Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আরমান আল মাহমুদ
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - জ্যোতির্ময় সজ্জন
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - আসিফ নেওয়াজ
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - আরমান আল মাহমুদ
- JSA - - JOINT SECURITY AREA - - যৌথ নিরাপত্তা এলাকা -
যৌথ নিরাপত্তা এলাকায় ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের পর তিনদিন কেটে গেছে।
দুই কোরিয়া নিজেদের মধ্যে যৌথভাবে তদন্ত চালাতে ব্যর্থ হয়েছে...
কিন্তু মধ্যস্থতাকারীরা এর সমাধানের ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত অগ্রগতি সাধন করেছে।
আজ বিকেলে দুই দেশের কর্তৃপক্ষ...
NNSC এর তদন্তে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে।
উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে...
উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি...
এবং পূর্ব সাগরে থাকা অগ্রসরমান...
মার্কিন নৌ-জাহাজ।
যুক্তিসঙ্গতভাবে সাবধানতা অবলম্বন করে এই সমস্যা সমাধানের...
অপরিহার্যতার ব্যাপারে, দুই দেশের মুখপাত্র মন্তব্য করেছেন...
যাতে করে এই তুচ্ছ দ্বন্দ্ব, যুদ্ধে না পরিণত হয়।
উত্তরকালীন চুক্তি, সুইজারল্যান্ড এবং সুইডেন থেকে আসা...
NNSC এর অনুসন্ধানী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিচারকবর্গের নিকট আছে।
জাতির নিরপেক্ষ অবেক্ষণমূলক কমিশনে স্বাগতম।
- NNSC - - Neutral Nations Supervisory Commission - - জাতির নিরপেক্ষ অবেক্ষণমূলক কমিশন -
১৯৫৩ এর পর আপনিই প্রথম কোনো মহিলা স্টাফ হিসেবে JSA -তে এসেছেন।
তাই নাকি?
- যাত্রা ভালো ছিল? - ইয়েস, স্যার।
বসুন মেজর।
জেনারেল বোটা একজন নৃতত্ত্ববিদও।
এখন পলিনেশিয়ান এলাকা নিয়ে পড়াশোনা করছেন।
তো...
আর্মচেয়ার-ধারী নৃতত্ত্ববিদ?
এই আর্মচেয়ার আর আরামদায়ক নেই, সেই নোংরা ঘটনার পর থেকে।
যাচ্ছেতাই!
তারপর...
কতো বছর বয়সে সুইজারল্যান্ডে যান?
আমার বাবা একজন কোরিয়ান। আমি জন্মেছি ও বড় হয়েছি জেনেভায়।
সেখানেই কোরিয়ান ভাষা শিখেছেন।
কিন্তু এই প্রথম কোরিয়ায় এসেছেন।
এটা খুবই স্পেশাল কেস।
অপরাধী ইতিমধ্যে হেফাজতে আছে।
এবং দোষও স্বীকার করে নিয়েছে।
আমাদের কাজ হলো, কে করেছে না বের করে কেন করেছে সেটা বের করা।
আমাদের ফলাফল চাই না চাই প্রক্রিয়া।
এই মুহূর্তে কোরিয়ান উপদ্বীপ উত্তেজনা ও পুনর্বিচারের মাঝে অবস্থান করছে।
বেইজিং এবং ফানমুনজোমে আলোচনা চলছে।
একই সময়ে, সংঘর্ষও চলছে।
সংক্ষেপে বললে, দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা আপাতদৃষ্টিতে একটি শুকনো বনের মধ্যে চলছে।
একটা ছোট স্ফুলিঙ্গই, গোটা বনকে জ্বালিয়ে শেষ করে দিতে পারে।
আপনার মূল লক্ষ্য হলো সম্পূর্ণরূপে নিরপেক্ষ থাকা।
এবং উত্তর বা দক্ষিণ, কোনো কোরিয়াকেই প্ররোচিত না করা।
বুঝেছেন?
তাহলে, আমার কাজটা হলো বর্ডারলাইনে দাঁড়িয়ে থেকে জিজ্ঞেস করা:
দয়াকরে বলবেন কেন গুলি চালিয়েছিলেন?
যুদ্ধ শুরু হলে গুলি করতে!
একটাকেও মারতে পারোনি?
আবার নিজেকে সৈনিক বলে পরিচয় দাও?
ভেবেছিলাম আমার মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য সার্জেন্ট লি কে উদ্ধার করা।
- তাই... - তাই?
তাই নিশানা লাগাতে পারোনি?
গাছে গুলি করার অর্ডার ছিল?
অর্ডার ছিল তাদেরকে ভয় পাইয়ে উদ্ধারকারী দলকে কভার দেওয়া।
কী? এই, এই।
- তুমি নিশ্চিত যে ভয় পাওনি? - আমি যুদ্ধ লাগাতে চাইনি, স্যার।
কী? একজন সৈনিক যুদ্ধের ভয়ে ছিল?
