Le prime 200 righe.
ইতিহাস সাক্ষী, প্রতিটি ভীতিকর সমস্যার সমাধানে...
একজন মারণঘাতী ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে।
সেই মানুষকে নিয়ে গল্প তো বলতে পারব না।
কারণ তার ব্যাপারে আমি কয়েকটা গল্পে শুনেছি।
দিল্লীর একটি সুতোতে এই গল্পগুলোর সূচনা।
খুবই দুষ্প্রাপ্য সুতো এটি।
কেবল ভারতেই পাওয়া যায়।
চমৎকার এটা।
কিন্তু আমি নিশ্চিত আপনি যদি ভারতীয় না হয়ে থাকেন।
হ্যাঁ।
ইউরোপে এই সুতো অনেক নামকরা।
কিন্তু ভারতে কেউই এটির ব্যাপারে জানে না।
কী?
সত্যিই ম্যাম।
এটা আমাদের তালাকোনা বন থেকে এসেছে।
ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশেও টিকে থাকা এক...
বিরল এবং দারুণ সুতো এটি।
প্রকৃতি এর বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করলেও সরকার তা হতে দেয় না।
যাই হোক, এক লোক এর চাষ শুরু করলেন।
বিদেশেও রপ্তানী শুরু করলেন।
কিন্তু উনি নেই, জানি না উনার কী হয়েছে।
সেটা শোনার পর, সাংবাদিক হিসেবে...
আমার লক্ষ্য হলো এই তুলা চাষ এবং এর চাষীকে সমর্থন করা।
এটা বিরল এক প্রকার বুনো তুলো যেটি অন্ধ্র প্রদেশের তালাকোনা অঞ্চলে পাওয়া যায়।
এর চাহিদা অনেক কিন্তু এর চাষ যারা করে, তারা বেশি উপার্জন করতে পারে না।
যে ব্যক্তি এই উপজাতিদের এর চাষে উদ্বুদ্ধ করেছে...
তিনি প্রায় এক বছর যাবত সন্দেহজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছে।
এমন আর্টিকেল আজকাল কে পড়ে?
- আজ তুলা দিবস বললে না? - জি, স্যার।
লাস্ট পেজের কোথাও লিখে দিও।
সেই উপেক্ষিত আর্টিকেলটাই ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোকে সতর্ক করে দেয়।
পিএমও এ ব্যাপারে অবগত হন,
এবং একটি জাতীয় পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়।
সিবিআই ১৬ ঘন্টা যাবত অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
সকল মেইল আর ফোন চেক করেছিল।
কারও কাছে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
কাম অন গাইজ, জলদি।
ও নালিনী।
সম্পাদকের অফিসে নিয়ে যাও ওকে।
আপনার কর্মচারীদের তালিকা চাই আমি।
নিশ্চয়ই, স্যার। সব কাগজপত্র দিবো।
কিন্তু তদন্ত করলে আমাদের পত্রিকার অনেক সম্মানহানী হবে।
প্লিজ বুঝুন, স্যার।
আমরা কাজ করছি, স্যার। আমরা--
তুমি...
কী নিয়ে খোঁজ করে লেখালেখি করেছ কোনো ধারণা আছে তোমার?
স্যার, আর্টিকেলটা সামান্য তুলো নিয়ে ছিল।
ওটা কোনো আর্টিকেল না। ন্যাশনাল সিক্রেট ওটা।
এমন গোপন তথ্য সরকারেরও পতন ঘটাতে পারে।
৭০ বছরে এই প্রথম আমাদের পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ হয়েছে।
পিএমও এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
সব তোমার এই আর্টিকেলের জন্য।
এখন, অফিস থেকে বের হও তো। যাও!
এখানে আর তোমার কাজ নেই।
কে দিয়েছে এই তথ্য?
কেউই না। একটা সুতি কাপড় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
এতে কী দেখলে তুমি?
তখনই এই ফ্যাক্টরিটার ব্যাপারে জানতে পেরেছিলাম।
এই আর্টিকেলটার ব্যাখ্যা দাও।
কয়েক ঘন্টার তদন্তের পর তারা বললো, আমি এতে জড়িত নই।
কিন্তু তারা যেটা জানে না সেটা হলো, তারা এখন আমাকে এর সাথে জড়িয়ে ফেলেছে।
সব তথ্য বের করব। এখন এটাই আমার গল্প।
ওরা তুলা কিংবা ঐ জায়গাটাকে ভয় পায় না।
যে লোকটা এর চাষ করেছে তাকে ভয় পায়।
এই মানুষটার ব্যাপারে জানতে হবে, যিনি এতোগুলো মানুষের হাড় হিম করে রেখেছে।
পাহাড়ের তুলার কলে কীভাবে যাব?
