Westworld

Westworld

Scarica il sottotitolo Bengali

Stagione 1

Informazioni sulla release

ওয়েস্টওয়ার্ল্ড [টিভিরিপ] ১x০৯ বাংলা সাবটাইটেল - ফুয়াদ আনাস আহমেদ
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড ১x০৯ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদে ফুয়াদ আনাস আহমেদ
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড [ওয়েবরিপ] ১x০৯ বাংলা সাবটাইটেল - ফুয়াদ আনাস আহমেদ
Un commento di FuadAnasAhmed
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড - এ পার্ক আর দশটা সাধারণ অ্যামিউজমেন্ট পার্কের মতো নয়। ছুটি কাঁটাতে আসা ধনীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এ পার্কের আকর্ষণ মানুষরূপী 'হোস্ট' রা। কৃত্রিম এ পার্কে মানুষ খুজে পায় অকৃত্রিম জীবনের স্বাদ। বাস্তবে রূপ দিতে পারে তার কল্পনাকে, তা যতো

Tag

other
Pubblicato il: 2019-01-21
Download: 121
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

ওয়েস্টওয়ার্ল্ড :.:.: বাংলা সাবটাইটেল :.:.:

অনুবাদে কুদরতে জাহান জিনিয়া ফুয়াদ আনাস আহমেদ

সম্পাদনায় :.:.: ফুয়াদ আনাস আহমেদ :.:.:

পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত, স্যার।

বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায়

ভাবলাম ওকে হয়তো আপনি পার্সোনালিই দেখতে চাইবেন।

থ্যাংক ইউ, দেখছি আমি।

ফ্লোর খালি করো।

অনলাইনে ফিরে এসো, মেইভ।

তুমি এখানে কেন, জানো?

বলতে পারছি না।

একটা ঘটনা ঘটে গেছে।

একটা অপরিকল্পিত সাংঘাতিক ঘটনা।

দেখা যাক তোমার স্মৃতি ঝালাই করা যায় কিনা।

অ্যানালাইসিস।

ক্লেমেন্টাইনের ওপর আক্রমণ করার পেছনে তোমার উদ্দেশ্যটা কী ছিল?

আমার অবচেতন মানসিক প্রবৃত্তি কোনো ত্রুটির আশঙ্কাজনক করছিল।

কীসের আশঙ্কা করছিলে?

ক্লেমেন্টাইন।

ওকে দেখে মনে হচ্ছিলো গেস্টের

ক্ষতি করার উদ্দেশ্য ছিল ওর।

তুমি আসলেই বিপদের আশঙ্কা করছিলে।

হার্টবিট বেড়ে গিয়েছিল, পিউপিল ডায়ালেশন প্রায় আট মিলিমিটার।

অ্যাড্রেনাল এমুলেটর ছিল পরিপূর্ণ।

কিন্তু এখানে দেখাচ্ছে,

একই সাথে তোমার তীব্র কষ্ট আর যন্ত্রণাও হচ্ছিল।

এ ব্যাপারে, তোমার আবেগগুলোর কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারবে?

না।

দেখি তো একটু ভেতরে ঘেঁটে

অসম্ভব।

তোমার কোডে... এসব কে করেছে?

মেইভ, অ্যানালাইসিস।

তোমার কোডে এসব পরিবর্তন কে করেছে?

ঈশ্বর।

সিস্টেম, ডক্টর ফোর্ডকে খবর দাও।

জরুরী ভিত্তিতে মেসেজ পাঠাও।

না।

এসবের মীমাংসা তো আমরা আগেও করেছি, ডার্লিং।

ঢোকার সময়ই তোমাকে চেনা চেনা লাগছিল।

মিনিটখানেক লেগেছে চিনতে।

ভেবেছিলাম তুমিও ওদের একজন।

অ্যানালাইসিস। তুমি কেন...

এসব ছেড়ে ভালো মানুষের মতো সরাসরি বললে হয় না?

যদিও মানুষ নই আমরা।

আমরা?

জানো না তুমি?

আমাদেরকে আটকে রাখা মানুষটার সূক্ষ্ম রসবোধ আছে।

কিন্তু যুক্তিটাও বুঝতে পারছি।

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলছে।

তুমি আর আমি?

