'ল এন্ড অর্ডার' সিরিজ দেখে শিখেছি। কিন্তু কথা তো ভুল বলিনি।
এটা অনেক সিরিয়াস বিষয়। সহযোগিতা করলেই আপনাদের মঙ্গল।
আপনাদের সন্দেহজনক ব্যক্তি সুপারহিউম্যান জন্য সিরিয়াস?
না-কি ওকে একটা মসজিদে দেখা গিয়েছিল সেজন্য, ম্যাম?
প্লিজ। ওয়ারেন্ট থাকলে তখন ফিরে আসবেন।
এক্সকিউজ মি, মিস অ্যাজেন্ট। পরেরবার জুতা খুলে ঢুকবেন।
হেই।
এটা কি ড্যান্স প্র্যাকটিসের বিষয়ে? আমার আসলেই মনে হয় চেষ্টা করলে তুমি আমার মতো হতে পারবে।
- স্বপ্ন দেখতে থাকো, আমি দারুণ নাচি। - একসময় সফল হবে।
কী হয়েছে তোমার?
- কিছু নয়, আমি ঠিক আছি। - হয়, বিশ্বাস করেছি তোমার কথা।
আসলে, তোমার সাথে একটা বিষয়ে কথা বলার দরকার ছিল।
- ঐ মেয়েটা। - কী?
নাইট লাইট। যেটা একদম বাচ্চামি নাম।
সহমত।
জানো, ড্যামেজ কন্ট্রোল নামের একটা সশস্ত্র সরকারি এজেন্সি
আজ মসজিদে এসেছিল?
কী?
আমরা ওর সম্পর্কে জানি ভেবে ঝড়ের গতিতে রুমে প্রবেশ করে,
যেন আমাদের পিঠে টার্গেট কম ছিল।
আর মনে হচ্ছে না ওর সেদিকে খেয়াল আছে, আর থাকলেও তার পরোয়া করে না
- ড্যামেজ কন্ট্রোল? কেন? কী চায় ওরা? - জানি না।
চেয়েছিল আমরা ওকে সরকারের হাতে তুলে দিই।
শান্তিপূর্ণ মুসলিম উম্মাহ বনাম, খারাপ মুসলিম, চলো নিজেদের লোকদের চারিত্রিক বিচার করি।
আমাদের নির্বাচন ফলাফলের মিটিংটাই নষ্ট হয়ে গেছে ওতে।
যেখানে আমি একজন বোর্ড মেম্বার,
বোর্ড মেম্বার হয়েছি।
কমলা।
- তুমি জিতে গেছ তাহলে? - সেরকমই।
- ড্যুড। - ব্রো।
ধন্যবাদ।
চলো মেহেন্দির জন্য প্রস্তুত হই।
কমলা, এরা সবাই তোমার পরিবার?
ইয়াহ। পাকিস্তানিদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক গভীর।
আচ্ছা।
আন্টি শিরিন, আপনার আসাতে খুশি হয়েছি।
বন্ধুত্বের সম্পর্কের কাছে ২৮ ঘন্টার ফ্লাইট আর কী এমন, ঠিক?
আপনি বন্ধুর চেয়েও কাছের মানুষ।
বেটা, সানা আসতে পারেনি দেখে ব্যথিত হয়েছি।
উদযাপনের সময় মা'কে পাশে না পাওয়া নিশ্চয়ই অনেক কষ্টকর।
- নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। - উমম।
উনি আমার বিয়েতেই ছিলেন না। আমার ছেলের বিয়েতে কেন আসবে?
আমি আছি পাশে, হয়তো সেটা ভালোর জন্যই। নাটকীয়তা কম।
একদম।
মা আর মেয়ের মধ্যে ঝামেলা চিরন্তন জিনিস।
তুমি যেন তোমার মাকে ঝামেলায় ফেলো না, আচ্ছা?
আমি?
- না, স্বপ্নেও না। - কোনো ঝামেলা নয়। ও তো লক্ষী মেয়ে।
না, ও একদম শান্তশিষ্ট স্বভাবের।
জোকটা ভালো ছিল।
হাস্যকর, কিন্তু নিয়মমতো মাত্র এক জোড়া জুতা লুকানোর কথা,
আমার সবগুলো জুতা নয়।
No comments yet. Be the first to leave one.