গাধার...
কী হয়েছে?
রিপোর্টিং, স্যার!
এতো সহজে কখনো যুদ্ধ লাগে না। বরখাস্ত করলাম।
ইয়েস, স্যার!
এই ঘটনাটা নিশ্চয়ই...
সুস্পষ্ট নয় তাইনা?
শত্রুরাই আমাদের সৈন্যকে অপহরণ করে...
আর দাবী করছে স্বেচ্ছায় সেখানে গিয়েছিল সে।
- ঠিক তো? - হ্যাঁ, স্যার!
আমাদের ছেলে... তোমার নামটা কী যেন?
- সার্জেন্ট লি সু-হিউক, স্যার! - হ্যাঁ, সু-হিউক।
ঝামেলাটা দ্রুত মিটিয়ে ফেলা যাক, তাহলে সু-হিউক একটু ছুটিতে যেতে পারবে।
আমাদের দামাল ছেলে শয়তানগুলোর দুইটাকে মেরেছে।
বাঘের বাচ্চা!
তাইনা, মেজর জিন?
তদন্তে আপনার মতামত উল্লেখ করা হবে।
এখন সন্দেহভাজনকে NNSC তার হেফাজতে নিচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার কোনো সামরিক কর্মকর্তা আমার অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করতে পারবে না।
জাতির নিরপেক্ষ অবেক্ষণমূলক কমিশন (NNSC)?
পৃথিবীতে দুই ধরণের মানুষ রয়েছে...
শত্রু, এবং শত্রুদের শত্রু।
এরমধ্যে নিরপেক্ষের কোনো স্থান নেই।
পক্ষটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে।
আইন স্কুলে পড়েছেন, না?
আমার বিশ্বাস বিজ্ঞের পরিচয় দিবেন।
আমি সুইজারল্যান্ডের মেজর সোফি জিন।
ইনি সুইডেনের ক্যাপ্টেন পার্সন।
সে এখনো শকে আছে।
ভোঁতা কিছু দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়।
এই ক্ষতটাই প্রমাণ করে তাকে অপহরণ করা হয়।
আমাদের কেউ বলে মনে হচ্ছে!
নিচে নামো! সু-হিউক!
যৌথ নিরাপত্তা এলাকায়, আমাদের উত্তর প্রতিরক্ষা ক্যাম্পে...
দক্ষিণ কোরিয়ার শত্রুতাপূর্ণ প্ররোচনা...
আমি যতটা ভেবেছিলাম তারচেয়েও বেশি কাছাকাছি দুই দেশ।
হ্যাঁ, ওদিকের কেউ পাদ মারলেও শুনতে পাবেন।
কোরিয়ান যুদ্ধের পর, উত্তর কোরিয়ান বন্দীরা এই ব্রিজ দিয়ে ফিরে আসে।
তাদেরকে ফেরত পাঠানো হলে, আর ফিরে আসেনি।
তাই এই ব্রিজকে "না ফেরার ব্রিজ" বলা হয়।
কুড়াল দিয়ে খুনের ঘটনা সম্পর্কে তো জানেন।
আমেরিকানদের কুড়াল দিয়ে খুন করা হয় যখন তারা ওই গাছটায় কাজ করছিল।
একেবারে মিলিটারি সীমারেখার উপর।
সাজানো বলে মনে হচ্ছে না?
এখানটায় লেফটেন্যান্ট ছোইয়ের লাশ পাওয়া যায়।
আর এখানে প্রাইভেট জুং পড়ে ছিল।
বাঙ্কার...
দক্ষিণের নির্দয় সৈন্যরা, উত্তরে অনধিকার প্রবেশ বন্ধ করো।
প্রাইভেট জুং একজন মেধাবী আর্টিস্ট ছিল।
একটা ন্যাশনাল কন্টেস্টে পুরষ্কারও জিতে।
সৈন্যদের প্রেমিকার ছবি এঁকে দিতো বলে তাদের ভিতর জনপ্রিয় ছিল।
লি সু-হিউক আমাদের পোস্ট ছেড়ে যাওয়া মাত্রই...
তার জের ধরে দক্ষিণাঞ্চলীয় সৈন্যরা আমাদের উপর হামলা চালায়।
এটা খুবই সৌভাগ্যের যে সার্জেন্ট ওহ বেঁচে ছিল।
তা না হলে দক্ষিণারা ইনিয়ে বিনিয়ে মিথ্যে বলে...
নির্লজ্জভাবে আমাদের উপর দোষ চাপাতো।
ঠিক যেভাবে এখন বলছে।
বিশ্বাস করতে যাচ্ছে কে?
আমাদের কাছে সাক্ষী আছে।
উঠবেন না।
NNSC এর মেজর জিন এসেছেন।
ভালো আছেন?