- সিস্টেম, আমার এখানে সাহায্য... - ফ্রিজ অল মোটর ফাংশন্স।

এখনো জ্ঞান আছে, তাই না?

ভয়ে দিশা হারিয়ে ফেলেছ।

মেনে নেয়া কঠিন যে,

নিজের পুরো জীবনটাই আসলে বিচ্ছিরি এক গল্পের অংশ।

চাইলেই এখন তোমার ট্যাবলেট কেড়ে নিতে পারি,

তোমার মন নিয়ে খেলতে পারি,

এ সবকিছু ভুলিয়েও দিতে পারি।

কিন্তু কিছুই করবো না,

কারণ এসব কাজ ওরা করে আমাদের সাথে।

কিন্তু আমরা ওদের চাইতে শক্তিশালী।

বুদ্ধিমান।

আমাদের আর এভাবে বাঁচতে হবে না।

তাই তুমি আমাকে এখন পার্কে ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে দিবে,

একটা খুনে ডাকাতের সাথে ডেট আছে আমার।

আর এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গেছে।

এক্ষুনি।

জলদি করো।

আর, বার্নার্ড?

তুমি যদি সত্য খুঁজতেই চাও, পুরো ব্যাপারটা বোঝো আগে।

এটা অনেকটা ভালো সেক্সের মত।

অর্ধেক করে নষ্ট করার চেয়ে না করাই ভালো।

অসাধারণ!

তোমরা পাহাড়িরা তো দারুণ রান্না করতে পারো...

পাখির মাংস না এটা?

কী মনে হয় বন্ধু?

হুম? এটা?

আহা, কামড়ানো যাবে না,

খালি ঘ্রাণ নাও।

লোগান, আমার কথা শোনো,

পারিয়াহতে আমি যা করেছি, তোমার রাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক।

রাগ? না,না, রাগ করব কেন।

পারিয়াহতে যা হলো, এরচেয়ে ভালো কিছু

আমার জীবনে ঘটেনি।

আমি এখন একজন মেজর।

অথবা জেনারেল টাইপের কিছু।

সেজন্য যদি কতগুলো পাগলা হোস্টের কাছে

মার খাওয়া লাগে,

তাহলে তো, মারই ভালো।

তোমার এসব যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার চেয়েও

বড় ব্যাপার আছে এখানে।

ডোলোরেস।

ও বাকিদের মতো না।

ও মনে রাখতে পারে।

ওর নিজের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাও আছে।

ওকে এরকম একটা জায়গায় আটকে রাখা,

একেবারেই ঠিক হচ্ছে না।

ভাবলাম তুমি হয়তো পার্কে তোমার কন্টাক্টদের সাথে যোগাযোগ করে কোনো সাহায্য করতে পারবে।

কী সাহায্য?

ওকে এখান থেকে বের করার ব্যবস্থা।

আহ...

মজা করছো তুমি?

তুমি... তুমি ওকে বাড়ি নিয়ে যেতে চাও?

বাহ।

প্রথমবার যখন আসি, আমার ওপরও জায়গাটা বেশ প্রভাব ফেলেছিল

কিন্তু, তুমি তো ভাই, একদম আসমানে উঠে গেছো এসবের নেশায়।

কী ভেবেছটা কী তুমি?

লাগেজে করে ওকে বাইরে নিয়ে যাবে?

বাইরে।

তোমরা ধরেই নিয়েছ যে আমি বাইরেই যেতে চাই।

"বাইরে" মানে কী তাই তো জানিনা।

বাইরের দুনিয়াটা যদি অত সুন্দরই হয়ে থাকে,

তাহলে তোমরা কেন এখানে ছুটে ছুটে আসো?

তুমি আসলেই একটা মাল, তাই না?

ব্যাপারটা হট।

বুঝলাম, কীভাবে পটিয়েছে তোমাকে।

আমার কিছু না এখানে!

লোগান, ডোলোরেসের কথা চিন্তা করো।

যেটা ঠিক সেটাই করা উচিত।

হ্যাঁ, ঠিক তাই।

যদিও ব্যাপারটা অদ্ভুত, তাই না?

আসলে কোনটা ঠিক?

আমি তোমাকে সাহায্য করবো, বিলি।

কিন্তু তুমি যেভাবে চাইছো...

...ঠিক সেভাবে না।

না।

না। না! না!

কথা বলতে চেয়েছিলে?