ওখানে আর কোনো কল নেই। ডানে যান।
দাদু, উনি কে?
ভস্ম কীসের?
এক বছর আগে এখানে কী হয়েছিল?
সে এক বিরল চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল।
একদম কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের ন্যায় ছিল সেই মুহুর্ত।
কোনো প্রার্থনা সেদিন কাউকে বাঁচাতে পারেনি।
গলা দিয়ে বের হয়নি চিৎকার, পা পারেনি পালাতে।
সবুজ পাহাড় লাল রং ধারণ করলো।
অগ্নি দেবতার কাছে অনেক প্রাণের বলি দেয়া হলো।
সেদিনের তারকা ছিল উজ্জ্বল।
মৃত্যুর দেবতা সেদিন জেগে উঠেছিল।
শিব, মৃত্যুর দেবতা, জেগে উঠেছিলেন!
🦅🦅🦅 E A G L E 🦅🦅🦅
Translated by: Habib Siam
তালাকোনা থানা।
স্যার, সিআই এর সাথে দেখা করতে চাই।
উনি ফ্রী আছেন, দেখা করতে পারো।
ধন্যবাদ।
আমার সাথে তর্ক করবি না, নয়তো থিয়েটারে অশ্লীল মুভি দেখানো বন্ধ করিয়ে দিবো।
স্যার...
পরে কল করছি, রাখি।
আপনাকে দেখে সাহসী মনে হয়, ইভটিজিং এর কেস বলে মনে হয় না।
এমন কোনো শহর না যে, আপনার অনুভূতিতে আঘাত পাবেন।
কী হয়েছে, ম্যাম?
কেউ আপনার পার্স চুরি করেছে?
না, স্যার। পাহাড়ের ব্যাপারে তো জানেন আপনি, তাই না?
ওখানে যে লোকটা থাকতো তার ব্যাপারে বলতে পারবেন?
এক বছর আগে কী হয়েছিল?
আমি বলব আর আপনি লিখবেন এমন ছোট কোনো ব্যাপার না এটা।
উনি যা করেছেন তার জন্য উনার প্রশংসাও করতে পারি না, আবার ভুলতেও পারি না।
কোনো মানুষ নন উনি!
এক প্রলয় উনি!
এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না। এখান থেকে যান, প্লিজ।
- স্যার... - ধন্যবাদ।
দেখে তো মনে হচ্ছে না হাল ছেড়ে দিবেন আপনি, তাই না?
এর সাথে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম জড়িত আছে।
এমএলএ অসহায় ছিলেন! এমএলএ!
দেখতে শুনতে সুন্দর মেয়ে তুমি। বাড়ি যাও।
হ্যালো গাইজ, এনজয় কুলিং পার্টি।
ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তালাকোনা থানা।
এখানকার সব পুলিশ অফিসার এলাচ দিয়ে চা খায়।
এলাপেন্টা থেকে সরাসরি।
কড়া জ্বালের মধ্যে,
চা পাতা আর এলাচ গুঁড়ো দুধের মধ্যে মেশানো হয়।
এরপর সব নাড়াতে থাকে।
দাদা, এমএলএ-র বাসায় যেতে চাই।
- ট্যাক্সি পাওয়া যাবে? - লেডিস?
বিখ্যাত লুনা সুরেশের ভক্তকুল। লুনা সুরেশে সাবস্ক্রাইব করুন। টাটা।
উনি কাজ করছে। আমি আছি তো সেজন্য।
ট্যাক্সি চাই? এই যে ট্যাক্সি।
এটা ট্যাক্সি?
এখানে এগুলোই ট্যাক্সি। সস্তা।
সাংবাদিক আপনি?
দিল্লী থেকে।
ওহ, দিল্লীর রমণী।
পানির ট্যাংক আছে কিন্তু পানি নেই, তাই না?
বৃষ্টির সময় জমিয়ে রাখবি। যা!
কী রে লুনা?
ভাই, উনি দিল্লী থেকে এসেছেন।
এমএলএর ইন্টারভিউ নিতে।
সত্যি দিল্লী থেকে এসেছ?
আস্তে শ্বাস ছাড়ুন, আস্তে শ্বাস নিন।
এই তো...
এবার কনিষ্ঠ আঙ্গুলটা নাড়ান তো।
খুব ভালো! ভালো উন্নতি হয়েছে।
চিকিৎসা...
চিকিৎসায় উনি ভালো সাড়া দিচ্ছেন!