তেমন বড় কিছু হয়নি।
এটা লিবিয়ার এক জঙ্গির কাজ, ছুরি দিয়ে কেটে দেয়।
একবার মিশরে, বেয়োনেটের আঁচড় লেগেছিল।
দেখবেন?
তাই নাকি?
দেখবো একবার?
কিছু হয়নি দেখে খুশি হলাম।
এখন তাহলে, সেই রাতের কথা বলতে পারবেন?
আমার জবানবন্দিতে সব দেয়া আছে।
কোমায় থাকাকালীন যে জবানবন্দি বানিয়ে সাইন করেছিলেন, সেটার কথা বলছেন?
বেকুব মাইয়া!
এইমাত্র কী বললেন?
আপনাদের জবানবন্দি আছে বলে আমার সাথে কথা বলবেন না?
লেফটেন্যান্ট, আপনার ছুটি সম্বন্ধে বলুন।
প্রতিবারের মতোই ছিল।
- বলুন না! - তেমন বিশেষ কিছু ছিল না।
নেমে পড়ো!
এটা সাইকোলজিক্যাল খেলা। পরিবারকে ইচ্ছাকৃতভাবে ডেকে আনা হয়েছে।
দুইবার গুলি করা হয়।
প্রথমটা ডান বুকে...
যা পাঁজর চূর্ণ করে ফুসফুসের মধ্য দিয়ে যায়।
কিন্তু এটা খুব একটা সাংঘাতিক নয়।
দ্বিতীয়টা বেশি মারাত্মক ছিল।
এক দিক দিয়ে বিচার করলে, ফাঁপা স্থানে গুলি করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য একটা অসন্তোষজনক প্রমাণ পাওয়া গেলো।
সেটা কী?
মারা যাওয়ার পরও কাউকে গুলি করার মানে,
খুনটা তাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।
সাধারণত খুনের মোটিভ প্রতিশোধ হলে এরকমটা ঘটে থাকে।
অন্যজনের ক্ষেত্রে...
সর্বমোট আটটা গুলি করা হয়।
যা অবিশ্বাস্য।
খুব কাছ থেকে করা গুলিগুলো, তাকে ভেদ করে যায়।
প্রথম গুলিটা মুখে আঘাত করে, সম্ভবত সাথে সাথে মৃত্যু হয়।
বাকীগুলো কেবলই একটা মৃতদেহে করা হয়।
উল্টাও।
ছোইকেও একইভাবে খুব কাছে থেকে গুলি করে মারা হয়।
কিন্তু বাকী গুলিগুলো করা হয় শুধুমাত্র ঝোঁকের বশে।
এটাই অন্যতম পার্থক্য।
লি সু-হিউক।
একজন লোক।
দেখতেই পাচ্ছি।
একবার সে ডিউটিতে থাকাকালীন...
ওদিকের লোকেরা আমাদের প্রেসিডেন্টকে গালি দেয়।
সু-হিউক সেটা শুনতে পায়।
তাই সে পাথর ছুঁড়ে তাদের জানালা ভেঙে দেয়।
তখন আমার সৈন্যদের জড়ো করে তাকে বলি:
"বেশ করেছো! লাল সেলাম!"
একবার এক সার্চ মিশনে ও পিছনে থেকে যায়।
স্কোয়াডের মধ্যে হইচই শুরু হয়ে যায়।
এরপর চার ঘণ্টা বাদে, ও ফিরে আসে।
তখন বলে একটা মাইনের মধ্যে ফেঁসে যায় আর সেটাকে নষ্ট করতে হয়।
ধুর!
যাইহোক, তখনই বুঝে গেলাম।
ছেলেটা সত্যিই অসাধারণ।
জোরালো স্নায়ুবিক শক্তিসম্পন্ন ছেলে।
নাম সুং-শিক...
ঘটনার দিন সার্জেন্ট লিয়ের সঙ্গে আপনিও তো ডিউটিতে ছিলেন।
- ঠিক তো? - ইয়েস, ম্যাম!
আমি বয়রা নই।
সার্জেন্ট লি একা বাইরে যায় কেন?
প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে।
সেজন্য কি কোনো সৈন্য তার পোস্ট ছাড়তে পারে?
সে বলেছিল যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে...
ওটা পেলে তারা একটু সুযোগ নেয়ার অধিকার রাখে।
সার্জেন্ট লিয়ের বন্দুকে কয়টা বুলেট বাকী ছিল?
পাঁচটা।
লাশের মধ্যে কয়টা ছিল?
সার্জেন্ট ওহ এর শরীরে যেটা লেগেছিল সেটা সহ ধরলে ১১টা।
ম্যাগাজিনে কয়টা বুলেট লোড করা যায়?
১৫টা, কিন্তু...
একটু চেপে করলে ১৬টাও করা যায়।
ঠিক।
কয়টা বুলেট লোড করবেন, সেটা আপনার অভ্যাসের উপর নির্ভর করে।
No comments yet. Be the first to leave one.