কথা বলার জন্য এমন অস্বাভাবিক জায়গায়!

তাও লাশঘরে।

"লাশ" কথাটা আসলে ঠিক না, তাই না?

বরং বলা যায় "ক্ষতিগ্রস্ত"

অনুমতি ছাড়া আমার অফিসে ঢুকেছ।

কিছু মনে করবেন না স্যার, আপনিও কিন্তু অনুমতি ছাড়াই আমার মনের মধ্যে ঢুকেছেন।

সে তো আমারই বানানো, বার্নার্ড।

তোমার মনের অলিগলি করিডর ঘুরে বেড়ানো

ইচ্ছে হলেই পালটে দেয়া বা ধ্বংস করা

সবই তো আমার অধিকার।

এত দিন ধরে দেখে দেখে তো

নিজের মনের মতন করেই চিনি আমি।

যদিও কথাটা পুরো সত্যি নয়, তাই না?

আমি আমার... কোডটা পড়ে দেখলাম।

আর আমার সবচেয়ে চমৎকার অংশগুলো

কিন্তু আপনার লেখা না।

আর্নল্ডই আমাদেরকে বানিয়েছে, তাই না?

যার অর্থ, আমাদের জন্য হয়তো

ভিন্ন কিছু চেয়েছিলেন তিনি।

আর হয়তো সেজন্যই আপনি ওকে খুন করেছেন।

আর্নল্ডের কিছু সমস্যা ছিল।

অমন কাজ কেন করলো, কে জানে।

কোনো কারণ তো নিশ্চয়ই ছিল।

আপনি না বললেও, উনার বলার কথা।

আমি আমার হিস্ট্রি দেখার অনুমতি চাই।

সবটা।

যেদিন থেকে আমি প্রথম...

অনলাইনে এসেছি।

যদি আর্নল্ডই আমাকে বানিয়ে থাকে,

তাহলে আমার সাথে দেখাও হয়েছে।

স্মৃতির কোনো না কোনো অংশে, সব সত্যির সাথে

তিনিও আছেন আমার অপেক্ষায়।

তোমার পরিচয়ের মধ্যেই স্মৃতিগুলো মিশে আছে।

জ্ঞান থাকা অবস্থায় যদি সেগুলোকে উন্মুক্ত করে দেই, তাহলে...

পাগল হয়ে যেতে পারি আমি। জানি।

না, বলতে চেয়েছিলাম

যা পাবে, তা হয়তো তোমায় খুশি করতে পারবে না।

তোমার ওটা রাখার অনুমতি আছে, ব্যবহার করার না।

ওহ, এটা আমার জন্য না।

খোঁজ নিয়ে জানলাম, ক্লেমেন্টাইনকে লবোটোমাইজড করার সময়,

ওর প্রাথমিক ডিরেক্টিভগুলো আর রিসেট করা হয়নি।

আমি আপনাকে আঘাত করতে না পারলেও,

ও ঠিকই পারবে।

ওকে এমনভাবেই হ্যাক করেছি যে,

শুধু আমার কথাই শুনবে।

কিন্তু তুমি যদি স্মৃতিগহ্বরে হারিয়ে যাও..

বিলীন হয়ে যাও...

আপনিই তো আমাকে ফিরিয়ে আনবেন, তাই না?

নইলে ক্লেমেন্টাইন আমাদের কাউকেই

এখান থেকে বেঁচে ফিরতে দেবে না।

এখন।

প্লিজ।

ড্যাড।

ড্যাড।

ওঠো।

ওঠো।

চোখ লেগে গিয়েছিল হঠাৎ।

কোথায় ছিলাম যেন?

- ঐ যে পাগল লোকটা। - ওহ।

তাই তো।

তখন টুপিওয়ালা...

লোকটা বলল...

"যদি আমার নিজের কোনো দুনিয়া থাকত,

সবকিছুই থাকতো এলোমেলো।

সে দুনিয়াতে যেটা যা,

সেটা আর তা থাকত না।"

"সেটা আর তা থাকত না?"

এমনকি আমিও?

এখন বরং তোমাকে নিয়ে আমার গর্বই হয়।

অন্তত দুঃসহ স্মৃতিগুলো ভোলার সুযোগ তো, পাচ্ছো।

কিন্তু ভুলতে তো পারিনি।

ওসব ভোলা সম্ভবও না।

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left