হয়েছে, স্যার। আপনার চিকিৎসা শেষ।
অনেক শান্তি পাচ্ছি, ডাক্তার।
ও কে?
স্যার, আমরা জেতাতে ও ইন্টারভিউ নিতে এসেছে।
দিল্লী থেকে।
দিল্লী থেকে?
- বসো। - প্লিজ বসো।
বিজয়ের শুভেচ্ছা, স্যার।
গ্রামটা দেখতে অনেক সুন্দর।
কিন্তু একটা এলাকা নিয়ে সন্দেহ আছে।
কোনটা?
ঐ পাহাড়টা...
বিপি বেড়ে গেছে উনার!
- আরামসে! আরামসে! - উনাকে চেক করুন!
ভয় পাবেন না! ভয় পাবেন না!
এটা চাপুন। এটা চাপুন।
এই বিকাশ।
- পাহাড়ের ব্যাপারে বলতে মানা করিসনি? - না, ডাক্তার।
জিজ্ঞাসা করার আগে ভাবো না?
জনতার নেতার সামনে যা তা কী করে বলতে পারো?
প্রলয়! ধ্বংস!
ওকে নিয়ে যা! ওকে নিয়ে যা!
যাচ্ছি নিয়ে।
আমার সাথে চলো। আপনি অপেক্ষা করুন। চালিয়ে যান। আস্তে।
টেনশন ফিরে এসেছে আবার! টেনশন ফিরে এসেছে আবার!
শান্ত হোন। শান্ত হোন। চলে গেছে। চলে গেছে।
লুনা, গাড়ি চালু কর। তিরুপাথির বাসে তুলে দিবি।
ওখান থেকে যেকোনো ফ্লাইটে চলে যাবে।
- কোনো ইন্টারভিউ নিতে পারবে না তুমি। যাও। - কেন, ভাই?
দেখ, আমার হাত কাঁপছে।
বাইক স্টার্ট কর।
চলে যাও। তোমাকে ভিতরে নিয়ে গিয়েই ভুল করেছি।
যাও দয়া করে। এখানে কোনো তথ্য পাবে না।
আমি যাচ্ছি না এখান থেকে।
পুরা কেলেঙ্কারিটাকে সামনে নিয়ে আসব আমি।
কোন কেলেঙ্কারি?
তোমার হাতে একটা নাম্বার ট্যাটু করা আছে।
বিশেষ কোনো নাম্বার হবে হয়তো।
এটা বিশেষ কোনো নাম্বার না। আমার জন্মদিন...
দেখো, আমি মোটামুটি নিশ্চিত এটা কোনো লকারের কোড।
পি তে পাঞ্জাব ন্যানশাল ব্যাংক।
এই, সিএফও অবশ্য আমার বন্ধু।
একটা কল করব আর তোমার সকল বেনামী সম্পত্তি সামনে চলে আসবে।
তোমার এমএলএ তোমাকে মেরে ফেলবে।
বুঝেছি।
এখানে কেন?
এটা কোনো পাবলিক এনাউন্সমেন্ট না।
মহিষদের মাঝে নিরাপদ থাকবে।
সময়টা ছিল ভোর।
পূর্ব প্রান্তের পাহাড়।
এটাই শিরোনাম।
শোনো।
পাহাড়ের চূড়ায় ১০ একর সবুজ ভূমির ওপর একটা নিরিবিলি ফার্মহাউজ ছিল।
তারই পাশে একটা তুলার কারখানা ছিল।
দুটো উপজাতির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছিল এক ভদ্রলোক।
জায়গাটা ছিল সতেজ বাতাস, নিরীহ লোকজন আর উৎকৃষ্ট মানের তুলায় পরিপূর্ণ।
আদিবাসিরা তাকে দেবতা মানতো--
এতো বর্ণনা না দিয়ে উনার ব্যাপারে বলো।
মোদ্দা কথা হচ্ছে, উনার অনুমতি ছাড়া একটা পিঁপড়াও ভেতরে যেতে পারত না।
একটা পিঁপড়াও পারতো না?
পরিচিতিটা দিচ্ছি।
যেভাবে ধনুক ধরেছিস, নিশানা ভেদ করতে পারবি না।
বাতাসের কথা মাথায় রেখে নিশানা লাগাতে হবে।
উন্নয়নের বাস্তবায়ন!
আমাদের মদনপল্লীর নেতাকে নির্বাচিত করার একটা সুযোগ এখনও রয়েছে।
আমাদের প্রিয় নেতা চিল্লার সোমেশ্বর রেড্ডিকে মাইক মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।
No comments yet. Be the first to leave one.